• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
সোমবার, জুন ২২, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

শিশুদের মস্তিষ্ক গঠন ও বৃদ্ধিতে বিশেষ যত্ন

Admin by Admin
জুন ২৩, ২০১৯
in স্বাস্থ্য
0 0
0
শিশুদের মস্তিষ্ক গঠন ও বৃদ্ধিতে বিশেষ যত্ন
3
SHARES
47
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

পাঁচ বছরের মধ্যেই একজন মানুষের ৯০ ভাগ মস্তিষ্ক গঠন হয়ে যায়। তাই শিশু বয়স থেকেই মস্তিষ্ক গঠনে ও বৃদ্ধিতে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো শিশুর মস্তিষ্ক ভালোভাবে বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শিশুর মস্তিষ্ক ভালোভাবে বৃদ্ধির জন্য কিছু জরুরি উপায় –

RelatedPosts

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আবার শুরু হচ্ছে

হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৭ শিশুর প্রাণহানি

ভেষজ ● ধনেপাতার গুণাগুণ

গর্ভাবস্থায় ধূমপান করবেন না
শিশুর জীবন স্বাস্থ্যকর করতে হলে শুরু থেকে সচেতন হতে হবে। কারো ধূমপানের অভ্যাস থাকলে গর্ভাবস্থায় এই অভ্যাস একেবারেই বাদ দিতে হবে। কারণ, সিগারেটের মধ্যে থাকা ক্ষতিকর উপাদান গর্ভে থাকা শিশুর মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান
নবজাতকের জন্য বুকের দুধ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি এটি শিশুর মস্তিষ্ক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা যায়, যারা বুকের দুধ ভালোভাবে পান করে, তাদের বুদ্ধিমত্তা বেশি থাকে, যারা বুকের দুধ পান করে না তাদের তুলনায়।
সংগীতের সঙ্গে পরিচয়
শিশুকে একেবারে ছোটবেলা থেকেই সংগীতের সঙ্গে পরিচয় করান। সংগীত কগনেটিভ হেলথ বা জ্ঞানীয় স্বাস্থ্য উন্নতিতে সাহায্য করে। সবচেয়ে ভালো হয় শিশুকে সংগীত শেখাতে পারলে। ভালো সংগীত শুনলে মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন নামের রাসায়নিক বের হয়। এটি কোনো কিছু শেখার ক্ষেত্রে প্রেরণা জোগায়।

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ান
ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস শিশুর মধ্যে গড়ে তুলুন। শরীর ও মস্তিষ্কের গঠনের জন্য ভালো পুষ্টি খুব জরুরি। ফাস্টফুড এড়িয়ে আপেল, পালংশাক, ব্রকলি, ওটমিল, কালো চকলেট, তরমুজ, দুধ, বাদাম, বীজ জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
সৃজনশীল খেলনা
মস্তিষ্কের বৃদ্ধির জন্য শিশুকে এমন ধরনের খেলনা দিন, যেন এটি তার সৃজনশীলতাকে বাড়াতে সাহায্য করে।

ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন ফ্যাটি লিভার ডিজিজ

লিভারে চর্বি জমাকে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ বলে। সাম্প্রতিক সময়ে এটি বেশ প্রচলিত সমস্যা। ভুল খাদ্যাভ্যাস, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা এ রোগের অন্যতম কিছু কারণ। ফ্যাটি লিভার ডিজিজ কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায়-

লেবু
লেবু লিভারের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় দেখা যায়, লেবুর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ফ্যাটি লিভার ডিজিজ কমাতে উপকারী। আরেকটি গবেষণায় বলা হয়, লেবু লিভারের প্রদাহ কমাতে কার্যকর। একটি লেবুকে অর্ধেক করে কেটে নিন। এবার অর্ধেক লেবুর রস এক গ্লাস পানির মধ্যে মিশিয়ে পান করুন। টানা কয়েক সপ্তাহ দিনে দুই থেকে তিনবার এই পানি পান করুন।
গ্রিন টি
গ্রিন টি খুব প্রচলিত একটি পানীয়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ২০১৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব মলিকিউলার মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়, গ্রিন টি লিভারের কার্যক্রম বাড়ায় এবং চর্বি তৈরিতে বাধা দেয়। লিভার ভালো রাখতে তাই নিয়মিত গ্রিন টি পান করুন।
আমলকি
আমলকির মধ্যে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন সি ও আয়রন। এটি লিভারের কার্যক্রম ভালো রাখতে উপকারী। দিনে তিন থেকে চারটি আমলকি খান। এ ছাড়া এক চা চামচ আমলকির গুঁড়া এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই বার পান করতে পারেন।
খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন
ফ্যাটি লিভার ডিজিজ দূর করতে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করা খুব জরুরি। চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে খাদ্যতালিকায় রাখুন সবুজ শাক-সবজি, ফল, বাদাম ইত্যাদি। আর মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে সেটি পরিহার করুন।
ব্যায়াম
নিয়মিত ব্যায়াম ফ্যাটি লিভার ডিজিজ দূর করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়ায় এবং লিভারের কার্যক্রম ভালো রাখে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।

