• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, মে ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

ধর্ম-দর্শন ● ঈমানদারদের পুনরুত্থান ও শয়তানের বন্দীদশা ▌ রেভা. জেমস রানা বিশ্বাস

ধর্ম-দর্শন ● ঈমানদারদের পুনরুত্থান ও শয়তানের বন্দীদশা ▌ রেভা. জেমস রানা বিশ্বাস

Admin by Admin
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
in ধর্ম-দর্শন, প্রচ্ছদ
0 0
0
ধর্ম-দর্শন ● ঈমানদারদের পুনরুত্থান ও শয়তানের বন্দীদশা ▌ রেভা. জেমস রানা বিশ্বাস
0
SHARES
19
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

সুমেরু অঞ্চলে অনুসন্ধানকারী একদল লোকের জাহাজ একটি পর্বতময়, অনুর্বর দ্বীপে গিয়ে ঠেকে গেল। তাদের রসদ দ্রুত কমে যেতে লাগল। তারা তাদের খাবারের সর্বশেষ অংশও খেয়ে ফেলল। তাদের জ্বালানী তেলও কম ছিল। তাপমাত্রা দ্রুত নীচে নেমে যাচ্ছিল আর তারা ঠান্ডায় জমে যাচ্ছিল। দুঃসময়ে জন্য তারা নিজেদের প্রস্তুত রেখেছিল। তারা জানত খুব শীঘ্রই মৃত্যু আসছে। আর তখন তারা সমস্ত আশা ছেড়ে দিল, মৃত্যু পথযাত্রী একজন অনুসন্ধানকারী দিগন্তে কালো ধোঁয়ার এক কুণ্ডলী লক্ষ করলো। তাদের মধ্যে একজন শর্ট ওয়েভ বেতার সংকেত শুনতে পেল। তাদের জন্য সাহায্য আসছে। মুক্তি আসছে। দিগন্তে ধোঁয়ার কুণ্ডলী তাদের ধৈর্য ধরার প্রয়োজনীয় উৎসাহ যুগিয়েছিল। খুব শীঘ্রই ভয়ানক অগ্নিপরীক্ষার সুদীর্ঘ ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেষ হবে। খুব শীঘ্রই তারা রক্ষাকারী উষ্ণতর জাহাজে রক্ষা পাবে এবং তার পর তারা খুব শীঘ্রই বাড়ি যাবে। অবশেষে বাড়িতে!
কিতাবুল মোকাদ্দসের শেষ পুস্তক, প্রকাশিত কালামে বলা আছে যে পথে সাহায্য রয়েছে। খুব শীঘ্র আমরাও নাজাত পাব, উদ্ধার পাব। পাপের ভয়াবহ অভিজ্ঞাতা শেষ হয়ে যাবে। আমরা মুক্তি পাব, আর শয়তানকে বন্দি করা হবে। আমাদের মুক্ত করা হবে, আর শয়তানকে আবদ্ধ করা হবে। ঈসা মসীহর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য আমরা ঊর্দ্ধে নীত হব এবং শয়তান এই পৃথিবীতে শৃঙ্খলিত অবস্থায় থাকবে। আমরা অনন্ত জীবন লাভ করব, এবং শয়তান ও তার অনুসারীগণ চিরবিনাশের দণ্ডাজ্ঞা লাভ করবে। মাঝে মাঝে পৃথিবীর কোথাও কোথাও একজন অপরাধীকে একজন বিচারক অথবা নির্ণায়কবর্গ অপরাধীর অপরাধের ভয়াবহতা বা নিষ্ঠুরতা যাতে প্রকাশ পায় তার জন্য তাকে অসম্ভব রকমের দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড প্রদান করে থাকেন। একজন অপরাধীকে একই ধারায় তিনটি অথবা চারটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান, অথবা ৯৯ বছরের কারাদণ্ড প্রদান তার জীবনে পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবে না, সে তা পুরোপুরি ভোগ করতে পারবে না, বিশেষ করে যখন অপরাধীর বয়স অবসরপ্রাপ্তদের বয়সের সমান হয়ে যায়।
তবুও, বিশেষ করে ভয়ানক অপরাধের জন্য বিচারক অথবা নির্ণায়কবর্গের মধ্যে যে এই ধরনের দণ্ডাজ্ঞা প্রকাশ করা হয় যেন সমাজ বুঝতে পারে ভয়ানক অপরাধের সাজা কত ভয়াবহ। আপনি কি জানেন খুব শীঘ্রই এমন সময় আসছে যখন মহা বিচারক হাত বাড়িয়ে অপরাধীদের ১০০০ বছরের দণ্ডাজ্ঞা দেবেন আর অপরাধীরা প্রতিদিন সেই দণ্ডাজ্ঞা ভোগ করবে?

