• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

হুমকির মুখে চলনবিলে শুঁটকি

হুমকির মুখে চলনবিলে শুঁটকি

Admin by Admin
নভেম্বর ৬, ২০১৯
in খবর
0 0
0
হুমকির মুখে চলনবিলে শুঁটকি
0
SHARES
33
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

এক বছরে রপ্তানি আয় কমলো ৭ বিলিয়ন ডলার

আজ নতুন সরকারের শপথ

দেশীয় প্রজাতির মাছের ভাণ্ডার হিসেবে প্রসিদ্ধ চলনবিল। এই অঞ্চলে স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে দেশীয় প্রজাতির মাছের শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রচেষ্টা সম্পূর্ণরূপে থমকে গেছে। দাতা সংস্থার অর্থে পরিচালিত প্রকল্পটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলছিল। তবে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে না হতেই চাতাল মালিকরা ফিরে গেছেন আবার সেই সনাতন পদ্ধতিতে শুঁটকি তৈরিতে। চলনবিল অঞ্চলে মিঠা পানির দেশীয় প্রজাতির মাছের শুঁটকি দেশে ও দেশের বাইরে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও ইতিমধ্যেই এর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র তেকে জানা যায়, চলনবিলে প্রায় এক হাজার ৭৫৭ হেক্টর আয়তনের ৩৯ টি বিল, চার হাজার ২৮৬ হেক্টর আয়তন বিশিষ্ট ১৬টি নদী এবং ১২০ বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট ২২টি খাল রয়েছে। মূলত বর্ষা মৌসুম নদীর বিশেষ করে আষাঢ় থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত চার মাস বিলে পানি থাকায় চলনবিলের জলায়তন বিস্তৃতি হয়। আর মাছের প্রজননকাল থেকে শুরু করে শুষ্ক মৌসুম পর্যন্ত মিঠা পানির মাছের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্রে পরিণত হয় চলনবিল। এ সময় শত শত টন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে জেলেদের জালে। এ বিলের মাছ দিয়ে দেশের মিঠা পানির মাছের বড়ো একটি অংশের চাহিদা পূরণ করা হয়ে থাকে।
সেই মাছ শরৎ হেমন্ত এমনকি শীতকালের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলনবিলের বিভিন্ন প্রজাতির মাছের যেমন টেংরা, পুটি, টাকি, ঢেলা, মওলা, চেঁলা, চিংড়ি, বোয়াল, শোলসহ বেশ কয়েকটি প্রজাতি মাছের শুঁটকির চাহিদা রয়েছে দেশ-বিদেশে। চলনবিলের হান্ডিয়াল বিলের শুঁটকি ব্যবসায়ী গোপেন হালদার জানান, চলনবিলের মাছের শুঁটকি পার্শ্ববর্তী ভারত, আমেরিকা, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, বাহারাইন, কাতার ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়ে থাকে।
এ বিষেয়ে রাজশাহী মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শাহীনুর রহমান জানান, বৃহত্তর চলনবিল ও তার প্লাবনভ‚মিতে প্রতি বছর গড়ে চার শ থেকে সাড়ে চার শ মেট্রিক টন দেশীয় প্রজাতির শুঁটকি উৎপাদন হয়ে থাকে। যার বাজার মূল্য টাকার অংকে প্রায় ২৫ থেকে ২৮ কোটি টাকা। প্রাচীনকাল থেকেই চলনবিল এলাকার জেলেরা সনাতন পদ্ধতিতে মাছের শুঁটকি করে আসছেন। এ জন্য তারা উঁচু বাঁশের মাচা তৈরি করে, কাঁচা মাছ রোদে শুকায়ে শুঁটকি তৈরি করে থাকেন। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে মাছের পচন রোধে এবং পোকা ও মাছি মুক্ত রাখতে অনেক সময় কীটনাশকসহ রাসায়নিকজাত দ্রব্য মেশানোর অভিযোগ উঠলে শুঁটকির বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ কারণে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে শুঁটকি তৈরি করার জন্য ২০১৪ সালে চলনবিলের চাতাল মালিকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি একটি প্রকল্প হাতে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্প (হেকেপ)।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মহিষলুটিতে প্রকল্পটি পরিদর্শনে আসেন ভারত, মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞসহ বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। তাঁরা প্রকল্পটি দেখে আশ্বস্ত হন।
একাধিক শুঁটকির আড়তদার জানান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশে দেশীয় প্রজাতির মাছের শুঁটকি উৎপাদন করায় সে সময় এর চাহিদাও বৃদ্ধি পায় । কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো গত ২০১৬ সালে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়া মাত্রই চাতাল মালিকরা প্রকল্প সহযোগিতা না পেয়ে তারা ফের তাদের নিজস্ব সনাতন পদ্ধতিতে শুঁটকি তৈরি শুরু করেন।
দেশীয় প্রজাতির মাছের শুঁটকি দেশে ও দেশের বাইরে ব্যাপক চাহিদা ফিরিয়ে আনতে এ বিষয়ে সরকারকেই সর্বাগ্রে এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে উৎপাদনকারীদের ঋণ ও প্রশিক্ষণ দিতে হবে। সেই সাথে স্থানীয় বাজার তৈরি ও আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদন করা গেলে দেশি বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও এর চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।

এম আতিকুল ইসলাম বুলবুল/ সময়ের বিবর্তন

Previous Post

টি-টোয়েন্টি ও টেস্টে অধিনায়কের পরিবর্তন

Next Post

পরিস্থিতি বিশ্বশান্তির অনুকূল নয়

Admin

Admin

Next Post
পরিস্থিতি বিশ্বশান্তির অনুকূল নয়

পরিস্থিতি বিশ্বশান্তির অনুকূল নয়

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 6 1 7
Users Today : 48
Views Today : 50
Total views : 177301
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In