• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

শিশু নিপীড়ন বাড়ছেই

Admin by Admin
জুলাই ২১, ২০১৯
in খবর
0 0
0
শিশু নিপীড়ন বাড়ছেই
0
SHARES
33
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধি। গোটা দুনিয়ার প্রতিটি দেশে কম-বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা আমাদের দেশে যে হারে বাড়ছে, দুনিয়ার অন্য কোনো দেশে সে হারে ঘটছে না। এর মূল কারণ হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অভাব ও সামাজিক অবক্ষয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন শীর্ষে। কারণ আমাদের দেশে সুশাসনের অভাবে ঘুষ, দুর্নীতি, ব্যাভিচারের মতো ঘটনা দেদার ঘটছে। অপরাধ করে সহসাই অনেকেই পার পেয়ে যায়। ফলে শিশু ধর্ষণের মতো অমানবিক জঘন্য অপরাধ কমার বদলে শুধুই বাড়ছে। যেকোনো দেশে অপরাধীরা অপরাধ করে যদি শাস্তি পেতে না হয়, তাহলে অপরাধ প্রবণতা বাড়বেই, এটাই স্বাভাবিক। আর এ কারণেই আমাদের দেশে শিশু ধর্ষণ মহামারিতে রূপ নিয়েছে। আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) হিসাবে গত পাঁচ বছরে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা আর ধর্ষণজনিত হত্যার মূল শিকার হয়েছে শিশু অথবা সদ্য অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীরা। সংস্থাটির হিসাবে বলা হয়েছে, ধর্ষণের শিকার ৮৬ শতাংশই শিশু ও কিশোরী। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার শিকার নারীর সংখ্যা প্রায় চার হাজার। কিন্তু পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে গত পাঁচ বছরে আরো বেশি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আইন ও সালিস কেন্দ্রের হিসাব এবং খোদ পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে ফারাক থাকলেও শিশু ধর্ষণের ঘটনা যে বাড়ছে, যা নিশ্চিত করেই বলা যায়। প্রকৃত অর্থে কি পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে তা সঠিকভাবে নিরূপণে সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে কোনো তথ্যভা-ার না থাকায় প্রকৃত হিসাবে গরমিল হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘ধর্ষণের সব ঘটনায় মামলা হয় না। পরিবার প্রথমেই ঘটনা গোপন করতে চায়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ঘটনা ঘটছে ঘরের ভেতরে, আপনজনদের মাধ্যমে। ধর্ষণের পর শিশু বিষাদগ্রস্ত হলে বা সবাই জেনে গেলে তখনই পরিবার মামলা করে’। এমনি প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। দুই বছরের নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাই প্রমাণ করে, সামাজিক অবক্ষয় মানুষকে পশুর মতো নিকৃষ্ট স্থানে নিয়ে গেছে। মানুষ নামের এসব নরপশুদেরকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বাস্তবতা হচ্ছে, আইনের শাসনকে নিশ্চিত করতে না পারলে শিশু কিশোরী ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ রোধ করা কঠিন হবে। এ ব্যাপারে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চাইল্ড এডোলেসেন্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি সাইক্রিয়াটির সহযোগি অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানির শিকার শিশুদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, শতকরা ৭৫ ভাগ যৌন হয়রানির ঘটনাই ঘটে পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বন্ধু বা আত্মীয়দের মাধ্যমে। পাশাপাশি ছেলে শিশুরাও যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সহমত প্রকাশ করে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামও বলছে, যৌন নিপীড়নের শিকার শতকরা পাঁচ ভাগ ছেলে শিশু। আর ৯৫ ভাগ মেয়ে শিশু ধর্ষণ ছাড়াও নানাভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। আবার সংঘবদ্ধ ভাবেও শিশু ধর্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি ধর্ষণের পর হত্যাও করা হচ্ছে। যার কবল থেকে প্রতিবন্ধী শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। শিশু অধিকার ফোরামের হিসাব মতে, ২০১৪ সালে ১৯৯ জন, ২০১৫ সালে ৫২১ জন, ২০১৬ সালে ৪৪৬ জন, ২০১৭ সালে ৫৯৩ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিস কেন্দ্রের আয়োজনে ‘অনলাইনে শিশু যৌন হয়রানি প্রতিরোধ: আইনি পর্যালোচলা’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় সংস্থাটির শিশু অধিকার ইউনিটের সমন্বয়কারী অম্বিকা রায় জানান, ২০১১ সাল থেকে ২০১৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৬৮ জন শিশু অনলাইনে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সাইবার অপরাধের শিকার ১৩৩ জন নারী ও পুরুষের ওপর পরিচালিত এক গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হলে অনলাইনে যৌন হয়রানির সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে। ৫৪ শতাংশ ভিকটিম যৌন হয়রানি বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুবান্ধব আইনের অভাব ও প্রচলিত আইনের সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে শিশুদের প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছেই। একই আলোচনা সভায় শিশু যৌন হয়রানির বিষয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, তথ্য ও প্রযুক্তি আইন এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের পর্যালোচনা করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক সাইমুম রেজা তালুকদার বলেন, অনলাইনে শিশুদের অপরাধ বা অপরাধের শিকার শিশুদের বিচার নিয়ে বাংলাদেশে কোনো আইনে স্পষ্ট কিছু বলা নেই। সাইবার অপরাধ বন্ধে এবং শিশুদের সুরক্ষায় আইনের স্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা দরকার।
