• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

করোনা থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পোস্ট-কেয়ার

করোনা থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পোস্ট-কেয়ার

Admin by Admin
জুন ১৫, ২০২১
in প্রচ্ছদ, স্বাস্থ্য
0 0
0
করোনা থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পোস্ট-কেয়ার
0
SHARES
37
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর সেরিব্রাল স্ট্রোকে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা বিরল নয়। করোনা থেকে সেরে ওঠার পরেও দীর্ঘ দিন ধরে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন বহু রোগী। এই ভাইরাসের দাপটে শরীরের কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। করোনা সেরে যাওয়ার পরেও কিছু কিছু বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন, বিশেষ করে একটু বয়স্ক-যাদের আগে থেকেই বিভিন্ন জটিল অসুস্থতা রায়েছে। অনেক সমস্যা আছে, যা কোভিড টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরেও চলতে থাকে, আসুন জেনে নিই সেই সমস্যাগুলো ও সতর্কতা।

প্রদাহ চলতে থাকে
কোভিড আমাদের শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকেই আক্রমণ করছে। এর ফলে শরীরে যে ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহ হয়, তা প্রত্যেকটি অরগ্যানেই কমবেশি হয়। এখন দেখা যাচ্ছে, যাঁদের উপসর্গ কম, তাঁদের ক্ষেত্রে করোনা সারার পরে এই প্রদাহ কমে যায়। কিন্তু যাঁরা গুরুতর আক্রান্ত, তাঁদের শরীরে এই প্রদাহ চলতে থাকে, কোভিড টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরেও। এই প্রদাহ হার্টে হলে তা থেকে হার্ট ফেলিয়োরের আশঙ্কাও থাকে। এর আগে হৃদ্যন্ত্রের পেশিতে প্রদাহ চলতে পারে। তাই সিভিয়রলি যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়, তাঁরা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার পরেও বিশ্রাম জরুরি। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নিয়ে তাঁরা যদি পুরোদমে কাজ শুরু করে দেন, তা হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ সে সময়েও তাঁদের মায়োকার্ডাইটিস চলতে পারে। এর ফলে বুক ধড়ফড়, বুকে চাপ বোধ হওয়া, হার্ট রেট অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। হার্ট ফেল করার আশঙ্কাও থেকে যায়। তাই করোনা থেকে সেরে ওঠার পরেও অক্সিমিটার মনিটরিং করতে হবে, পালস রেট দেখার জন্য।’
তবে এই প্রদাহ যে সকলের হবেই, তা-ও কিন্তু নয়। মাঝারি থেকে গুরুতর ভাবে যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের সাবধান থাকতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু পালস রেট বেড়ে যাওয়া নয়, তা কমেও যেতে পারে। তাই পালস রেট অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে বা চল্লিশের ঘরে নেমে এলে-দুটি ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

থ্রম্বোসিসের সমস্যা
কিছু করোনা রোগীর রক্তনালিতে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো ঘটনাও দেখা যাচ্ছে, যাকে বলা হয় থ্রম্বোসিস। শরীরের কিছু বিশেষ অরগ্যানের শিরায় এ রকম থ্রম্বোসিস হলে তা প্রাণঘাতীও। হাতে, পায়ের ছোটো ছোটো শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে গেলে ততটা সমস্যা দেখা দেয় না। কিন্তু হার্টের কোনো শিরায় বা মস্তিষ্কে এই রক্ত জমাট বাঁধার মতো ঘটনা ঘটলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরে দু’তিন মাসের মধ্যে সেরিব্রাল স্ট্রোকে রোগী মারা গেলেন। তার পিছনেও দায়ী এই থ্রম্বোসিস।

সেরিব্রাল স্ট্রোক কেন?
স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে কোভিড। দু-ধরনের স্ট্রোক দেখা যায়। একটি হলো ইসকিমিক স্ট্রোক। এ ক্ষেত্রে ব্লাড থ্রম্বোসিস হয়ে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। আর একটি ক্ষেত্রে ব্রেনে হেমারেজ হয়ে স্ট্রোক। কোভিডে ইসকিমিক স্ট্রোক বেশি দেখা যাচ্ছে। তার কারণ কোভিড রোগীদের কোয়াগুলেশন অ্যাবনর্মালিটিস। রক্ততঞ্চন প্রক্রিয়াটি বোঝার জন্য রোগীদের ডি-ডাইমার টেস্ট করতে দেওয়া হয় এখন। এই ডি-ডাইমারের মাত্রা খুব বেশি হলে বোঝা যায় যে, তাঁদের থ্রম্বোসিসের সম্ভাবনা বাড়ছে। কোভিডে আক্রান্ত অনেক রোগীরই ডি-ডাইমারের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ, তিনগুণ-এমনকি চারগুণ পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে। তখন সেই রোগীদের অ্যান্টি-কোয়াগুলেশন ট্রিটমেন্টে রাখতে হবে। এমন রোগীও এসেছে, কম বয়স, ব্লাড সুগার, প্রেশার-কোনো সমস্যাই নেই, স্ট্রোক হওয়ার কথাই নয় তার। কিন্তু সে-ও স্ট্রোকে প্রাণ হারায়। তাই প্রথম থেকেই ঠিক মনিটরিং করা জরুরি। প্রয়োজনে গোড়া থেকেই অ্যান্টি-কোয়াগুলেশন চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

