• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

লালবাগ দুর্গ

লালবাগ দুর্গ

Admin by Admin
নভেম্বর ২৩, ২০১৯
in খবর
0 0
0
লালবাগ দুর্গ
0
SHARES
25
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

এক বছরে রপ্তানি আয় কমলো ৭ বিলিয়ন ডলার

আজ নতুন সরকারের শপথ

লালবাগ দুর্গ মুগল প্রাসাদ দুর্গ। শুরুতে আওরঙ্গবাদ দুর্গ বা আওরঙ্গবাদ কেল্লা নাম দেয়া হলেও ১৮৪৪ সালে আওরঙ্গবাদ এলাকাটির নাম পরিবর্তন করে লালবাগ রাখা হলে এলাকার নামের সাথে সাথে কেল্লাটির নামও লালবাগ কেল্লা হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। পুরোনো ঢাকা নগরীর দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দুর্গটির অবস্থান। নদীটি বর্তমানে আরও দক্ষিণে সরে গিয়ে দুর্গ থেকে বেশ খানিকটা দূর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগে পূর্ব-পশ্চিমে আয়তাকারে বিস্তৃত দুর্গের দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিম অংশের অর্ধেকেরও বেশি নদী সংলগ্ন ছিল।
যুবরাজ মুহম্মদ আজম বাংলার সুবাহদার থাকাকালীন ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। কিন্তু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই আওরঙ্গজেব তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠান। তাঁর উত্তরসূরি শায়েস্তা খান ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করলেও ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে শায়েস্তা খানের কন্যা বিবি পরী এখানে মারা গেলে দুর্গটিকে তিনি অপয়া হিসেবে বিবেচনা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
দীর্ঘদিন যাবৎ দুর্গটিকে এর প্রধান তিনটি ভবন (মসজিদ, বিবি পরীর সমাধিসৌধ এবং দীউয়ান-ই-আম), দুটি প্রবেশপথ এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত একটি দুর্গ প্রাচীরের অংশের সমন্বয় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সা¤প্রতিককালে খননের মাধ্যমে এখানে আরও কিছু ভবন কাঠামোর অস্তিত্ব উন্মোচন করে, যা বর্তমানে দুর্গের একটি মোটামুটি সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরতে সাহায্য করে। বর্তমানে ১৮ একর বিস্তৃত দুর্গ এলাকায় খনন কাজের ফলে ২৬/২৭টি কাঠামোর অস্তিত্বসহ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, ছাদ-বাগান ও ঝর্ণার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। সংস্কারের পর লালবাগ দুর্গ এখন বেশ খানিকটা উন্নত রূপ ধারণ করেছে এবং ভ্রমণকারী ও দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।
বিদ্যমান তিনটি প্রবেশপথের মধ্যে দক্ষিণ দিকের প্রবেশপথটি সর্ববৃহৎ। সামনে থেকে দেখলে এটিকে ফ্রন্টনযুক্ত তিন তলা ভবন বলে মনে হয়, পাশে রয়েছে সরু সরু মিনার। ভেতর থেকে এটি আবার দ্বিতল ভবন হিসেবে পরিদৃষ্ট হয়। উত্তর-পূর্ব দিকের প্রবেশপথটি অনেক ছোট এবং সাধারণ মানের। কাঠামোগত অস্তিত্ব ইঙ্গিত দেয় যে, দুর্গটি পূর্ব দিকে বর্তমান শায়েস্তা খান সড়ক ছাড়িয়েও বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে উত্তর দিকের সীমানা প্রাচীরের মাঝখানে অবস্থিত তৃতীয় প্রবেশপথটি অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল। বর্তমানে এটি নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে।
দুর্গের দক্ষিণ দিকের প্রাচীরটি দক্ষিণ তোরণ থেকে উদ্ভ‚ত। প্রাচীরটি পশ্চিম দিকে প্রসারিত হয়ে দুর্গের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের বিশাল প্রতিরক্ষা বুরুজে (bastion) গিয়ে সমাপ্ত হয়েছে। এরপর প্রাচীরটি উত্তর দিকে কিছু দূর অগ্রসর হওয়ার পর আর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। দক্ষিণ ও উত্তর দিকের প্রবেশপথদ্বয়ের সংযোগকারী পূর্ব দিকের সীমানা প্রাচীরটি আধুনিক কালে নির্মিত। ধারণা করা হয় আদিতে দুর্গটি পূর্ব দিকে বর্তমানের শায়েস্তা খান সড়ককে ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত ছিল। দক্ষিণ প্রাচীরের উত্তর পাশে উপযোগম‚লক (utility) ভবনগুলি, যেমন-আস্তাবল, প্রশাসনিক ব্লক এবং এর পশ্চিমাংশে ঝর্ণা ও জলাশয়সহ একটি সুন্দর ছাদ-বাগান অবস্থিত ছিল। পশ্চিম প্রাচীরের পূর্ব পাশে, প্রধানত মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে, আবাসিক ভবনগুলি অবস্থিত ছিল। এখানে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার নিদর্শন পাওয়া গেছে। দক্ষিণ দিকের প্রাচীরটি মূলত দুটি প্রাচীরের সমন্বয়ে গঠিত; ভেতরের প্রাচীরটিতে নিয়মিত বিরতি দিয়ে উন্মুক্ত অংশ রয়েছে।