বন্দীদশায় শয়তান:
কিতাবুল মোকাদ্দস থেকে এই কথাগুলো শুনি, “পরে আমি বেহেস্ত হতে এক ফেরেস্তাকে নেমে আসতে দেখলাম, তার হস্তে তলাশূন্য গর্তের চাবি এবং তাঁর হস্তে বৃহৎ এক শৃঙ্খল ছিল। তিনি সেই নাগকে ধরলেন; এ সেই পুরাতন সর্প, এ দিয়াবল (অপবাদক) এবং শয়তান (বিপক্ষ); তিনি তাকে সহস্র বৎসর বদ্ধ রাখলেন, আর তাকে অগাধ লোকের মধ্যে ফেলে দিয়ে সেই স্থানের মুখ বন্ধ করে মুদ্রাঙ্কিত করলেন; যেন ঐ সহস্র বৎসর সম্পূর্ণ না হলে সে জাতিবৃন্দকে আর ভ্রান্ত করতে না পারে; তৎপরে অল্প কালের নিমিত্ত তাকে মুক্ত হতে হবে।” প্রকাশিত কালাম ২০:১-৩।
এখানে আমরা লক্ষ করি যে পৃথিবীর সব অপরাধের সর্বাধিনায়ক, যে এ যাবৎ কালে পৃথিবীতে যত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তার প্রত্যেকটিতে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেই মহানায়কের ব্যাপারে আল্লাহর একটা পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সেই সময় খুব শীঘ্রই আসছে যখন সে ১০০০ বছরের জন্য কারারুদ্ধ থাকবে। পৃথিবীতে এই এক হাজার বছর হবে সবচেয়ে বিরক্তিকর, বিধ্বস্তকর সময়। এই সুদীর্ঘ ১০০০ বছরের সময়কে মাঝে মাঝে সহস্রাব্দ বলে অভিহিত করা হয়।
সহস্রাব্দ বলতে কী বুঝায়? এক হাজার বছর পর্যন্ত বিস্তৃত কালকে ‘সহস্রাব্দ’ বা ‘মিলেনিয়াম’ বলে। ‘মিলেনিয়াম’ শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে, এর একটি শব্দ হলো, মিলি যার অর্থ ‘এক হাজার’, এবং অপরটি এ্যানিয়াম, অর্থাৎ ‘বছর’। ভাববাণীতেও বলা আছে যে শয়তান ১০০০ বছর পর্যন্ত কারারূদ্ধ
থাকবে এবং তারপরে তাকে স্বল্প সময়ের জন্য ছেড়ে দেয়া হবে, আর সে সমস্ত জগতের কাছে প্রমাণ করবে যে সে ১০০০ বছর পরেও পরিবর্তিত হয়নি, সে এখনও শয়তান। এই ভাববাণী বোঝার জন্য এবং এর তাৎপর্য অনুধাবন করার জন্য, আমাদের খুঁজে বের করতে হবে যে, এটা কীভাবে শুরু হবে এবং কীভাবে শেষ হবে এবং এই সুদীর্ঘ সময়ের মধ্যবর্তী সময়ে কি ঘটবে। এখন একটি উক্তি করতে চাই, এবং তারপর সেই উক্তিটির সত্যতা প্রমাণ করার জন্য অগ্রসর হবো।

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

সহস্রাব্দ দুটি পুনরুত্থান দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকবে
১) সহস্রাব্দের শুরুতেই জীবনের জন্য পুনরুত্থান।
২) সহস্রাব্দের শেষে নরকেরর অনন্ত শাস্তির জন্য পুনরুত্থান।

