• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

আবারও ছারপোকা—নাহিদ বাবু

Admin by Admin
মে ১৪, ২০২১
in গল্প, প্রচ্ছদ
0 0
0
আবারও ছারপোকা—নাহিদ বাবু
0
SHARES
190
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

জীবন গল্প
আবারও ছারপোকা
নাহিদ বাবু

কারো অনুপস্থিতে জীবন থেমে থাকে না। জীবন চলমান, নদীর ধারার মতো বহমান। জীবনে দুঃখ-কষ্ট থাকবে। আর এই দুঃখ কষ্টের মধ্যেই জীবনের আসল তৃপ্তি খুঁজে নিতে হবে। রাসেলের জীবন থেকে সুমনা চলে যাওয়ার কারণে হয়তবা সাময়িক একটু কষ্ট হয়েছিল। তার মানে এই নয় যে, তার জীবন একেবারে নরক হয়ে যাবে, থেমে যাবে। জীবন তো সেটাই, সব পরিবেশে নিজকে মেনে নেওয়া ও সেভাবে জীবন পরিচালনা করা।
রাসেলের স্নাতক শেষ হয়। সে ভাবে আর নয় এখন কিছু করতে হবে। আর মাস্টার্সও তো পড়তে হবে, সরকারি চাকুরির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। পরিবারে সাথে আলোচনা করে, সে ঢাকায় চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু কোথায় থাকবে! কী করবে! কিছু বুঝতে পারছিল না। এবার যেন সত্যিই সে ভেঙে পড়ল! আত্মীয়-স্বজনেরা পীড়া দিয়ে বলতে লাগল কিছু একটা চাকরি হলো কি তোর? লেখা-পড়া তো শেষ করলি। আর কত দিন এভাবে বসে থাকবি। কিছু একটা তো কর। বিভিন্ন লোকের নাম ধরে দৃষ্টান্ত দিতে থাকে। অমুক-তমুকেরা তো অনেক কিছু করছে? দেশে একজন শিক্ষিত লোকের, চাকরিতে প্রবেশ করা কতটাই কষ্টসাধ্য তাদেরকে কে বুঝাবে! একদিকে সরকারি চাকুরির জন্য রাসেল প্রস্তুতি নিতে থাকে আর অন্যদিকে খুজঁতে থাকে ঢাকা শহরে তার আপনজন কারা আছে, কোথায় থাকা যাবে। একটা খোঁজ মেলে—তার এক দূর-সম্পর্কের এক ভাই ঢাকায় থাকে। মোটামুটি একটা ভালো জব করে, ভাইয়ের সাথে কথা বলে, ভাই তাকে আশ্বস্ত করে সমস্যা নেই। আমি তো আছি। তুই ঢাকা চলে আয় আমি সব কিছু ম্যানেজ করে দিব। তবে ঢাকায় এসে বলতে পারবি না, আমি ঢাকায় থাকব না! শহরের পরিবেশ আমার ভালো লাগে না, আমি চলে যাব। রাসেল তাকে শুধু এতটুকু বলে আশ্বস্ত করল—আমি আগে আসি তো। আপনি শুধু একটা ছোট-খাটো চাকুরি ব্যবস্থা করে দিবেন। রাসেলর জন্ম গ্রামে হলেও তার বেড়ে উঠা জেলা শহরে, লেখা-পড়া। মোটামুটি টিউশনি করে ভালোই উপার্জন করত। তারপরেও একটা স্থায়ী কাজ চাই। যথারীতি স্নাতক পরীক্ষার ভাইবা শেষ করে রাসেল ঢাকা চলে আসে এক বুকভরা আশা নিয়ে। পকেটে মাত্র কয়েকশ টাকা, ভাবে এবার হয়তবা কিছু হবে। বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছে ঢাকা শহরে ‘বিবিএ’ মূল্য অনেক বেশি কোম্পানিগুলোতে এর চাহিদা ব্যাপক। কিন্তু ঢাকায় পরিস্থিতি ভিন্ন। যেখানে চাকুরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে যায় সেখানে বলে অভিজ্ঞতা আছে? অভিজ্ঞতা পাবে কই! ছাত্রজীবনে টিউশনি করছে, কোচিং চালিয়েছে, ছাত্রজীবনে তো চাকুরি করার সুয়োগ নেই, তাতে যদি হয় হিসাববিজ্ঞানের স্টুডেন্ট, এর বেশি তো আর বেশি অভিজ্ঞতা হওয়ার কথা নয়। চাকুরি যেন সোনার হরিণ, ধরা দিয়েও দেয় না। অবশেষে শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা না করে রাসেল একটু বাচাঁর জন্য, একটা চাকুরির জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কোনো উপায় না