• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

সাত জেলায় আড়াই লাখের বেশি মানুষ বন্যা কবলিত, প্রাণহানীর সংখ্যা বেড়ে ৫১

সাত জেলায় আড়াই লাখের বেশি মানুষ বন্যা কবলিত, প্রাণহানীর সংখ্যা বেড়ে ৫১

Admin by Admin
জুলাই ১৩, ২০২৬
in খবর, প্রচ্ছদ
0 0
0
সাত জেলায় আড়াই লাখের বেশি মানুষ বন্যা কবলিত, প্রাণহানীর সংখ্যা বেড়ে ৫১
0
SHARES
5
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মুক্তকথা ● শেষ হইয়াও হইলো না শেষ কোনো এক অদৃশ্য থাবায় ○ ডা. অলোক মজুমদার

অর্থনীতি ভাবনা ● বাজেট ২০২৬-২৭: বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি, রূপান্তর ও চ্যালেঞ্জ ○ মো. হিমেল

অতিবৃষ্টিতে পানিবন্দী মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষার্থে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিভাগীয় সম্পাদক ● টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বৃষ্টিপাত প্রথমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা, ভূমিধস ও মৃত্যুর কারণ হলেও এখন তা ঢাকাসহ প্রায় বেশিরভাগ জেলাতেই জনজীবন বিপর্যন্ত করে তুলেছে। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি ও ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ ও বিতরণ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যা আক্রান্ত জেলা সাতটি।
সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এ দুর্যোগে বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় এপর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। আহত হয়েছেন ৩৯ জন।
রবিবার দেওয়া এই প্রতিবেদনে এই মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পার্বত্য জেলাগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র কক্সবাজারেই ভূমিধসে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের।
বান্দরবানে সাতজন এবং চট্টগ্রামে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে জানিয়েছে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়।
বৈরি আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে এরইমধ্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের তিনদিনের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, আগামী পাঁচ দিনেও পরিস্থিতির তেমন একটা উন্নতি হবে না। বরং আগামী পাঁচ দিনই আট বিভাগের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদপ্তর। এর কারণ হিসেবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী অবস্থায় বিরাজমান আছে।
এদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, পাঁচটি জেলার তিনটি নদীর পানি পাঁচটি পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়াও আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে এবং উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয় প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে বলেও জানিয়েছে এই কেন্দ্র।
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি ও ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ ও বিতরণ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো রবিাবের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে বন্যা আক্রান্ত হয়েছে সাতটি জেলা। এর মধ্যে রয়েছে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মৌলভী বাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলায় দশ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
একইসঙ্গে, এসব জেলায় দুই লাখ ৬৭ হাজারের বেশি পরিবার এখনো পানিবন্দী রয়েছে।
বন্যা আক্রান্ত সাত জেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য এক হাজার ১৩১টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়। এছাড়া সরকার বন্যা আক্রান্তদের নগদ টাকা ও চাল ত্রাণ দিয়েছে।
খাগড়াছড়ির স্থানীয় বাসিন্দাসূত্রে জানা যায়, সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে আটকে পড়া পর্যটকদের এরইমধ্যে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। সেখানকার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। এরইমধ্যে সড়ক, বাজার ও বাসা বাড়ি থেকে পানি নেমে যাওয়ায় ভোগান্তি কমেছে খাগড়াছড়ির মানুষের। ঘর-বাড়িতে ফিরেছে মানুষজন। দোকান পাট খুলতে শুরু করেছে। তবে দুয়েকটি স্থানে এখনো জলাবদ্ধতা আছে এবং ৫০ টির মতো পরিবার এখনো পানিবন্দী আছে।
এছাড়া গত তিন দিন ধরে বৃষ্টিপাতের মাত্রা কমেছে এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও ভারী বর্ষণ হয়নি খাগড়াছড়িতে। এছাড়া, রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে কয়েক স্থানে ভূমিধসের কারনে চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকায় কিছু স্কুলে অর্ধবার্ষিক ও চট্টগ্রাম বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে টানা তিনদিনের বর্ষণে ঢাকায় কোথাও কোথাও সড়কে জমে থাকা পানিতে বিকল হয়ে গেছে ব্যক্তিগত যানবাহন।
এদিকে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারনে ঢাকার বেশ কিছু স্কুল-কলেজে পরীক্ষা স্থগিত রাখার খবর পাওয়া গেছে। ভিকারুন নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের রোববারের নবম শ্রেণির অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা এবং একাদশ শ্রেণির ব্যবহারিক পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেইজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে, স্থগিত পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তিতে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেছে ভিকারুন নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।
একইসঙ্গে, প্রধান সড়কসহ অলি-গলিতেও বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় অবস্থিত মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ শাখায় রোববারের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রাজধানীর গ্রিন রোডের ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের একজন অভিভাবক শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, রবিবারের অর্ধবাষিক পরীক্ষা আপাতত স্থগিত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া, চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারনে আগামী ১৬ই জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব জেলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
শনিবার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের (সকল জেলা) এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ই জুলাই, সোমবার, ১৫ই জুলাই, বুধবার এবং ১৬ই জুলাই বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি(বিএমটি), এইচএসসি(ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা-২০২৬ স্থগিত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সব জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদন ও এই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বোর্ড বাদে আর কোনো বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। শনিবারের সিদ্ধান্তই বহাল আছে।
এদিকে, ছয়দিন ধরে চট্টগ্রাম নগরীর শমসেরপাড়া এলাকায় রেলপথ পানির নিচে ডুবে আছে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে শমসেরপাড়া পর্যন্ত রেলপথের বিভিন্ন অংশ দেড় থেকে দুই ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি শমসের পাড়া গিয়ে পানির কারনে আর এগোতে পারেনি। এর ফলে ওই দিন থেকেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রবিবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি।
সারা দেশের রেল চলাচলের বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানান, ‌‌‌‌”শুধু চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে, দেশের অন্য কোথাও রেল চলাচল বিঘ্নিত হয়নি। তবে, কোথাও কোথাও ট্রেন কিছুটা লেইট আছে, বৃষ্টির কারনে রাস্তার ওয়েট ক্যাপাসিটি অনেক জায়গায় কমে যায়, এ কারণে কোনো কোনো ট্রেন একটু লেইট আছে, কিন্তু চলছে।”

বন্যা, বৃষ্টিপাত নিয়ে যে পূর্বাভাস
আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, ধলাই, খোয়াই ইত্যাদি ইত্যাদি নদীর পানি সমতলে কমে যেতে পারে এবং নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এদিকে, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রবিবার দুপুর বারোটা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সোমবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদপ্তর।
তবে, ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, পাঁচটি জেলার তিনটি নদীর পানি পাঁচটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এর মধ্যে বান্দরবানে সাঙ্গু নদী, চট্টগ্রাম স্টেশনে দোহাজারী, সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে কুশিয়ারা নদী এবং নেত্রকোণার কলমাকান্দা স্টেশনে সোমেশ্বরী নদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।
একইসঙ্গে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।
এর মধ্যে মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুগাই-কংস, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।
এর ফলে ফেনী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলায় স্বল্পস্থায়ী বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

Previous Post

মুক্তকথা ● শেষ হইয়াও হইলো না শেষ কোনো এক অদৃশ্য থাবায় ○ ডা. অলোক মজুমদার

Admin

Admin

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 4 1 1 3 3
Users Today : 0
Views Today :
Total views : 183608
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In