• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ

Admin by Admin
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০
in খবর
0 0
0
প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
0
SHARES
88
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

এক বছরে রপ্তানি আয় কমলো ৭ বিলিয়ন ডলার

আজ নতুন সরকারের শপথ

বাংলাদেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকভাবে প্লাস্টিক ব্যবহার হচ্ছে। দামে সস্তা ও টেকসই বলে প্লাস্টিকের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। প্লাস্টিকের বোতল, কৌটা, হাঁড়িপাতিল, থালা বাসন, চেয়ার টেবিল শিশুদের খেলনা ইত্যাদি প্লাস্টিকের পণ্যে বাজার ছেয়ে গেছে। গ্রামের মানুষ ভাঙাচোরা বা ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিকের দ্রব্যাদি আশ পাশের জমিতে ফেলে দেয়। মাটির জন্য প্লাস্টিক ক্ষতিকর। প্লাস্টিক উপকারি ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে এবং মাটির ভিতর সূর্যালোক পৌঁছাতে বাধা দেয়। মাটির সংস্পর্শে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া জন্ম দেয় যা ধান, আলু, গম ও সরিষা চাষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। শিশুদেরকে প্লাস্টিকের তৈরি নানাবিধ রঙিন খেলনা কিনে দেয়া হয় খেলার জন্য। খেলনার রংগুলো নানাভাবে শিশুর হাতে এবং মুখে লেগে যায়। ওই রং কোনো না কোনোভাবে শিশুর পেটের মধ্যে যায়। যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। প্লাস্টিকের জন্য পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। শস্যের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। শিশুসহ সব বয়সের মানুষের মধ্যে নানাবিধ রোগ বালাই দেখা দিচ্ছে। আজকাল গ্রামেও অনেক সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথিদেরকে খাবারের সময় ওয়ানটাইম গ্যাস, প্লেট ও বোতলজাত পানি দেওয়া হয়। খাবার শেষে এগুলো আশেপাশের জমিতে ফেলে দেওয়া হয়। শহরেও এমন অবস্থান দেখা যায়। কিন্তু শহরে পৌর সভার পরিচ্ছন্নকর্মিরা তা অপসারণ করে দূরে কোথাও স্ত‚পাকৃত করে রাখে। কিন্তু গ্রামে তো এমন কোন ব্যবস্থা নেই। তাই ওই জমিতেই প্লাস্টিক পণ্যগুলো পড়ে থাকে দিনের পর দিন। এর ফলে ওই জমির উর্বরা শক্তি কমে যায়। সেখানে কোন ফসল উৎপাদন হয় না।
পরিবেশ, কৃষি, কৃষকের খাদ্য-গ্রামেরই হোক বা শহরের মানুষ হোক এদের জীবনকে প্লাস্টিকের দূষণ থেকে বিপদমুক্ত ও নিরাপদ করতে হলে প্লাস্টিকের যথেচ্ছার বা অবাধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এটা প্রয়োজন আর সময়ের দাবি। প্লাস্টিকজাত পণ্যাদি আমদানি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বন্ধ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে প্লাস্টিক দ্রব্যাদি তৈরির সকল প্রকার কাঁচামাল ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানি। প্রতিবেশী দেশ ভারত শহর ও গ্রামগুলো থেকে ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্য তুলে নিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। নিষিদ্ধ পণ্যগুলোর তালিকায় থাকা পণ্যগুলো হচ্ছে প্লাস্টিকের ব্যাগ, স্ট্র, প্লেট, ছোটো বোতল, কাপ ও শ্যাম্পুর মতো পণ্যের ছোটো প্যাকেট। এ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২১ সালের মধ্যে প্লাস্টিক জাত স্ট্র কর্ক, ছবি ও কটনবার্ডের মত পণ্য নিষিদ্ধের পরিকল্পনা করছে। চীনে বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাই- এ ধারাবাহিকভাবে ব্যাটারি শিল্পে ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্যের পরিমাণ কমিয়ে আনছে।
আমাদের দেশেও প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। এ ছাড়া এর কুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে হবে। পত্র-পত্রিকায় ও সব টিভি চ্যানেলগুলোতে প্লাস্টিকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করতে হবে। গ্রামের হাট বাজার ও নিত্য জনসমাবেশ হয় এমন স্থলে প্লাস্টিকের কুফল সম্পর্কে ও সচেতনতামূলক বক্তব্য সম্বলিত সাইনবোর্ড, পোস্টার ইত্যাদি টাঙ্গাতে হবে। প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী ও ব্যবহারকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এমন নিয়ম প্রবর্তনের দিন থেকে মানুষের অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য বা বিকল্প ব্যবস্থা মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিতে প্রাথমিকভাবে ছয়মাস নিষেধাজ্ঞা বা লঙ্ঘনে কোন রকম শাস্তি বা জরিমানা বিধান থাকবে না। ছয় মাসের পর থেকে কড়াকড়িভাবে তা মেনে চলার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য বসবাসের উপযোগী পৃথিবী রেখে যেতে এখন থেকেই যদি আমরা প্লাস্টিকের ব্যবহারের বিরুদ্ধে জোরদার ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রহণ করতে হবে কঠোর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ।
মো. মুরশীদ আলম : উন্নয়নকর্মি।

Previous Post

শিশুদের জন্য উৎসব

Next Post

সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা ও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা

Admin

Admin

Next Post
সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা ও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা

সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা ও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 6 4 7
Users Today : 78
Views Today : 83
Total views : 177334
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In