এমন দুর্ভাগ্য হলে আর কীই-বা করার থাকে!
ইউরো ২০২০-এ কোথায় ২০১৮ বিশ্বকাপের দুঃস্বপ্নকে মুছে ফেলবে তারা, উল্টো অভাবনীয় এক গোল দিয়েই শুরু হলো জার্মানির যাত্রা। খেলায় হার-জিত থাকবেই। তাই বলে এভাবে!
জার্মান ম্যাটস হামেলস ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর আত্মঘাতী গোলের ভিডিওটা কি একবার দেখবেন? লোকে খারাপ জিনিসটা দ্রুত ভুলে যেতে চায়। হামেলসও হয়তো তা-ই করবেন। তবে মনে মনে স্বগতোক্তি করবেন—রক্ষণে ১০টা এমন বল এলে ৯টাই তিনি সঠিকভাবে ‘ক্লিয়ার’ করে দেবেন। এত দিন ধরে তো তা-ই করে এসেছেন!
জার্মানি ফ্রান্সের কাছে হেরেছে হামেলসের ওই আত্মঘাতী গোলে। তবে গোটা ম্যাচটা ইয়াওখিম ল্যুভের দল যেভাবে খেলেছে, তাতে আক্ষেপটা আরও বড়ই হচ্ছে তাদের।
জার্মান ফরোয়ার্ডরা ম্যাচজুড়ে ফ্রান্সের দুর্গে হানা দিয়েছে, গোলের সুযোগও তৈরি করেছে, কিন্তু গোল বের করতে পারেননি। সার্জি নাব্রির সামনে আসা সুযোগটি তো আর বারবার আসে না। টনি ক্রুস তাই বলছেন, মিউনিখের ম্যাচটা জার্মানদের জন্য ‘কপাল খারাপ’ ছাড়া আর কিছুই নয়।
জার্মান মিডফিল্ডারকে বেশি পোড়াচ্ছে দুর্ভাগ্যজনক গোলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হওয়াটা, ‘আমরা সুযোগ পেয়েছি গোল করার। ফ্রান্সের চেয়ে কম নয় মোটেও। কিন্তু ম্যাচের ফল একটা দুর্ভাগ্যজনক গোলে নির্ধারিত হলো!’
হামেলসের আত্মঘাতী গোলটা কীভাবে হলো, এটাই ভেবে পাচ্ছেন না ক্রুস, ‘এমন একটা ব্যাপার ঘটল। এটা তো আমরা প্রতি ১০ বারে ৯ বারই ঠেকিয়ে দেব।’
২০১৮ বিশ্বকাপের ব্যর্থতার স্মৃতি এখনো টাটকা জার্মানদের। প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় জার্মান ঐতিহ্যকে বড় একটা ধাক্কা দিয়েছিল। সেই ধাক্কার জের কি তবে এখনো টানছে চারবারের বিশ্বকাপ আর তিনবারের ইউরোজয়ীরা!
এবারের আসরে যে গ্রুপে আছে তারা, সেখানে প্রথম ম্যাচেই হার আরেকটি ধাক্কাই। এই হারের ক্ষত নিয়ে জার্মানদের পরের ম্যাচটি খেলতে হবে ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের বিপক্ষে। ব্যাপারটি যে চ্যালেঞ্জের সেটি মাথায় আছে ক্রুসের, ‘প্রথম ম্যাচটা আমরা হেরে গেছি। পরের তিন ম্যাচ যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের, সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি।’
আরেক জার্মান তারকা জশুয়া কিমিখের মতে, এমন একটা পরিস্থিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের বিপক্ষে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে এবং কাজটা যে অনেক কঠিন, সেটি না মেনে উপায় নেই কারও।





Users Today : 22
Views Today : 27
Total views : 175531