সন্তানকে নিয়ে প্রতিটি বাবা মায়েই স্বপ্ন দেখেন। সে স্বপ্ন ধর্নী-নির্ধন প্রতিটি বাবা মায়েরই সমান। সম্ভাবনাময় এমনি কত শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে নিষ্পাপ বয়সেই কলংকের বোঝা নিয়েই বেড়ে উঠছে। হয়ত সম্ভ্রম হারানোর ব্যথা সইতে না পেরে কতজনই না আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছে। এ ধরনের যৌন নির্যাতনের ঘটনা এখন নিত্য দিনের। ফলে প্রতিটি বাবা মায়ের সময় কাটে অজানা কোন আতঙ্কে। কিন্তু আমরা তো সভ্য যুগে বসবাস করছি। তারপরও কেন অসভ্য যুগের মতো বর্বরোচিত ঘটনা ঘটছে। সমাজ সভ্যতার বিকাশ ঘটছে। মানুষের জীবন মানের উন্নতি হচ্ছে। এরপরও কেন মানুষগুলো এখন পশুর ন্যায় আচরণ করছে? আবার তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি ঘটেছে। যার সুবাদে এখন মোবাইল, কম্পিউটারের ব্যবহার বেড়েছে। এখন পর্নোগ্রাফির যথেচ্ছা ব্যবহার তরুণ ও কিশোরদের বিপথগামী করছে। মেমোরি কার্ড যেমন সহজলভ্য হয়েছে, তেমনি মেমোরীর সুবাদে নগ্ন যৌনাচারের ছবি দেখে ছেলে মেয়েদের মধ্যে কাম উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধর্ষণের মতো ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তরুণ কিশোরদের বিপথগামী করতে পারে এমন প্রযুক্তির ব্যবহার রোধ করতে না পারলে যৌন নির্যাতনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে। এমনকি এসব পর্নোগ্রাফির কারণে অপরিণত বয়সে বিয়ের ঘটনাও ঘটছে। অথচ বাল্য বিয়ে বন্ধে নানা ভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করা হলেও কাক্সিক্ষত পর্যায়ে সুফল মিলছে না। শিশুদের যৌন নিপীড়ণের হাত থেকে রক্ষায় কাজ করছে বেসরকারি সংগঠন ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানা এ প্রসঙ্গে বলেন, অনেক সময়ই পরিচিত ও আপনজনরাই শিশুদের চকলেট, লিপিস্টিক বা আকর্ষণীয় কোনো পণ্যের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করছে। তাই সন্তান একটু বড়ো হলেই ওদের বুঝাতে হবে, সচেতন করতে হবে, কেউ যেন কিছু দিতে চাইলেই সে দিকে লোভ না করে। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই হবে, যার কোনো বিকল্প নেই। সম্ভব হলে বাবা-মা ভাই-বোনদের ওদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে! যেন অনাকাক্সিক্ষত কোনো ঘটনা না ঘটে। কি নিদারুণ এক অজানা আতঙ্ক নিয়ে আমাদের বসবাস করতে হবে। যা ভাবতে কষ্ট লাগে। কিন্তু উপায় কী? যান্ত্রিক যুগে মানুষের মধ্যে দয়া, মায়া, মমতা, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ সবই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পশুর চেয়েও মানুষ এখন হিংস্র হচ্ছে। তাই সন্তানদের আগলে রেখে বড়ো করতে হবে। কি এক অসভ্য যুগে আমাদের বসবাস? আবার আপনজনের কাছে সন্তানের যেমন নিরাপত্তা নেই, যেমনি স্ত্রীর হাতে স্বামীরও নিরাপত্তা নেই, আবার স্বামীর হাতে স্ত্রীরও নিরাপত্তা নেই। মনে হয় কোনো অন্ধকার যুগের পথেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি!
শুধু এটুকুই বলতে চাই, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেকাংশেই কঠিন হবে। প্রতিটি শিশুই আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম। ওদের স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ আমাদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। যার হাতে শিশুর নিরাপত্তা বিঘিœত হচ্ছে, তাকে ভাবতে হবে তার ঘরেও শিশু সন্তান আছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ওরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে, এটাই বাস্তবতা। দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মদের নিরাপদে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। যা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সবাইকে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তানা হলে শিশু ধর্ষণের মতো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা রোধ করা অনেকাংশেই কঠিন হবে।
আব্দুল হাই রঞ্জু : প্রাবন্ধিক।

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

এক বছরে রপ্তানি আয় কমলো ৭ বিলিয়ন ডলার

আজ নতুন সরকারের শপথ

Previous Post

নতুন ভ্যাট আইন

Next Post

ধর্ষণ, ধর্ষক ও আমাদের অঙ্গীকার

Admin

Admin

Next Post
ধর্ষণ, ধর্ষক ও আমাদের অঙ্গীকার

ধর্ষণ, ধর্ষক ও আমাদের অঙ্গীকার

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 7 3 6
Users Today : 29
Views Today : 29
Total views : 177432
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In