আর এই থ্রম্বোসিস হার্ট ও ফুসফুসেও হতে পারে। মনে রাখতে হবে, ব্রেন, হার্ট ও ফুসফুসে এই থ্রম্বোসিস প্রাণঘাতী। তাই করোনা সেরে যাওয়ার পরেও ডি-ডাইমার মনিটরিং করা যেমন জরুরি, তেমনই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি-কোয়াগুলেশন চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। এ ছাড়া দেখা যাচ্ছে, অনেকর শরীরের গাঁটে ব্যথা হচ্ছে। অ্যান্টিজেন অ্যান্টিবডি বিক্রিয়ায় প্রোটিন জমা হচ্ছে গাঁটে। ফলে যাঁদের কোনোদিন আর্থ্রাইটিস ছিল না, তাঁদেরও এ রকম গাঁটে ব্যথার সমস্যা দেখা যেতে পারে। ফুসফুসও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনেকাংশে। ফলে করোনামুক্ত হওয়ার পরেও অনেক রোগীর অক্সিজেন সাপোর্ট লাগছে।

কত দিন দরকার অক্সিজেন সাপোর্ট?
প্রথমে বুঝতে হবে, রোগীর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কতটা রয়েছে এবং ফুসফুসের কতটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত। ফুসফুসে ইনফেকশন হলে টিসুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সেখানে ফাইব্রাস টিসু তৈরি হচ্ছে। সেগুলি আসলে ডেড সেল। তিন মাসের মধ্যে কিছু কিছু ফাইব্রাস টিসু চলে যায়। তার পরে আর যায় না। এই ফাইব্রোসিসের ফলে ফুসফুসের কাজ ব্যাহত হয়। তবে তা বুঝতে সিটি স্ক্যান রিপোর্ট আর অক্সিমিটারের রিডিংয়ে চোখ রাখতে হবে। অন্য দিকে রোগীর বয়স কত, তাঁর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কতটা, হাঁটলে অক্সিজেন লেভেল কেমন থাকছে, এই সব বিষয়গুলো বিবেচনা করে ঠিক করা হয় রোগীকে কত দিন অক্সিজেন সাপোর্টে রাখতে হবে। তবে করোনা সেরে গেলেও অবশ্যই ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ধূমপান সরাসরি ফুসফুসের কোষ থেকে বেশি মিউকাস সিক্রেশন করায় আর ব্রঙ্কাসে স্প্যাজম ঘটায়। তাই ধূমপান একেবারেই করা যাবে না। বরং ফুসফুস ভালো রাখার জন্য পালমোনোলজি রিহ্যাবিলিটেশন, ফিজিওথেরাপি, ব্রিদিং এক্সারসাইজ ও ইনসেনটিভ স্পাইরোমেট্রিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

শারীরিক অসুস্থতার বাইরে অনেকের মধ্যে বিবিধ মানসিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া, রাতে ঘুম না আসা, মানসিক স্থিতির অভাবের মতো অনেক সমস্যাই গ্রাস করছে রোগীকে। মনে রাখবেন, কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ আসা মানেই কিন্তু চিকিৎসা সম্পূর্ণ নয়। করোনামুক্ত হওয়ার পরেও চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলতে হবে। নিয়ম মেনে চললে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন অচিরেই।

Previous Post

মাটির ঘরে কৃষি জাদুঘর!

Next Post

কিশোর গল্প ‘টিফিন চোর’ - পলাশ ভট্টাচার্য্য

Admin

Admin

Next Post
কিশোর গল্প  ‘টিফিন চোর’ – পলাশ ভট্টাচার্য্য

কিশোর গল্প ‘টিফিন চোর’ - পলাশ ভট্টাচার্য্য

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 4 0 2 5
Users Today : 24
Views Today : 34
Total views : 175538
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In