একদিন ঈসা মসীহ যখন তাঁর শিষ্যদের মৃত্যু সম্পর্কে শিক্ষা দিচ্ছিলেন, তিনি বলেছিলেন, “সত্য, সত্য, আমি তোমাদের বলছি, এমন সময় আসছে, বরং এখন উপস্থিত, যখন মৃতেরা আল্লাহর পুত্রের রব শুনবে, এবং যারা শুনবে, তারা জীবিত হবে।” ইউহোন্না ৫:২৫। মৃতেরা তাঁর বাক্য শুনবে এবং জীবিত হয়ে উঠবে। অর্থাৎ সব মৃতেরাই উঠবে। আমি জানি আপনারা অনেকেই আমার কথা শুনে আশ্চর্যবোধ করছেন, কারণ আপনারা মনে করেন একমাত্র ধার্মিক মৃতেরাই উত্থাপিত হবে। এই একই অধ্যায়ের ২৮ ও ২৯ আয়াতে কীভাবে মসীহ এর বিশদ বিবরণ দিয়েছেন তা লক্ষ করুন: “এতে আশ্চর্য মনে করো না, কেননা এমন সময় আসছে, যখন কবরস্থ সকলে তাঁর রব শুনব, এবং যারা সৎকার্য করেছে, তারা জীবনের পুনরুত্থানের জন্য, ও যারা অসৎকার্য করেছে, তারা বিচারের পুনরুত্থানের জন্য বাহির হয়ে আসবে।”
লক্ষ করুন এখানে দুটি পুনরুত্থানের কথা বলা হয়েছে। প্রথম পুনরুত্থানটি হবে যারা ভালো কাজ করেছেন তাদের, এবং দ্বিতীয়টি ―যারা মন্দকাজ করেছেন তারেদ বিচারের জন্য পুনরুত্থান।
প্রথম পুনরুত্থান সম্পর্কে কিতাবুল মোকাদ্দস কী বলে, “যে পর্যন্ত সেই সহস্র বৎসর সমাপ্ত না হলো, সে পর্যন্ত অবশিষ্ট মৃতেরা জীবিত হলো না। এই প্রথম পুনরুত্থান। যে কেউ এই প্রথম পুনরুত্থানের অংশী হয়, সে ধন্য ও পবিত্র; তাদের উপরে দ্বিতীয় মৃত্যুর কোনো কর্তৃত্ব নাই; কিন্তু তারা আল্লাহর ও মসীহর ঈমাম হবে, এবং সেই সহস্র বৎসর তাঁর সঙ্গে রাজত্ব করবে।” প্রকাশিত কালাম ২:৫-৬।
থিষলনীকীয়দের কাছে পৌল সমন্বয় রেখে প্রচার করেছিলেন। মসীহর দ্বিতীয় আগমন সম্পর্কে পৌল কী বর্ণনা করেছেন তা লক্ষ করুন। “কারণ প্রভু স্বয়ং আনন্দ ধ্বনিসহ, প্রধান ফেরেস্তার রবসহ, এবং আল্লাহর তূরীবাদ্যসহ বেহেস্তে হতে নেমে আসবেন, আর যারা মসীহতে মরেছে, তারা প্রথমে উঠবে। পরে আমরা যারা জীবিত আছি, যারা অবশিষ্ট থাকব, আমরা আকাশে প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবার নিমিত্ত একসঙ্গে তাদের সঙ্গে মেঘযোগে নীত হবো; আর এইরূপে সতত প্রভুর সঙ্গে থাকব।”
পুনরুত্থানের কতই না গৌরবময় বর্ণনা। আপনারা লক্ষ করবেন যে যারা মসীহতে মরেছেন তারা প্রথমে উঠবে, এবং তারপর যারা জীবিত মসীহর অনুসারী তারা প্রভুর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য মেঘযোগে ঊর্দ্ধে আকাশে নীত হবে!
সেই দিন ঈসা মসীহর প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হবে, “যে আমাতে বিশ্বাস করে সে মরলেও জীবিত থাকবে।” ইউহোন্ন ১১:২৫। হ্যাঁ, ঈসা যখন আসবেন তখন মৃত ধার্মিকেরা কবর থেকে উত্থাপিত হবে। ইশাইয় ভাববাদী আনন্দময় এই ঘটনা এভাবে বর্ণনা করেছেন―“তোমরা মৃতেরা জীবিত হবে, আমার শবসমূহ উঠবে; হে ধূলি―নিবাসীরা, তোমরা জাগ্রত হও আনন্দ গান কর; …এবং ভূমি প্রেতদিগকে ভূমিষ্ঠ করিবে।” ইশাইয় ২৬:১৯।
সেই দিন কতই-না গৌরবময় দিন হবে! মায়েরা তাদের মৃত সন্তানদের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হবে। স্বামী ও স্ত্রীদের পুনর্মিলন হবে। ছেলে ও মেয়েদের সঙ্গে মা―বাবার পুনর্মিলন ঘটবে! এরচেয়ে নাড়াদানকারী দৃশ্য আর কি হতে পারে? আর অনেক অনেক দিন পূর্বে মসীহ যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তা পূর্ণ হবে, “আমি তোমাদের জন্য স্থান প্রস্তুত করতে যাচ্ছি। আর আমি যখন যাই ও তোমাদের জন্য স্থান প্রস্তুত করি, তখন পুনর্বার আসব, এবং আমার নিকটে তোমাদের নিয়ে যাবো; যেন, আমি যেখানে থাকি, তোমরাও সেখানে থাক।” ইউহোন্না ১৪:২-৩। আর এই হচ্ছে সেই স্থান যেখানে নাজাতপ্রাপ্ত লোকেরা সহস্র বছর যাপন করবে!

