বিবর্তন ডেস্ক (বি. স.) ● রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্রথমবারের মতো করোনায় আক্রান্ত দুই রোগীর শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্লাজমা প্রয়োগ করেছেন। দুই রোগীর মধ্যে একজন মুমূর্ষু রোগীর অবস্থা উন্নতির দিকে, আর অন্যজনের অবস্থা আগে থেকেই বেশ খারাপ থাকায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের প্রধান ডিআইজি হাসান উল হায়দার জানান, এই হাসপাতাল এখন থেকে মুমূর্ষু রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করবে। এ জন্য দরকারি সরঞ্জাম ও অন্যান্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ঢাকা মেডিকেলে বার্ন ইউনিটের ট্রান্সমিশন মেডিসিন বিভাগের সহায়তায় এই প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে পুলিশ হাসপাতাল নিজেও প্লাজমা সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা বলেন, পুলিশ হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা দুজন মুমূর্ষু রোগীর শরীরে গত শনিবার রাতে প্লাজমা প্রয়োগ করা হয়, যাঁদের বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। অনেকটা শেষ চেষ্টা হিসেবে প্লাজমা প্রয়োগ করা হয়। এর মধ্যে একজন গতকাল মারা যান। অন্যজনের অবস্থার আর অবনতি হয়নি। তিনি ভেন্টিলেটরে ছিলেন। এখন তাঁর ভেন্টিলেটর খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে রোগীর এই উন্নতি শুধু প্লাজমার কারণে না অন্য কিছুতে, তা এখনো বলা যাবে না। ওই চিকিৎসক বলেন, মাত্র দুজন রোগীর শরীরে প্লাজমা প্রয়োগ করে এর সফলতা বলা ঠিক হবে না। কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ রোগীর শরীরে প্রয়োগের পর এর কার্যকারিতা পরিষ্কার হবে। ওই চিকিৎসক আরও বলেন, বাংলাদেশে তাঁরাই প্রথম প্লাজমা প্রয়োগ করছেন না। এর আগে আরও একটি বেসরকারি হাসপাতাল প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করেছে।





Users Today : 3
Views Today : 3
Total views : 175447
