• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শনিবার, মে ২, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

করোনা সংক্রমণ—রূপনগর ও আদাবর এখন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ

Admin by Admin
এপ্রিল ১১, ২০২১
in প্রচ্ছদ
0 0
0
করোনা সংক্রমণ—রূপনগর ও আদাবর এখন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ
0
SHARES
15
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

বিভাগীয় সম্পাদক ░ রাজধানীর ১৯ এলাকায় এখন সংক্রমণের হার ৩১ শতাংশের বেশি। কোন এলাকায় হার কত, তা প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর (রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান)।
দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই রাজধানীতে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, রাজধানীর ১৯টি থানা এলাকা এখন করোনা সংক্রমণের দিক দিয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব থানায় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৩১ থেকে ৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রূপনগর ও আদাবর থানা এলাকা।
এর বাইরে রাজধানীর ২৩টি থানা এলাকায় নমুনার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে (২১-৩০ শতাংশ) এবং সাতটি থানা এলাকায় শনাক্তের হার ১১ শতাংশের বেশি (১১-২০ শতাংশ)।
কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার প্রকাশিত আইইডিসিআরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার বিশ্লেষণ করা হয়। দুটি থানায় (কোতোয়ালি ও সদরঘাট) নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ১০টির নিচে। তাই এ দুটিকে হিসাবে নেওয়া হয়নি।
যে সময়ে রোগী শনাক্তের চিত্র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময়ে সারা দেশে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল গড়ে ২০ দশমিক ৩১ শতাংশ। আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর মধ্যে রোগী শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি রূপনগর থানায়, নমুনার বিপরীতে ৪৬ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে থাকা আদাবর এলাকায় শনাক্তের হার ৪৪ শতাংশ।
আইইডিসিআরের তথ্য অনুযায়ী, যেসব থানা এলাকায় শনাক্তের হার ৩১ শতাংশের ওপরে, তার মধ্যে আরও রয়েছে শাহ আলী, রামপুরা, তুরাগ, মিরপুর, কলাবাগান, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, চকবাজার, সবুজবাগ, মতিঝিল, দারুস সালাম ও খিলগাঁও রয়েছে। যেসব জায়গায় শনাক্তের হার ২১ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে, সেগুলো হলো শাহবাগ, বংশাল, লালবাগ, শাহজাহানপুর, রমনা, কামরাঙ্গীরচর, শ্যামপুর, বাড্ডা, বনানী, উত্তরখান, শেরেবাংলা নগর, সূত্রাপুর, যাত্রাবাড়ী, পল্লবী, কাফরুল, ডেমরা, ওয়ারী, ভাটারা, দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, কদমতলী, উত্তরা পূর্ব থানা ও পল্টন। ১১ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে শনাক্তের হার তেজগাঁও ডেভেলপমেন্ট, উত্তরা-পশ্চিম, ভাষানটেক, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁও শিল্প ও বিমানবন্দর থানা এলাকায়।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল ও জনঘনত্বের শহর। সারা দেশে মোট শনাক্ত রোগীর ৬০ শতাংশ রাজধানীর বাসিন্দা। শুরু থেকে রাজধানীতে সামাজিক দূরত্ব যেমন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি, তেমনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রেও অনেক মানুষের অনীহা দেখা যায়। চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও বাজার ও বিপণিবিতান এলাকায় হাজার হাজার মানুষের ভিড় তৈরি হচ্ছে। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। অনেকে যথাযথভাবে মাস্কও পরছেন না।
করোনার এই আশঙ্কাজনক সংক্রমণ ও করণীয় বিষয়ে আইইডিসিআরের পরামর্শক মুশতাক হোসেন জানান, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মহামারি শহরাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত হতে দেখা যায়। ঢাকায় বড়ো বড়ো অনেক হাসপাতাল আছে, কিন্তু গ্রাম এলাকার মতো এলাকাভিত্তিক জনস্বাস্থ্যকাঠামো নেই। এটা একটা বড়ো দুর্বলতা। দরকার ছিল প্রতিটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন কেন্দ্র, ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা। সিটি করপোরেশনের সে ধরনের অবকাঠামো ও জনবল নেই। তবে এটা এখনো অল্প সময়ের মধ্যে করা সম্ভব। তিনি বলেন, সংক্রমণ মোকাবিলা ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। এলাকাভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে। রাজাবাজার বা ওয়ারীর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এসব ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবীর অভাব হয় না। প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তাঁরা ভালো করেন।

Previous Post

গরমে চুলের যত্ন

Next Post

১২ এপ্রিল শেষ হচ্ছে বইমেলা

Admin

Admin

Next Post
১২ এপ্রিল শেষ হচ্ছে বইমেলা

১২ এপ্রিল শেষ হচ্ছে বইমেলা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 9 4 2
Users Today : 13
Views Today : 13
Total views : 177655
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In