আমরা কী করতে থাকব?
ইউহোন্না আমাদের বলেন, যে কেউ এই প্রথম পুনরুত্থানের অংশী হয়, সে ধন্য ও পবিত্র; তাহাদের উপরে দ্বিতীয় মৃত্যুর কোনো কর্তৃত্ব নাই; কিন্তু তারা ঈশ্বরের ও খ্রীষ্টের যাজক হবে; এবং সেই সহস্র বৎসর তাঁর সঙ্গে রাজত্ব করবে। মসীহও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে সহভাগিতায় যে অনির্বচনীয় আনন্দ গুপ্ত রয়েছে সেই সম্পর্কে এবং সহস্র বছরব্যাপী তারা সেখানে কী করবে সেই সম্পর্কে ইউহোন্না আরও অধিক গুপ্ত বিষয় প্রকাশ করেছেন, “পরে আমি কয়েকটি সিংহাসন দেখলাম; সেগুলির উপরে কেউ কেউ বসলেন।” প্রকাশিত কালাম ২০:৪। এই সৌরমণ্ডলের সর্বজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান আল্লাহ দুর্বল নর―নারীদের পতিত ফেরেস্তাদের ও পাপীদের বিচার কার্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নিযুক্ত করবেন।
পৌল বলেন, “তোমরা কি জান না যে, পবিত্রগণ জগতের বিচার করবেন? তোমরা কি জান না যে, আমারা ফেরেস্তাদের বিচার করব?” ১ করিন্থীয় ৬:২-৩। এটি একদিন সবার কাছে পরিষ্কার হবে যে আল্লাহ ন্যায়পরায়ণ এবং কল্যাণকর এবং পক্ষপাতহীন। হাজার হাজার বছর যাবৎ শয়তান অভিযোগ করে আসছে যে আল্লাহ পক্ষপাতকারী, প্রেমহীন, এবং অন্যায্য। সহস্রাব্দের বছরগুলিতে সমগ্র বিশ্বের কাছে আল্লাহর চরিত্রের ন্যায্যতা সম্পর্কে ধারণাটি প্রমাণিত হবে! তবে মন্দ ফেরেস্তাগণ ও দুষ্ট পাপীদের বিচার করতে আমাদের কেন প্রয়োজন হবে? তারা কি মসীহর আগমনের পূর্বে বিচারীত হবে না? হ্যাঁ, কিন্তু যদি আপনি বেহেস্তে এমন কাউকে খোঁজেন যাকে আপনি শুধু মাত্র যেখানে দেখতে চান অথচ সে চিরতরে হারিয়ে গেছে তখন আপনার প্রতিক্রিয়া কী হবে আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন? আপনি হয়ত তখন আল্লাহর বিচারের ন্যায্যতা সম্পর্কে সন্দেহ করবেন।
সহস্র বছরব্যাপী যারা হারিয়ে গেছে তাদের প্রামাণিক দলিল প্রকাশ করা হবে। প্রত্যেকের মনে মনে পোষণ করা সর্বাধিক গুপ্ত বিষয় এবং গুপ্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হবে। আল্লাহর প্রেম এবং বিচার সুদৃঢ় হবে। ঐসব অনুসন্ধানমূলক তথ্য শুধুমাত্র একটি উত্তরের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হবে, “পরে আমি যজ্ঞবেদির এই বাণী শুনিলাম হ্যাঁ, হে প্রভু আল্লাহ, সর্র্বশক্তিমান, তোমার বিচারাজ্ঞা সকল সত্য ও ন্যায্য।” প্রকাশিত কালাম ১৬:৭।
আপনি হয়ত ভাবছেন, যারা জীবিত আছে অথচ নাজাত গ্রহণ করেনি ঈসার আগমনে তাদের দশা কী হবে। প্রকাশিত কালামের ১৯ অধ্যায়ে ঈসার দ্বিতীয় আগমন এবং পাপীদের ধ্বংস সম্পর্কে এই কথাগুলি বলা আছে, “আর আবশিষ্ট সকলে সেই অশ্বারোহী ব্যক্তির মুখ হতে নির্গত তরবারি দ্বারা হত হলো।” প্রকাশিত কালাম ১৯:২১। আগমনকারী খ্রীষ্ট ও তাঁর পবিত্র দূতদের গৌরবের সামনে কোনোভাবেই পতিত পাপীরা দাঁড়াতে পারবে না। মাত্র একজন ফেরেস্তা ঈসার কবরের সামনে এসেছিলেন, আর তাতেই রোমীয় সৈন্যরা মৃতদের মতো পড়েছিল। কিতাবুল মোকাদ্দস বলে, “তৎকালে সদাপ্রভুর নিহত লোক সকল পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে পৃথিবীর অন্য প্রান্ত পর্যন্ত দেখা যাবে; কেউ তাদের নিমিত্ত বিলাপ করবে না, এবং তাদের সংগ্রহ করা কি কবর দেওয়া যাবে না।” ইয়ারমিয়া ২৫:৩৩।
মসীহর দ্বিতীয় আগমনে ধার্মিকেরা উত্থাপিত হবে, এবং মসীহর সঙ্গে মেঘরথে মিলিত হবার জন্য রূপান্তরিকৃত হবে, আর যারা নাজাত পায়নি তারা মসীহর আগমনের উজ্জ্বলতায় হত হবে, ―তাঁর মুখ হতে নির্গত তরবারি দ্বারা হত হবে।
অনেকে হয়ত জিজ্ঞেস করতে চাইছেন, যারা নাজাত পায়নি, এখনও কবরে আছে তাদের কি অবস্থা হবে? উত্তরটি প্রকাশিত কালামের ২০ অধ্যায়ের পাঁচ আয়াতে দেওয়া আছে, “যে পর্যন্ত সেই সহস্র বৎসর সমাপ্ত না হলো, যে পর্যন্ত অবশিষ্ট মৃতেরা জীবিত হলো না।” ধাঁধাটি একত্রে মিলিত হতে শুরু করেছে।

