• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

কতবার আমি ক্ষমা করব – ডা. অলোক মজুমদার

কতবার আমি ক্ষমা করব - ডা. অলোকমজুমদার

Admin by Admin
জুন ১৫, ২০২১
in প্রচ্ছদ, ফিচার
0 0
0
কতবার আমি ক্ষমা করব  – ডা. অলোক মজুমদার

Line art dove. Flying pigeon logo drawing. Black and white single vector illustration. Good for greeting card, banner, flyer and poster.

0
SHARES
74
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

পিতঃ এদের ক্ষমা করো, কেননা এরা কি করছে তা এরা জানে না। (লুক ২৩ : ৩৩-৩৪)
এখানে মূূল বিষয় হলো ক্ষমা।ক্ষমা করা বা ক্ষমা পাওয়া আসলেই অত সহজ বিষয় নয় আমরা সেটাকে যত সহজ ভাবি। অনেক শর্ত থাকে এগুলোতে। আমাদেরও জানতে হয় আমরাই ক্ষমা করার উপযোগী না কি ক্ষমা পাওয়ার উপযোগী।

প্রথম বিষয় হলো যারা ক্ষমা করেন তারা কি সত্যি সত্যিই ক্ষমা করেন, নাকি লোক দেখানো ক্ষমা করেন। যাদের ক্ষমা করা হয় তারা কি সত্যিই ক্ষমা পাওয়ার উপযোগী নাকি পারিপার্শ্বিকতা তাকে ক্ষমার জন্য তৈরি করছে। যাদের ক্ষমা করা হচ্ছে তারা কি ক্ষমার আসল অর্থ বোঝে। ক্ষমা পাওয়ার পরে তারা কি পরিবর্তীত হতে পারে বা হয়েছে।

আসলে আমরা জাগতিকতায় ক্ষমা করতে খুবই কৃপণ। কেননা স্বার্থ নিয়েই চলতে হয় আমাদের। কিন্তু প্রকৃত ক্ষমায় কোনো স্বার্থ থাকে না। আর তাই তো প্রকৃত ক্ষমা করতে হলে আমাদের ক্ষতি ও অপমান মেনে নিয়েই করতে হয় ।

প্রভু যীশু আমাদের ক্ষমার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ ও মহাআদর্শ। কেননা তিনি ক্ষমার মহামূল্য হিসেবে নিজের জীবনটাই দিয়ে দিলেন। আমরা যে কাউকে ক্ষমা করি না তা নয় তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অর্থহীন ক্ষমা করতে অভ্যস্থ আমরা। আর তাই তো যাকে ক্ষমা করি, কেন তাকে ক্ষমা করলাম সেই বিষয়টা বারবার আমাদের মনে দোলা দেয়। আমরা আগের সেই অবস্থায় আর ফিরতে পারি না। আমাদের হৃদয়ের হার্ডডিক্স থেকে সেই কারণটা ডিলিট করে রিফ্রেশ করতে পারি না। আর তাই তো নতুন কোনো কিছু যোগ করার মতো জায়গা আর আমাদের হৃদয়ের হার্ডডিক্সে থাকে না। যখন ক্ষমা করলাম তখন ঐ অপ্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে আমাদের হার্ডডিক্সের জায়গা নষ্ট করে আমাদের কি লাভ।
সক্কেয় শিঘ্রই নেমে এসো। আজ তোমার গৃহে আমাকে থাকতে হবে।

সেই সময়ের ভালো মানুষদের মধ্যে অবশ্যই সক্কেয় ছিলেন না কেননা এখনকার মানুষদের মধ্যেও সুদের কারবার যারা করে তাদেরকে আমরা ভালো চোখে দেখি না। সেটা যীশুও জানতেন কিন্তু তিনি সেখানেই থাকবেন সিদ্ধান্ত নিলেন। হয়ত জাগতিকতার চোখে আমরা সেটাকে অনেক খারাপ দেখছি কিন্তু তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। তার বাড়িতে থাকলেন খেলেন। আর বললেন আজ এখানে পরিত্রাণ উপস্থিত হলো। ক্ষমার সাথে পরিত্রাণের একটা নিবিড় সম্পৃক্ততা আছে। আর তাই তো আমাদেরকেও পরিত্রাণ পেতে হলে ক্ষমা করা শিখতে হবে। ডিলিট করা শিখতে হবে রিফ্রেশ করা শিখতে হবে। আমি জানি না পরিত্রাণ ঠিক রাখতে সক্কেয়কে কত জাগতিক মূল্য দিতে হয়েছিল।

পিতর যীশুকে প্রশ্ন করলেন-প্রভু একটা মানুষকে কতবার ক্ষমা করা যায়। তিনি বললেন সাত বার নয় কিন্তু সত্তর গুণ সাত বার। যার মানে মানে জাগতিকতার হিসেবে ৪৯০ বার।
আমরা জানি আমাদের ঈশ্বর ক্ষমার ঈশ্বর,দয়ার ঈশ্বর, প্রেমের ঈশ্বর, শান্তির ঈশ্বর। কিন্তু আমাদের হৃদয়ের হার্ডডিক্স শুন্য করে, মানে নিজেকে শূন্যের কোঠায় এনে, তবেই তার কাছে ক্ষমা পাওয়ার জন্য আসতে হয়।

