• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

জাতীয় ফল :কাঁঠাল

Admin by Admin
জুন ২৩, ২০১৯
in ফিচার
0 0
0
জাতীয় ফল :কাঁঠাল
0
SHARES
35
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

ভূমিকম্প সম্পর্কে ১০টি বিস্ময়কর তথ্য

বিশেষ ফিচার ○ রজত জয়ন্তী ☼ সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস ● মিথুশিলাক মুরমু

খাদ্য ও পুষ্টি পরামর্শ ● খাদ্যমূল্য ও গুণাগুণ বজায় রেখে রান্না

কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus heterophyllus (ইংরেজি নাম: Jackfruit) মোরাসিয়া পরিবারের আর্টোকার্পাস গোত্রের ফল। এক প্রকারের সবুজ রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ পরিদৃষ্ট হয়। কাঁচা কাঁঠালকে বলা হয় এঁচোড়। কাঁঠাল গাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরির জন্য সমাদৃত। কাঁঠাল পাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাদ্য। তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহির্ভাগ পুরু এবং কণ্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি   কান্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। কাঁঠালের বৃহদাকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত।

উৎপত্তি স্থান
ভারতীয় উপমহাদেশ বিশেষত বাংলাদেশ ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহ কাঁঠালের উৎপত্তি স্থান। বাংলাদেশ, ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণ ভারত, বিহার; মায়ানমার, মালয়, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি এলাকা ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও এরূপ ব্যাপকসংখ্যায় কাঁঠালের চাষ করতে দেখা যায় না। তবে ব্রাজিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জামাইকা প্রভৃতি দেশে সীমিত আকারে কাঁঠাল জন্মায়। সাধারণত লালচে মাটি ও উঁচু এলাকায় এটি বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং পার্বত্য এলাকায় কাঁঠালের চাষ বেশি হয়।
জাত
কাঁঠালের বেশ কিছু জাত রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতে চাষকৃত জাতসমূহ মোটামুটি দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। গালা ও খাজা-এ দুটি জাত ছাড়াও কাঁঠালের আরো জাত আছে। গালা ও খাজা কাঁঠালের মাঝামাঝি বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হিসেবে রয়েছে ‘রসখাজা’। এছাড়া আছে রুদ্রাক্ষি, সিঙ্গাপুর, সিলোন, বারোমাসী, গোলাপগন্ধা, চম্পাগন্ধা, পদ্মরাজ, হাজারী প্রভৃতি।
গালা বা গলা
যখন কাঁঠাল ভালভাবে পাকে তখন এর অভ্যন্তরে রক্ষিত কোষ বা কোয়া অত্যন্ত কোমল, মিষ্টি ও রসালো প্রকৃতির হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো রসের স্বাদ টক-মিষ্টিও হয়ে থাকে। কোষ অপেক্ষাকৃত ছোট হয়। খোসার গায়ে কাঁটাগুলো খুব একটা চ্যাপ্টা হয় না। পাকার পর একটু লালচে-হলুদাভ হয়। কোষগুলোকে সহজেই আলাদা করা যায়।
খাজা
কোষ আকারে বড়ো হয়, পাকার পর কম রসালো ও অপেক্ষাকৃত শক্ত বা কচকচে হয়। কোষ চিপলেও সহজে রস বের হয় না। রং ফ্যাকাশে হলুদ ও স্বাদ মোটামুটি মিষ্টি হয়। সহজে হজম হয় না বলে অনেকেই এ জাতের কাঁঠাল পছন্দ করেন না। খোসার রঙ পাকার পরও সবুজাভ থাকে এবং গায়ের কাঁটাগুলো মোটামুটি চ্যাপ্টা, বড়ো ও মসৃণ প্রকৃতির হয়।

