ফাগুন এসে দ্বারে কড়া নাড়ছে তার আগুনের রঙ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আমাদের এখন এই রঙের খেলায় নামতে হবে। সাজতে হবে বাহারি ফাগুন রঙে রাঙানো পোশাকে। হাতে ফুলের মালা নিয়ে শহীদ মিনারের দরজায় কড়া নাড়াতেই কি ঘুম ভাঙবে শহীদদের? তথাপি আমরা গেয়ে যাব, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।’ আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লেখা ও শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুরের জাদু মাখানো একুশের গানটির আবেশ বাঙালি জীবনের মন থেকে গভীরতর মননে প্রবেশ করেছে। একুশে ফেব্রুয়ারি গানের সুর বাজিয়ে রেডিও, টিভি যথাপোযুক্ত সময়ে স্মরণ করিয়ে দেয় একুশে ফেব্রুয়ারি সমাগত। বাঙালির জাতীয় জীবনে এক অনন্য আত্মপোলব্ধির দিবস। ফাগুন মাস এলে পরেই আমরা যে শহীদদের রক্তে রাঙানো দিনটিকে ভুলতে পারি না তা সহসাই মনে পড়ে যায়। প্রতিটি বাঙালির জীবনে এই দিনটিকে যে যেভাবেই স্মরণ করেন কেন মনে মনে এই গানটি একবারও গাননি খুঁজে পাওয়া ভার।
পাকিস্তান আমলে ‘পূর্ব দেশ’ নামক পত্রিকায় আমার একটি কবিতা ছাপা হয়েছিল। সে অনেক দিন আগের কথা, কবিতার নামটি ছিল ‘একুশ তুমি কেন এলে না আটই ফালগুনে?’ আমরা যতবার এই দিনটিকে স্মরণ করে ইতিহাসের ঐ অতীতের দিকে ফিরে তাকাই তাহলে দেখতে পাব বাঙালি ও বাংলাদেশ সূর্যোদয়ের প্রথম দিকে আমরা ইংরেজি মাসেই সমস্ত গণনার অবস্থায় ছিলাম। তথাপি আমি মনে করি আগামীর ইতিহাসে একুশে ফেব্রুয়ারির সাথে আটই ফাল্গুন নামটিও স্মরণ করা উচিত। কেননা ফেব্রুয়ারি একটি বিদেশি শব্দ, বাঙালি তার ইতিহাস রচনা করবে তার নিজের ঐতিহ্যে। পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার হিসাবে ইংরেজদের প্রবর্তিত (প্রাচীন রোমানদের থেকে শুরু) সবদেশেই এটা এখন একটি স্বীকৃত একক বৈশিষ্ট্যমÐিত কাল গণনা ও ইতিহাস রচনার সর্ব স্বীকৃত ব্যবস্থা বলে আমরা সকলেই স্বীকার করি। কিন্তু সেই স্বীকারের মাধ্যমে আমাদের নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে কেন আমরা বিস্মৃত হব সেইটাই আমার বিশেষ চিন্তার বিষয়।
একুশে ফেব্রুয়ারি হয়ত এতটাই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে যে টেলিফোনের বাংলা প্রতিশব্দ দূর আলাপনী শব্দ ব্যবহার করতে আমরা আর অভ্যস্থ হতে পারব না। খ্রিষ্টের জন্মের তিনশত বছর পর ঐতিহাসিকগণ গণনা করে দেখলেন যে খ্রিষ্টের জন্ম প্রকৃত ইতিহাস থেকে চৌদ্দ বছর আগে (অনেকেই বলেন চার বছর) কিন্তু ততদিনে পৃথিবীর অনেক ইতিহাস লেখা হয়ে গেছে-সেই ইতিহাসগুলো আর সংশোধনের কোনো উপায় আমাদের জানা নেই। ফলে প্রচলিত সনটাকে আমরা মেনে নিয়েছি তেমনি আটই ফাল্গুনকে ছাপিয়ে একুশ আজ ইতিহাসের পাতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন একুশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ভাষা দিবস রূপে স¦ীকৃতি পেয়েছে। আমরা এখন একুশকে সরিয়ে আটই ফাল্গুনকে সামনে নিয়ে আসার দাবিতে এই বিশ^ স্বীকৃতিকে অবজ্ঞা করতে পারব না।
