• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

রাজশাহীর ৭০ ভাগ আম শেষ

রাজশাহীর ৭০ ভাগ আম শেষ

Admin by Admin
জুলাই ১, ২০২০
in প্রচ্ছদ, সারাদেশ
0 0
0
রাজশাহীর ৭০ ভাগ আম শেষ
0
SHARES
51
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মতামত ° আদিবাসী দিবস: বরেন্দ্রভূমির আদিবাসীদের চাপা কান্না > মিথুশিলাক মুরমু

মতামত ► বিশ্বকাপ ফুটবল ও বাংলাদেশ : বিনোদনের পরিবর্তে মৃত্যু কেন? ◄ মোজাহিদ হোসেন

চালের ভাণ্ডার নওগাঁয় কেজিতে ৯০ টাকা বেড়েছে সুগন্ধি আতপ চালের দাম

বিবর্তন ডেস্ক (বি. স.) ● রাজশাহী জেলায় মঙ্গলবার (৩০ জুন) পর্যন্ত ৭০ ভাগ আম গাছ থেকে নামিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে বাকি ৩০ ভাগ আমও গাছ থেকে নামানো হয়ে যাবে।
আম বিষয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক শামসুল হক জানান, ভালো জাতের আমের মধ্যে এখনও বাজারে রয়েছে ল্যাংড়া, আম্রপালি ও ফজলি। এবার জেলায় ৭০০ কোটি টাকার আম ব্যবসায়ের টার্গেট ধরা হয়েছে। করোনার মধ্যেও দাম ভালো থাকায় এ টার্গেট পূরণ অসম্ভব নয়। গত মৌসুমে ৪-৫ জন ব্যক্তি অনলাইনে আমের ব্যবসা করছিলেন। কিন্তু এবার ৩৫ থেকে ৪০ জন্য ব্যক্তি অনলাইনে আমের ব্যবসা করছেন।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী জেলায় আমবাগান রয়েছে ১৭ হাজার ৬৮৬ হেক্টর জমিতে। এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন। অপরিপক্ক আম নামানো ঠেকাতে গত চার বছরের মতো এবারও আম নামানোর সময় নির্ধারণ করে দেয় জেলা প্রশাসন। সে অনুযায়ী গত ১৫ মে থেকে গুটি আম, ২০ মে থেকে গোপালভোগ, ২৫ মে থেকে রানীপছন্দ ও লক্ষণভোগ বা লখনা এবং ২৮ মে থেকে হিমসাগর বা খিরসাপাত, ৬ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে আম্রপালি, ১৫ জুন থেকে ফজলি নামানোর সময় শুরু হয়েছে। সবার শেষে ১০ জুলাই থেকে নামবে আশ্বিনা এবং বারী আম-৪ জাতের আম।
এদিকে এক সপ্তাহ আগেই রাজশাহীর বাজারে নিঃশেষ হয়ে গেছে হিমসাগর ও গোপালভোগ আম। এই দুই জাতের আমের ওপরেই সাধারণ ক্রেতাদের চাহিদা বেশি থাকে। আর শেষের পথে ল্যাংড়া আম। তাই এই সুযোগে এখন রাজশাহীতে দিনে দিনে আমের দাম বেড়ে যাচ্ছে। শুধু লক্ষণভোগ বাদে বাকি সব জাতের আমের দাম বর্তমানে বেশি।
রাজশাহীর সবচেয়ে বড় আমের হাট বানেশ্বর হাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমের যে হাট ছিল কাচারি মাঠে সেই মাঠ এখন ফাঁকা! কারণ জানতে চাইলে ক্রেতারা জানান, এবার করোনার জন্য বণিক সমিতির সামনে আরও বড়ো মাঠে আমের গাড়ি রাখতে বলা হয়েছে। আর সকল মোকামে পুরোদমে চলছে আমের বেচাকেনা।
আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এখন হিমসাগর নেই! গোপালভোগ অনেকদিন আগেই ফুরিয়েছে। এখন হাটে মোট ৫ রকম আম পাওয়া যাচ্ছে, আমের রাজা ল্যাংড়া, লক্ষণভোগ, ফজলি ও আম্রপালি। তাই সকল আমের দাম বেড়েছে আগের চেয়ে অনেকগুণ বেশি। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন গোপালভোগ ও হিমসাগর সকলের প্রিয় আম। তা ফুরিয়েছে। এখন হাটে এই আমের জায়গায় ল্যাংড়া, আম্রপালি চাহিদা মিটাচ্ছে। তবে সব আমের দাম এখন বাড়তি। আর গাছেও তেমন আম নেই। আমের মৌসুম শেষ। গাছে আম পেকে যাচ্ছে। তাই কিছুদিন পরে প্রায় সকল আম শেষ হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় প্রতিদিন সরকারি হিসেবে ৪ কোটি টাকার আম বেচাকেনা হচ্ছে। তবে বেসরকারি হিসেব বলছে, এই কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। উপজেলায় আমকে ঘিরে চলছে ব্যস্ততা।
জানা যায়, বাঘা উপজেলায় দু’টি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নে ৩০ হাজার ৩৮৯টি কৃষি পরিবার রয়েছে। আম বাগান রয়েছে ৮ হাজার ৩৬৮ হেক্টর। উপজেলার সড়কপথ, পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনার পাশাপাশি বিঘার পর বিঘা জমিতে আমের গাছ রোপণ করা রয়েছে। বর্তমানে উপজেলায় ছোটো-বড়ো দুই হাজার ব্যবসায়ী রয়েছে। তারা সকাল থেকেই আম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তারা আমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ উপজেলা আম দেশের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছে। উপজেলায় প্রায় দুই শতাধিক আড়ত রয়েছে। কর্মচারী রয়েছে দুই হাজার। বাঘা উপজেলায় প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার মেট্রিক টন আম উপজেলার বাইরে চালান করা হয়।
বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, সরকারি হিসেবে চলতি মৌসুমে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার মেট্রিক টন আম উপজেলার বাইরে চালান করা হয়। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা।
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আম নামানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে সব সময় নজরদারি ও কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

Previous Post

পূর্ব রাজাবাজারের লকডাউন তুলে নেওয়া হলো

Next Post

দুই মাসে খাবার খরচ ২০ কোটি টাকা, এই খবর ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত—ঢামেক

Admin

Admin

Next Post
দুই মাসে খাবার খরচ ২০ কোটি টাকা, এই খবর ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত—ঢামেক

দুই মাসে খাবার খরচ ২০ কোটি টাকা, এই খবর ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত—ঢামেক

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 4 2 4 1 4
Users Today : 19
Views Today : 22
Total views : 185258
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In