বর্ষায় স্বাস্থ্য সচেতনতা

বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় যা খুব সহজেই পানি দূষিত করে। সেই পানির সংস্পর্শে এলে হতে পারে বিভিন্ন রোগবালাই। ভেজা আবহাওয়ায় ঘর থাকে স্যাঁতসেঁতে। এমন পরিবেশ রোগ-জীবাণু সৃষ্টির জন্য অনুকূল। তাই বাদল দিনগুলো উপভোগের পাশাপাশি সচেতনও হতে হবে। বর্ষার পানিতে যে রোগগুলো বেশি হয় তার মধ্যে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, জন্ডিস উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া কৃমির সংক্রমণও প্রচুর ঘটে।
ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হল দূষিত পানি পান। বর্ষার পানির সঙ্গে মিশে জীবাণুগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়। কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়োদের তুলনায় কম। তাই ছোট-বড়ো সবারই পানি পানে সতর্ক হতে হবে।
কলেরা
কলেরা হয় রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে। কলেরায় আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে খুব তাড়াতাড়ি পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। দ্রুত চিকিৎসা করা না গেলে রোগী মারাও যেতে পারে।
টাইফয়েড
বর্ষাকালেই টাইফয়েড জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। সালমোনেলা টাইফি নামের জীবাণু দ্বারা পানি ও খাবার দূষিত হয় এ সময়। সেই পানি কিংবা খাবার খেলে মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে জীবাণু অন্যের দেহে ছড়িয়ে পড়ে।
হেপাটাইটিস
হেপাটাইটিস যকৃতের রোগ। হেপাটাইটিসের বেশ কিছু প্রকারভেদ আছে। তার মধ্যে হেপাটাইটিস-এ ও হেপাটাইটিস-ই বর্ষাকালে বেশি হয়। কারণ এ দুটি পানিবাহিত ভাইরাস। দূষিত পানির মাধ্যমে রোগটি মানুষের দেহে ছড়ায়।
কৃমি সংক্রমণ
বর্ষাকালে কৃমি সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বেশি হয়ে থাকে। বর্ষার পানি আর কাদামাটিতে মিশে থাকে এই জীবাণু।

প্রতিরোধে করণীয়
* খাওয়ার আগে সব সময় ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। শিশুদের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে এ সময়ে।
* গৃহস্থালি জিনিসপত্র ধোয়ার ক্ষেত্রেও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করুন।
* বাইরে বের হওয়ার সময় সঙ্গে করে বিশুদ্ধ পানি নিয়ে যাওয়া ভালো। একান্তই বাইরের পানি পান করতে হলে তা বিশুদ্ধ কিনা, ভালো করে জেনে নিন।
* বাড়িতে পানি ফুটিয়ে পান করার অভ্যাস করুন। একান্তই ফোটানো সম্ভব না হলে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট কিংবা ফিটকিরি ব্যবহার করুন।
* তাজা শাকসবজি খেতে হবে। রান্নার আগে শাকসবজি ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। পচা-বাসি খবার একদমই খাওয়া যাবে না।
সাধারণত এ নিয়মগুলো মেনে চললে বর্ষার রোগবালাই প্রতিরোধ সম্ভব। তারপরও যদি কেউ আক্রান্ত হয়ে থাকে, সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একটুখানি সচেতনতা আর চিকিৎসকের পরামর্শ পরিবারের প্রিয় মানুষটিকে শারীরিক অনেক বিড়ম্বনা থেকে বাঁচিয়ে দেবে।
হেলথ ডেস্ক

Previous Post

জাতীয় ফল :কাঁঠাল

Next Post

ইতিহাসের সেরা নারী দার্শনিক : শাফিনূর শাফিন

Admin

Admin

Next Post
ইতিহাসের সেরা নারী দার্শনিক : শাফিনূর শাফিন

ইতিহাসের সেরা নারী দার্শনিক : শাফিনূর শাফিন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 4 0 2 1 8
Users Today : 107
Views Today : 116
Total views : 182475
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In