আবার ক্ষমা পাওয়ার যোগ্যতাও আমাদেরকে অর্জন করতে হয়। আমরা কতজন সত্যিকারের ক্ষমা পাওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করেছি তা নিজের বুকে হাত দিয়ে হিসেব করলেই বুঝতে পারব।
আমরা তো প্রভুর প্রার্থনায় বড়ো বড়ো করে আমরা বলতেই থাকি “আর আমাদের অপরাধ সকল ক্ষমা করো আমরা যেমন আপন আপন অপরাধীদের ক্ষমা করেছি।” এটাই ভাবনা আমরা কি করেছি। তার মানেই শূন্যতা থাকলেই পুরন করতে নতুন কিছু আসা সম্ভব।

আমরা জাগতিকতায় জানি যে, জেনে অন্যায় আর আর না জেনে অন্যায়ের শাস্তির অনেক পার্থক্য আছে। যীশু বললেনপ্রভু এদেরকে ক্ষমা করো কেননা এরা কি করিতেছে তা তারা জানে না।জাগতিকতার কথা ভেবে দেখুন আপনি কি করছেন। যারা তার গায়ে আঘাত করছে, গায়ে থুতু দিচ্ছে, তিল তিল করে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে তিনি তাদেরকে নিঃশর্ত ক্ষমা করলেন।
পিলাত কিন্তু ঠিকই বুঝে ছিলেন যে, তিনি সাধারণ কেউই নন, আর তিনিনির্দোষ। পিলাত তাঁকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। ওখানে তাঁকে না জানা লোকের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল তাই তো পিতর তাঁকে রক্ষা করতে পারেনি অথবা এখনকার মতো যদি আমরা ভাবি তবে ,হতেও পারে তার পদবী ঠেকাতে তিনি তা করতে পারেননি।

যখন আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারি তখন শুধুঅনুশোচনা ছাড়া আর কিছুই করতে পারি না। যারা তাকে সত্যিই চিনত জানত তারা তাকে মারতে চায়নি।যিনি তাঁকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন সেও শেষ পর্যন্ত গলায় দড়ি নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছিল। সত্য জানার পরে আমরা যতই না জানার ভান করে অন্য কিছু করতে চাই, তা আমাদের জন্য মৃত্যু স্বরূপ।

আচ্ছা আমরা কতো কাজ করছি যা আমাদের ক্ষমা না পাওয়ার মতো। মনে করুন আজ যদি যীশু বলেন পিঃ ওরা কী করেছে ওরা তা জানে, তুমি ওদের ক্ষমা করো না। তাহলে আমাদের আশ্রয় কোথায়?আমরা তো তার ক্ষমা না করার ইতিহাস সম্মন্ধেও জানি। সেই যিরুশালেম মন্দিরের সেই ব্যবসায়ীদের কথা। যীশু কি তাদের ক্ষমা করেছিলেন? না করেননি।চাবুক হাতে করে বের করে দিযেছিলেন।

হয়ত তিনি ৪৯০ বার বলেছিলেন তার পরেই তিনি ঐ কাজটি করেছেন। আমাদের জীবনে তার সেই সর্তকতা কি ৪৯০ বার শেষ হয়েছে, নাকি বাদ আছে, ভাবার সময় আজই। এখনই। কেননাআমরা জেনে শুনে খ্রীষ্টকে কতই না কষ্ট দেই এবং দিচ্ছি। নিজের জীবন দ্বারা কতই না অপমান করি এবং করছি। নিজের কাজ দ্বারা কতই না অপমান করছি , অন্যের সাথে কথা বলা বা চলার সময় কত সময়ই না তার আদর্শকে নষ্ট করে দেই এবং দিচ্ছি। খাওয়া থেকে শোয়া পর্যন্ত কত সময়ই না খ্রীষ্টকে অস্বীকার করি এবং করছি। আজ একবার বুকে হাত দিয়ে ভাবি যে তিনি আমাদের কোনটা বলবেন। আগের চেনাটাই বলবেন নাকি পরের না চেনাটাই বলবেন।

আমরা সেইহারানো সন্তান হারানো মেষের গল্প সবাই জানি। সন্তান ফিরে এলে তার বাবা ও পরিবার অনেক আনন্দ করেছিল। অনেক অর্থ খরচ করেছিল। আবার হারানো মেষ ফিরে পেয়ে মেষের রাখাল অনেক আনন্দ করেছিল। তাই তো আজকের এই দিনে ঐ ক্রুশে দুই হাত বাড়িয়ে আমাকে আপনাকে খুঁজছেন তিনি। জানিনা কখন তার সেই আনন্দ তিনি আমার কাছ থেকে পাবেন।

Previous Post

মেসির গোলের পরও জিততে পারল না আর্জেন্টিনা

Next Post

মাটির ঘরে কৃষি জাদুঘর!

Admin

Admin

Next Post
মাটির ঘরে কৃষি জাদুঘর!

মাটির ঘরে কৃষি জাদুঘর!

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 4 0 2 7
Users Today : 26
Views Today : 36
Total views : 175540
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In