কাঁঠালের গুণাগুণ
কাঁঠাল একটি সুস্বাদু রসালো ফল। এর রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা। কাঁঠালে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, সি, বি-১, বি-২, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানা রকমের পুষ্টি ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। এই সকল উপাদান আমাদের শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি ভিটামিনের চাহিদাও পূরণ করে কাঁঠাল।
কাঁঠালে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে, দাঁত ও হাড় সুস্থ রাখে, ত্বক সুন্দর করতে সাহায্য করে। কাঁঠালে সামান্য পরিমাণ প্রোটিনও পাওয়া যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কাঁঠালে ১.৮ গ্রাম, কাঁচা কাঁঠালে ২০৬ গ্রাম ও কাঁঠালের বীজে ৬.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এই প্রোটিন দেহের গঠনে সাহায্য করে।
কাঁঠালে রয়েছে শ্বেতসার। পাকা কাঁঠালে ০.১ গ্রাম, কাঁচা কাঁঠালে ০.৩ ও কাঁঠালের বীজে ০.৪ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁঠালে ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়। ‘এ’ ভিটামিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কাঁঠালের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান চোখের রেটিনার ক্ষতি প্রতিরোধ করে। কাঁঠালে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ পাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালে ০.১১ মি.গ্রা, কাঁচা কাঁঠালে ০.৩ মি.গ্রা ও কাঁঠালের বীচিতে ১.২ মি.গ্রা বি-১ পাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালে ০.১৫ মি.গ্রা, কাঁচা কাঁঠালে ০.৯ মি.গ্রা এবং কাঁঠালের বীচিতে ০.১১ মি.গ্রা বি-২ পাওয়া যায়।
কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। পাকা কাঁঠালে ২১ মি.গ্রা, কাঁচা কাঁঠালে ১৪ মি.গ্রা এবং কাঁঠালের বীজে ১১ মি.গ্রা ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। ভিটামিন ‘সি’ শরীরকে নানা রকম ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া এই ভিটামিনটি সর্দি-কাশি ও জ্বর প্রতিরোধ করে। এটি ত্বক, দাঁত ও হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখে। এছাড়াও ভিটামিন ‘সি’ এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে নানা রকম ক্ষতি থেকে রক্ষা করে ।
কাঁঠালে কিছু পরিমাণ আয়রন পাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালে আয়রনের পরিমাণ ০.৫ মি.গ্রা, কাঁচা কাঁঠালে ১.৭ মি.গ্রা এবং বীজে ১.৫ মি.গ্রা। চাহিদা অনুযায়ী আয়রন গ্রহণ করে পেটের অসুখ, সংক্রামক রোগ, যেমনÑ ম্যালেরিয়া, কৃমি, আলসার, রক্ত আমাশয় ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। কাঁঠালে রয়েছে পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাছাড়া সঠিক পরিমাণে কাঁঠাল খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও অনেকটা কমে যায়।
কাঁঠাল কার্বোহাইড্রেটের একটি অন্যতম উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল থেকে ৪৮ কিলোক্যালরি, কাঁচা কাঁঠাল থেকে ৫৩ কিলোক্যালরি এবং কাঁঠালের বীজ থেকে ১৩০ কিলোক্যালরি পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়। তাই শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান কাঁঠাল থেকে পাওয়া সম্ভব। কাঁঠালের শর্করা, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ দ্রুত শক্তির যোগান দেয়। এতে কোলেস্টেরল জাতীয় উপাদান না থাকায় যেকোনো বয়সের মানুষই কাঁঠাল খেতে পারেন।
কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন পাওয়া যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালে ৪৫০ মাইক্রোগ্রাম এবং বীজে ১০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন পাওয়া যায়। এছাড়াও প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালে রয়েছে ০.৩ মি.গ্রা থায়ামিন, ০.১৩ মি.গ্রা রিবোফ্লাভিন। কাঁঠালের হলুদ ও রসালো অংশে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধোক উপাদান।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও একটি ভালো উৎস। কাঁঠাল হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিহত করে। কাঁঠাল ত্বকের বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমাতে সহায়তা করে। কাঁঠালের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বয়ঃবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ দেখা যায় না।
কাঁঠালের নানা রকম খনিজ উপাদান শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কাঁঠালের কপার নামক খনিজ উপাদান থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক হরমোন তৈরির ক্ষমতা বজায় রাখে। কপার মানুষ দুঃশ্চিন্তা ও অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।
কাঁঠালে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার। এটি মলাশয় থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করে। ফলে মলাশয়ের ওপর কোনো রকম বিষাক্ত উপাদানের ক্ষতিকর প্রভাব পরে না। এইভাবে কাঁঠাল মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়াও কাঁঠাল আলসার প্রতিরোধক।

ফিচার ডেস্ক

Previous Post

দুরু দুরু বক্ষৃ : মুহম্মদ জাফর ইকবাল

Next Post

শিশুদের মস্তিষ্ক গঠন ও বৃদ্ধিতে বিশেষ যত্ন

Admin

Admin

Next Post
শিশুদের মস্তিষ্ক গঠন ও বৃদ্ধিতে বিশেষ যত্ন

শিশুদের মস্তিষ্ক গঠন ও বৃদ্ধিতে বিশেষ যত্ন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 4 1 8 0 4
Users Today : 9
Views Today : 9
Total views : 184493
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In