যখন ঈসা মসীহ ফিরে আসবেন তখন যা ঘটবে তা বিশাল চিত্র আকারে আমাদের দৃশ্যপটে আসছে―ঈসার আগমনের সময়ে এই সমস্ত ঘটনা ঘটবে।
১। ঈসা পবিত্র ফেরেস্তাদের সঙ্গে নিয়ে আসবেন। মথি ২৫:৩১।
২। মসীহতে মৃত ব্যক্তিরা প্রথমে উঠবেন। (১ থিষলনীকীয় ৪:১৬)
৩। জীবিত ধার্মিকদের ঈসার কাছে আকাশে তুলে নেয়া হবে। (১ থিষলনীকীয় ৪:১৭)।
৪। নাজাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ঈসার সাথে স্বর্গীয় বাড়িতে যাবে এবং সেখানে তাঁর সঙ্গে এক হাজার বছর রাজত্ব করবে। (প্রকাশিত কালাম ২০:৪, ৬)
৫। যারা নাজাত পায়নি তারা মসীহর আগমনের উজ্জ্বলতা দ্বারা হত হবে। (ইয়ারমিয়া ২৫:৩৩)।
৬। এক হাজার বছর শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুষ্ট মৃতেরা উত্থাপিত হবে না। (প্রকাশিত কালাম ২০:৫)।
৭। এক হাজার বছর পর্যন্ত শয়তান পরিস্থিতির দ্বারা শৃঙ্খলাবদ্ধ অবস্থায় থাকবে… সে কাউকে প্রলুব্ধ করতে পারবে না বা ধ্বংস করতে পারবে না! সব ধার্মিকেরা বেহেস্তে এবং সব দুষ্টেরা মৃত। সবাই চলে গেছে! সব স্থানেই ধ্বংসস্তূপ। (ইয়ারমিয়া ৪:২৩-২৬)।

