• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

‌মতামত ● আদিবাসীদের প্রাণের কথাগুলো শোনার কি কেউ নেই! ○ মিথুশিলাক মুরমু

‌মতামত ● আদিবাসীদের প্রাণের কথাগুলো শোনার কি কেউ নেই! ○ মিথুশিলাক মুরমু

Admin by Admin
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
in প্রচ্ছদ, মতামত
0 0
0
‌মতামত ● আদিবাসীদের প্রাণের কথাগুলো শোনার কি কেউ নেই! ○ মিথুশিলাক মুরমু
0
SHARES
2
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মতামত ○ যুবসমাজের অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট―ধর্ম, মানবতা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ● জেমস আব্দুর রহিম রানা

মতামত ° আদিবাসী দিবস: বরেন্দ্রভূমির আদিবাসীদের চাপা কান্না > মিথুশিলাক মুরমু

মতামত ► বিশ্বকাপ ফুটবল ও বাংলাদেশ : বিনোদনের পরিবর্তে মৃত্যু কেন? ◄ মোজাহিদ হোসেন

আদিবাসীরা রাষ্ট্রীয়, সামাজিক কিংবা আন্তর্জাতিক দিবসগুলোতে আদিবাসীরা উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, দিবসকে স্বাগত জানানো হয় আপন সংস্কৃতিতে―অর্থাৎ বাদ্যবাদনার তালে তালে গানে, নাচে, আলোচনায় এবং কতকগুলো অব্যক্ত কথাগুলো উচ্চারণ করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষও বুক ভরা প্রত্যাশা আর নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার আকুতি নিয়ে রাজপথে নামে কিন্তু অত্যন্ত বেদনার বিষয় হলো―দিবসগুলোতে আমাদের সামনে একরাশ সাংস্কৃতিক রং ছড়ালেও, আদিবাসীদের মৌলিক অধিকারের প্রশ্নগুলো দীর্ঘ এবং রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে বারবার ফিরে আসে। প্রতিটি দিবস উদযাপনে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অবদানের কথা উচ্চারিত হয়। শুভেচ্ছা, প্রতিশ্রুতি ও সহমর্মিতার ভাষণও শোনা যায় কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়, বছরের পর বছর ধরে আদিবাসী জনগোষ্ঠী যে মৌলিক দাবিগুলো উত্থাপন করে আসছে, সেগুলো কী বাস্তবে নীতিনির্ধারণে যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে? বাংলাদেশে সরকারি হিসাব অনুযায়ী আদিবাসীর সংখ্যা ৫৪টির বেশি, যদিও বিভিন্ন গবেষক ও সংগঠনের মতে এ সংখ্যা আরও বেশি বলে অনুমিত হয়ে আসছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম, বৃহত্তর উত্তরবঙ্গ, মধুপুর, সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আদিবাসীদের বসবাস। প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর রয়েছে নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারা। আদিবাসী জনগণ প্রকৃতির রক্ষক এবং অমূল্য জ্ঞান ও ঐতিহ্যের ধারক। এই বৈচিত্র্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পদকে আরো সমৃদ্ধ করেছে কিন্তু উন্নয়নের মূলধারায় তাদের অংশগ্রহণ এখনও প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি।
আদিবাসী সংগঠনগুলোর দাবিগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, সেগুলোর বেশিরভাগই নতুন নয়। বহু বছর ধরে একই দাবির পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার কার্যকর বাস্তবায়ন, নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক স্বীকৃতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবায় সহজ প্রবেশাধিকার, উন্নয়ন প্রকল্পে যথাযথ অংশগ্রহণ এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া। দিবসগুলোতে এসব দাবিই নতুন করে সামনে আসে কিন্তু দিবস শেষ হলে আলোচনাও যেন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে যায়। বিশেষ করে ভূমির প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সমতল অঞ্চলের বহু আদিবাসী পরিবার বছরের পর বছর ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, দখল, উচ্ছেদ কিংবা দীর্ঘ আইনি জটিলতার মুখোমুখি হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও গবেষণায় উঠে আসছে। ভূমি শুধু অর্থনৈতিক সম্পদ নয়; এটি তাদের পরিচয়, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে ভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়নের কথাও অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
