• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, মে ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

শোক দিবসের বিশেষ লেখা ► বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নৈপথ্যের কুশিলব জিয়াউর রহমান ● মাহবুবুল আলম

শোক দিবসের বিশেষ লেখা ► বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নৈপথ্যের কুশিলব জিয়াউর রহমান ● মাহবুবুল আলম

Admin by Admin
আগস্ট ১৫, ২০২৩
in প্রচ্ছদ, মতামত
0 0
0
শোক দিবসের বিশেষ লেখা ► বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নৈপথ্যের কুশিলব জিয়াউর রহমান ● মাহবুবুল আলম
0
SHARES
22
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে একদল জুনিয়র অফিসারই জড়িত ছিল তা ভাবাটা বোকামি ছাড়া কিছু নয়। কেননা, ইতিহাসের এ নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ডে দেশি এবং আন্তর্জাতিক মহল ও শক্তি যে জড়িত ছিল তা বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারিক আদালতে প্রদত্ত সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং উপস্থাপিত তথ্য প্রমাণে ওঠে এসেছে যে, ইতিহাসের এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তখনকার উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে পুরোপুরি জড়িত ছিলেন। খন্দকার মোশতাক আহমেদকে শিখন্ডী বানিয়ে পর্দার অন্তরাল থেকে জিয়াউর রহমানই এ হত্যাকাণ্ড ষড়যন্ত্রে সমস্ত কলকাঠি নেড়েছেন তা এখন সর্বসত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পুরো বিষয়টা ছিল পূর্বপরিকল্পত ‘একটি নীলনকশার’ অংশ, যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন অবস্থানে থেকে যার যার ভূমিকা পালন করে মাত্র। তবে আজকের এই লেখায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়ার ভূমিকা নিয়েই লেখাটি সীমাবদ্ধ রাখতে চাই। জিয়াউর রহমান যে বঙ্গবন্ধু হত্যা চক্রান্তের বিষয়ে জ্ঞাত ছিলেন তা সম্ভবত প্রথম প্রচারিত হয় ১৯৭৬ সনে ব্রিটিশ আইটিভি চ্যানেলের World in Action প্রোগ্রামে সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসকে দেয়া লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশীদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে। এই সাক্ষাৎকারে ফারুক-রশীদ দাবি করে—যে বঙ্গবন্ধু হত্যা চক্রান্তের বিষয়ে ১৫ অগাস্টের বহু পূর্বেই জিয়াকে তারা অবহিত করে। ফারুক জানায়, “২০ শে মার্চ ১৯৭৫ সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটের দিকে সে জিয়ার বাসায় জিয়ার সাথে দেখা করে এবং তাকে বলে— The country required a change।
উত্তরে জিয়া বলেন, “ Yes, yes, lets go outside and talk”। তখন জিয়া ফারুককে নিয়ে বাইরে বাড়ির লনে যায়। সেখানে ফারুক পুনরায় বলে, “ We have to have a change. We, the junior officers, have already worked it out. We want your support and leadership ”। এ ব্যাপারে জিয়াউর রহমানের কথা ছিল খুবই স্পষ্ট —জিয়া বলেন, “ If you want to do something, you junior officers should do it yourself … (Anthony Mascarenhas, Bangladesh – A Legacy of Blood, page 54, Hodder and Stroughton, London, 1986)

অনেকেই হয়ত বলতে পারেন বা প্রশ্ন করতে পারেন ফারুক-রশীদ বলল বলেই কি তা সত্য হয়ে গেল? এমনটাও তো হতে পারে যে, তারা তাদের দোষ ঢাকার জন্য অন্যের ঘারে দোষ চাপাতে চেয়েছে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে কেন জিয়া? শুধু জিয়া কেন অন্য কোন সিনিয়র অফিসারের কথা এখানে আসেনি কেন? বিষয়টি তলিয়ে দেখলে বোঝা যায় যে ব্যাপারটা মোটেই তা নয়। তার প্রমাণ পাওয়া যায় ১৯৭৬ সনে দেওয়া জিয়ার মাসকারেনহাসকেই দেওয়া এক সাক্ষাৎকার থেকে। মাসকারেনহাস’র ভাষায়, “ In July, 1976, while doing a TV programme in London on the killing of Sheikh Mujib I confronted Zia with what Farook had said ” (তাদের সাক্ষাৎকারে) । জিয়া এ ব্যাপারে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। ফারুকের সাথে তার এমন কথোপকথনের বিষয়টি এসেছে এভাবে—“ In July, 1976, while doing a TV programme in London on the killing of Sheikh Mujib I confronted Zia with what Farook had said ” ।