এই পৃথিবীই হবে তার কারাগার:
এই পৃথিবী দিয়াবলের কারাগারে পরিণত হয়েছে। কিতাবুল মোকাদ্দস বলে যে শয়তানকে এক হাজার বছরের জন্য অতল গহব্বরে নিক্ষেপ করা হয়েছে। সে কীভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ হলো? পরিস্থিতির শৃঙ্খল যা এক হাজার বছরের জন্য কাউকে প্রলুব্ধ করায় এবং ধ্বংস করায় তাকে অসমর্থ করে তুলেছে। এই পৃথিবীতে যারা তাদের জীবদ্দশায় শয়তানের অনুসারী হয়েছে, মসীহর আগমনকালে হয় তারা মারা পড়বে নতুবা এক হাজার বছর শেষ না হওয়া পর্যন্ত কবরে শায়িত থাকবে। নাজাতপ্রাপ্তেরা হাজার বছর ধরে মসীহর সঙ্গে থাকবে। পরীক্ষায় ফেলার জন্য এবং ভুল পথে পরিচালিত করার জন্য শয়তানের কাছে শুধু মন্দ ফেরেস্তারা থাকবে, আর তারা ৬,০০০ বছর পরেও সেই আগের মতো মন্দ থাকবে।
এই পৃথিবীই হবে তার কারাগার। সে দেখাতে চেয়েছিল যে, সে পৃথিবী শাসন করবে, আর তাই সে প্রতারণার মাধ্যমে আদম ও হাওয়ার উপর অধিপত্য বিস্তার করেছিল, কিন্তু এখন প্রত্যেকে দেখতে পাবে যে সে কোনো প্রকৃতির শাসক! আপনি মনে রাখবেন প্রকাশিত কালাম ২০:৩ আয়াতে বলে; “আর তাকে অগাধলোকের মধ্যে ফেলে দিয়ে সেই স্থানে মুখ বদ্ধ করে মুদ্রাঙ্কিত করলেন; যেন ঐ সহস্র বৎসর সম্পূর্ণ না হলে সে জাতিবৃন্দকে আর ভ্রান্ত করতে না পারে; তৎপরে অল্প কালের নিমিত্ত তাকে মুক্ত হতে হবে।”
কিতাবুল মোকাদ্দসে অতল গহব্বর শব্দটি দ্বারা এলোমেলো পৃথিবীকে বুঝানো হয়েছে। এ সেই একই শব্দ যে শব্দ দ্বারা পুরাতন নিয়মে আল্লাহ এই পৃথিবীকে সুন্দর আকৃতিতে রূপদান করার পূর্বে যে বিশৃঙ্খল অবস্থার কথা বর্ণনা করা হয়েছিল। এ সেই একই শব্দ যা ইয়ারমিয়া পুস্তকে ব্যবহার করা হয়েছে, “আমি পৃথিবীতে দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ তাহা ঘোর ও শূন্য ছিল; আমি আকাশ মন্ডলে দৃষ্টিপাত করিলাম তাহার দীপ্তি ছিল না।” ইয়ারমিয়া ৪:২৩। হ্যাঁ, পৃথিবী একটি অতল গহব্বর অথবা “ঘোর ও শূন্য স্থান”। এটি অন্ধকার স্থানে পরিণত হতে যাচ্ছে! এখন, লক্ষ করুন এ সময় ইয়ারমিয় ভাববাদী এই পৃথিবী সম্পর্কে আর কী বলেছেন, “আমি পর্বতগণের উপরে দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ সে সকল কাঁপছে, ও উপপর্বত সকল টলটলায়মান হচ্ছে। আমি দৃষ্টিপাত করলাম, আর দেখ, মনুষ্য মাত্র নাই, এবং আকাশের সমস্ত পক্ষী পালিয়ে গিয়েছে।” ইয়ারমিয়া ৪:২৪-২৫। আপনি লক্ষ করবেন যে এখানে বলা আছে, “মনুষ্য মাত্র নাই।”
আবার ইয়ারমিয় বলেন, “আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, সদাপ্রভুর সম্মুখে ও তাঁর জ্বলন্ত ক্রোধের সম্মুখে উদ্যান মরুভূমি হয়ে পড়েছে, ও তার সমস্ত নগর ভগ্ন হয়েছে।” ইয়ারমিয় ৪:২৬ আয়াত। আপনি কি বলবেন না যে, একহাজার বছর অবকাশ যাপনের জন্য স্থানটি হবে সম্পূর্ণ ভয়ানক স্থান? বিধ্বস্ত নিঃসঙ্গ গ্রহে শয়তান ও দুষ্ট দূতেরা অন্ধকারে শুধু এদিক ওদিক ঘোরা―ফেরা করবে, তাদের আর কিছু করার থাকবে না এবং আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরিণাম প্রতিফলিত হয়ে তাদের কাছে ফিরে আসবে!

এখন আসুন সহস্র বছরব্যাপী যে সব ঘটনা ঘটবে তা পুনরালোচনা করি:
১। পৃথিবী জনমানব শূন্য ও বিধ্বস্ত হবে।
২। ঈসার আগমনের উজ্জ্বলতায় দুষ্টলোকেরা হত হবে।
৩। বেহেস্তে সকল নাজাতপ্রাপ্ত লোকেরা মসীহর সঙ্গে রাজত্ব করবেন।
৪। শয়তান, তার বিদ্রোহের পরিণাম স্বরূপ অন্ধকার, বিধ্বস্ত এই গ্রহে শৃঙ্খলাবদ্ধ হবে।