আদিতে দক্ষিণ প্রাচীরে নিয়মিত বিরতিতে পাঁচটি এবং পশ্চিম প্রাচীরে দুটি প্রতিরক্ষা বুরুজ ছিল। সাতটি বুরুজের মধ্যে সর্ববৃহৎটি দক্ষিণ তোরণের নিকটে এর পশ্চিম পার্শ্বস্থ আস্তাবলের পেছনে অবস্থিত। এই বুরুজটিতে একটি ভ‚গর্ভস্থ টানেল অন্তর্ভুক্ত ছিল। দক্ষিণ প্রাচীরের পাঁচটি বুরুজের মধ্যে কেন্দ্রীয়টি একতল বিশিষ্ট কাঠামো, কিন্তু বাকিগুলি দ্বিতল বিশিষ্ট। কেন্দ্রীয় বুরুজটিতে তিন দিকে বারান্দা সমৃদ্ধ একটি ভ‚গর্ভস্থ কক্ষ আছে এবং এটিতে হয় নদীর দিক দিয়ে অথবা এর ছাদের ওপর দিয়ে প্রবেশ করা যেত। দুর্গের দক্ষিণপশ্চিম কোণের দ্বিতল বুরুজটির ছাদে জলাধার ছিল এবং সম্ভবত এটি ছিল একটি হাওয়াখানা। পোড়ামাটি নির্মিত দুটি পানির পাইপ পাওয়া গেছে যার মাধ্যমে এই জলাধারের সাথে দুর্গের সবকটি ভবনের সংযোগ ছিল। হাম্মাম (দীউয়ান-ই-আম ভবনের নীচের তলা) ও বিবি পরীর সমাধির মধ্যবর্তী স্থান থেকে একটির ভেতরে আরেকটি এরূপ দুটি পাইপের বাড়তি-ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ডাবল পাইপ পাওয়া গেছে। দক্ষিণ দুর্গপ্রাচীরের সমান্তরালে আস্তাবল থেকে পশ্চিমমুখি স্থানটিতে প্রথম দিকে ঝর্ণা, গোলাপ ও তারা নকশার মালঞ্চ এবং জলাধারসহ একটি সুন্দর ছাদ-বাগান ছিল। ভবনের নিচে ছিল প্রশাসনিক বøক এবং পশ্চিম অংশে ছিল আবাসিক ভবন।
দুর্গের কেন্দ্রীয় অংশ জুড়ে রয়েছে তিনটি ভবনÑপূর্ব দিকে দীউয়ান-ই-আম ও হাম্মাম, পশ্চিমে মসজিদ এবং এগুলির মাঝখানে বিবি পরীর সমাধিসৌধ; এগুলির সব একই রেখায় অবস্থিত, তবে সম দূরত্বে অবস্থিত নয়। নিয়মিত বিরতিতে ঝর্ণা সমৃদ্ধ পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত একটি নহর তিনটি ভবনকে সংযুক্ত করেছে। উত্তর-দক্ষিণমুখী একই রকম আরও দুটি নহর প্রবাহিত। দীউয়ান-ই-আম ও সমাধিসৌধের মাঝ বরাবর বাগানের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত একটি নহর পূর্ব-পশ্চিমমুখী নহরটিকে ছেদ করার সময় তাদের মিলনস্থলে একটি বড়ো বর্গাকার জলাশয়ের সৃষ্টি করেছে। এখানে একটি ঝর্ণাও আছে। আর একটি নহর সমাধিসৌধের নিম্ন প্রান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পানির নহর ও ঝর্ণা মুগল স্থাপত্য শিল্পের প্রচলিত রীতি। এ ধরনের বৈশিষ্ট্য উত্তর ভারতের মুগল দুর্গের ন্যায় পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। উত্তর ও দক্ষিণ তোরণের মাঝ বরাবর এবং দীউয়ান-ই-আমের সামনে (পূর্ব দিকে) স্থাপিত বর্গাকার জলাধারটি ভবনের সৌন্দর্য বহুলাংশে বৃদ্ধি করেছে। জলাধারটির চার কোণ থেকে চারটি সিঁড়ি পানিতে নেমে গেছে।
পশ্চিমদিকের একতলা হাম্মাম সংযুক্ত দীউয়ান-ই-আম একটি বিশাল ভবন। হাম্মাম কমপ্লেক্সটিতে রয়েছে একটি উন্মুক্ত প্লাটফর্ম, একটি ছোট রান্নাঘর, একটি চুল্লী, একটি পানির আধার, ইট নির্মিত পাকা একটি বাথ-টাব, একটি শৌচাগার, একটি ড্রেসিং রুম এবং বাড়তি একটি কক্ষ। হাম্মাম অংশে পানি গরম করার জন্য ভ‚গর্ভস্থ একটি কক্ষ এবং ঝাড়ুদারদের ব্যবহারের জন্য একটি অলিন্দ রয়েছে। হাম্মামের পশ্চিম ফাসাদের সামনে দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত দীর্ঘ একটি বিভাজন দেওয়াল সমস্ত দুর্গটিকে দুভাগে বিভক্ত করেছে।
দুর্গে এখনও বিদ্যমান ভবনগুলির মধ্যে বিবি পরীর সমাধিসৌধটি সবচেয়ে আকর্ষণীয়। বিবি পরীর সমাধি ধারণকারী ব্রাস পাত মোড়ানো অষ্টভুজী মেকী গম্বুজ দ্বারা আচ্ছাদিত বর্গাকার কেন্দ্রীয় কক্ষকে ঘিরে রয়েছে আটটি কক্ষ। কেন্দ্রীয় কক্ষটির অভ্যন্তর দেওয়াল সাদা মার্বেল দ্বারা আচ্ছাদিত। অন্যদিকে পাশের কেন্দ্রীয় চারটি কক্ষের দেওয়াল আট মিটার উচ্চতা পর্যন্ত অংশ পাথর দিয়ে মোড়া। দক্ষিণপূর্ব কোণের কক্ষটিতে একটি সমাধি রয়েছে। অনুমান করা হয় যে, এটি সম্ভবত বিবি পরীর কোন এক আত্মীয় শামশাদ বেগমের সমাধি। লালবাগ দুর্গের মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট। এর পূর্বদিকে ওজু করার জন্য একটি জলাধার রয়েছে।
লালবাগ দুর্গে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে সুলতানি যুগ এবং প্রাক-মুসলিম যুগের স্তর উন্মোচিত হয়েছে। এখান থেকে পোড়ামাটির মস্তক ও ফলক পাওয়া গেছে। তথ্যসূত্র : বাংলাপিডিয়া।
হাবিবুর রহমান