বাহান্নোর ভাষা আন্দোলনের দিবসের পরপরেই আমার জন্ম। তাই আমার নিজের জন্ম দিনকে স্মরণ করতে গিয়ে আটই ফাল্গুন আমাকে সব সময় একটি পূর্বাভাস জানিয়ে দিয়ে যায়। আমার মনে আছে জীবনের প্রথম প্রভাতফেরিতে যখন আমি যাই আমার বয়স আট বছর। একমাত্র ছেলে ছিলাম বিধায় মা আামাকে কখনোই সহজে কোল ছাড়া করতে চাইতেন না। ঘরে থেকে থেকেই ঘর আর স্কুল এই দুইয়ের মধ্যেই শৈশবে বেড়ে ওঠা। পাশের বাসায় কৌশিক বলে এক ছেলে কলেজে পড়ত। তার কাছ থেকে আমি প্রথম একুশের ঘটনা শুনি-সে সারা রাত ধরে অনেক পোস্টার লিখত। আমি তাকে কাগজ, তুলি, রং এগিয়ে দিয়ে সাহায্য করতাম। মায়ের কাছে বায়না ধরলাম কৌশিক কাকুর সাথে আমি এবার প্রভাতফেরিতে যাব। মায়ের মন সায় দেয় না, আমিও আমার গো ছাড়ি না। এই দুইয়ের টানাটানির মধ্যে কৌশিক কাকু এসে মাকে বললেন, ‘বৌদি আমি কথা দিচ্ছি আমি ওকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি, আমি সঙ্গে করে নিয়ে আসব।’ সেই ভরসায় আমি সেই দিন প্রভাতফেরি যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলাম। আমার মা নিজে সেলাই জানতেন তাই তড়িঘরি করে আমাকে একটা পাঞ্জাবি বানিয়ে দিলেন। মনে আছে মা আমার জন্য কাঠ গোলাপ ফুল দিয়ে ডবল ফুলের একটা মালা তৈরি করে দিলেন। বিশ তারিখ রাতে আমার আর ঘুম আসে না। সারা রাত ধরে বাজনার সুর, দেশাত্ববোধক গানের সুর কানে ভেসে আসছিল। কৌশিক কাকু বলে দিয়েছিল বারবার করে আমরা ভোর চারটায় রওনা হব তুই রেডি হয়ে থাকিস দেরি হলেই কিন্তু আমি তোকে ছাড়াই চলে যাব। এই আমাকে ছেড়ে চলে যাবেসাবধান বাণী শুনে সারা রাত আমার আর ঘুম হলো না। তারপরে মার ধমকের সাথে দুটো বারি খেলাম মা ঝাঝালো কণ্ঠে ও তার শাসনের সুরে বললেন, ‘হারামজাদা ঘুমা, তা না হলে কিন্তু আমি তোকে যেতে দিব না।’ এর পরে আপনারাই বলুন আমার কি করে ঘুম আসে। আমি নড়াচড়া না করে তিন/চার ঘণ্টা ঘাপটি মেরে পড়েছিলাম, একটুও নড়াচড়া করিনি। পাছে মা টের পেয়ে যায় আমি ঘুমাইনি আর আমার যাওয়াটা পÐ হয়ে যায়। বুঝলাম আমার সাথে সাথে মারও ঘুম হয়নি-হয়ত বা সাড়ে তিনটার দিকে মা নিজে উঠলেন আমাকে উঠালেন হাত মুখ ধুয়ে দুধ মুড়ি খেলাম, মা বারবার করে বললেন, ‘পেট ভরে না খেলে কিন্তু অসুবিধায় পড়বি।’ প্রভাতফেরি যাওয়ার অজুহাতে আমি যে কী নিদারুণভাবে বাধ্য হয়ে ছিলাম, কথা শুনেছিলাম, নিজের সমস্ত ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাধ্যতার ভান করেছিলাম সেই সমস্ত কথা চিন্তা করতে গিয়ে এখনো লজ্জা পায়। মা আমাকে একটা লং প্যান্ট পরালেন তারপরে সেই পাঞ্জাবিটা পরিয়ে বললেন, ‘বাইরে বেজায় শীত’। মা আমাকে একটা লং হাতা সোয়েটার পরিয়ে দিলেন পাঞ্জাবিটির ওপরে। ফলে নতুন পাঞ্জাবি আর দেখা যায় না, আমি তো আর সেই সোয়েটার পরে যেতে পারি না। সোয়েটার খুলে ফেললে মা আমাকে কষে এক চর মেরে বললেন, ‘এইভাবে গেলে যাবি, তা না হলে বসে থাক। তোর কৌশিক কাকুর সাথে তোকে যেতে দিব না।’ ঘড়িতে চারটা বাজবে ছুঁই ছুঁই করছে কৌশিক কাকু এসে দরজায় কড়া নাড়লেন। তিনি এসে সমাধান না করলে আমার আর সেই দিন প্রভাতফেরি যাওয়া হতো না। তিনি সমাধান করলেন, ‘প্রথমে গেঞ্জি পর তারপর সোয়েটার পর তার ওপর দিয়ে পাঞ্জাবী পর।’ আমি বরাবর একটু রোগাপাতলা ছিলাম সোয়েটারের ওপরে পাঞ্জাবি পরাতে আমি একটা নাদুসনুদুস বালকে পরিণত হয়ে গেলাম। মা, ‘কৌশিক ও যেন সোয়েটার না খোলে। সোয়েটার খুললে শেষে নিউমোনিয়া হলে ওকে বাঁচানো কষ্ট হবে আর ওকে তুমি হাতছাড়া করবে না।’
গরমের চোটে সোয়েটারটা পরে খুলেছিলাম ঠিকই কিন্তু হারিয়ে যেন না যায় সেজন্যে কষে কোমরে বেঁধে রেখেছিলাম। পাড়া থেকে বের হতে না হতেই দেখি কুকুরগুলো চিল্লাচিল্লি শুরু করেছে ওদের ঘেউ ঘেউ আর থামে না। কৌশিক কাকু বললেন, ‘থাক থাক ভোর না হওয়া পর্যন্ত এটা ওদের রাজত্বের সময় এবং আজান ছাড়া ওদের রাজত্ব দখল করলে ওরা তো ঘেউ ঘেউ করবেই।’ মেইন রাস্তায় উঠতে না উঠতেই দেখি সব পাড়া থেকেই কাঁধের মধ্যে হারমোনিয়াম নিয়ে গলা ছেড়ে গান গাইতে গাইতে মিছিলে অংশগ্রহণ করছে। সে এক আশ্চর্য অনাবিল দৃশ্য। বেশি ¯েøাগান নেই কিন্তু গান আছে। চেষ্টা করেও বুঝতে পারলাম না আমাদের দেশেও এত গায়ক ছিল। গান গাইতে গাইতে আমরা নবাবপুরের রাস্তায় চলে এলাম। বাংলা বাজার, শ্যাম বাজার, শাখারি বাজার, কলতা বাজার সব পাড়া থেকে মশাল মিছিল এসে জুটতে শুরু করল। যখন আমরা নবাবপুরের রাস্তা দিয়ে যাই তখন হাজার হাজার মশালের বিশাল বাহিনী প্রত্যেক দলের নিজ নিজ গানের নেতা রয়েছে যারা গানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই করে করে আমরা নবাবপুর ছেড়ে ফুলবাড়িয়া রেলস্টেশন চলে এলাম। বাঁ দিক দিয়ে রাস্তা ধরে চললাম বর্তমানে সেগুলো বিশ^বিদ্যালয় এলাকা। মিছিলের জনতা এক বিশাল জনতায় রূপ নিল। ভোরের আলো এসে আমাদের সকলের মনকে আলোকিত করল। একুশের গানের সুর প্রভাতের আলো এই সব মিলে এক মহামায়া রূপ পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। যখন শহীদ মিনারের পাদপিঠে গিয়ে পৌঁছাই তখন সেখানে আর যাওয়ার জো ছিল না। কারণ যারা ইতিমধ্যে এসে গেছে তারাই দখল করে রেখেছে। সব মিছিল এখানে ভেঙে যায় এক বিশাল জনতার সমুদ্রে একাকার হয়ে যায়। আমি ভয়ে কুকরে গেলাম। শক্ত হাতে কৌশিক কাকুর পাঞ্জাবি ধরে রাখলাম। কারণ নিশ্চিত জানি এই ভিড়ে কৌশিক কাকা হারিয়ে গেলে আমিও হারিয়ে যাব। আর সত্যি সত্যি সেই দিন আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম। ভয়ে কুকরে গিয়ে যে চিৎকার করে কাঁদবো সেই শক্তিটিও দেহে অবশিষ্ট ছিল না। দেখলাম আমি আর নিজে যাচ্ছি না ভিড়ের ঠেলায় আামকে নিয়ে যাচ্ছে। একবার ভাবলাম ভির থেকে বেরিয়ে গিয়ে কৌশিক কাকুকে খুঁজি তখনই ভাবলাম যদি কৌশিক কাকু দু-তিন লাইন সামনে থাকেন আর আমাকে খুঁজতে থাকেন তাহলে আমার লইনের বাহিরে যাওয়া সমুচীন হবে না। এক হাতে ধরা ফুল