বিভাগীয় সম্পাদক ● আজ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ইস্টার সানডে । খ্রিষ্ট বিশ্বাসীদের মতে, এ দিন খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট মৃত্যু থেকে পুনরুত্থান করেছিলেন। তাই এটিকে পুনরুত্থান দিবসও বলা হয়। দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সংবেদনশীল ও আনন্দের।
খ্রিষ্টান ধর্মমতে, দিবসটিতে ঈশ্বরপুত্র যিশুখ্রিষ্ট মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হয়ে তাদের পাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। পুণ্য শুক্রবার বা গুড ফ্রাইডেতে বিপথগামী ইহুদি শাসকগোষ্ঠী তাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন শাসনব্যবস্থা রক্ষায় যিশুখ্রিষ্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর তৃতীয় দিন রোববার তিনি মৃত্যু থেকে জেগে ওঠেন বা পুনরুত্থান করেন। যিশুখ্রিষ্টের পুনরুত্থানের এই রবিবারকে ইস্টার সানডে বলা হয়।
ইস্টার সানডে নির্দিষ্ট কোনো তারিখে পালিত হয় না। বলা হয়, ২১ মার্চের পর যখন আকাশে প্রথম পূর্ণ চাঁদ দেখা যায়, তার পরের রবিবার পালন করা হয়। মূলত গ্রেগরিয়ান ও জুলিয়ান ক্যালেন্ডারসহ বেশ কয়েকটি দিনপঞ্জিকার হিসাব মিলিয়ে বের করা হয় ইস্টারের তারিখ। যা ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মের মধ্যে যে কোনো সময় হতে পারে।
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপিত হবে ইস্টার সানডে। এ উপলক্ষ্যে বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক দুভাবেই চলছে নানা আয়োজন। ইস্টার সানডেতে অনেকেই আপনজনের সমাধিতে মোমবাতি জ্বালিয়ে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে। বিশ্বে অন্যসব দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরাও যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করেন।





Users Today : 97
Views Today : 105
Total views : 179850
