• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

মুক্তকথা ● মানুষ কেবল স্বপ্নের সমান ○ ডা. অলোক মজুমদার

মুক্তকথা ● মানুষ কেবল স্বপ্নের সমান ○ ডা. অলোক মজুমদার

Admin by Admin
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
in প্রচ্ছদ, মতামত
0 0
0
মুক্তকথা ● মানুষ কেবল স্বপ্নের সমান ○ ডা. অলোক মজুমদার
0
SHARES
20
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মতামত ● মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত পরিণত হচ্ছেন—এম.এম দত্ত ○ মিথুশিলাক মুরমু

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আবার শুরু হচ্ছে

ক্যালিফোর্নিয়ায় বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণহানি ৮

মাঝে মাঝে আমরা এমন গ্যাঁড়াকলে পড়ে যাই যে, আমাদের সেখান থেকে বের হওয়ার আর কোনো রাস্তা থাকে না। প্রশাসনের চেয়ারে বসেও এমন গ্যাঁড়াকলে যে কেউ পড়েনি, সেটা বলা যাবে না। শতকরা দুই একজন হয়ত নিজেকে রক্ষা করতে পেরেছে সু-কৌশলে। হয় এটা করো নয় তো জেলে পচে মরো। সেটাই যেন উপর থেকে নীচে অলিখিত আদেশ দেওয়া থাকে। সুস্থ জীবন নিয়ে কে না বাঁচতে চায় কিন্তু পরিস্থিতি তাকে প্রথমে সহজ পথ বলে। পরে বিষয়টিকে ঘোলাটে করে জটিলতা তৈরি করে। নইলে দিনের ভোট রাতে ব্যবস্থাটা যখন আমাদের দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই বা ডিজিএফআই নিয়ন্ত্রণ করে তা সংগঠিত করেছিল। আর যেটা তখনকার নির্বাচন কমিশনের মুখ দিয়ে প্রকাশ পায়। তাই তো বুঝতে হবে যে সেই নির্বাচন কমিশনের উপর সেই মন্ত্র প্রতিফলিত হয়েছিল যে, হয় এটা করো নয় তো জেলে পচে মরো। ওটা করেও শাস্তির হাত থেকে কি রক্ষা পেয়েছে সে। পদত্যাগ করে জেলে গেলে তো তবু সম্মানটুকু থাকতো। সেই গোয়েন্দা সংস্থাই বা কেন সাধারণ জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তাকেই বা কত সুবিধা দিয়েছিল সেই সুবিধা সুরক্ষার রানী। ট্যাগ লাগানো কত ঘটনা দেখলাম। কান টানলে মাথা অসে, যখন মাথা আসে না তখন ভাবতে হয় যে কান ছিঁড়ে গেছে। উইনস্টন চার্চিল বলেছেন যে, সত্যের প্যান্ট পরার আগেই মিথ্যে আরেক পৃথিবী ঘুরে আসে। আসলে আমাদের মুখের কথা ও মনের কথা সম্পূর্র্ণ আলাদা।
আমরা বলি, এটা করো না, ওটা করো না কিন্তু নিজেরাই সেটা করি। আজ পারিবারিক শাসন নেই। কীভাবে সম্মান করতে হয় সেটা আর পরিবার থেকে শেখানো হয় না। যখন একটা পরিবারের সন্তান সমাজের খারাপটাকে বেছে নিচ্ছে, তখন কি আমরা সেটার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখি আর। আমাদের সময়ে বাড়িতে শাসন, স্কুলে শাসন, সামাজিক শাসন সবই ছিল। স্কুলের শাসন ও সামাজিক শাসনের বিরুদ্ধে যখন ব্যবস্থা চালু হলো, তখনই এই দুর্গতি চালু হলো। আজ এই দুটোর বড়োই অভাব, তাই তো স্কুল ড্রেস পরে পিঠে স্কুলের ব্যগ নিয়ে, দোকান থেকে সিগারেট কিনে মনের সুখে টানতে টানতে চলে যাছে আমাদের সোনার ছেলেরা। বয়ঃজ্যেষ্ঠকে দেখে আজ আর লুকায় না। আবার যারা এগুলি বিক্রির সাখে জড়িত, তারাও নিজের বিক্রিজনিত লাভের চিন্তায় থাকে। কাকে দোষারোপ করবো। তাই তো মাঝে মাঝে দূর থেকে দেখেও না দেখার ভান করে নিজের সম্মান বজায় রেখে চলে যাই। নাতির বয়সের ছেলেরা যখন সামনে সিগারেটের ধোঁয়া ছুড়তে থাকে দিগ্বিদিক না ভেবে, তখন নিজেকে গুটানো ছাড়া আর কি আছে। একই অবস্থা রাজিৈতক মাঠে। মাইক হাতে চিল্লায়ে চিল্লায়ে বলছি, আমার দুর্নীতি, অনিয়ম, অত্যাচার ধরে দিতে পারলে আমি আর রাজনীতি করবো না কিন্তু কে ধরবে এটা। কার এত বড়ো বুকের পাটা যে আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলবে। কে অস্ত্রের সামনে বুক পেতে দেবে। প্রতিটা মানুষের কাছে তার জীবনের মূল্য অনেক বেশি।
