• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

বিশ্ব-ভাবনা ►ইউক্রেইনে যুদ্ধ আপনারা কে কে আমেরিকা কে কে রাশিয়া? ● তন্ময় ইমরান

বিশ্ব-ভাবনা ► ইউক্রেইনে যুদ্ধ আপনারা কে কে আমেরিকা কে কে রাশিয়া? ● তন্ময় ইমরান

Admin by Admin
মার্চ ১০, ২০২২
in প্রচ্ছদ
0 0
0
বিশ্ব-ভাবনা ►ইউক্রেইনে যুদ্ধ  আপনারা কে কে আমেরিকা কে কে রাশিয়া? ● তন্ময় ইমরান
0
SHARES
24
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

যুদ্ধ হচ্ছে ইউক্রেইন ও রাশিয়ার মধ্যে। আমরা প্রশ্ন করছি, আপনি কি রাশিয়া নাকি আমেরিকা? কেন এ প্রশ্ন করা হচ্ছে, সেটি ব্যাখ্যা করতে যাওয়াটা অবান্তর। প্রকান্তরে আমরা সবাই বুঝছি, এটি আসলে দুই পরাশক্তির লড়াই। কাজেই রাশিয়া না আমেরিকার দলে-এ প্রশ্ন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সরব। দুই পক্ষেই অনেক সমর্থক আছে।

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

রাশিয়ার পক্ষে যারা সোশাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছেন, তাদের কারও কারও সমাজতন্ত্রের সুখস্মৃতি ফিরে এসেছে। তারা কেউ কেউ কিয়েভের বোমা-বারুদের গন্ধকে প্রাভদা-রাদুগা-প্রগতি প্রকাশনী থেকে বের হওয়া রঙিন, পিচ্ছিল কাগজের দুর্দান্ত বইয়ের গন্ধের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন। এরা লাতিনেও আছে, পুতিনেও আছে। লাতিনের কিউবায় বা চিলিতে, পুুতিনের সাবেক সোভিয়েতে।

পুতিনের পক্ষে আরো একদল আছেন এ দেশে। যারা ইহুদী-নাসারা বলে আমেরিকাকে ঘৃণা করে আসছে। যেকোনো মার্কিন ক্ষতি যাদের উল্লাসের সেরকম ধর্মীয় মৌলবাদী দলও আছে এখানে। এরা বিচার করে আফগানে বা ইরাকে মার্কিনিরা যা করেছে, সেটার একটা জবাব দিচ্ছে রাশিয়া। হয়ত রাশিয়ার পক্ষে এদেশের মৌলবাদী কিংবা ইসলামিস্টদের একটি দল খুব আগেই মাঠে নামত, যদি না ‘কমিউনিজম’ এবং ‘নাস্তিকতা’র দায়ে সাবেক রাশিয়ার পিতৃপুরুষ সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের কুদৃষ্টিতে না থাকত। এদের দৃষ্টিতে আমেরিকা খারাপ, কিন্তু রাশিয়া খারাপ ছিল-এখন ততটা নয়, কেননা দেশটিতে এখন তো আর কমিউনিস্টরা নাই!

এখন যদি এ গোষ্ঠিকে বলা হয়, ভাই রাশিয়ার সেনারা কিন্তু ইউক্রেইনে থাকা তাতার মুসলিমদের নিধন করবে সবার আগে এরা রাতারাতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে নিবে বলেই মনে হয়। যদিও যুদ্ধ বাদে স্বাভাবিক অবস্থায় এরাই প্রশ্ন তুলত-তাতাররা আসলে মুসলিমই কিনা!

