বিভাগীয় সম্পাদক ● করোনা মহামারি প্রতিরোধে জারি করা কঠোর লকডাউন শিথিল করার ফলে আজ ১১ আগস্ট বুধবার থেকে স্বাভাবিক রয়েছে সব ধরনের যান চলাচল। এ ছাড়া নগরীতে বেড়েছে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি। খুলেছে দোকানপাট ও অফিস-আদালত। তবে এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট পরিচালনা করার কথা থাকলেও কাউকে তা পালন করতে দেখা যায়নি।
এর আগে গত ৮ আগস্ট রবিবার বিকালে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এতে বলা হয়, সড়ক, রেল ও নৌ-পথে আসন সংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়ক পথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক) অধক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দফতর/সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, গণপরিবহন, বিভিন্ন দফতর, মার্কেট ও বাজারসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব বহন করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে লকডাউন শিথিলের প্রথম দিন নগরীতে পর্যাপ্ত গণপরিবহন দেখা যায়নি। পরিবহন মালিকরা বলছেন, এখনও তারা পুরোপুরিভাবে গণপরিবহন চালানোর জন্য প্রস্তুত করতে পারেনি। কারণ দীর্ঘদিন বসে থাকার পর পরিবহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে পড়েছে। এসব ঠিক করতে অন্তত এক থেকে দুই দিন সময় লাগবে।
সকালে মালিবাগ মোড়ে দেখা গেছে, সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল করছে তবে প্রতিটি পরিবহনের যাত্রী সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। আগের ভাড়া আদায় করেই যাত্রী পরিবহন চলছে। কাওরান বাজার, মিরপুর ১০ গোল চত্বরেও একই চিত্র দেখা গেছে আজ সকালে।
রায়দা পরিবহনের চালকের সহকারী কামাল বলেন, ‘পরিবহন অর্ধেক। সে কারণে যথেষ্ট যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু জায়গা হচ্ছে না।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দুই দিন পর যখন যাত্রী বাড়বে তখন পরিবহন না বাড়ালে দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।





Users Today : 1
Views Today : 1
Total views : 177963
