• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

শুভ বড়দিন নাহিদ বাবু

Admin by Admin
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭
in বিশেষ ফিচার
0 0
0
6
SHARES
303
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

শুভ বড়দিন
নাহিদ বাবু

যীশু খ্রীষ্টের জম্মদিনকে আমরা বড় দিন বলি। কেন এই দিনটিকে আমরা বড় দিন বলি তার একটু ব্যাখ্যা করছি, যীশুর জন্ম হয়েছিল গভীর রাতে। তাছাড়া এ মাসের দিনগুলো বছরের অন্য মাসের দিনগুলোর তুলনায় ছোট, তার পরেও এই দিনটিকে আমরা বড় দিন বলি।
মনে রেখো মনুষ্যপুত্র সেবা পেতে আসে নি, বরং সেবা করতে এসেছে এবং অনেক লোকের মুক্তির মূল্য হিসাবে, তাদের প্রাণের বিনিময়ে নিজের প্রাণ দিতে এসেছে। মার্ক ১০-৪৫
এখানে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হচ্ছে (মুক্তির মূল্য) কেন এই মুক্তির মূল্য কেন এবং কাকে এই মুক্তির মূল্য দিতে হয়? আমরা সব মানুষ শয়তানের পাপ জগতে বন্দি। আর এই পাপ জগত থেকে বাহির হতে মুক্তিপর্ণ একটি মাধ্যম বা উপায়। আর যিশু হচ্ছেন সব পাপীদের মুক্তিপর্ণ। আর একজন বন্দি বা কয়েদির সবচেয়ে আনন্দের দিন বা বড় দিন হয়, যে দিন সে মুক্তি পায়। আর জগতের সব পাপীরা মুক্তি পায় প্রভু যীশুর জম্মের মাধ্যমে বা তাঁর মধ্যে দিয়ে। তাই এই দিনে মানুষ অনেকবেশি আনন্দ করে আর বড়দিন বলে।
যে ভাবে দিনটির নামকরণ হলো

RelatedPosts

জানা-অজানা ● আরবের নিষিদ্ধ তিন প্রাণী

বিশেষ ফিচার ● মে দিবসের সূচনা ও ইতিহাস

সফলতার গল্প ● আদিবাসীদের অর্জন ও অবদান ► মিথুশিলাক মুরমু

যিনি এই বড়দিন নামটি দিয়েছেন তার নাম ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তিনি উনিশ শতকের একজন খ্যাতনামা বাঙালি কবি ছিলেন। তিনি যীশু খ্রীষ্টকে গ্রহণ করেনি। কিন্তু তিনি রবীন্দ্রনাথসহ বিভিন্ন লেখক, কবির মত যীশুর জীবনী বাইবেল পড়েছেন। অনেক শ্রদ্ধার ভাষায় তাঁর সম্পর্কে লিখেছেন। হৃদয়ে উপলব্ধি করেছেন। আর তাই তিনি এই ছোটদিনটিকে তিনি বড়দিন নাম দিয়েছেন। এই দিনটিকে তিনি তাৎপর্যে মর্যাদায় গুরুত্বে বড়দিন বলেছেন। কেননা তার আগে বাংলাভাষায় স্বীকৃত ক্রিসমাসের কোন নাম ছিল না। তাই তারা এইদিনের একটা সুন্দর নাম চেয়েছিল। আর সেই চাওয়ার বা আকাক্সক্ষা থেকে ভোলানাথ ভোর স্বামী একটি নাম দিয়েছিলেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের যেমন জন্মাষ্টমী তেমনি তিনি নাম দিয়েছিলেন খ্রীষ্টমী। কিন্তুু খ্রীষ্টান সমাজ সেটিকে গ্রহণ করে নি। আর যখন ঈশ্বরচন্দ্র এই দিনের ঘটনাগুলো দেখেছেন, তাৎপর্য হৃদয়ে ধারণ করেছেন আর নিজের উপলব্ধি থেকে এই নামটি দিয়েছেন। তখন খ্রীষ্টিয়ান সমাজ সাদরে নামটি গ্রহণ করে নিয়েছেন। আর পৃথিবীতে ক্রিসমাস সম্পর্কে বিভিন্ন ভাষায় যত সুন্দর সুন্দর নাম আছে তার মধ্যে বড়দিন অন্যতম।

