• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

হাইপারটেনশন থেকে সতর্ক হোন

হাইপারটেনশন থেকে সতর্ক হোন

Admin by Admin
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
in প্রচ্ছদ, স্বাস্থ্য
0 0
0
হাইপারটেনশন থেকে সতর্ক হোন
0
SHARES
14
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বিশ্ব জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডায়াবিটিস, হাই ব্লাড প্রেশারের মতো রোগ। সাম্প্রতিক সময়ে এখন তার পাশাপাশিই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হাইপারটেনশন। গত ৩০ বছরে গোটা বিশ্বে হাইপার টেনশনের রোগীর সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে!

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো মানুষের যদি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তা হলে তা ডেকে আনে নানা বিপদ। সেখান থেকেই হার্ট ফেলিয়োর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হওয়া অস্বাভাবিক নয়। প্রত্যেক বছর বিশ্বে ৮.৫ মিলিয়ন মানুষ শুধু মাত্র হাই ব্লাড প্রেশার থেকে জন্ম নেওয়া নানা রকম সমস্যার কারণে মৃত্যু হয়েছে।

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

হাইপারটেনশনের সময়েও বাড়ে রক্তচাপ। সেই সময়ে সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার ১৪০ এবং ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেশার যদি ৯০-এর ওপরে যায়, তা হলে অবশ্যই ওষুধ খাওয়া বাঞ্ছনীয়। যেকোনো ধরনের চাপই কার্ডিয়োভাসকুলার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।

হাইপারটেনশন মাথা চাড়া দেওয়ার কারণ
হাইপারটেনশনের মতো সমস্যা শিকড় ছাড়িয়ে ওঠার পেছনেও আছে নানা বৈজ্ঞানিক কারণ। এমন ছোটো ছোটো নানা কারণ এবং প্রাত্যহিক জীবনে বিভিন্ন অভ্যেস আছে, যা কিন্তু পরোক্ষে হাইপারটেনশনকেই আমন্ত্রণ জানায়। যেমন-রোজ অতিরিক্ত পরিমাণে লবণ খাওয়া, ধূমপানের অভ্যাস এবং খাবারে যথেষ্ট পরিমাণে পটাশিয়াম না থাকা। এ ছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, অত্যধিক ওজন বেড়ে যাওয়া, ওবেসিটির প্রবণতা কিংবা একেবারে শারীরচর্চাহীন জীবনযাপনও হাইপারটেনশনকে ডেকে আনতে পারে।

হাইপারটেনশনের লক্ষণ
যদি কেউ লক্ষ করেন, অল্পতেই তিনি হাঁপিয়ে যাচ্ছেন কিংবা নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে, তখনই অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। এর পাশাপাশি মাথা ধরা, ক্লান্ত বোধ করা, মাথা ঘোরা, বুকে চাপ ধরা, শ্বাসকষ্ট, বাঁ কাঁধে যন্ত্রণা হলেও তা ফেলে রাখা উচিত নয়।

হাইপারটেনশনই আদতে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ভারতে বেশির ভাগ মানুষ এটাই বুঝতে পারেন না যে তাঁরা হাইপার টেনশনের শিকার। ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে। এমনকি তা প্রাণ সংশয়ের দিকেও এগিয়ে যায় সহজে।

হাইপার টেনশনের মাধ্যমে বাড়তে থাকা কো-মর্বিডিটি রেট কমাতে প্রয়োজন স্ক্রিনিং। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দরকারি।

কী করবেন?
সবচেয়ে আগে নিজেকে লক্ষ করুন। হাঁপ ধরা, প্রায়শই মাথা যন্ত্রণা, বুকে অল্প অল্প চাপ ধরে, কাঁধে ব্যথা জাতীয় সমস্যা মানেই তা সাময়িক এটা ভাববেন না। এ রকম কোনও লক্ষণ বুঝতে পারলে এক মুহূর্ত দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হাইপার টেনশনের ইতিহাস থাকুক বা না থাকুক, প্রত্যেক মানুষেরই নিয়মিত ব্লাড প্রেশার চেক করা উচিত। এমনিতে শারীরিক কোনো সমস্যা না থাকলে বা ধরা না দিলে শরীর নিয়ে কারওরই মাথা ব্যথা থাকে না। ফলে সবচেয়ে অবহেলিত হয় শরীর। তাই নিয়ম মাফিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা জরুরি। লবণ খাওয়া কমানো জরুরি। রোজকার রান্নায় লবণ থাকেই। তার পাশাপাশি খেতে বসে পাতে যদি অনেকটা লবণ থাকে, তা হলে বিপদ বাড়বেই।

এ ছাড়াও সময় এসেছে নিজের লবণ বেছে নেওয়ার। লবণেরও নানা ধরন হয়। সাধারণ আয়োডিন যুক্ত লবণ রান্নায় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কাঁচা খেতে হলে পিঙ্ক সল্ট জাতীয় লবণ রাখুন পাতে। এই লবণ এমনিতেই লাগে কম, তুলনায় কম ক্ষতিকারক। খেয়াল রাখুন, প্রত্যেক দিনের লবণ খাওয়ার পরিমাণ যেন ৬ মিলিগ্রামের বেশি না হয়। গ্রাম মেপে লবণ খাওয়া হয়তো অনেক সময়ে হয় না। সে ক্ষেত্রে ২ চা চামচের বেশি লবণ না খাওয়াই শ্রেয়।রান্না বা পাতে লবণ বেশি না খাওয়া হলেও নিজের অজান্তে বিপুল পরিমাণে লবণ ঢোকে ফাস্ট ফুডের মাধ্যমে।

চিপস, আচার জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়া ভালো। কারণ এই ধরনের খাবারে থাকে প্রচুর পরিমাণে লবণ। আবার কোনো খাবার ভালো রাখার সময়সীমা বাড়াতে প্যাকেটজাত করার সময়ে প্রচুর লবণ ব্যবহার করা হয়। সেই ধরনের খাবারও এড়িয়ে যেতে হবে।

খাবারে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। যতটা সম্ভব তরতাজা ফল, কম মশলা দেওয়া হালকা রান্না খাওয়া দরকার।

ডায়েটের সঙ্গে নজর থাকুক শারীরচর্চায়। অল্প যোগব্যায়াম দিয়ে শুরু করা যায়। ধীরে ধীরে রোজ নিয়ম করে এক্সারসাইজ করতে হবে। ব্যায়াম করার অসুবিধে থাকলে অন্তত রোজ নিয়ম করে হাঁটতে হবে।

হাইপার টেনশনকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায় রোজকার কিছু অভ্যেসে বদল আনলে। তার সঙ্গে চলতে থাকুক নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা। তা হলেই রোগ নির্ণয় হবে সহজে।

Previous Post

প্রথম ‘বাংলা ব্যাকারণ’ গ্রন্থের রচয়িতা মহান সাধক উইলিয়াম কেরি ● জেমস আব্দুর রহিম রানা

Next Post

শহীদ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা প্রশিক্ষণ একাডেমী

Admin

Admin

Next Post
শহীদ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা প্রশিক্ষণ একাডেমী

শহীদ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা প্রশিক্ষণ একাডেমী

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 5 9 4
Users Today : 25
Views Today : 26
Total views : 177277
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In