শয়তান কি পরিবতির্ত হবে?
যে সব ফেরেস্তা বাহিনীদের সে তার বিদ্রোহের সাথে সম্পৃক্ত করেছিল তাদের অবস্থা কী হবে? এখন তারা কি তাকেই অনুসরণ করার জন্য মনস্থির করবে না মসীহকে? আল্লাহ তাঁর সময় সূচিতে এক হাজার বছর রেখেছেন যে সব কারণে তার একটি হলো তিনি সমস্ত বিশ্বকে দেখাতে চান যে শয়তান, তার দূতগণ, এবং পৃথিবীতে যারা তার অনুসারী তাদের তিনি এই পৃথিবীতে মন পরিবর্তনের জন্য যদি আর একটি সুযোগ দিতেন তাহলে তারা একই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করত ও একই কর্তাকে মনোনয়ন করত। নাজাত গ্রহণ করার জন্য তাদের সম্মুখে এক হাজার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা সেই নাজাত পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করত। তাদের মনোনয়নের ব্যাপারে পবিত্র কিতাবুল মোকাদ্দস কী বলে?
উত্তরটি প্রকাশিত কালামের ২০:৭-৮ পদে দেওয়া আছে, “সেই সহস্র বৎসর সমাপ্ত হলে শয়তানকে তার কারা হতে মুক্ত করা যাবে। তাতে সে ‘পৃথিবীর চারকোণে স্থিত জাতিগণকে, গোগ ও মাগোগকে’, ভ্রান্ত করে যুদ্ধে একত্র করবার জন্য বাহির হবে; তাদের সংখ্যা সমুদ্রের বালুকার তুল্য।”
আপনি হয়ত ভাবছেন এসব লোক কোথা থেকে আসবে এবং কারা এই যুদ্ধে অংশ নেবে। স্মরণ করুন, আমরা প্রকাশিত কালাম ২০ অধ্যায়ের ৫ আয়াত পাঠ করেছি, সেখানে লেখা আছে, “যে পর্যন্ত সেই সহস্র বৎসর সমাপ্ত না হলো, সে পর্যন্ত অবশিষ্ট মৃতেরা জীবিত হলো না।” হ্যাঁ, সহস্র বছর পরে অবশিষ্ট মৃতেরা অথবা দুষ্ট মৃতেরা অভিশপ্ত পুনরুত্থানে উত্থাপিত হবে। আদম থেকে শুরু করে মসীহর দ্বিতীয় আগমন পর্যন্ত যত মৃতেরা আছে বিশাল সংখ্যায় যখন তারা জীবিত হয়ে উঠবে তখন সেই দৃশ্য কতই না ভয়ংকর হবে। ইউহোন্না বলেন, “তাদের সংখ্যা সমুদ্রের বালুকার তুল্য।” আর সেই সময়, সহস্র বছর শেষে খ্রীষ্ট এবং নাজাতপ্রাপ্ত লোকদের নিয়ে পবিত্র নতুন যিরুজালেম নগর এই পৃথিবীতে নেমে আসবে! আর এই নগরী শয়তানের ভয়ানক ক্রোধের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হবে, যেমন কিতাবুল মোকাদ্দস বলে, “সেই সহস্র বৎসর সমাপ্ত হলে শয়তানকে তার কারা হইতে মুক্ত করা যাবে। তাতে সে ‘পৃথিবীর চারি কোণে স্থিত জাতিগণকে, গোগ ও মাগোগকে,’ ভ্রান্ত করিয়া যুদ্ধে একত্র করবার জন্য বাহির হবে।”
এখন শয়তান ও তার মন্দ ফেরেস্তারা দুষ্টদেরকে পুনরায় প্রতারিত করার জন্য বেরিয়ে পড়বে! সে একবিন্দুও পরিবতির্ত হয়নি! দুষ্ট লোকেরা আবার শয়তানকে তাদের অধিনায়ক রূপে মনোনীত করবে। দুষ্ট সেনানায়কেরা এক জোট হয়ে নতুন যিরুজালেমকে জোর করে তাদের দখলে আনতে চেষ্টা করবে। এটিই হবে পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ! বিদ্রোহী দূতদের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মসীহর শক্তিশালী সেনাদল আগ্রসর হবে!
শেষে কী ঘটবে কিতাবুল মোকাদ্দস এ সম্পর্কে কী বলে, আসুন তা পাঠ করি, “তারা পৃথিবীর বিস্তার দিয়ে এসে পবিত্রগণের শিবির এবং প্রিয় নগরটি ঘেরিল, তখন ‘বেহেস্ত হতে অগ্নি পড়ে তাদের গ্রাস করল।” প্রকাশিত কালাম ২০:৯।
যুদ্ধ শেষ! কি বেদনাদায়াক ঘটনা যখন এটি অন্য রকমও হতে পারত! দিয়াবলের কী হবে? কিতাবুল মোকাদ্দস আমাদের বলে, “আর তাদের ভ্রান্তিজনক দিয়াবল ‘অগ্নি ও গন্ধকের’ হ্রদে নিক্ষিপ্ত হলো… । পরে মৃত্যু ও পাতাল অগ্নিহ্রদে নিক্ষিপ্ত হলো; তাহাই, অর্থাৎ সেই অগ্নিহ্রদ, দ্বিতীয় মৃত্যু। আর জীবন পুস্তকে যে কারও নাম লিখিত পাওয়া গেল না, সে অগ্নিহ্রদে নিক্ষিপ্ত হলো।” প্রকাশিত কালাম ২০:১০, ১৪, ১৫। পিতর দর্শনে এই অগ্নি দেখেছেন এবং তিনি লিখেছেন, ২পিতর ৩:১০ এবং পৃথিবী ও তার মধ্যবর্তী কার্য সকল পুড়ে যাবে।” শয়তান, মন্দ দূতগণ, এবং সমস্ত পাপী চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে যাবে! যে সব আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু প্রিয়জনদের আমরা অত্যন্ত ভালোবাসি তারাও হয়ত চিরতরে হারিয়ে যাবে। অবশ্যই আমরা কাঁদব। এটি ভিন্ন আর কী হতে পারে?
তবে সুখবর হলো, “আর তিনি তাদের সমস্ত নেত্রজল মুছিয়ে দিবেন; এবং মৃত্যু আর হবে না; শোক বা আর্তনাদ বা ব্যথাও আর হবে না; কারণ প্রথম বিষয় সকল লুপ্ত হলো।” প্রকাশিত কালাম ২১:৪। আল্লাহ নাজাত প্রাপ্তদের জন্য কি এক গৌরবময় অনন্তকাল প্রতিজ্ঞা করেছেন! যারা আল্লাহকে ভালোবাসেন ও তাঁর পথে চলেন তিনি তাদের জন্য এমন এক বেহেস্তিরাজ্য প্রস্তুত করছেন যার সৌন্দর্য্য ও প্রভা কোনোদিনও মানুষের হৃদয়াকাশে উদিত হয়নি! আর চিন্তা করুন এই সবই দুষ্ট লোকেরাও এসব উপভোগ করতে পারত কিন্তু তাদের কাছে তার মূল্য মনে হয়েছে অনেক বেশি! তারা মসীহকে তাদের নাজাতদাতা এবং প্রভু হিসেবে গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক।

