• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথ রূদ্ধ হচ্ছে? – নাজিম উদদীন

Admin by Admin
মে ৩১, ২০২১
in প্রচ্ছদ, ফিচার
0 0
0
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথ রূদ্ধ হচ্ছে? –  নাজিম উদদীন
0
SHARES
27
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

শিক্ষা ভাবনা ●মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে খ্রিষ্টিয়ান ধর্ম শিক্ষক প্রসঙ্গে ○ মিথুশিলাক মুরমু

হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর প্রাণহানি

আগের বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই ঋণ পাবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা

অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে আটকের পর তাঁর বিরুদ্ধে নথি চুরি বা সরকারি ফাইলের ছবি তোলার অভিযোগ এনে মামলা করে তাকে জেলে পাঠানোর পরস্বাভাবিকভাবেইপ্রশ্ন উঠছে যে-জনস্বার্থে যেকোন কৌশলেই হোক সাংবাদিকরা তথ্য বের করতে না পারলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সুযোগ ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়ে পড়বে কিনা।
যদিও সারাদেশে গণমাধ্যম কর্মী থেকে শুরু করে সচেতন নাগরীক সমাজ বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ করেছেন এই আটকের।

রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে যে তিনি মন্ত্রণালয়ের সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার কক্ষে থাকা নথি চুরি ও একটি ফাইলের ছবি তুলেছেন যাতে, তাদের ভাষায়, দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় তথ্য ছিল।তবে তাঁর পরিবার স্পষ্ট করেই বলেছে সাম্প্রতিক কিছু দুর্নীতির রিপোর্টের কারণেই তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠেছে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা তাহলে কীভাবে জনস্বার্থে গোপন তথ্য বের করে তা প্রকাশ করবেন?
এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সহ সংশ্লিষ্ঠদের মতামাতের ভিত্তিতে আমরা জানার চেষ্টা করছি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভবিষ্যত কী বা সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যম কতটা স্বাধীন।

হাছান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী
তথ্য চুরি না করেও সরকারের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে এবং সে পদ্ধতি অনুসরণ করে যে কোন তথ্য পাওয়া সম্ভব। যেকোনো তথ্য পেতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হয়। মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া না গেলে তথ্য কমিশনে আবেদন করতে হয়। ২০১৪ সালে তথ্য কমিশন গঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এক লাখ উনিশ হাজার ৮৩১ টি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত। শুধু নন-ডিসক্লোজার আইটেম তিনি পাবেন না। তথ্য কমিশনের নির্দেশনার পর কেউ তথ্য না দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন। অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াও হয়েছে, জরিমানা করা হয়েছে।

ফরিদা ইয়াসমিন, সভাপতি জাতীয় প্রেসক্লাব
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কক্ষে রোজিনা ইসলামকে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনা খুবই অন্যায়। ঘটনাটি উদ্বেগের এবং দুঃখজনক। কতিপয় কর্মকর্তা তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করেছেন, সেটি ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়েছে বলে মনে করি। এর কারণ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিয়ে তিনি বেশ কিছু প্রতিবেদন করেছেন। যে কারণে অনেকে তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ থাকবেন। প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা আছেন, যাঁরা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাঁরা সব সময়ই তথ্য লুকাতে চান। অনিয়ম-দুর্নীতি প্রকাশ হলে তাঁদের সমস্যা হবে, সে কারণে তাঁরা কখনোই সহযোগিতামূলক মনোভাব পোষণ করেন না।
তবে এ ঘটনাকে শেষ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেই ভাবতে চাই। সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশে এ ঘটনা প্রভাব ফেলুক, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সাংবাদিকদের সব সময় বিভিন্ন ঝুঁঁকি ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেই কাজ করতে হয়। হামলা-মামলা নতুন কিছু নয়। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকে খুনও হয়েছেন। সারা বিশ্বে বৈরী পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে সাংবাদিকদের। দেশে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দিতে নানা আইন আছে। কিন্তু সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে। আর তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট সাংঘর্ষিক। এ আইনও বাতিল করতে হবে। তবে এসব কিছু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। বাধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী মনোভাবই সত্যকে বের করে আনে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে দমিয়ে রাখা আগেও যায়নি, এখনো যাবে না।
তথ্য পাওয়ার তেমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই
তবে বাস্তবতা হলো তথ্য অধিকার আইনে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করে সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিদের নিয়ে দুর্নীতি, অনিয়ম, কিংবা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার উদাহরণ নেই।সাধারণ তথ্য বা যেগুলো সরকারকে বিব্রত করবে না-সাধারণত এমন তথ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো থেকে পাওয়া যায়।

