বিভাগীয় সম্পাদক ● নেপালের উত্তর-পূর্বের একটি হিমালয় চূড়ায় তুষারধসের ঘটনায় অন্তত ৫ বিদেশিসহ ৭জন পর্বতারোহী প্রাণ হারিয়েছন। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দোলাখা জেলায় ইয়ালুং রি পর্বতের বেস ক্যাম্পের কাছে এ ঘটনা ঘটে। খবর সূত্র: বিবিসি, কাঠমান্ডু পোস্ট।
আরও চারজন পর্বতারোহী নিখোঁজ বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের সন্ধানে অভিযান চলছে। নিহত ও নিখোঁজরা মিলে মোট ১২ জন ট্রেকার এবং স্থানীয় গাইডের দলের সদস্য তুষারধসের এক ঘণ্টারও বেশি আগে যাত্রা শুরু করেছিলেন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ প্রধান।
বেস ক্যাম্পে ফিরে আসা পাঁচজন নেপালি গাইড আহত হয়েছেন, তবে গুরুতর নন।
স্থানীয় ডেপুটি পুলিশ সুপার গ্যান কুমার মাহাতো বিবিসিকে জানান, “তিনটি মৃতদেহ দেখা গেছে এবং আরও চারজনকে খুঁজে বের করতে হবে।”
নিহত দুই নেপালি ওই দলের সঙ্গেই কাজ করছিলেন নাকি তারা নিজেরাই পর্বতারোহী ছিলেন তা এখনও পরিষ্কার নয়।
মাহাতো জানান, সোমবার একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার দোলাখার না গাঁও এলাকায় অবতরণ করেছে— যা ইয়ালুং রি বেস ক্যাম্প থেকে পাঁচ ঘণ্টার হাঁটার পথ।
খারাপ আবহাওয়া ও লজিস্টিক সমস্যার কারণে নিখোঁজদের অনুসন্ধান অভিযানে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, দলটি কাছাকাছি ডোলমা খাং পর্বতশৃঙ্গে আরোহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যার উচ্চতা ৬ হাজার ৩৩২ মিটার বা ২০ হাজার ৭৭৪ ফুট।
এদিকে পশ্চিম নেপালে পানবারি পর্বত আরোহণের সময় নিখোঁজ হওয়া দুই ইতালিয়ান পর্বতারোহীর উদ্ধার তৎপরতা চলমান আছে। স্টেফানো ফারোনাটো ও আলেসান্দ্রো কাপুটো তিন সদস্যের একটি দলের অংশ ছিলেন, যারা গত সপ্তাহে তিনজন স্থানীয় গাইডসহ আটকা পড়েন।
শরৎকাল নেপালে ট্রেকিং ও পর্বতারোহণের জনপ্রিয় মৌসুম। কারণ এ সময় আবহাওয়া ও দৃশ্যমানতা সাধারণত ভালো থাকে। তারপরও খারাপ আবহাওয়া এবং তুষারধসের ঝুঁকি রয়ে যায়।
গত সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় মন্থা নেপালে ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাত সৃষ্টি করে। ফলে হিমালয়ের বিভিন্ন স্থানে মানুষ আটকা পড়ে।
পশ্চিম মস্তাং এলাকায় কয়েকদিন আটকা থাকার দুই ব্রিটিশ এবং একজন আইরিশ নারীসহ কয়েকজনকে পর উদ্ধার করা হয়। অক্টোবরে খারাপ আবহাওয়ার কারণে এভারেস্টের আশপাশেও শত শত হাইকার আটকা পড়েছিলেন।





Users Today : 16
Views Today : 16
Total views : 180715