সাক্ষাৎকারে জেনারেল জিয়ার গড়িমসি বা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার ভাব দেখে ধারণা করা যেতে পারে যে, ফারুকের সাথে জিয়ার এ কথোপকথন সত্য। এর সত্যতার আরও প্রমাণ মেলে আরও ১৯৯৭ সনে, যখন ফারুক জেলে আর রশীদ ইউরোপে। ১৯৯৭ সনে রশীদের সাথে মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজ এর সাক্ষাৎ হয় ইউরোপে। লিফশুলজের ভাষায়, 1997 I met Rashid for several hours in an European city… I went over with him exactly what he had told Mascarenhas about Zias involvement. Rashid confirmed to me the accuracy of his interview with Mascarenhas ”।

জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয় কর্নেল শাফায়েত জামিলের ভাষ্য থেকে—”জেনারেল জিয়া একদিকে শেভ করছেন একদিকে শেভ করে নাই। স্লিপিং স্যুটে দৌড়ে আসলেন। শাফায়াতকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘শাফায়াত কী হয়েছে?’ শাফায়াত বললেন, ‘অ্যাপারেন্টলি দুই ব্যাটালিয়ন স্টেজড্ এ ক্যু। বাইরে কী হয়েছে এখনো আমরা কিছু জানি না। রেডিওতে অ্যানাউন্সমেন্ট শুনতেছি প্রেসিডেন্ট মারা গেছেন।’ তখন জেনারেল জিয়া বললেন, “সো হোয়াট? লেট ভাইস প্রেসিডেন্ট টেকটক ওভার। উই হ্যাভ নাথিং টু ডু উইথ পলিটিক্স।”