শিক্ষার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি যেমন হয়েছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। প্রাথমিক স্তরে কয়েকটি আদিবাসী ভাষায় পাঠ্যবই প্রণয়নের উদ্যোগ প্রশংসনীয় কিন্তু অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত শিক্ষক, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ এবং ধারাবাহিক শিক্ষানীতি না থাকায় কাঙ্খিত সুফল পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। ফলে অনেক শিশু মাতৃভাষা ও রাষ্ট্রভাষার মধ্যে সমন্বয় করতে গিয়ে পিছিয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। দুর্গম অঞ্চলের বহু মানুষ এখনও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। অনেক তরুণ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করলেও কর্মসংস্থানে বৈষম্যের অভিযোগ তোলেন। নারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঝুঁকির মুখোমুখি হোন। এসব সমস্যা সমাধানে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়, দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত উদ্যোগ প্রয়োজন। তবে শুধু সরকারের সমালোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। সরকার বিভিন্ন সময়ে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগও নিয়েছে। আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি, মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা চালুর উদ্যোগ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্প তার উদাহরণ। এসব উদ্যোগকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে হবে। উন্নয়নের পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করা জরুরি।
২০২৬ সালের জুলাই মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আদিবাসী প্রতিনিধিদের বৈঠকেও ভূমি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নে অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। এই ধরনের সংলাপ অবশ্যই ইতিবাচক কিন্তু সংলাপের প্রকৃত মূল্য তখনই সৃষ্টি হবে, যখন আলোচনার ফল বাস্তবায়নের রোডম্যাপে পরিণত হবে এবং তার অগ্রগতি জনগণের সামনে নিয়মিত তুলে ধরা হবে। আয়োজিত দিবসগুলো কেবল সাংস্কৃতিক উৎসবের দিন নয়; এটি আত্মসমালোচনারও দিন। রাষ্ট্রের জন্য এটি একটি সুযোগ―কতটা অগ্রগতি হয়েছে, কতটা বাকি আছে এবং কীভাবে বৈষম্য কমানো যায় তা মূল্যায়নের। একইভাবে আদিবাসী সংগঠনগুলোর জন্যও এটি গঠনমূলক সংলাপ ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাব উপস্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা, সমান অধিকার এবং আইনের সমান সুরক্ষার কথা বলে। এই সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন এমন নীতি, যেখানে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও সমানভাবে পৌঁছাবে। আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের অংশীদার না করে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন।
দিবসগুলোর মঞ্চে উচ্চারিত প্রতিশ্রুতি যদি বছরের বাকি সময়েও সমান গুরুত্ব পায়, তাহলে দিবসের তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। অন্যথায় বছরের পর বছর একই দাবি, একই আলোচনা এবং একই প্রত্যাশার পুনরাবৃত্তিই চলতে থাকবে। আদিবাসী জনগোষ্ঠী বিশেষ কোনো অনুগ্রহ চায় না; তারা চায় সংবিধানসম্মত অধিকার, মর্যাদা এবং উন্নয়নের সুযোগ। সময়ের দাবি হলো―আদিবাসী দিবসকে শুধু আনুষ্ঠানিক উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, এটিকে বাস্তব পরিবর্তনের সূচনাবিন্দু হিসেবে গ্রহণ করা। কারণ একটি রাষ্ট্র তখনই সত্যিকার অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়ে ওঠে, যখন তার সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বরও সমান গুরুত্ব পায়। ২০২৬ সালের এই সময়ে দাঁড়িয়ে, যখন পুরো দেশ এক নতুন, বৈষম্যহীন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখছে, তখন আদিবাসী সমাজের কণ্ঠস্বরকে এভাবে অবহেলা করা কেবল এক ঐতিহাসিক অন্যায়ই নয়, বরং একটি সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্নের পরিপন্থী। দিবসগুলোর প্রকৃত সার্থকতা সেখানেই।

Previous Post

মতামত ° আদিবাসী দিবস: বরেন্দ্রভূমির আদিবাসীদের চাপা কান্না > মিথুশিলাক মুরমু

Next Post

মতামত ○ যুবসমাজের অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট―ধর্ম, মানবতা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ● জেমস আব্দুর রহিম রানা

Admin

Admin

Next Post
মতামত ○ যুবসমাজের অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট―ধর্ম, মানবতা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ● জেমস আব্দুর রহিম রানা

মতামত ○ যুবসমাজের অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট―ধর্ম, মানবতা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ● জেমস আব্দুর রহিম রানা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 4 3 0 9 0
Users Today : 16
Views Today : 20
Total views : 186017
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In