• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● খ্রিস্টের জন্ম থেকে বিশ্বমানবতা: বড়দিনের আত্মিক শক্তি ও শান্তির ডাক ▌ জেমস আব্দুর রহিম রানা

বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● খ্রিস্টের জন্ম থেকে বিশ্বমানবতা: বড়দিনের আত্মিক শক্তি ও শান্তির ডাক ▌ জেমস আব্দুর রহিম রানা

Admin by Admin
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
in ধর্ম-দর্শন, প্রচ্ছদ
0 0
0
বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● খ্রিস্টের জন্ম থেকে বিশ্বমানবতা: বড়দিনের আত্মিক শক্তি ও শান্তির ডাক ▌ জেমস আব্দুর রহিম রানা
0
SHARES
13
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

২৫ ডিসেম্বর―পৃথিবীজুড়ে অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে এই তারিখটি এক বিশেষ আলো নিয়ে হাজির হয়। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা যেমন এই দিনটিকে তাদের মুক্তিদাতা যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব হিসেবে পালন করেন, তেমনি অনেক ধর্ম–বর্ণের মানুষের কাছে বড়দিন একটি মানবিক উৎসব, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার উজ্জ্বল স্মারক। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ বড়দিন উদ্‌যাপন করেন ভালোবাসা, শান্তি, দয়া আর পারস্পরিক শ্রদ্ধার বাণী ধারণ করে।
বড়দিন ঠিক কী? শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব? নাকি এটি আধ্যাত্মিক এক শিকড়, যা মানুষের হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে আলো, আশার স্ফুলিঙ্গ, জীবনের প্রতি নতুন বিশ্বাস? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হয় সেই দূর অতীতে―এক শীতল রাত্রিতে বেতলেহেমের উপকণ্ঠে এক সাধারণ গোয়ালঘরের মধ্যে জন্ম নেন যিশু, যিনি পরে মানব ইতিহাসে সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, দয়া ও মানবপ্রেমের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।
যিশুর জন্মের ঘটনাটি কেবল ধর্মীয় কাহিনি নয়; এটি সমাজবিজ্ঞানের দিক থেকেও শক্তিশালী বার্তা বহন করে। তিনি জন্মেছিলেন ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে দূরে, গরিব মানুষের আবাসে―এজন্যই খ্রিস্টধর্মে যিশুর আগমনকে বলা হয় “ঈশ্বরের মানুষের রূপ ধারণ।” ধারণাটি বলে―মানুষের দুঃখ–কষ্ট, অবজ্ঞা ও ক্ষুধাকে ঈশ্বর এতটাই গুরুত্ব দিয়েছিলেন যে তিনি সেই জীবনকে স্পর্শ করতে নিজেই দুর্বল মানুষের মতো পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন। এই বিশ্বাস বড়দিনকে প্রাতিষ্ঠানিক আনন্দের বাইরে এনে দেয় গভীর মানবিকতা ও সামাজিক ন্যায়ের প্রসঙ্গে।
দুই হাজার বছরের ধর্মীয় ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, যিশুর জন্মের পর পৃথিবী ক্রমশ নতুন ধারণার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ক্ষমা করার শক্তি, শত্রুকেও ভালোবাসার শিক্ষা, দরিদ্রদের সাথে সম্পদ ভাগাভাগি, অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ―এসবই যিশুর জীবনদর্শনের মূল ভিত্তি। তাই বড়দিনকে অনেক গবেষক বলেন “মানবিক নৈতিকতার সর্বজনীন উৎসব”। ধর্মীয় কিংবা সাংস্কৃতিক সীমানার বাইরে এর আবেদন আজ এক বিস্তৃত বৈশ্বিক চেতনা।