দিনটি কবে থেকে পালিত হয়

রোমানদের মধ্যে জন্মদিন পালনের কোন রীতি-নীতি ছিল না। আর এই কারণে যিহুদিরা জন্মদিন পালনে বিশ্বাসী না। তারা শুধু রাজা যে দিন সিংহাসনে বসবে সে দিন পালন করত। আর এই বড় দিন [যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন] ১ম পালন করা হয় ৬ই জানুয়ারি আমীনিয়নে। তারা খুব গোরা খ্রীষ্টান ছিলেন। তারা যখন দেখলেন যে যীশুর কোন জন্মদিন নেই, আর তাই তারা তাদের রাজার জন্মদিনে যীশুর জন্মদিন হিসাবে পালন করেছিলেন।
২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন হিসাবে পালন করেছিলেন পারশিয়া ইরান ইরাকের খ্রীষ্টানেরা। রাজা কনস্টইন ৩৩৬খ্রী. যখন খ্রীষ্টকে গ্রহণ করলে তার পুরো জাতীকে নিয়ে [তখন একটা রীতি ছিল রাজা যে ধর্ম গ্রহণ করবে প্রজারাও সেই ধর্ম গ্রহণ করবে] গ্রহণ করলেন। তারপর থেকে ২৫শে ডিসেম্বর স্বীকৃত ভাবে যীশুর জন্মদিন হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।
দিনটি যে ভাবে পালিত হয়

২৫শে ডিসেম্বর যীশুর জন্মদিন হিসাবে বিরাট আকারে আনন্দের সহিত পালন করা হত চতুর্থ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত। যখন ক্যাথলিক ও প্রটেস্টেন মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংগঠিত হয়। যার ফলে হাজার হাজার প্রটেস্টইনকে জীবন দিতে হয়েছে। জীবনের ভয়ে বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ইউরোপ-অমেরিকাতে পালিয়ে যেতে হয়েছিল। তাই প্রটেস্টনেরা ঠিক করল তারা এই দিনকে এভাবে পালন করবে না, এত বেশি আনন্দ করবে না। কিন্তু মানুষ যাতে কিছু আনন্দ পায় তাই করবে। তাই তারা ৪টি বিষয়ে জোর দিয়েছিলÑ ১. অন্যকে উপহার দেওয়া, ২. ক্রিসমাস কার্ড বিতরণ, ৩.ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, ৪.আনন্দ উপভোগ করা। এগুলোর আছে কিছু কালজয়ী ইতিহাস। এইদিনটি পৃথিবীতে শুধু পালন করা হয় না বরং সবার প্রতি সহানুভূতি ও ভালোবাসা দেখানো হয়। এইদিনে কোম্পানিগুলো তাদের পণ্যর মূল্য একেবারে কমিয়ে দেয়। অমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রলিয়া ইত্যাদি মহাদেশের বিভিন্ন দেশে তা দেখতে পাবেন। তারা এজন্য এই কাজ করে যাতে মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য গ্রহণের মাধ্যমে এ আনন্দ উপভোগ করতে পারে।
এইদিনটির তাৎপর্য ও মহত্ব

বছরের ছোটদিন তারপরেও নাম দিলেন বড়দিন। যারা এই দিনের নাম দিয়েছেন বড়দিন তারা এর মধ্যে দিয়ে যীশুখ্রীষ্টের অন্তর্নিহীত গভীরত প্রকাশ করেছেন। তারা তাৎপর্য, মর্যাদায়, মহত্বে নামটি দিয়েছেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ভাষায়Ñ
‘‘বড়োদিন যাকে আমরা পরম মানব বলে স্বীকার করি তার জন্ম ঐতিহাসিক নয়, আধ্যাত্মিক। প্রভাতের আলো সদ্য-প্রভাতের নয়, সে চিরপ্রভাতের। আমরা যখনই তাকে দেখি তখনই সে নূতন, কিন্তু তবু সে চিরন্তন। নব নব জাগরণের মধ্যে দিয়ে সে প্রকাশ করে অনাদি আলোককে। জ্যোতির্বিদ জানেন নক্ষত্রের আলো সেদিন আমাদের চোখে এসে পৌঁছয় তার বহু যুগ পূর্বেই সে যাত্রা করেছে। তেমনি সত্যের দূতকে যেদিন আমরা দেখতে পাই সেইদিন থেকেই তার বয়সের আরম্ভ নয়Ñ সত্যের প্রেরণা রয়েছে মহাকালের অন্তরে। কোনো কালে অস্ত নেই তার আগমনের এই কথা যেন জানতে পারি।’’
আর্চ বিশপ তার একটি প্রবন্ধে, মানুষ চিরদিন ঈশ্বরকে খুঁজছে, কেউ খোঁজে প্রকৃতিতে, কেউ খোঁজে তাঁর দর্শনের
মাধ্যমে কিন্তু কেউ নিশ্চিত হতে পারে না, পেয়েছে কি নান। আর তখনে তিনি মানুষের কাছে ধরা দিলেন, তাই তিনি ইম্মানুয়েল নাম ধারণ করলেন।

