• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

মতামত ● পাহাড় থেকে সমতল: আদিবাসী নারীরা নিরাপদ নয় • মিথুশিলাক মুরমু

মতামত ● পাহাড় থেকে সমতল: আদিবাসী নারীরা নিরাপদ নয় • মিথুশিলাক মুরমু

Admin by Admin
অক্টোবর ৪, ২০২৫
in প্রচ্ছদ, মতামত
0 0
0
মতামত ● পাহাড় থেকে সমতল: আদিবাসী নারীরা নিরাপদ নয় • মিথুশিলাক মুরমু
0
SHARES
112
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি আদিবাসীদের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী হচ্ছে মারমা’রা। বিগত ২৩ সেপ্টেম্বর নবম শ্রেণীর মারমা ছাত্রী রাত ৯টার দিকে প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা পথরোধ করে এবং পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পর প্রায় রাত ১১টায় অচেতন অবস্থায় ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে স্বজনরা। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ডাক্তারগণ রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন যে, কিশোরী মারমা মেয়েটি ধর্ষণ শিকার হোননি, ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। অপরদিকে জানা গেছে, রিপোর্টটি পুলিশের কাছে পৌঁছানোর পূর্বেই ছবিসহ লোকজনের হাতে পৌঁছেছে। এ নিয়ে মেয়েটির পরিবার চরম উদ্বিগ্নের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। আদিবাসী মারমা মেয়েটি ধর্ষণের কিংবা শ্লীলতাহানীর শিকার হয়েছেন কি-না এটিও বিতর্ককে উস্কে দিয়েছে। যদি ধর্ষিত/ শ্লীলতাহানী না হয়ে থাকে, তাহলে কিসের জন্য মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়েছিল? যদি ভয় দেখানো—সেটি ভিন্নভাবেও হতে পারতো! অজ্ঞান করে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা হলো কেন? অবশ্যই অপহরণকারীদের স্বার্থ হাসিল হয়েছে, স্বার্থ হাসিলের পরেই পাওয়া গিয়েছে। অতীতের ঘটনাগুলোকে পর্যালোচনা করলে নিঃসন্দেহে বলা যায়, আদিবাসী মারমা মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েই পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ধর্ষণের প্রতিবাদে জুম্ম-ছাত্র জনতা অবরোধ ডাকলে আরো বিপত্তি বাড়ে, এতে ৩ জন পাহাড়ি আদিবাসীর মৃত্যু এবং অন্তত ১৫ জন আহত, অর্ধশত বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ৪০টি মতো দোকান ভস্মিভূত হয়েছে। ঘটনার পর পরই জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ আগুনে ঘি ঢেলে দিয়ে মন্তব্য করেছেন—‘ভূয়া ধর্ষণ’ বলে। তার বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড়ে অবিবেচক মাসউদ এবার লিখলেন—‘ধর্ষণের মতো গর্হিত অপরাধকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। ধর্ষকের কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ মাসউদের ‘ভূয়া ধর্ষণ’ বক্তব্যের পরই প্রতিবাদ হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আদিবাসীদের একমাত্র প্রতিনিধি অলিক মৃ পদত্যাগ করেছেন। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামে বারংবার ধর্ষণ, সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করি।
একটি বেসরকারি সংস্থার প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রায় ৬২ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র। এরমধ্যে ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ হত দরিদ্র। দুর্গম এলাকায় বসবাসরত বম, লুসাই, খিয়াং, খুমী, চাক, ম্রো, মারমা গোষ্ঠীর লোকজন সবচেয়ে বেশি দরিদ্র ও পুষ্টিহীনতার শিকার। দরিদ্র লোকজনের মধ্যে ৫৮ শতাংশ জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল, ১৩.৫০ শতাংশ কৃষি-অকৃষি দিনমজুর, ৯ শতাংশ নবজ সম্পদ আহরণ, ৭ শতাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসা ও সরকারি- বেসরকারি চাকুরিতে নিয়োজত। দেখা যায়, ‘দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় গত ১০ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা সবচেয়ে বেশি।’ মানবাধিকার সংস্থা কাপেং ফাউন্ডেশন এবং জাতীয় দৈনিক থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে—

  • ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত ৩৬৪ জন আদিবাসী নারীর মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। তার মধ্যে ১০৬ জন শারীরিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, ১০০ নারী ধর্ষণের শিকার হোন এবং ৬৬ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
  • ২০১৫ সালে পার্বত্য এলাকায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৮৫ জন নারী ও কন্যাশিশু। তাদের মধ্যে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার ২৬ জন, হত্যা করা হয়েছে ৩ জনকে, ১১ জন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত, ধর্ষণের চেষ্টা ১৬জনকে, ৫টি অপহরণ, ৬টি শারীরিক ও যৌন হয়রানি এবং দুটি পাচারের ঘটনা ঘটেছে।
  • ২০০৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৬৬টি ঘটনার আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুর নির্যাতনের প্রতিবেদন নথিবদ্ধ হয়েছে। উল্লেখ্য যে, নির্যতানের শিকার আদিবাসী নারী ও কন্যা শিশুদের বয়স ৩ থেকে ২৪ এরমধ্যে সীমাবদ্ধ। ২০১৬ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোট ২৪ জন নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছে। আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও যৌন নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ২৪টি ঘটনার মধ্যে ১৪টি সমতল অঞ্চলে, বাকী ১০টি পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত হয়েছে। এরমধ্যে ১৬টি ঘটনার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসেই ১০ জন ধর্ষণের শিকার হোন, তারমধ্যে ৪জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যা করা হয়—সবিতা চাকমা, সুজাতা চাকমা, ছবি মারমা ও তুমাচিং মারমাকে। ১৭ জুন বান্দরবানের লামায় নিজ বাসায় ম্যাহ্লাউ মারমা নামের এক যুবতীকে ধর্ষণের পর হত্যার করা হয়। কেবল খাগড়াছড়িতে বছরের ৩ মাসে ৫ কিশোরী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির বিলাইছড়িতে ঊনিশ বছরের এক মারমা তরুণী ধর্ষিত হয়েছেন, আর তার কিশোরী বোনটি যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন।
  • ২০১৯ সালে মোট নিপীড়নের ঘটনা ছিল ৩৩টি। ধর্ষণের ঘটনা ছিল ১০টি। আর ধর্ষণের চেষ্টা, অপহরণসহ অন্য নিপীড়নের সংখ্যা ছিল ২৩টি।
  • ২০২০ সালে মোট নিপীড়নের সংখ্যা ছিল ৬২টি। এরমধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ২০টি। আর দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। শারীরিক হেনস্তার শিকার হোন ১৬ জন। আর অপহরণের শিকার হয়েছিলেন ৬জন।
  • ২০২১ সালের তথ্যে পাওয়া যায়—সমতল ও পাহাড়ে মোট ২২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৪জন নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছিল ১২টি। অপহরণ, পাচার ও নিগ্রহের ঘটনা ছিল ১টি করে। শারীরিক হেনস্তার শিকার হোন ২জন। সব মিলিয়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৪২টি।
  • ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০৩টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৩১৫ জন জুম্ম নাগরিকের মানবাধিকার লঙ্ঘন, ৪৯ জনকে গ্রেফতার, ৩০ জন ম্রো শিশু ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত ও ৩০০ একর ভূমি বেদখল হয়েছে। জুম্ম নারী ও শিশুর উপর ১৫টি ধর্ষণ, হত্যার সহিংসতা ঘটনা এবং ১৬ জন নারী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন।