ঘুরে আসুন
ঐতিহ্যবাহী লালবাগ কেল্লা সপরিবারে ঘুরে আসতে পারেন খুব সহজেই।
প্রবেশ টিকেট মূল্য
৫ বছর বয়সের নীচে বাচ্চাদের লালবাগ কেল্লা প্রবেশের জন্য কোনো টিকেট লাগে না। দেশি দর্শনার্থীদের কেল্লায় প্রবেশ করতে জনপ্রতি ১০ টাকায় টিকেট কাটতে হয় এবং বিদেশী পর্যটকদের টিকেটের জন্য জনপ্রতি ১০০ টাকা লাগে।
লালবাগ কেল্লা পরিদর্শনের সময়সূচি
সপ্তাহের রবি ও সোমবার যথাক্রমে পূর্ণ ও অর্ধ দিবসের জন্য লালবাগ কেল্লা বন্ধ থাকে। এছাড়াও সকল বিশেষ সরকারি ছুটির দিনে লালবাগ কেল্লা বন্ধ থাকে।
লালবাগ কেল্লা পরিদর্শনের সময়সূচি-
এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাস (গ্রীষ্মকাল)
রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ
সোমবার দুপুর ২:৩০ থেকে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত। শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৬ টা (দুপুর ১২:৩০-২টা পর্যন্ত বন্ধ)। সপ্তাহের বাকি দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৬ টা (দুপুর ১:০০-১:৩০ পর্যন্ত বন্ধ)।
অক্টোবর-মার্চ (শীতকাল)
রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ
সোমবার দুপুর ২:৩০ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত
শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা (দুপুর ১২:৩০-২টা পর্যন্ত বন্ধ)
সপ্তাহের বাকি দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫ টা (দুপুর ১:০০-১:৩০ পর্যন্ত বন্ধ)

কীভাবে যাবেন
গুলিস্তান গোলাপ শাহের মাজার থেকে লেগুনা দিয়ে লালবাগ কেল্লায় যাওয়া যায়। ঢাকার শাহবাগ, নিউমার্কেট এবং গুলিস্তান থেকে রিক্সায় বা সিএনজিতে সহজেই লালবাগ কেল্লায় যাওয়া যায়।
বিবর্তন ডেস্ক

Previous Post

যেভাবে থেমে গিয়েছিল চারশ বছরের পাল শাসন

Next Post

‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’—কোন অপরাধে কী শাস্তি?

Admin

Admin

Next Post
‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’—কোন অপরাধে কী শাস্তি?

‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’—কোন অপরাধে কী শাস্তি?

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 6 7 6
Users Today : 107
Views Today : 116
Total views : 177367
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In