দেখে রাসেল গার্মেন্টেসে একটা চাকুরি নেয়। গার্মেন্টেসে চাকুরি পাওয়া তো এভারেস্ট জয়ের মতো। অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকুরি। মজার বিষয় হলো গার্মেন্টেসে বেশি লেখা-পড়াজানাদের নিতে চায় না। রাসেলকে যখন জিজ্ঞাস করেছে, নিয়োগ দেওয়ার সময় তার লেখা পড়া সম্পর্কে, তখন তিনি বলেছেন ইন্টার পাস করছি শুধু। কথাটি বলার সময় রাসেলের কি যে কষ্ট হয়েছে! তা শুধু রাসেলই সে দিন বুঝতে পেরেছে। বলে হয়তবা বোঝানো যাবে না। তার পরেও একটা চাকুরি হয়ে গেল। গার্মেন্টেসের কোয়ালিটি সেকশনে। চাকুরির প্রথম দিন। নতুন পরিবেশ ৮টা ৫ টা ডিউটি। অনেক কিছুর মাঝে একখানি তৃপ্তির হাসি। গার্মেন্টসের ভেতরে গিয়ে রাসেল দেখল একটি ফ্লোরে এত মানুষ তাকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে। সে নাকি কোয়ালিটি কিন্তু কাজের তো কিছুই জানে না। কোয়ালিটি বসের সঙ্গে এবং সহকর্মীদের সঙ্গে পরিচিত হন। এবার সে তার লেখাপড়ার যোগ্যতার কথা বলে। সবাই কৌতূহল নিয়ে বলে, ভাই আপনার তো অনেক লেখাপড়া আপনি কেন এখানে কাজ করতে আসছেন? এখানে আপনি কাজ করতে পারবেন না। এখানে আপনার লেখাপড়ার মূল্য দেবে না। আবার অনেকে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল পোশাক দেখে বুঝিস না। আমাদের দেখতে আসছে? এ ছেলে কী কাজ করতে পারে? তখন নীরব দর্শকের মত সব কিছু দেখা ছাড়া কিছু বলার ছিল না। কারণ তার মনের দুঃখ সে ছাড়া অন্য কেউ তো বুঝবে না। প্রথম দিনটা শুধু পরিচিতি পর্ব ছিল। সারা দিন অফিস করে এবার বাসা ফেরার পালা।
নতুন চাকুরি, এখন তো আর অন্যর ঘাড়ের ওপর চেপে থাকা যায় না। নিজের একটা বাসার প্রয়োজন, থাকতে হবে, ঘুমাতে তো হবে। অফিসের কাছে একটা মেসে সন্ধান পেয়েছিল আর এটাতে উঠে পড়ার সিদ্ধান্ত নিল। ভাড়া মোটামুটি বেতনের ৪০ ভাগ দিতে হবে। এক রুমে চারজন থাকতে হবে। না হলে গায়ে ভাড়া একটু বেশি পড়ে যাবে। অগ্রিম একমাসের ভাড়া দিতে হবে। যদি মেস থেকে পালিয়ে যায়। আর একগাদা নিয়ম হাতে ধরে দিয়ে মেস ম্যানাজার বলে ভাই আপনি শিক্ষিত মানুষ আপনারে তো এত কিছু বলতে হবে না। আপনি তো সব কিছু বোঝেন। রাসেল বলল, ভাই অনেক হয়েছে এবার রুমটা একটু দেখিয়ে দেন। আচ্ছা আচ্ছা দিব ভাই, বোঝেন তো একটু ফরমেলেটি আছে? হুম। রুম খুলে দেওয়ার পর মনে হলো এটা তো রুম নয় যেন একটা …! এত ছোটো রুম তার ওপর চার জন থাকতে হবে! রুমের যে পরিবেশ রুমটা যেন কতদিন থেকে খোলাই হয়নি? বাস্তবে সেখানে আরও তিনজন লোক থাকছে, রাসেলসহ চার জনের কোটা পূর্ণ হলো, সারা দিনের ক্লান্তি ক্ষুদায় অস্থির, কিন্তু মেস ম্যানেজার বলল, ভাই, আজ রাতে আপনাকে বাইরে খেতে হবে, কারণ আপনার তো মিল চালু হবে আগামীকাল থেকে—এই বলে হাতে একটা চাবি ধরে দিয়ে চলে গেল। গোসল করে বাইরে রাতের খাবার খেয়ে রাসেল ঘুমিয়ে পড়ে। এত বেশি গরম আর ঘুমে মনে হল মশারির ভেতরে যেন কীভাবে মশা ঢুকে পড়েছে ! অতিষ্ঠ করে ফেলার মতো, কিন্তু কিছুতে ঘুম ভাঙছে না। সকাল ৮ টা থেকে অফিস কিন্তু ঘুম, ভাঙল সাতটায়। ঘুম থেকে উঠে নতুন এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হলো। টয়লেট ও গোসল খানায় লম্বা এক লাইন, মনে হয় সকাল দশটার আগে এ লাইন শেষ হবে না। মুখে একটু পানি