বিবর্তন ডেস্ক রিপোর্ট ● ভারতে একই পরিবারের ৩১ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরিতে।
প্রথমে পরিবারের এক বয়স্কা নারীর করোনায় মৃত্যু হয়। তিনি মারা যাওয়ার পর রিপোর্ট আসে যে তাঁর করোনা হয়েছিল। তারপর পরিবারের বাকিদের পরীক্ষার পর প্রথমে ২৬ জনের করোনা ধরা পড়ে। গতকাল ১৯ এপ্রিল রবিবার আরও পাঁচজনের করোনা হয়েছে বলে রিপোর্ট আসে। জাহাঙ্গিরপুরির এই মুসলিম পরিবারের বাচ্চারাও করোনায় আক্রান্ত। ভারতে একই পরিবারের এতজন ব্যক্তির একসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। আক্রান্তদের নারেলায় আইসোলেশন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে। মৃতা মহিলা আরও ৩৩ জনের সঙ্গে মিশেছিলেন। তাঁদের রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ এসেছে।
দিল্লিতে দ্বিতীয় বড় ঘটনাটি ঘটেছে তুঘলকাবাদ এক্সটেনশনে। সেখানে এক দোকানদারসহ ৩৮ জনের করোনা ধরা পড়েছে। পুলিশের সন্দেহ, দোকানদারের থেকেই ওখানে করোনা ছড়িয়েছে। দোকানদারের সংস্পর্শে আসা ৯৪ জনের পরীক্ষা হয়েছিল, তার মধ্যে ৩৮ জনের করোনা ধরা পড়েছে। নিজামুদ্দিনের পর কোনো এলাকায় এতজন করোনায় আক্রান্ত হলেন। দিল্লিতে সব মিলিয়ে এক হাজার ৮৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৪৩ জন। সারা ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ২৬৫ জন। মারা গিয়েছেন ৫৫৩ জন। মহারাষ্ট্রেই গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। করোনার সময়ও হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের একাধিক নিদর্শন সামনে এসেছে। গুজরাটে একটি হাসপাতালে আলাদা করে হিন্দু ও মুসলিমদের ওয়ার্ড তৈরি হয়েছে। এরপর উত্তর প্রদেশে একটি হাসপাতাল জানিয়ে দেয়, মুসলিম রোগীরা সেখানে ভর্তি হতে চাইলে করোনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, ”করোনা কোনো জাতি, ধর্ম, বর্ণ বিচার করে আক্রমণ করে না।” তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল, অনেক আগে এই আবেদন করা ও যাঁরা এই কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া। (খবর পিটিআই, এএনআই)





Users Today : 57
Views Today : 60
Total views : 177702