১৫ আগস্ট নির্মম ঘটনার পর ঘাতক চক্রের সাথে বিএনপির সব সময়ের অর্থমন্ত্রী প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের বাসায়। সাইফুর রহমান ঘাতকদের সাথে দেনদরবার চালিয়ে গেছেন। সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকে সরিয়ে মেজর জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান করতে। এজন্য সাইফুর রহমানের গুলশানের বাসায় তার ভায়রা বঙ্গবন্ধুর ঘাতক কর্নেল রশীদের সাথে মেজর জিয়া সহ বৈঠক করেন। ঘাতক কর্নেল রশীদের স্ত্রী জোবাইদা রশীদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়, ‘১৫ আগস্ট বিকেলে বঙ্গভবনে জেনারেল জিয়াউর রহমান রশীদের কাছে ঘোরাঘুরি করছিল যাতে তাঁকে চিফ অব আর্মি করা হয়। ১৬ অথবা ১৭ তারিখ প্রাক্তন মন্ত্রী সাইফুর রহমানের গুলশানের বাসায় সাইফুর রহমান, আমার স্বামী ও জিয়ার উপস্থিতিতে জিয়াকে চিফ অব আর্মি স্টাফ করার বিষয় ঠিক হয়।’
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঘাতক ফারুকের জবানবন্দির অংশবিশেষ এখানে তুলে ধরা হলো — ‘১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট রাতে মিলিটারি ফার্মে নাইট ট্রেনিংয়ের সময় কো-অর্ডিনেশন মিটিং করে ১৫ আগস্ট ভোরে চূড়ান্ত অ্যাকশনের সিদ্ধান্ত হয়। ১৫ আগস্ট ঘটনার পর মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে চিফ অব আর্মি স্টাফ করার বিষয়ে সাইফুর রহমানের বাড়িতে মিটিং হয়। জিয়া, রশিদ ও সাইফুর রহমান মিটিং করেন। পরে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হবে, সাইফুর রহমান ও রশীদ মন্ত্রী হবে, ওই উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমানকে চিফ অব আর্মি স্টাফ করা হয়।’
জিয়াউর রহমান যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জড়িত ছিলেন তার অনেক প্রামণ পাওয়া যায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন কর্মকান্ড থেকে। ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত জেনারেল জিয়া বাংলাদেশে তার সামরিক শাসন বহাল রেখেছিলেন। এই সময়ে তিনি বন্দুকের নলের মুখে নিজের ক্ষমতা সংহত করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বিচারপতি সায়েম যখন নির্বাচন দিতে চেয়েছিলেন তখন জিয়াউর রহমান তাকে বাঁধা দিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বিচারপতি সায়েম ঘোষণা করেছিলেন যে, ১৯৭৭ সালের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চান। তাঁর সেই ইচ্ছা অনুযায়ি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বিচারপতি ছাত্তারকে বিশেষ সহকারী নিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু জিয়ার বশংবদ ছাত্তার ও উপদেষ্টাদের বাঁধার কারণে বিচারপতি সায়েমের সে চেষ্টা ভেস্তে যায়। প্রেসিডেন্ট সায়েম তাঁর এক লেখায় লিখেছেন,‘আশ্চর্য এই যে বিশেষ সহকারি যিনি শুধু হাইকোর্টে নয় সুপ্রীমকোর্টেও বিচারপতি ছিলেন… বিষয়টি ভেবে খারাপ লাগল যে তিনি জানতেন নির্বাচন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য আমি তাকে ঐ পদে নিয়োগ দিয়েছি।’ বিচারপতি সায়েম এও বলেছেন—বিচারপতি ছাত্তার তাকে বলেছিলেন,‘ভাই তিনি যখন সিএমএলএ হতে চাচ্ছেন তখন তাঁকে হতে দিন।’ বিচারপতি প্রেসিডেন্ট সায়েম যখন দেখলেন, এক্ষেত্রে তিনি একা হয়ে পড়েছেন, তখন তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এক পর্যায়ে এসে তাঁকে প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হলো। বাধ্য হয়ে জে.জিয়াকে নিজের উত্তরাধিকারী ঘোষণা করে ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর সায়েম পদত্যাগ করেন। এবং তা করতে হয়েছিল বন্দুকের জোরেই।
পনের আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকরে খুনী মুসতাকের সিভিল মুর্তিকে সামনে নিয়ে এগিয়েছে জিয়াউর রহমান। তার এ উদ্দেশ্যের পিছনে যে কুটচালটি কাজ করেছিল তা হলো দেশের আমজনতাকে বুঝানো যে, আর্মি বা জেনারেল জিয়া তো ক্ষমতা গ্রহণ করেনি, ক্ষমতা দখল করেছে আওয়ামী লীগ মন্ত্রীসভার সদস্য মুসতাক আহমদ। এবং তার মন্ত্রীসভায় যে সকল সদস্য যোগ দিয়েছে তাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী না হয়, প্রথম সারির কোনো নেতা। সুতরাং বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে তার (জিয়ার) সংশ্লিষ্টতার প্রশ্নই আসেনা। কিন্তু জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে নায়ক হিসাবে নিজকে যতই আড়াল করার চেষ্টাই করে থাকুন না কেন ইতিহাসের বিচারে সে ষড়যন্ত্রে তার সংশ্লিষ্টতার নানা কাহিনী বেরিয়ে এসেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের নীল নকশার আগাগোড়া সবই ছিল জিয়ার নথদর্পণে।
এ প্রসংগে সাংবাদিক লরেন্স লিফশুজের একটি বক্তব্যেও উদ্ধৃতি দিয়ে লেখাটি শেষ করবো- ‘১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মূল নেপথ্য নায়ক জিলেন জিয়া’ জাতীয় শোক দিকস ২০১১ উপলক্ষে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে জেনারেল জিয়াউর রহমান ছিলেন ‘মূল ছায়া ব্যক্তি’। তিনি আরো বলেন, ‘ আমার ধারণা ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের জড়িত থাকার ব্যাপারে ভবিষ্যতে আরো তথ্য বেরিয়ে আসবে।’ তিনি বলেন, ‘জিয়া নিজেই এ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব না দেয়ার নিজস্ব কারণ ছিল। তবে তাঁর সমর্থন ছাড়া এ অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে বলে আমি মনে করি না। এ হত্যাকাণ্ডে তিনি ছিলেন ছায়া ব্যক্তি। তিনি যুক্তি প্রদর্শন করে বলেন, ‘যদি তিনি এ অভ্যুত্থান বিরোধী হতেন তা হলে তিনি নিজেই এ অভ্যুত্থান থামাতে পারতেন। তা করা ছিল তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব…। তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ছিলেন খুবই জটিল চরিত্রের লোক। ওই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জিয়াউর রহমান কীভাবে ছায়ায় থেকে কাজ করেছেন, সে সম্পর্কে আমাদের আরও গভীরে গিয়ে জানা উচিত।’…

সময়ের বিবর্তনে প্রকাশিত কলাম-মতামত-সাক্ষাৎকার পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতিমালার সঙ্গে সর্বাংশে মিল নাও থাকতে পারে। প্রকাশিত কলাম-মতামাত-সাক্ষাৎকারের আইননগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখক-মতামত-সাক্ষাৎকার প্রদানকারীর। কোনোভাবেই সময়ের বিবর্তন কর্তৃপক্ষের নয়। — সময়ের বিবর্তন

Previous Post

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন ২ সেপ্টেম্বর

Next Post

মতামত ► ধর্মীয় উন্মাদনা—মনিপুরের খ্রিষ্টানরা নিরাপদ নন ● মিথুশিলাক মুরমু

Admin

Admin

Next Post
মতামত ► ধর্মীয় উন্মাদনা—মনিপুরের খ্রিষ্টানরা নিরাপদ নন ● মিথুশিলাক মুরমু

মতামত ► ধর্মীয় উন্মাদনা—মনিপুরের খ্রিষ্টানরা নিরাপদ নন ● মিথুশিলাক মুরমু

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 6 1 9 3
Users Today : 39
Views Today : 49
Total views : 177934
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In