দিয়ে খাবার খেতে বসে, এ তো খাবার না! বুয়া জিজ্ঞাস করে, মামা খাবার কেমন হয়েছে, ভদ্রতাবোধ থেকে রাসেল বলে খালা অতুলনীয় খাবার! ছাত্র জীবনে হোটেলে তো অনেক দিন ছিলাম কিন্তু এত সুন্দর খাবার ওখানে ও ছিল না। ৩৪ টাকা মিল চার্জ ছিল। মুখে একবার খাবার তুলে দেওয়ার পর দ্বিতীয়বার আর দিতে মন চাইল না। এভাবে সব রেখে প্রথম দিন অফিসে যায় রাসেল। যতই গার্মেন্টসের চাকুরি হোক না কেন। কিছু কিছু সময় মানুষকে এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় যেখানে সে তার স্ট্যাটাস, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতা ভুলে যেতে হয়! এমন কিছু মানুষকে বস্ বলতে হয় হয়তবা তার চেয়ে আপনার স্ট্যাটাস, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেক বেশি। এটা বাস্তব ও জাগতের নিয়ম। যাই হোক গার্মেন্টসের চাকুরি হলে কি হবে। এই চাকুরিটা নিতেও অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। যথা সময় অফিসে উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময়। কোয়ালিটি ম্যানেজার কন্ট্রোলারকে বলে দিল ছেলেটা অনেক শিক্ষিত এর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করে ভালোভাবে কাজ শিখিও (গার্মেন্টেসে আপনি ভালো ব্যবহার পাবেন, এটা আশা করা মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়),পরবর্তীতে তোমার অনেক কাজে লাগবে। কোয়ালিটি ম্যানেজারের সাথে ইতিমধ্যে অনেক ব্যাক্তিগত কথা হয়। ম্যানেজার কষ্ট করে বলে ভাই এটাই বাস্তব। আর বলে মনে রাখ গার্মেন্টস খুব একটা খারাপ জায়গা এখানে কেউ তোমাকে শিক্ষার মূল্য দিবে না। এখানে তোমার কাজের মূল্য। শুধু আবার কাজ করলে হবে না। উপস্থিত বুদ্ধি থাকতে হবে। দেখে শুনে কাজ করতে হবে। রাসেল বলল ঠিক আছে। এর পর কোয়ালিটি কন্ট্রোলারকে রাসেলকে ঘুরে ঘুরে সম্পূর্ণ ফ্লোর ঘুরে দেখায়। গার্মেন্টেসটা অনেক বড়ো ১১ তলা বিশিষ্ট প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক এখানে একসঙ্গে কাজ করে। এখানে প্রায় ৪ মাস কাজ করতে হয় রাসেলকে। এই চার মাসের অভিজ্ঞাতে সারা জীবন ভোলার মতো নয়। কোয়ালিটি হিসাবে জয়েন্ট করলেও শেষ পয়ন্ত কাটিং সেকশনের সেকশন ডিজিএম’র সহকারী হয়েছিল খুব অল্প দিনে। গার্মেন্টসে যদি আপনি কখন ও কাজ করতে চান, তাহলে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষগত যোগ্যতা যা-ই থাকুক না কেন, আপনার চাপার জোর থাকতে হবে। চাপার জোর না থাকলে আপনি কখনই কাজ করতে পারবেন না।
একেকজন গার্মেন্টেস কর্মীর জীবনে রয়েছে অনেক করুণ ইতিহাস। নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে তারা এখানে এসেছে। আপনি অবাক হয়ে যাবেন। যখন তাদের জীবনের করুণ ইতিহাসগুলো শুনবেন। মনের অজান্তে আপনার ভেতরের ভালো মানুষটা জেগে উঠবে। রাসেলের কাজ হচ্ছে সেই সব অপারেটরের ওপর চাপাবাজি করা। মাফ করবেন ভুলভাবে নিবেন না। ৪ মাসের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। এই চার মাসের গার্মেন্টেসের চাকুরির সময় যে ছেলেটা রাসেলকে সব দিক থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। ছেলেটার নাম আকরাম। তার কথা না বললে নয়। ছেলেটা অনেক ভদ্র। এ জন্যই সহজে সে রাসেলকে বুঝতে পারেছে। আকরামের বাড়ি পাবনা।