আমেরিকার পক্ষে কারা আছে? অবশ্যই সবার আগে দেশের অন্যতম বড় বিরোধী দল বিএনপি ও তার কিছু সমর্থকদের অন্তত থাকার কথা। কেননা, তাদের এ দুর্দিনে কেবল আমেরিকাই একটু আহা-উহু করে গেছে। আর জামায়াতে ইসলামীরও থাকার কথা। র‌্যাববিরোধীদের থাকার কথা। সরকারবিরোধীদের থাকার কথা। প্যারাডক্স হচ্ছে, সরকারবিরোধীদের মধ্যে ইসলামিস্ট অংশটি বাদে, একটি বড়ো অংশ আবার কমিউনিস্ট রাজনীতির কথা বলে। কাজেই তারা পড়েছেন বিপাকে।

বাংলাদেশ সরকার কোন পক্ষে? আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে-সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব। কাজেই যুদ্ধরত দুই দেশই তাহলে সরকারের বন্ধু? সে কথা থাক। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘জাতিসংঘ সনদের আলোকে তারা সমাধান চায়। জাতিসংঘ সনদের আলোকে সমাধান না হলে হয়ত বাংলাদেশ সরকার খুব ধীরে ধীরে সময় নিয়ে একটা পক্ষ বেছে নেবে বা চুপচাপ থাকবে। সরকার যে পক্ষ বেছে নেবে, বিরোধীরা আলবৎ তার বিপরীত পক্ষের গুণগাণ গাইবে।

ধরা যাক, সরকার বলল ‘আমরা মনে করি রাশিয়া ঠিক আছে’, বিরোধীপক্ষ অবশ্যই বলবে-‘রাশিয়া এই যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চেয়েও বেশি বর্বরতা চালিয়েছে’।

আবার পরিস্থিতি যদি এমন হয়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেটোভুক্ত দেশগুলো এক হয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলো-রাশিয়ার পক্ষে দাঁড়ালো চীন ও উত্তর কোরিয়া, তখন বাংলাদেশ কী করবে? কিংবা ধরা যাক রাশিয়ার পক্ষে দাঁড়ালো বাংলাদেশের ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ভারত, তখন? ভারত যে রাশিয়ার পক্ষে থাকতে রাজি সরাসরি সেটি না বললেও, যুদ্ধ লাগার আগে থেকেই তাদের কূটনীতিকদের নিম নিম কথাতে কিছুটা প্রতিভাত হয়েছে।

ধুর পরিস্থিতি তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। তাহলে বাংলাদেশ কোন পক্ষে যাবে? এখানকার মানুষের কোন পক্ষে যাওয়া উচিত?

এক্ষেত্রে অবশ্যই একটা হিসেব সামনে চলে আসবে। বাংলাদেশের সঙ্গে কার কতটা অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে সেটি একটি বিবেচনায় আসবে। অর্থাৎ ‘ডিজিট’ দেখে বন্ধু বা পক্ষ নির্ধারণের পথে হয়ত আগাবে সরকার। সাথে পুরোনো বন্ধুত্বের ঐতিহ্যের ব্যাপারটি মাথায় থাকবে। এখানে পুরোনো বন্ধুত্ব অনেকটা দোকানের পুরোনো কাস্টমারের মতো, যার লেনদেন হয়ত কম- কিন্তু অনেকদিন ধরে যিনি কেনাকাটা করেন।

এখন প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। যেমন-বাংলাদেশের পুরোনো বন্ধু রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের চেয়ে কম। তখন কী হবে?

এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সুবিধায় একটি পরিসংখ্যান দেই। যেমন-২০২১ সালে বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি ছিল ৬৮ কোটি ৭৯ লাখ ডলার, রাশিয়াতে ৬৮ কোটি ৬ লাখ ডলার এবং ভারতে ১২৭ কোটি ডলার। এর বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৭০০ কোটি ডলার।

এবার ইউক্রেইন যুদ্ধে এসব দেশের মধ্যে কোন কোন দেশ কোন পক্ষে জড়িত হচ্ছে, তাদের সঙ্গে রপ্তানির যোগফল মিলিয়ে একটা পক্ষ নিয়ে নেওয়া যায়। এটা হয়ত খুব সরল হিসাব। কিন্তু যুদ্ধে পক্ষ নেওয়ার হিসাব ঠিক এভাবেই হয়।