আসিফ জাহাঙ্গীর, সাংবাদিক, বেসরকারি টিভি চ্যানেল
গত বছর মার্চে করোনা সংক্রমণ শনাক্তের পর করোনা ব্যবস্থাপনার একটি বিষয়েপ্রতিবেদনের জন্য তথ্য পেতে আমি স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। যোগাযোগের পর কোনো তথ্য দিতে রাজী না হয়ে তিনি আমাকে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে বলেন। সেটি করার পর তিনি তথ্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তার কাছে গিয়ে চিঠি দেয়ার এর এক দু মাস পরও কোনো উত্তর এলো না।
আবার ওই কর্মকর্তার কাছে গেলাম। এমন ৫/৭ বার দফায় দফায় যোগাযোগ করেছি। সর্বশেষ প্রায় ছয় মাস পর তারা জানিয়ে দেয় যে তারা কোনো তথ্য দিতে পারবে না।
আবেদন করে তথ্য না পেয়ে, পরে আমি আমার সোর্সকে ব্যবহার করে পুরো তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে একটি প্রতিবেদন প্রচার করেন কাজ শুরুর প্রায় এক বছর পর।

তথ্য অধিকার আইনে অনিয়ম বা দুর্নীতি বিষয়ক কোনো তথ্য চাইলে তা সরকারি দফতরগুলো দিয়েছে এমন কোনোদৃষ্টান্ত তো নেই-ই উপরন্তু অনেক ক্ষেত্রে মাসের পর মাসে আবেদনের কোনোউত্তরও দেয়া হয় না।
এমন পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তথ্য তুলে নিয়ে এসে তা জনস্বার্থে প্রকাশের জন্য কোন পথ অবলম্বন করেন সাংবাদিকরা?

তথ্য পেতে ‘সোর্স আর নানা কৌশলই সাংবাদিকদের ভরসা
বাংলাদেশে সচিবালয়, সংসদ সচিবালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশনসহ সরকারি নানা মন্ত্রণালয় বিভাগ বা দপ্তরের যেসব জায়গায়জনস্বার্থ সম্পর্কিত তথ্য উপাত্ত নির্ভর কাজ বেশি হয় সেখান থেকে তথ্য মূলত এভাবেই সংগ্রহ করেন সাংবাদিকরা।
সংসদের স্থায়ী কমিটি বা সংসদীয় কমিটিগুলোতে প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরকারের নানা বিভাগ থেকেই প্রতিনিয়ত নানা গোপনীয়প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় যেগুলো গণমাধ্যমেও আসে।
অথচ নির্দিষ্ট সভার পর সেসব প্রতিবেদন কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে কর্মীদের দেয়া হয় না, যেমনি আসেনা সচিবালয়ে হওয়া অনেক সভার খবর।

তথ্য পেতে সোর্সকে টাকা দেয়ার অভিজ্ঞতাও আমার আছে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নারী সাংবাদিক

তথ্য পেতে সোর্সকে টাকা দেয়ার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। আমার সোর্স মন্ত্রী, সচিব, লিফট ম্যান এবং অফিস সহকারীসহ সব পর্যায়েই সোর্স মেনটেইন করতে হয়। সত্যি বলতে আমাকে পয়সাও দিতে হয়। যার যতটুকু চাহিদা সেটা পয়সা বা অন্য কোনোভাবে সহায়তা করা হোক-যে কোনোভাবে কনভিন্স করা। যার মাধ্যমে আমি তথ্য পেতে পারি সেখানে সেই পন্থা নিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে বলি কাগজ, ফটোকপি চাই না-শুধু একটা ছবি তুলে পাঠান। আমি জানি জনস্বার্থেই এটা আমি করছি।

ভেতরের খবর বের করে নিয়ে এসে জনসমক্ষে উপস্থিত করাই হলো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রধান লক্ষ্য
শফিকুর রহমান, শিক্ষক, সাংবাদিকতা বিভাগ
নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র।

সত্য উদঘাটন করে সেই সত্যকে জনগণের সামনে উপস্থিত করতেই হবে। তবে এটা করতে গিয়ে কারও ক্ষতি করা যাবে না আর সাংবাদিককেও দায়িত্বশীল হতে হবে।
এসব কারণেই অনুসন্ধানী সাংবাদিককে অনেক ক্ষেত্রেই নানা পন্থা অবলম্বন করে তথ্য আদায় করতে দেখা যায় উন্নত বিশ্বেও।ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট বা তথ্য বের করার প্রয়োজনে অনেক সময় ঘুষ বা অন্য রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে এ ধরনেরর তথ্য বের করার চেষ্টা হয়। এছাড়া জেলখানার ভেতরে গিয়ে বা লাইব্রেরিতে গিয়ে পুরোনো দিনের তথ্য নিয়ে তারপর সেটা বিচার করা হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যে অন্যায় পথ ফলো করা হয় না তা নয় কিন্তু সেটি করতে হয়।

