• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

তাই তোমার আনন্দ

Admin by Admin
ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯
in ধর্ম-দর্শন
0 0
0
তাই তোমার আনন্দ
0
SHARES
40
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

বিশেষ নিবন্ধ ● ক্রুশের বেদনা পেরিয়ে পুনরুত্থানের আলো ▄ জেমস আব্দুর রহিম রানা

বর্তমানের মানব সভ্যতা অনেকটাই এগিয়েছে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতিতে সভ্যতার ক্রমবিকাশ থেমে থাকেনি। ১৫১৭ সনে বিশে^ এক মহাবিবর্তন শুরু হয়েছিল। সেই শুরুটা হয়েছিল ইতিহাস বিখ্যাত সংস্কারক মার্টিন লুথারের করা আশ্চর্য প্রতিবাদলিপি প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি ছিলেন একজন ক্যাথলিক ধর্ম যাজক। তিনি ক্যাথলিক নেতৃস্থানীয় ধর্মযাজকদের বিরোধিতা করে এক প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন। জার্মানির উইটেন বাগ চার্চের দরজায় তার সেই বিখ্যাত প্রতিবাদলিপিটি গির্জার দরজায় সেটে দেন। সুসমচারের প্রকাশিত সত্যের আলোকে তিনি তাঁর প্রতিবাদ লিপিটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ক্যাথলিক ধর্ম যাজকদের আহ্বান জানান। এই প্রতিবাদের মাধ্যমে তিনি খ্রিষ্ট ধর্মে এক বিরাট সংস্কার আনয়নে সক্ষম হন। পবিত্র বাইবেল প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত-একটি পুরাতন নিয়ম ( Old Testament ), আরেকটা হচ্ছে নতুন নিয়ম ( New Testament ) এই ‘টেস্টামেন্ট’ কথাটি এসেছে ল্যাটিন Testamenttum শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে নিয়ম। পুরাতন নিয়মে আমরা প্রধানত বিভিন্ন নবীদের মাধ্যমে প্রকাশিত নিয়মের উল্লেখ পাই, সেই নিয়মকে কঠোরভাবে পালনের জন্য বিভিন্ন উপদেশ বিবৃত হয়েছে। কিন্তু সেই সব নিয়মের কঠিনতায় মানুষ পরিত্রাণের অথবা নাজাতের স্বাদ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি। তাই নতুন নিয়মে মাবুদ বা ঈশ^র নিয়মের কঠিনতায় নিজেকে আর আটকে রাখেনি বরং প্রেম ও অনুগ্রহের সহযোতায় নিজেকে প্রকাশ করেছেন। যার ফলে আমরা মাবুদের প্রেমময় ও ক্ষমায় প্রতিচ্ছবি দেখার সুযোগ পেলাম।
বর্তমানে মানব সভ্যতার জন্য আমরা গ্রিকদের কাছে বহুলাংশে ঋণী। ঈশ^র বা মাবুদ সম্পর্কে ধ্যানধারণা প্রকাশ করার জন্য গ্রিক মনীষীরা একটি শব্দের প্রচলন শুরু করেন। সেই শব্দটি হচ্ছে Gnosticism তথ্যটি প্রকৃত অর্থ হচ্ছে এই যে, সৃষ্টিকর্তা সাংঘাতিকভাবে একজন পবিত্র ব্যক্তিত্ব তার পবিত্রতার প্রখরতা এতই তীব্র যে তার পবিত্রতার সংস্পর্শে এলেই আমরা নিজেরা আমাদের অপবিত্রতার জন্য ধ্বংস হয়ে যেতাম। ‘এদোন উদ্যান’ থেকে বিতারিত হওয়ার পর মানুষ বহুদিন পবিত্র সৃষ্টিকর্তার সহভাগিতা ছাড়াই কাল কাটিয়ে আসছিল। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে অনেক পরিকল্পনা করে ভালোবাসা দিয়ে একান্ত আকাক্সক্ষায় সৃষ্টি করেছিলেন। সেই ভালোবাসার পাত্র যখন বেহেস্ত বা এদোন উদ্যান থেকে বিতারিত হলো সৃষ্টিকর্তা সাংঘাতিকভাবে মনে কষ্ট পেয়েছিলেন। মানুষ অবাধ্য হয়ে যখন নিজেকে অপবিত্র করল তখন তার সেই অপবিত্রতা নিয়ে সে আর সৃষ্টি কর্তার সামনে দাঁড়াতে পারেনি। মানুষ তার নিজেকে রক্ষা করার উদ্দেশেই হোক কিংবা সৃষ্টিকর্তা তার পবিত্রতা রক্ষা করার জন্যই হোক মানুষকে বেহেস্ত থেকে পৃথিবীতে নামিয়ে এনেছিল। সৃষ্টিকর্তা ক্ষোভে ও দুঃখে বহুদিন মানুষকে স্মরণ করেননি। কিন্তু আমরা জানি সৃষ্টিকর্তার অপর নাম প্রেমময়ী ঈশ্বর ও ক্ষমাশীল মাবুদ। তাই বহুদিন পর সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতে মানুষ কীভাবে আছে তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য পৃথিবীর দিকে দৃষ্টি করলেন। দেখলেন এক আদম হাওয়া থেকে মানুষের সংখ্যা বেড়ে কিলবিল করছে কিন্তু সেই মানুষের মধ্যে ছিল না প্রেম, ধৈর্য, ক্ষমা প্রভৃতি বেহেস্তী গুণাবলি। কিন্তু যতই মানুষের নিকটবর্তী হতে চাইলেন তার পবিত্রার তেজ মানুষকে ধ্বংস করে দিতে চাইল। সৃষ্টিকর্তা জানতেন মানুষ একমাত্র পবিত্র হলেই তার পবিত্রতার তেজে মানুষ ধ্বংস হয়ে যাবে না। সেই পবিত্রতা মানুষকে পরিধান করার জন্য তিনি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। সেই পরিকল্পনা যেন মানুষ বুঝতে পারেন তার জন্য তিনি মানুষের কাছে বিভিন্ন নবীদের মাধ্যমে, কিতাবের মাধ্যমে, ওহীর মাধ্যমে তিনি পবিত্রতা অর্জনের জন্য তিনি নিয়মাবলী প্রকাশ করলেন। সেই নিয়মের একটি প্রধান সারর্মম হচ্ছে যে, “রক্ত শেচন ব্যতিরিকে পাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো উপায় নেই। তাই মানুষ পাপ থেকে নিজে উদ্ধারের জন্যে কোরবানির প্রচলন শুরু করেছিল। পাপে সিক্ত হয়ে যাওয়া মানুষের অপবিত্র রক্তকে কখনই অন্য কোনো পশুর রক্তে পবিত্র করা যাবে না। পশুর রক্ত দেওয়ার নিয়মাবলি চালু করা হয়েছিল এই জন্য যে মানুষ যেন পবিত্র হওয়ার জন্যে পবিত্র কোরবানির রক্তে পবিত্রতার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। মানুষের মধ্যেও সেই অপবিত্র রক্তের ফলে মানুষের কোরবানির রক্তে মানুষের পাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো উপায় আর রইল না। খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বিরা বিশ্বাস করেন যে, যিনি নিজে এই পৃথিবীতে এসে মানুষের সাথে বসবাস করে সেই ঈশ^রীয় রক্ত সলিবের ওপরে কোরবানি দিয়ে আমাদের পৃথিবীর সমুদয় অপবিত্র মানুষের জন্য মুক্তি লাভের পথ প্রস্তুত করেন।
ঈসা নবীকে খ্রীষ্ট ধর্মলম্বীরা প্রভু যীশু বলে সম্বোধন করে থাকে। খ্রীষ্ট শব্দের অর্থ ক্রুশের ওপর নিজের রক্ত দানকারী ও নিজ পবিত্র রক্ত আল্লাহ তা’আলার উদ্দেশ্যে কোরবানির মাধ্যমে মুক্তির ব্যবস্থা করা। খ্রীষ্ট শব্দের প্রকৃত অর্থ হচ্ছে অভিষিক্ত। অভিষিক্ত হচ্ছে কোরবানির জন্য অভিশীক্ত। মানুষকে নাজাত দেওয়ার জন্য ঈসা নবী নিজে অভিষিক্ত হয়েছিলেন। তাই তাকে সবাই খ্রীষ্ট বলে সম্বোধন করেন। সেই খ্রীষ্টের জন্মদিনকে মানুষ বড় দিন হিসাবে পালন করে আসছে।
যীশু খ্রীষ্টের জন্ম এইভাবে হয়েছিল। যোষেফের সঙ্গে যীশুর মা মরিয়মের বিয়ের ঠিক হয়েছিল, কিন্তু তাঁরা একসঙ্গে বাস করবার আগেই পবিত্র আত্মার শক্তিতে মরিয়মের গর্ভ হয়েছিলেন। মরিয়মের যোষেফ সৎ লোক ছিলেন, কিন্তু তিনি লোকের সামনে মরিয়মকে লজ্জায় ফেলতে চাইলেন না; এইজন্য তিনি গোপনে তাঁকে ছেড়ে দেবেন বলে ঠিক করলেন।
