`গণহারে’ মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে বিএনপির ভেতরে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। সাবেক সংসদ সদস্যদের মধ্যে যারা প্রবীণ, তাদের বিকল্প হিসেবে এমন প্রার্থীকে রাখা হয়েছে, যার নির্বাচনী এলাকায় কোনো অবস্থান নেই। এ নিয়ে জ্যেষ্ঠ নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কোথাও কোথাও তিনজন বিকল্প প্রার্থীও রয়েছেন। নতুন মুখ থাকলেও তাদের অধিকাংশই বিকল্প প্রার্থী। সাবেক ছাত্রনেতাদের অনেকেই মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন। দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচিত নেতাদেরও কেউ বাদ পড়েননি।
গত দুদিনে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে প্রায় ২৮০ আসনে মনোনীতদের চিঠি দেওয়া হয়। চিঠি হাতে পেয়েই প্রার্থীরা সমর্থকদের নিয়ে মাঠে নেমেছেন। অনেকে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, ২৮০ আসনে মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা ৮০০ জনের মতো।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্র জানিয়েছে, মাঠ দখলে রাখতে প্রতি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে এলাকায় যে শোডাউন করবেন, তাতে মাঠ তাদের দখলে আসবে বলে মনে করছে দল। এ ছাড়া কোথাও নেতাদের খুশি রাখার কৌশলও নেওয়া হয়েছে। আবার ক্ষমতাসীনরা যাতে দল ভাঙতে না পারে, সে জন্য মনোনয়ন দিয়ে প্রার্থীদের ‘আটকে’ দেওয়া হয়েছে। ঋণ ও বিল খেলাপিসহ বিভিন্ন কারণে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের অর্ধশত নেতার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করছে দলটির হাইকমান্ড। সে জন্যই বিকল্প প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।





Users Today : 109
Views Today : 115
Total views : 182666