যে সমাজের পরিবর্তনের কোনো চিহ্ন নেই, সেই সমাজে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে কি লাভ। আধিপত্য, দুর্নীতি, চাওয়ার ভিন্নতা, সবই যেন জেঁকে বসেছে। সমগ্র দেশটাই একটা কারাগার হয়ে গেছে। তাইতো ক্ষমতায় গেলে বা বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হলে সে এই দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যায় কেন। তার স্ত্রী সন্তানদের জন্য অন্য কোনো দেশকে নিরাপদ আশ্রয় ভাবে কেন। কেননা তারা জানে যে ক্ষমতা মানেই ৫/১০ বছরের জেল হলো। আর এখান থেকে মুক্ত মানেই সে অন্য দেশে নিরাপদে থাকতে পারবে। আজ কত জন রাজনৈতিক নেতা বা যারা এই দেশের সাধারণ মানুষের মঙ্গলের জন্য রাস্তায় রাস্তায় কেঁদে বেড়াচ্ছেন তাদের ছেলে মেয়েরা এই দেশের স্কুল কলেজ বা ভার্সিটিতে লেখাপড়া করে। কত জন আছে যারা এই দেশে ব্যবসার জন্য প্রস্তুত হয়। শুধু খাবো খাবো দেশ খাবো, ভিন্ন দেশে ঘর বানাবো, সূত্রে চলছে সবাই। আমাদের দেশের প্রতিটা সেক্টরে অপরাধের মাত্রা এতটাই বেশি যে, সাবেক হলেই তার বিপদ। সেটা সে নিজেও জানে। সারা জীবনের সঞ্চয় থেকে শুরু করে নিজেকে জেলে ও পরিবারকে ছন্নছাড়া জীবনে ফেলতে কে চায়। আমরা জানি যে আঘাত করলে প্রতিঘাত হবেই, শুধু কিছু সময়ের অপেক্ষা। কেন যে পরিবর্তিত মন নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সত্যের পক্ষে কাজ করে যেতে পারি না আমরা। বাসী-পচা খাবার আমাদের খাওয়ালেও হোটেল ম্যানেজার খ্যাত কর্মকর্তাগণ ঠিকই অন্য হোটেলে ভালো খাবার খেয়ে আসছে। তার মানে অন্য দেশের স্বপ্ন দেখছে তারা। আসলে এই অবস্থায় কি দেশ প্রেম থাকে। এই অবস্থায় কি দেশের মানোন্নয়ন করা সম্ভব হবে। দুর্নীতির মহা সাগর বারবার পার হয়ে যায় ভোট নামক ভেলায় চড়ে। আমাদের মতো সাধারন মানুষ ভেলায় চড়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে লাফাতে লাফাতে ডুবে যায় সাগরের অতল জলে। তাই তো স্বপ্নগুলোকে এখন পকেটে লুকিয়ে রেখেছি। কেননা পরিবর্তন তো হয়নি আর হবে বলেও মনে হচ্ছে না।
বৈষম্য কমানোর জন্য স-ঘোষিত লাল জুলাই ক্রমান্বয়েই ব্যর্থতার দিকে চলে যাচ্ছে, কেননা তাদের উজানে ভীষণ স্রোত। তবুও বলবো মানুষ কেবল স্বপ্নের সমান। শত শত বছর মানুষ আশা নিয়েই বেঁচে আছে। হয়ত কালো পূর্নিমা মরা আঙিনায় নতুনভাবে জেগে উঠবে। নতুন কণ্ঠস্বরের ডাক শুনতে পাবো কখনো না কখনো। স্তব্ধ দেহ আবার উজ্জীবিত হবে। আবার হয়ত এই বাংলা মায়ের সন্তানদের উদ্ধারের জন্য আরেক চির দুখিনী মা তার সন্তান কে উৎসর্গ করবে। কেননা মুক্তির আকাক্সক্ষা দমিয়ে রাখলেও তাকে নিঃশেষ করা যায় না কখনো। অতি উচ্চ আকাক্সক্ষা নেই আমার। পৃথিবী বাঁচানোর মতো অত বড়ো স্বপ্নও আমি দেখার দুঃসাহস করি না। তবে এইটুকু বুঝি যে, গাছের মূল শিকরে যদি পোকা লাগে, সেই গাছ সার দিয়ে টিকিয়ে রাখা যায় না। অননুমোদিত অদৃশ্য পোকা আজ দেশের মূলে ধরেছে। কেননা নিরপেক্ষতার পচন ধরলেই বৈষম্য-ঘুষ-দুর্নীতি মাথাচারা দেয়। স্বপ্নে দেশ গড়তে যে বিপ্লব বারে বারে সংগঠিত হয়, ক্ষমতার লোভে তা বারবার নষ্ট হতে দেখেছি। অদৃশ্য সংকট আমাদের আঁকড়ে ধরেছে। অরক্ষিত সাধারণ মানুষ সঠিক রাস্তা আর খুঁজে পাবে না। আজ ফুলেল শুভেচ্ছায় ক্ষমতার মসনদে বসে, জুতার মালা গলায় পরে বের হয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়েছে। অন্তর্দৃষ্টি আজ অন্ধকারের কাছে হার মেনেছে। মনে রাখা দরকার যে প্রস্তুতিতে ভুল হলে দুর্ভোগ কখনো কাটানো যায় না ।

Previous Post

নির্বাচনের আগে-পরে তিন দিন মোটরসাইকেল ও একদিন ট্রাক-পিকআপ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

Next Post

ধর্ম-দর্শন ● ঈমানদারদের পুনরুত্থান ও শয়তানের বন্দীদশা ▌ রেভা. জেমস রানা বিশ্বাস

Admin

Admin

Next Post
ধর্ম-দর্শন ● ঈমানদারদের পুনরুত্থান ও শয়তানের বন্দীদশা ▌ রেভা. জেমস রানা বিশ্বাস

ধর্ম-দর্শন ● ঈমানদারদের পুনরুত্থান ও শয়তানের বন্দীদশা ▌ রেভা. জেমস রানা বিশ্বাস

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 9 7 8 8
Users Today : 116
Views Today : 152
Total views : 182000
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In