রাশিয়া কিংবা আমেরিকার পক্ষে নেই, এমন দলও আমাদের দেশে রয়েছেন। এরা যুদ্ধ চান না, শান্তি চান। এরা যুদ্ধের নামে মানবিক বিপর্যয় এড়াতে চান। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ধরনের মানুষের সংখ্যাও কম নয়। যুদ্ধের বিরুদ্ধে সরব এসব মানুষের কণ্ঠস্বর। প্রশ্ন হলো যুদ্ধের ময়দানে, নিরপেক্ষ থাকার কোনো উপায় আছে? যুদ্ধবাজ বড় দেশগুলোর মোড়লিপনা মেনে নিয়ে, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’ নীতিতে এগিয়ে চলার কোনো সুযোগ আছে? কোনো না কোনো পক্ষকে তো শত্রু বানাতেই হয়। কিংবা আপনি বানাতে না চাইলেও কেউ না কেউ শত্রু হয়েই যায়।

যুদ্ধ-বিশেষ করে যেখানে সাধারণ মানুষও জড়িয়ে পড়ে সংঘাতে-হত্যায়, যা তাদেরকে আর কখনো পুরোনো জীবনে ফিরে যেতে দেয় না, সেখানে কোনো না কোনো পক্ষ নেওয়া লাগে। যুদ্ধ মানে সংখ্যা। যুদ্ধ মানে বোমা-গুলি, হত্যা, আহত, ধর্ষণসহ মানুষের কদর্য রূপের সংখ্যা। এই সংখ্যা উপেক্ষা করা যায় না। এই সংখ্যার পক্ষে-বিপক্ষে না থাকতে চাইলেও, থাকতে হয়। আমরা যে পরবর্তীতে হিসাব করি কোন যুদ্ধ কতটা ভয়াবহ ছিল, তা কিন্তু প্রাণহানির সংখ্যার বিচারেই। যুদ্ধে যা ক্ষতি হয়েছে তার বিপরীতে যুদ্ধপরবর্তী বাণিজ্য ও লেনদেন মিলিয়েই তুলনা হয় আমাদের পক্ষ কোনটা হবে। তাই যারা নিরপেক্ষ, হত্যা রক্তপাতের ঘোরবিরোধী তারাও কোনো না কোনো সময়, পক্ষে-বিপক্ষে চলে যায়। মনে মনে একটি পক্ষকে দোষারোপ করে।

আমাদের প্রকৃতি হলো, নিজেরা আক্রান্ত না হলে আমরা উত্তেজনায় থাকি। মনের ভেতরে সবসময় একটা দ্বন্দ্ব চলে যুদ্ধ হোক, আবার ভাবি না হোক। এই সমস্ত দ্বন্দ্বের পরও সিরীয় শিশু আইলানের সৈকতের বালুতে উপর হয়ে পড়ে থাকা লাশ, আমাদের চোখ ঝাপসা করে দেয়। আমাদের মাথার ভেতর কন্যার কাছ থেকে বাবার বিদায় নেওয়ার ছবি একটি দুঃখের ছাপ ফেলে যায়। আমরা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখি হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমায় ঝলসে যাওয়া সেই শিশুটিকে। আমরা একটু একটু করে যুদ্ধের বিরুদ্ধে ঘৃণা পুষে রাখি।

সংখ্যার কাছে, পুঁজির কাছে, বাজারের কাছে, মুক্তির স্বপ্ন বারবার হেরে যায় যুদ্ধে। তবুও মানুষ হয়ত যুদ্ধ ভুলে যাবে একদিন এ কথা ভেবে প্রতিবাদের চর্চা চলুক। প্রতিবাদের চর্চাই যুদ্ধহীন পৃথিবী গড়ে তুলবে একদিন।

Previous Post

পূর্ণ ডোজ টিকা নিলে দেশে আসতে করোনা পরীক্ষা লাগবে না

Next Post

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ► বীমার ওপর অনাস্থা এবং এ খাতের ভবিষ্যৎ ● নাজিম উদদীন

Admin

Admin

Next Post
প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ► বীমার ওপর অনাস্থা এবং এ খাতের ভবিষ্যৎ ● নাজিম উদদীন

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ► বীমার ওপর অনাস্থা এবং এ খাতের ভবিষ্যৎ ● নাজিম উদদীন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 4 0 1 8
Users Today : 17
Views Today : 20
Total views : 175524
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In