রাসেল যখন রাতে আবার ঘুমাতে যাবে তখন মশার কয়েল জ্বালায় কেননা গত রাতের ঘুমের মধ্যে সেই যন্ত্রণার কথা ভালোভাবে মনে আছে। গায়ে অনেক দাগ হয়ে গেছে। কয়েল জ্বালানোর পরেও মনে যেন হচ্ছে মশা যেন যাচ্ছে না। মশা নিধনে নামতে হবে। মশা তো দেখা যায় না, তাহলে কামড় দেয় কে? পিঁপড়া নয় তো? দেখার দরকার। বিছানা খোঁজার পালা এখন। বিছানা খুঁজতে বের হয়ে আসল আজব রঙের এক পিঁপড়া, গায়ের রং কালো হলেও দেখতে লাল দেখাচ্ছে। লাল দেখানের কারণ অনেক বেশি রক্ত খেয়েছে। রাসেল ভাবতে লাগল এরা আবার কোন পিঁপড়া আকারে অনেক বড়ো কিন্তু গা অনেক নরম একটু টিপ দিলেই মারা যায়, এরা রক্ত চোষা, মানুষের রক্ত খায়। পরে আবিষ্কার করল এরা আসলে পিঁপড়া নয় ছারপোকা। এরা রক্তচোষা, এদের কাজ নিরীহ মানুষের রক্ত খাওয়া, যারা সারা দিন হার ভাঙা পরিশ্রম করে তাদের রক্ত খাওয়াই এদের স্বাভাব। কিন্তু যারা পরিশ্রম ছাড়া অনেক টাকা রোজগার কারে তাদের ত্রি সীমানাতে কখনই যাবে না। দুর্বলের ওপর সবাই সবল। এটাই নিয়ম। সবাই শক্তের ভক্ত, নরমের যম । মেস জীবনে এরা আপনার চিরসঙ্গী।
দুপুরে একদিন খাবার সময়, নতুন এক অভিজ্ঞতা ভাতের হাড়িতে একটা দেয়াশলাই কাঠি। কোথা থেকে আাসল এই দেয়াশলাই কাঠি? বুয়াকে বলতে তিনি যেন তেলে-জ্বলে রেগে উঠল। মনে হয় তিনি কোনো অপরাধ করেননি। সব অপরাধ করছে মেসের ছেলেরা। ভুল তো হতে পারে। নিজের অজান্তে এমানটা তো হতেই পারে। বলার কিছু নেই। আপনি খেলেন কি খেলেন না। রান্নার স্বাদ হলো কি হলো না। আপনার রুমে বর্ষার পানি পড়ল কি পড়ল না, বাইরে থেকে দুর্গন্ধ আসল কি আসল না, এটা দেখা বা মাথা ঘামানোর কারো দরকার নেই। এখানে শেষ নয়। সকাল থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পয়ন্ত প্রতিটি মুহূর্ত আপনাকে প্রতিযোগিতা করতে হবে, একটু অবহেলা করলে তো সেদিনের সব কিছু এলোমেলো হয়ে যাবে।
ইদানীং কেন জানি সুমনাকে বেশি মনে পড়ে। মনে পড়লেও কিছু করার নেই। সুমনা যেন এক অপরিচিত নাম। কিন্তু আপনি যখন কাউকে মন থেকে ভালোবাসবেন তখন তাকে কখনই ভুলতে পারবেনা। এটাই বাস্তবতা। কোনো কিছুকে গভীর ভাবে আকড়ে ধরতে চাইলে তা আপনার কাছ থেকে অনেক দূরে লুকাবে। আপনার নাগালের বাইরে যাবে। অনেক বাইরে। হঠাৎ একদিন একটা অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। কে জানি বলল, কলটা ব্রেক করেন বলে ফোনটা রেখে দিল। রাসেল নিশ্চিত এটা তার পরিচিত কণ্ঠ। হাজার কণ্ঠের মাঝে সুমনার কণ্ঠটা খুঁজে নিতে একটুও কষ্ট হবে না কখনও তার, এখনও একই…
নাহিদ বাবু : তরুণ লেখক।

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

Previous Post

ঈদ উদ্‌যাপন যাতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির উপলক্ষ হয়ে না ওঠে—প্রধানমন্ত্রী

Next Post

করোনাকালে হোক ‌‘আগাপে প্রেম’—এডওয়ার্ড রিয়াজ মাহামুদ

Admin

Admin

Next Post
করোনাকালে হোক ‌‘আগাপে প্রেম’—এডওয়ার্ড রিয়াজ মাহামুদ

করোনাকালে হোক ‌‘আগাপে প্রেম’—এডওয়ার্ড রিয়াজ মাহামুদ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 4 0 0 8
Users Today : 7
Views Today : 9
Total views : 175513
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In