যোষেফ যখন এই সব ভাবছিলেন তখন প্রভুর এক দূত স্বপ্নে দেখা দিয়ে তাঁকে বললেন, “দায়ূদের বংশধর যোষেফ, মরিয়মকে বিয়ে করতে ভয় কোরো না, কারণ তাঁর গর্ভে যিনি জন্মেছে তিনি পবিত্র আত্মার শক্তিতেই জন্মেছেন। তাঁর একটি ছেলে হবে। তুমি তাঁর নাম যীশু রাখবে, কারণ তিনি তাঁর লোকদের তাদের পাপ থেকে উদ্ধার করবেন।”
এই সব হয়েছিল যেন নবীর মধ্য দিয়ে প্রভু এই যে কথা বলেছিলেন তা পূর্ণ হয়: “একজন কুমারী মেয়ে গর্ভবতী হবে, আর তাঁর একটি ছেলে হবে; তাঁর নাম রাখা হবে ইম্মানূয়েল। এই নামের মানে হলো, আমাদের সঙ্গে ঈশ্বর।’’(মথি ১ ঃ ১৮-২৩)
সেই সময়ে সম্রাট আগস্ত কৈসর তাঁর রাজ্যের সব লোকদের নাম লেখাবার আদেশ দিলেন। সিরিয়ার শাসনকর্তা কুরীনিয়ের সময়ে এই প্রথমবার লোকগণনার জন্য নাম লেখানো হয়। নাম লেখাবার জন্য প্রত্যেকে নিজের নিজের গ্রামে যেতে লাগল।
যোষেফ ছিলেন রাজা দায়ূদের বংশের লোক। রাজা দায়ূদের জন্মস্থান ছিল যিহূদিয়া প্রদেশের বৈৎলেহম গ্রামে। তাই যোষেফ নাম লেখাবার জন্য গালীল প্রদেশের নাসরত গ্রাম থেকে বৈৎলেহম গ্রামে গেলেন। মরিয়মও তাঁর সঙ্গে সেখানে গেলেন। এঁরই সংগে যোষেফের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সেই সময় মরিয়ম গর্ভবতী ছিলেন এবং বৈৎলেহমে থাকতেই তাঁর সন্তান জন্মের সময় এসে গেল। সেখানে তাঁর প্রথম ছেলের জন্ম হলো, আর তিনি ছেলেটিকে কাপড়ে জড়িয়ে যাবপাত্রে রাখলেন, কারণ হোটেলে তাঁদের জন্য কোনো জায়গা ছিল না।’’ (লুক ২ ঃ ১-৭)
গ্রিকদের নস্টিসিজম ধারণা থেকে প্রধান তিনটি কিতাবী ধর্মের মধ্যে (ইসলাম ধর্ম, খ্রিষ্ট ধর্ম, ইহুদী ধর্ম) এক ঐক্যমত আছে। বিষয়টি হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার পবিত্রতমের পবিত্র আমরা মানুষ অবাধ্য হয়ে পতিত মানুষ হয়ে নিজেদের অপবিত্র করেছি। তাই সৃষ্টিকর্তা আর মানুষের মধ্যে এক বিরাট ফাঁকের সৃষ্টি হয়েছে। তিনটি ধর্মের অনেক রকম উপদেশ দেওয়া আছে কীভাবে এই ফাঁক মেটানো যায়। মানুষ তার জীবনকে পবিত্র করতে না পারলে এই ফাঁক মেটানো সম্ভব নয়। এটা যেমন আমরা বুঝি সৃষ্টিকর্তাও বিষয়টি ভালোমত জানেন। তাই ধর্মে ধার্মিকতার বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ধার্মিকতার প্রধান বিষয়টি হচ্ছে নিজেকে পবিত্র করা। এই পবিত্র-অপবিত্রতার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধর্ম বিভিন্নভাবে নিজেদেরকে সৃষ্টিকর্তা থেকে দূরে নিয়ে গেছে তাই সৃষ্টি কর্তার উপাসনা করতে গিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে দূরে অবস্থিত ঈশ্বর ( Distant God ) হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে (উদাহরণস্বরূপ ইসলাম) জিহুদী ধর্ম বিভিন্ন নবীদের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত ব্যাখ্যা দ্বারা অপবিত্র মানুষকে পবিত্র করতে চেয়েছে। তথাপি সেই ব্যাখ্যায় তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে। খ্রিষ্টধর্ম একমাত্র ধর্ম যারা সৃষ্টিকর্তাকে একান্তই নিকটতম ঈশ্বর বলে প্রতীয়মান করতে চেষ্টা করছে। তাই ঈশ্বর আর দূরের ঈশ্বর নয় আমাদের অন্তরে বাসকারী ঈশ্বর । নস্টিসিজম’র প্রতিষ্ঠিত সত্য পবিত্র ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে যে বিবেধ বা ফারাকের সৃষ্টি হয়েছে পবিত্র ইনজিল শরীফে উল্লেখিত সত্য অনুযায়ী যিশু খ্রিষ্ট তার নিজ রক্ত সলিবের (ক্রুশের) ওপরে কোরবানি দিয়ে মানুষকে ঈশ্বরের নিকটবর্তী করেছেন।