বড়দিন উদ্‌যাপনের বিবর্তনও বিস্ময়কর। প্রথমদিকে একে সীমিত পরিসরে ধর্মীয় আচার হিসেবে পালিত হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি আত্মিক ও সামাজিক মিলনের রূপ লাভ করে। মধ্যযুগে ইউরোপে বড়দিন ব্যাপক উৎসব হয়ে ওঠে। সেখান থেকে ক্রমশ আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি দেশ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির আলোকে বড়দিনকে রূপ দিয়েছে আলাদাভাবে, তবে কেন্দ্রীয় বার্তাটি একই―মানুষকে ভালোবাসা, ক্ষমা ও শান্তির পথে আহ্বান।
আজকের পৃথিবীতে বড়দিনের প্রতীকগুলিও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ক্রিসমাস ট্রি, তারকাচিহ্ন, ঘণ্টা, মোমবাতি, সান্তা ক্লজ―এসবই আনন্দ, দয়া, আলো আর আশার প্রতিচ্ছবি। ক্রিসমাস ট্রি মানুষের জীবনের অমলিনতার প্রতীক; শীতের নির্জীবতার মধ্যেও চিরসবুজের মতো টিকে থাকা আশার প্রতিফলন। বড়দিনের তারা মানবজাতির পথনির্দেশ করে―অন্ধকার যতই ঘন হোক, সত্যের সন্ধান পেতে হলে আলো খুঁজতে হবে। মোমবাতির আলো মানুষের অন্তরজগতের পরিচ্ছন্নতা ও আধ্যাত্মিক জাগরণের প্রতীক। আর সান্তা ক্লজ―দানের আনন্দকে শিশুদের হাসিমুখে ছড়িয়ে দেওয়া এক মহামানবের ইতিহাস থেকে উঠে আসা চরিত্র।
আজকের বাংলাদেশেও বড়দিন শুধু এক ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সামাজিক সম্প্রীতির বহিঃপ্রকাশ। দেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গির্জাগুলোতে মধ্যরাতের প্রার্থনা, গান, ধ্যান, উপাসনা―সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হয় শুভ্র পবিত্রতার এক আবহ। বিভিন্ন গির্জায় অনেক মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যোগ দেন মানবতার এই উৎসবে। মোমবাতির আলো, প্রার্থনার সুর, হাসিমুখে উপহার বিনিময়―সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক শান্ত, কোমল ও সৌহার্দ্যময় পরিবেশ।
অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও বড়দিনে খ্রিস্টান আত্মীয়-পরিজনের বাড়িতে যান; অফিস, প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজগুলোতে হয় বিশেষ আয়োজন; অনেক স্থানে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হয়। এসবই প্রমাণ করে―বাংলাদেশ বহুসংস্কৃতির দেশ, যেখানে ধর্মীয় উৎসব মানে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, একসাথে থাকার ঘোষণা।
বড়দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দান। যিশুর শিক্ষা ছিল―যারা অসহায়, তাদের কাছে থেকে দূরে থাকা যাবে না। ভালোবাসা কেবল কথায় নয়, কাজে প্রকাশ করতে হবে। তাই বড়দিনে অসংখ্য মানুষ দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ান।
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বড়দিন আরও অর্থবহ। পৃথিবীর বহু স্থানে সংঘাত, দারিদ্র্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন, পরিবেশধ্বংস ও বৈষম্য মানুষকে সংকটে ফেলেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে শিশুরা বড়দিনের আনন্দ লাভ করতে পারে না। লক্ষ লক্ষ মানুষ আশ্রয়হীন। এই বাস্তবতার মধ্যে বড়দিনের শান্তির বাণী মানবসভ্যতার জন্য প্রয়োজনীয় এক সতেজ বাতাস। এটি মনে করিয়ে দেয়―ঘৃণা, সহিংসতা ও স্বার্থপরতা দিয়ে কোনো সভ্যতা টিকে থাকে না। টিকে থাকে ভালোবাসা, ক্ষমা এবং মানবিকতায়।