উসংহার:
প্রিয়বন্ধু, সেই দিন আপনি কোন দলের লোক হবেন? যখন সেই দিন আসবে, তখন দল পরিবর্তন করার জন্য আর সময় থাকবে না, অত্যন্ত, দেরি হয়ে যাবে। এমন কি সহস্র বছরের শুরুতে, যখন মসীহ আসবেন, তখনও অত্যন্ত দেরি হয়ে যাবে। এমন কি আপনি যদি কোনো পূর্বসংকেত ছাড়া হঠাৎ মারা যান তখনও আপনার জন্য সময়টি অত্যন্ত বিলম্বের হতে পারে। সহস্র বছর শেষে সম্পূর্ণ নিশ্চিতরূপে ধার্মিকদের মাঝে নিজেকে যুক্ত করার একমাত্র উপায় হলো আপনার মন ও জীবনকে এখনই আজই মসীহকে সপে দেওয়া! যদি আপনি আপনার জীবনকে সম্পূর্ণরূপে, পরিপূর্ণরূপে ঈসাকে দিতে চান, আমি অনুরোধ করব আপনারা প্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করুন, প্রভু ঈসাকে ব্যক্তিগত জীবনে নাজাতদাতা হিসেকে বিশ্বাস করুন। যদি আপনার জীবনে কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে প্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করুন, প্রভুকে সেটি বলুন। যদি আপনার এমন কোনো অভ্যাস থেকে থাকে যা পরিত্যাগ করতে চান, তাহলে প্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করুন। যদি আপনি কোন ধরনের পরীক্ষায় জয়ী হতে চান, প্রার্থনার মাধ্যমে প্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করুন। যীশু আপনার প্রার্থনা শুনবেন, তিনি আপনাকে মুক্ত করবেন।

Previous Post

মুক্তকথা ● মানুষ কেবল স্বপ্নের সমান ○ ডা. অলোক মজুমদার

Next Post

বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪৫ ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ নিহত

Admin

Admin

Next Post
বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪৫ ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ নিহত

বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৪৫ ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ নিহত

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 6 1 7 4
Users Today : 20
Views Today : 25
Total views : 177910
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In