কোনো তথ্য ক্লাসিফায়েড ঘোষণা না করা হলে বা আদালত যদি ক্লাসিফ্লায়েড বা রেস্ট্রিক্টেড ঘোষণা না করলে সেটি জানার অধিকার তো জনগণের আছে। ভেতরের খবর বের করে নিয়ে এসে জনসমক্ষে উপস্থিত করাই হলো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রধান লক্ষ্য। সরকারের যে ডকুমেন্টস সেটা জনস্বার্থের ডকুমেন্টস। সেটা জনগণের তাতে অধিকার আছে এবং সেভাবে সাংবাদিকদের জনগণের সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব আছে। তাই কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে ছবি তোলা তো অন্যায় নয়।

তথ্য না পেলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কীভাবে হবে?
কিন্তু এসব করা না গেলে অর্থাৎ যে কোন উপায়ে যদি জনস্বার্থে ভেতরের খবর না আনা হয় তা হলে সাংবাদিকতার কি হবে ?

গণমাধ্যম কর্মীদের অনেকে মনে করেন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বিকল্প পন্থাগুলোর পথ রুদ্ধ হলে একদিকে তথ্য পাওয়া যেমন কঠিন হবে তেমনি দুর্নীতি বা অনিয়ম প্রতিরোধে ভেতর থেকে যারা তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে চান তারাও সাংবাদিকদের সহায়তা করতে সাহস পাবেন না, ফলে বাধাগ্রস্ত হতে পারে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা।তবে এ ব্যাপারে ভিন্নমতও আছে।

কাবেরী গায়েন
শিক্ষক, সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাবি।

সাময়িক সমস্যা এলেও সাংবাদিকরা কখনোই জনস্বার্থে তথ্য পেতে বাঁধাধরা নিয়মের মধ্যে আটকে থাকবেন না বলেই মনে করি। কোনো তথ্য জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট হলে সাংবাদিক চেষ্টা করবেন তা পরিবেশনের জন্য। সাংবাদিকরা এবার যেভাবে একত্রিত হয়েছেন তারা যদি স্থির থাকেন যে তারা সাংবাদিকতাই করতে চান, প্রেসরিলিজ করতে চান না সেক্ষেত্রে ভালো করে রিপোর্ট তৈরি করবেন। জনস্বার্থে তথ্য বের করতে যার যার বিটে সোর্স তৈরি করে তারা প্রকৃত তথ্য বের করে নিয়ে আসবেন।

তবে সাংবাদিকরাও অনেকে আশা করছেন যে পরিবেশ প্রতিকূল হলেও এর মধ্যে দিয়েই কাজের সুযোগ বের হবে। তবে নিঃসন্দেহে এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে যে সাংবাদিকতার পরিবেশ কতটা থাকবে তার ওপর। আবার সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে’ যে মামলা করা হয়েছে-বর্তমানে তিনি অন্তর্বতীকালীন জামিনে রয়েছেন সেই মামালার গতিপ্রকৃতি কোন দিকে যায় সেদিকেও অনেকের দৃষ্টি থাকবে। কেননা সে মামলার গতিপ্রকৃতিও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে।

গণমাধ্যম ও সরকারকে মুখোমুখি করা কারও কাম্য হতে পারে না। সাংবাদিক রোজিনার পুরো ঘটনার সঠিক, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে আইন বা অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি হতে হবে। যে কমিটিতে সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধি থাকবে, অন্য পেশার প্রতিনিধিরাও থাকতে পারে। যাতে পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে অনুসন্ধান করা যায়। আর রোজিনাকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির কঠোর শাস্তি না হলে, ক্রমাগত যদি দুর্নীতিবাজরা পার পেয়ে যায় তখন দেখা যায় যে সেইসব দুর্নীতিবাজ সুযোগমতো প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে উঠে গণমাধ্যমের ওপর, গণমাধ্যম কর্মীর ওপর। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহারের দুঃসাহস দেখায়। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ, দেশের সচেতন নাগরিকগণ আশা করে এই দুর্নীতিবাজরা আইনের আওতায় আসবে, স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমাধ্যমের জন্য হুমকি হয়ে না এসে বান্ধব হয়ে উঠবে। আর সেটা যদি না-হয় নিশ্চিতভাবে সমগ্র দেশের জন্যই একসময় বিষবৃক্ষ হয়ে সবক্ষেত্রে ধ্বস নামাতে পারে।

Tags: BD Potrikapotrikapotrika BDPotrika somoyer bibortan BDsomoyer bibortansomoyerbibortan potrika
Previous Post

বারডেম হাসপাতালের ‘সেই রোগী’ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসেই মারা গেছেন—স্বাস্থ্য অধিদফতর

Next Post

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি শঙ্কা রংপুরে

Admin

Admin

Next Post
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি শঙ্কা রংপুরে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি শঙ্কা রংপুরে

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 8 6 8 1
Users Today : 14
Views Today : 14
Total views : 180713
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In