    পার্বত্য চট্টগ্রামের উপর দীর্ঘদিন দৃষ্টি রেখেছেন অধ্যাপক মার্ক লেভিন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি আদিবাসী নারীর ধর্ষণ প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘গণধর্ষণ, বিশেষ করে কম বয়সী মেয়েদের ধর্ষণসহ অঙ্গচ্ছেদ এবং ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা ছিল অন্যতম বিরামহীন নৃশংসতার এক কৌশল। গোটা জুম্ম জনগণকে সাজা দেওয়া আর কলঙ্কিত করা ছিল এর উদ্দেশ্য। ধর্ষিতাকে সমাজ আর পরিবার কলঙ্কিত বলে আর গ্রহণ করে না। তাই এই গণধর্ষণের ফলে শিশুর জন্মরোধ করার চেষ্টা করা হয়। লোকলজ্জ্বা আর ভয়ের দীর্ঘস্থায়ী এক মানসিক আঘাতে (সাইকোলজিক্যাল ট্রমা) আক্রান্ত হয় ধর্ষিতা আর তার পরিবার। স্পষ্টই এই আক্রমণ রাষ্ট্ররচিত নির্মূলিকরণ কর্মসূচির একটি অংশ।’ ২০১৮ সালে পাইচিংমং মারমা, জার্মান রেডিওর ওয়েব পোর্টাল ‘ডয়চে ভেলে’ লিখেছেন, “নতুন রাষ্ট্রের সূচনায় ১৯৭৩ সালে দীঘিনালা হাইস্কুল মাঠে জনৈক সামরিক অফিসার লেফটেন্যান্ট কবির ফরমান জারি করেছিলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক উপজাতি মহিলার গর্ভে একটা করে মুসলমান বাঙালি সন্তান জন্ম নেবে।’ কাউন্টার ইনসারজেন্সির অন্যতম লক্ষ্যই ছিল সেটলারদের মাধ্যমে পাহাড়িদের বাঙালি বানানো। ইখতিয়ার উদ্দিন জাহেদ লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ আর্মি তাদের কৌশলের অংশ হিসেবে সেটলারদের পাহাড়ি মেয়েদের বিয়ে করে মুসলমান বানানোয় উৎসাহ দেয়া। পার্বত্য চট্টগ্রামে তৎপর সৌদি এনজিও আল-রাবিতা খাদ্য নিরাপত্তা, নগদ অর্থ আর কর্মসংস্থানের প্রতিদান হিসাবে দরিদ্র পাহাড়িদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করছে। আদিবাসীদের মধ্যে ইসলামের প্রসারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে গেছে। তারা পাহাড়িদের গণহত্যা আর ধর্ষণ করেছে, যাতে শান্তিবাহিনীকে সমর্থন না দিতে পারে।”
    ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে জুন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশে তিনি হাজার ৫৫৪ জন খুন, ডাকাতি ৬১০টি, দস্যুতা ১৫২৬টি, দাঙ্গা ৯৭টি, ধর্ষণ ৪১০৫টি, এসিড নিক্ষেপ ৫টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ১২,৭২৬টি, অপহরণ ৮১৯টি, সিঁধেল চুরি ২৩০৪টি, চুরি ৭৩১০টি এবং এই সময়ে রুজুকৃত মামলার সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৫টি। অর্থাৎ বাংলাদেশ দুর্বৃত্ত, দূরাচার, দুষ্কর্মকারীদের আখড়াতে পরিণত হয়েছে। তথ্য-উপাত্তে আইনের শাসন উপেক্ষিত হয়েছে। সাম্প্রতিকালে জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে, ‘ধর্ষণে জড়ালেও শাস্তি হবে না মনে করে ২৭.৫৮% শতাংশ আসামি।’ আমার বাংলাদেশের এরূপ ব্যক্তিরাই আদিবাসীদের অসহায়ত্বকে সম্বল করে নারীদের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। যারা খাগড়াছড়ির মেয়েটিকে অসম্মান, পরিবারটি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে, রাষ্ট্রীয় আইনকে তোয়াক্কা করে নাই; প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি করি। একটি দৃষ্টান্তই আমাদের চলার পথকে মসৃন করবে। কেননা, পাহাড় থেকে সমতল—কোথাও আদিবাসী নারীরা নিরাপদ নয়।
    [নিবন্ধটির তথ্য-উপাত্তের প্রমাণনির্ভরতা, মন্তব্য এবং সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে মতামত একান্তই লেখকের। ]
Previous Post

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করলেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুতরা

Next Post

দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের প্রাণহানি

Admin

Admin

Next Post
ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪৪ জন হাসপাতালে ভর্তি

দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের প্রাণহানি

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 3 9 4 8
Users Today : 2
Views Today : 2
Total views : 175446
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In