বিবর্তন ডেস্ক (বি. স.) ● জয়পুরহাটে ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৪০ গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হওয়া এই ঘূর্ণিঝড়ে দেয়াল চাপা পড়ে একই পরিবারের তিন জনসহ চারজন মারা গেছেন। মুরগির সেড ভেঙে প্রায় ৪০ হাজার মুরগি মারা গেছে। প্রায় দুই হাজার বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের টিনের চালা উড়ে গেছে। শত শত গাছ ও বিদ্যুতের শতাধিক খুঁটি ওপড়ে গেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
নিহতরা হলো, ক্ষেতলাল উপজেলার খলিশাগাড়ি গ্রামের দিনমজুর জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী শিল্পী বেগম (২৮) তার দুই সন্তান নেওয়াজ (৮) ও নিয়ামুল (৩) এবং কালাই উপজেলার হারুঞ্জা আকন্দপাড়া গ্রামের মরিয়ম বেগম (৭০)। মঙ্গলবার রাতে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল বেগের ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়লে দেয়াল চাপায় মা ও দুই সন্তান এবং ঘর ভেঙে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন।
জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার পর জেলায় প্রবল বেগে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ে ক্ষেতলাল উপজেলার খলিশাগাড়ি গ্রামের তিন জন এবং কালাই উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামের এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। এছাড়া সদরসহ কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলার অন্তত ৪০টি গ্রামের দুই হাজার ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা এবং বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। ক্ষেতলালের তিলাবদুল এলাকায় মুরগির খামারের সেড ভেঙে ৪০ হাজার মুরগি মারা গেছে।





Users Today : 8
Views Today : 10
Total views : 185246