আরেক হাতে শক্ত ধরা কৌশিক কাকুর পাঞ্জাবির মুঠিটা ঠিকই আছে কিন্তু মুঠির মধ্যে কাকুর পাঞ্জাবি নেই। এখন জানি আমি সব সময় সাহসী ছেলে। কান্নাকাটি না করে ঠেলাঠেলী করতে করতে এক সময় শহীদ মিনারের পাদদেশে গিয়ে পৌঁছাই। ফুল দিয়ে ভাবতে শুরু করলাম এখন কীভাবে ঘরে ফিরে যাই। যেভাবে ঠেলাঠেলিতে শহীদ মিনারের পাদপিঠে এসে পৌঁছেছিলাম সেভাবে ঠেলাঠেলি শেষ করে প্রশস্ত রাস্তায় এসে পড়লাম। তখনকার দিনে আমি কিছুই চিনতাম না এভাবে আমি আজিমপুর পর্যন্ত গিয়েছিলাম। কাকুর সমবয়সী একজন লোকের দেখা পেয়ে বললাম, আমি সদরঘাট যাব কোন পথে যাব? আমি সেই পথ ধরেই হাঁটছিলাম যখন জিজ্ঞেস করলাম সদরঘাট কতদূর তখন একজন বলল, আরে এটা তো লালবাগ এরিয়া। রাস্তা-ঘাটে কোনো গাড়ি-ঘোড়া নেই যে আমি গাড়ি করে সদরঘাট যাব। সকলেই পরামর্শ দিল এই যে রাস্তা দেখছ এই রাস্তা ধরে হেঁটে যাও ডানে-বামে যাবে না মাইল খানেক গেলেই তুমি সদরঘাট পেয়ে যাবে। আমি আর হাঁটতে পারছিলাম না খিদায় পেট চোঁ চোঁ করছিল। দেখলাম সোয়েটার বাঁধা আছে কোমরে ওটা হারালে মা আর আমাকে আস্ত রাখবে না । একজনকে জিজ্ঞাস করতেই সে বলল, তুমি এতদূর পথ যাবে কী করে, পকেটে পয়সা আছে? দাঁড়াও এখান থেকে তুমি ঘোড়া গাড়িতে যাও এক আনা ভাড়া লাগবে। সে সহৃদয় ভদ্রলোক আমার যে উপকার করল তা আমি আজও ভুলিনি। আমি দেখি আজও বিপদে পড়া অনেক লোককে অনেক পথচারী সাহায্য করে, সেই সাহায্য না পেলে কত মানুষ যে বিপথগামী হতো তার হিসাব নেই। সেই সাহায্য আমি না পেলে আমিও হয়ত হারিয়ে যেতাম। ছোট্ট একটু কথা, ছোট্ট একটু মায়া, দয়া দিয়ে আমরা মহৎ কাজ করতে পারি। ভদ্রলোকটির নামধাম আমি কিছুই জানিনি। তার উদ্দেশ্যে আজও আমি ধন্যবাদ জানাই। তিনি সহিসকে বলে দিয়েছিলেনÑ‘বাচ্চাটাকে ঠিকভাবে সদরঘাট নামিয়ে দিস, ওর কাছে ভাড়া আছে ভাড়া দিয়ে দিবে।’ আমি চুপচাপ বসে ছিলাম ঘোড়া গাড়িতে আরও অনেকে উঠেছে অনেক নেমেছেও। সহসা সহিস চিৎকার করে বলল, ‘খোকা ভাড়া দাও, নামো এটা সদরঘাট।’ পকেটে রাখা মার দেওয়া সিকিটি ভিড়ের মধ্যে হারায়নি দেখে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিলাম। সহিসটি তিন আনা ফেরত দিলে পর সদরঘাট থেকে ফরাসগঞ্জ দুআনা রিকশা ভাড়া দিয়ে ফিরলাম। এসেই কৌশিক কাকুর খোঁজ করলাম, কি জানি তিনি আমাকে এখনো ভিড়ের মধ্যে খুঁজছেন কিনা। প্রচÐ অপরাধ বোধে মনটি ছেঁয়ে গেল। মা আমার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল বলল, তোর কাকু কোথায়? আমি নির্দ্বিধায় বললাম, সে আসছে পরে আমাকে পৌঁছে দিয়ে গেল। প্রথম প্রভাতফেরির স্মৃতিটি আমার কাকুকে হারিয়ে একা একা বাসায় ফিরে আসার কাহিনীÑসেই অপরাধ বোধ থেকে আজও নিজেকে মুক্ত করতে পারিনি। আজ পরিণত বয়সে আমি যে সাংঘাতিক এক এ্যাডভেঞ্চার সাঙ্গ করেছিলাম সেই কথাটি ভেবে মনটি আজও আমার পুলকে ভরে ওঠে।
ড. এলগিন সাহা : এনজিও ব্যক্তিত্ব ও কলামিস্ট।





Users Today : 141
Views Today : 181
Total views : 182029