বাংলাদেশের মতো বহুধর্মীয় দেশে বড়দিন সহনশীলতা ও সহযোগিতার মূল্য আরও বৃদ্ধি করে। ধর্মীয় সম্প্রীতি কেবল আইন বা রাষ্ট্রব্যবস্থার মাধ্যমে জোর করে প্রতিষ্ঠা করা যায় না―এটি স্থায়ী হয় মানুষের হৃদয় ও আচরণের মধ্যে। বড়দিন সেই হৃদয়কে নরম করে, অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়ায়, সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনকে শক্তিশালী করে।
যিশুর জন্মের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড়দিন আমাদের নিজেদেরও একটি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়―মানবতা কি আজ ঠিক সেই অবস্থানে আছে, যেখান থেকে যিশুর শিক্ষা আমাদের বের করে আনতে চেয়েছিল? আমরা কি এখনো মানুষের দুঃখকে নিজের দুঃখ ভাবতে পারি? ক্ষুধার্ত মানুষের মুখ, নিপীড়িতের আর্তনাদ, গৃহহীন শিশুর চোখ কি আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়? বড়দিন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নেওয়ার সময়। আজকের দিনে যিশুর শিক্ষা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি সামাজিক ন্যায়, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান এবং ব্যক্তি-মানসের পরিশুদ্ধির আহ্বান।
বড়দিন তাই এক গভীর দার্শনিক চেতনাও। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়―জীবন একটি যাত্রা যেখানে আলো খুঁজতে হলে অন্ধকারের মধ্যেও বিশ্বাস নিয়ে এগোতে হয়। যিশুর জীবনাদর্শ আমাদের শেখায়―দয়া শক্তি, ক্ষমা সাহস, আর ভালোবাসাই মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। কোনো ঘৃণা, কোনো বৈষম্য, কোনো সহিংসতা কখনো ভালোবাসাকে হারাতে পারে না। বর্ষশেষের উৎসব হিসেবে বড়দিন তাই এক নতুন সূচনার প্রতীক―অন্তরের অন্ধকার কাটিয়ে আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান।
বড়দিন কেবল যিশুর জন্মস্মরণ নয়; এটি নতুন বছরের আশার শিখা প্রজ্জ্বলনের দিন। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র―সব ক্ষেত্রেই এই বার্তা প্রতিধ্বনিত হোক যে মানুষকে ভালোবাসা ছাড়া কোনো উন্নতি স্থায়ী নয়।
শুভ বড়দিন আমাদের শেখায়―একটি ছোটো আলোই অন্ধকার ভেদ করতে সক্ষম। একজন মানুষের হৃদয়ে জন্ম নেয়া একটি শুভেচ্ছাই পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে। তাই বড়দিনের প্রকৃত অর্থ হলো ভালোবাসা, মানবতা এবং শান্তির পথে নতুন করে যাত্রা শুরু।
জেমস আব্দুর রহিম রানা: খ্রীষ্টিয় ধর্মতত্ত্ববিদ, জ্যেষ্ঠ গণমাধ্যমকর্মী ও কলামিস্ট।

Previous Post

বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● একজন পাপী স্ত্রী লোকের মুক্তি ○ পাস্টর কিশোর তালুকদার

Next Post

বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● শুভ বড়দিনের তাৎপর্য―যীশুর ভালোবাসা ও ধৈর্যের আলোয় নতুন মানবতা ▌ জন দাস

Admin

Admin

Next Post
বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● শুভ বড়দিনের তাৎপর্য―যীশুর ভালোবাসা ও ধৈর্যের আলোয় নতুন মানবতা ▌ জন দাস

বড়দিনের বিশেষ নিবন্ধ ● শুভ বড়দিনের তাৎপর্য―যীশুর ভালোবাসা ও ধৈর্যের আলোয় নতুন মানবতা ▌ জন দাস

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 4 1 5 9
Users Today : 16
Views Today : 18
Total views : 175704
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In