ক্রিসমাস ট্রির ইতিহাস
বড়দিনে ক্রিসমাস ট্রি ছাড়া মনে হয় কিছু যেন অপূর্ণতা থেকে যায়, ডিসেম্বর মাস থেকে বাড়িতে, গীর্জায় রঙ্গিন বাতি দিয়ে তা সাজিয়ে রাখা হয়, এ সম্পর্কে বলার কিছু থাকে না যা আমরা সবাই জানি। জানা যাক এর ইতিহাস, কিভাবে এগুলো বড়দিনে সংযুক্ত হল বড়দিনের সাথে। বর্তমান তিন ধরনের ক্রিসমাস ট্রি দেখা যায়। এর এক একটির জীবন্ত ইতিহাস আছে। তা আজ আমরা জানব।
১/ পাইন গাছ /ক্রিসমাস ট্রি, ২/ফার্ন গাছ, ৩/ স্পিং গাছ।
পাইন গাছ
কোন একটি খ্রীষ্টান বাড়িতে ছোট একটি শিশু আশ্রয় চেয়েছিল। আশ্রয়ের সঙ্গে তাকে ভালো খাবার ও পোশাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই শিশু বিনিময়ে ছোট একটি গাছের চারা দিয়ে পাশের গীর্জায় লাগাতে বলে। বিশ্বাসে লাগায়, কিন্তু পরের বছর ক্রিসমাসে গাছটি বড় হয়ে সোনালি আপেল ধরে তাই এর নাম করণ করা হয় ক্রিসমাস ট্রি। কারণ গাছটি অপরিচিত ছিল ।
ফার্ণ গাছ
একদিন একটি গীর্জার মালিকে একজন ক্ষুধার্ত লোক কিছুর চারার বিনিময়ে কিছু পয়সা চায়। এবং চারাগুলো লাগাতে বলে, বিশ্বাসে সে লাগিয়ে ছিল। পরের বছর ক্রিসমাসে গাছগুলোতে উজ্বল তারা জ্বলজ্বল করতে দেখে সে বলে এটা ঈশ্বরের গৌরব। তাই তিনি এটার নাম দেন ক্রিসমাস ট্রি।
স্পিং গাছ
একজন পাদ্রি গীর্জার বাগান পরিষ্কার করার সময় একটি অপরিচিত গাছ দেখতে পেলেন, গাছটা অনেকটা ধর্মান্ধ মূর্তিপুজা করে তাদের মত। তাই তিনি অনেক রেগে সেটা কেটে ফেললেন। পরের বছর একই দিনে তিনি গাছটি আবার দেখতে পেলেন ,অনেক বেশি আশ্চর্য হয়ে তিনি এর নাম রাখলেন ক্রিসমাস। এই গাছ গুলো পশ্চিমাবিশ্বে দেখা যায় ।
এই হচ্ছে ক্রিসমাস ট্রির ইতিহাস, যার সঙ্গে অনেক আশ্চর্য ঘটনা জড়িত।
প্রভুযীশুর জীবনে কিছু অলৌকিক ঘটনা

*কুমারীর গর্ভে জন্মগ্রহণ বাইবেল অনুসারে। ভবিষ্যবাণী, মির্কাহ ৭;১৪ পৃর্ণতা লুক ১-৭
*স্বর্গদূত কর্তৃক ইম্মানুয়েল নাম প্রেরিত, যার মধ্যে দিয়ে ঈশ্বরত্ব প্রমাণ। ভবিষ্যবাণি ৭;১৪ পূর্ণতা মথি ১;২৩
* যীশুর ক্রুশীয় মৃত্যু হচ্ছে একটি সুপরিকল্পিত ঈশ্বরের ইচ্ছায় , যার মধ্যে দিয় পাপীরা নাজাত পায়। ভবিষ্যবাণী আদিপুস্তক ৩;১৫
পূর্ণতা রোমীয় ৬;২৬,* তাঁর মধ্যেদিয়ে স্বর্গের অধিকারি হওয়া যায়,আর তিনি সেটাই প্রস্তুত করতে আগে গিয়েছেন যোহন ১৪;৬
আমাদের প্রতি যীশুর আহ্বান
* আমরা যেন আমাদের পাপের জোহাল তাঁর কাছে রাখি [মথি ১১;২৮-৩০]
*তাঁর মধ্যেদিয়ে আমরা ঈশ্বরের সন্তান হবার অধিকারী হই [যোহন ১;১২]
*তিনি পথ সত্য ও জীবন, তাঁর মধ্যেদিয়ে ছাড়া স্বর্গে যাওয়া যায় না [যোহন ১৪;৬]
*একমাত্র শুধু তাঁর কাছে পরিএাণ আছে [যোহন ৪;১২]
[তথ্য সূত্র : ইন্টারনেট]

 

Previous Post

বড়দিনের বিশেষ লেখা কোরআন-হাদীস এবং ইনজীল-এর আলোকে ‘বড়দিন’ এবং প্রাসঙ্গিক কথা এইচ. পিটার

Next Post

বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ : বিদেশি সুহৃদেরা সোহরাব হাসান

Admin

Admin

Next Post

বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ : বিদেশি সুহৃদেরা সোহরাব হাসান

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 4 0 0 8
Users Today : 7
Views Today : 9
Total views : 175513
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In