যীশু খ্রিষ্টের জন্মের মধ্যে দিয়ে পবিত্রতম ঈশ্বর এই পাপ-পঙ্কিলময় পৃথিবীতে নেমে এসেছিলেন। তাঁর জন্মের সময় স্বর্গদূতেরা তার নাম রেখেছিল ইনম্মানূয়েল অর্থাৎ আমাদের সহিত ঈশ্বর । ঈশ্বর আর Distant God হয়ে রইলেন না তিনি একেবারে আমাদের সাথে বসবাস করতে শুরু করলেন। ঈশ্বরের এই নেমে আসা পবিত্র আর অপবিত্রতার ফাঁককে ঘুচিয়ে দিয়েছিল। যোহন লিখিত সুসমাচারে লিখিত আছে “ ঈশ্বর জগতকে এমন প্রেম করলেন যে, তিনি তাঁর একমাত্র পুত্রকে আমাদের জন্য প্রদান করলেন। যে কেউ সেই পুত্রেরকৃত বলীদানে বিশ্বাস করে (কোরবানিতে বিশ্বাস করে) সে বিনষ্ট না হয় কিন্তু অনন্ত জীবন পায় (নাজাত) যোহন ৩ : ১৬। তাই আমাদের আর উর্দ্ধে উঠে বেহস্তকে জয় লাভ করতে হবে না-এই পৃথিবীতেই ঈসা নবীর কৃত কোরবানীতে বিশ্বাসের মাধ্যমে আমরা নাজাত পেতে পারি। পরিত্রাণের জন্য এর থেকে সহজ উপায় আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।
শুভ বড় দিন সৃষ্টিকর্তার থেকে প্রেরিত একটি বাণী, একটি উপহার। এই উপহারটি গ্রহণের মাধ্যমেই সৃষ্টিকর্তার নাজাতের জন্য পরিকল্পনা আমরা সিদ্ধ করতে পারি। তাই বড় দিন উপলক্ষে আমরা সব সময় উপহার দিয়ে থাকি। যে যত দামি বা কম দামি উপহার দেন না কেন যিনি উপহার দেন সেই উপহারটির উপযুক্ত মূল্য তাকে দান করতে হয়। সৃষ্টিকর্তা তার একমাত্র পুত্রকে তার নিজ কোলকে খালি করে আমাদেরকে দিয়েছিলেন। তাই বড় দিন উপলক্ষে আমরা আমাদের প্রিয়জনদের উপহার দিয়ে থাকি সেই উপহারের মাধ্যমে আমরা সৃষ্টিকর্তার প্রদানকৃত উপহারটির কথা স্মরণ করার প্রয়াস পাই।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যীশু খ্রীষ্টের জন্মের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন “তাই তোমার আনন্দ আমার পর তাই তুমি এসেছো নিজে, আমায় নইলে ত্রিভূবনেরশ^র তোমার প্রেম হ’ত যে মিছে”। বাংলা শব্দের আনন্দ অর্থ হচ্ছে নন্দের সহিত অর্থাৎ পুত্র হলে পরে আমরা সকলেই খুব উচ্ছ¡সিত হই। সেই উচ্ছ¡াসকে আমরা পুত্র লাভের পুলকের সাথে তুলনা করি, বলি পুত্র লাভে যেমন উচ্ছ¡সিত হই আমার তেমনি পুলক অনুভব হচ্ছে সেটাই আনন্দ। ঈশ্বর তনয় যেদিন পৃথিবীতে নেমে এসেছিলেন সেই দিনটি হচ্ছে প্রথম আনন্দের দিন কারণ আমরা ঈশ্বর তনয়কে পেয়ে এক মহাআনন্দ উপলব্ধি করেছিলাম। বড় দিন হচ্ছে সেই আনন্দের প্রথম দিন। সেই আনন্দ একইভাবে পুলক দান করুক এই দিনে এটাই আমার বিশেষ প্রার্থনা। সবাইকে বড় দিনের শুভেচ্ছা।
ড. এলগিন সাহা : সাবেক প্রেসিডেন্ট, জাতীয় চার্চ পরিষদ, বাংলাদেশ।

Previous Post

বাংলার মুখ

Next Post

বড়দিন-ঈশ্বর ও মানুষের মিলন উৎসব

Admin

Admin

Next Post
বড়দিন-ঈশ্বর ও মানুষের মিলন উৎসব

বড়দিন-ঈশ্বর ও মানুষের মিলন উৎসব

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 6 3 4
Users Today : 65
Views Today : 68
Total views : 177319
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In