• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

শিশুদের জন্য উৎসব

Admin by Admin
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০
in Uncategorized, মতামত
0 0
0
শিশুদের জন্য উৎসব
0
SHARES
20
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মতামত ● গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য বদলাবে কবে? ▌ মোজাহিদ হোসেন

মুক্তকথা ● বিবেকের বিশ্লেষণ ■ ডা. অলোক মজুমদার

মতামত ● গণভোট: হ্যাঁ নাকি না? ○ মোজাহিদ হোসেন

কয়দিন আগে আমি শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে গিয়েছিলাম। এর আয়োজক ‘চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ’ এবং আমি এই সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট। কাজেই আমাকে যেতেই হবে! ঢাকা শহরের ভেতরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়াটি এক সময় কঠিন ছিল, এখন সেটা ‘কঠিন’ স্তর পার হয়ে ‘কপাল’ স্তরে পৌঁছে গেছে। অর্থাৎ যত প্রস্তুতি নিয়েই রওনা দেওয়া হোক না কেন, শুধু কপালে থাকলে ঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে। এই দিনটিতে আমার কপাল ভালো ছিল এবং আমি ঠিক সময়ে পৌঁছাতে পেরেছি।
সংবাদ সম্মেলনের মঞ্চে গিয়ে আমি পিছনে আমাদের ব্যানারটির দিকে তাকিয়ে একটু চমকে উঠলাম। আমি জানি বেশ অনেকদিন থেকে এই চলচ্চিত্র উৎসবটির আয়োজন করা হচ্ছে, কিন্তু আমি হঠাৎ নতুন করে অনুভব করলাম যে এটি তেরতম শিশু চলচ্চিত্র উৎসব! অর্থাৎ এর আগে একবার নয়, দুইবার নয় এক ডজনবার এই উৎসবটির আযোজন করা হয়েছে। আমি জানি আমার অহংকার করার কিছুই নেই, কারণ আক্ষরিক অর্থেই আমাকে কিছুই করতে হয় না, সবকিছু অন্যেরা করে তারপরও এক ধরনের ছেলেমানুষী গর্বে আমার বুকটা ফুলে উঠল। একটা কিছু হয়ত শুরু করা যায় কিন্তু সেটাকে চালিয়ে নেওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। আমাদের বিশ্বাস না করে উপায় নেই যে এটিকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে তের বছর থেকে চালিয়ে নেয়া হয়েছে। কী অসাধারণ একটি ব্যাপার।
এই চলচ্চিত্র উৎসবটি যে আসলেই অসাধারণ ব্যাপার তার অনেকগুলো কারণ আছে। প্রথম কারণ এটি শিশুদের জন্য। আমাদের দেশে, শিশুদের জন্য কোচিং সেন্টার ছাড়া আর কি আছে? একজন শিশু স্কুলে গিয়ে পুরোপুরি নিরানন্দ পরিবেশে দিন কাটায়, লেখাপড়া মানে এখন পরীক্ষা ছাড়া আর কিছু নয়। তাই কেউ কিছু শিখতে চায় না। কেমন করে পরীক্ষায় কিছু বেশি নম্বর পেতে পারে, শুধু তার কায়দা কানুন শিখে। স্কুল শেষ করার পর ছেলেমেয়েদের দিন শেষ হয় না, তারা একটার পর একটা কোচিং সেন্টারে যেতে থাকে! সেই শিশুদের কথা স্মরণে রেখে শুধু শিশুদের জন্য যদি চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয় তাকে অসাধারণ তো বলতেই পারি!
দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, এটি একটি আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। জোড়াতালি দেওয়া আন্তর্জাতিক উৎসব নয়, সত্যিকারের আন্তর্জাতিক উৎসব। এইবার দুতিনটি নয়, ৩৯টি দেশের ১৭৯টি চলচ্চিত্র এই উৎসবে দেখানো হবে। ছোটো একটা ঘরে অল্প কয়জন বসে ছবি দেখবে না, পাঁচটি ভেন্যুতে একই সাথে সেই সকাল এগারোটায় শুরু করে একবারে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটার পর একটা ছবি দেখানো হবে। অভিভাবকসহ শিশু-কিশোর সবার জন্য উন্মুক্ত। বড়ো বড়ো দোতলা বাসে করে স্কুল থেকে ছেলেমেয়েদের আনা নেয়া করা হবে, বাবামায়েরা তাদের শিশু সন্তানের হাত ধরে ছবি দেখতে আসবেন।
আমার খুব সৌভাগ্য আমি এই দেশের শিশু-কিশোরদের অনেক আয়োজনে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। গণিত অলিম্পিয়াড, পদার্থ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড-এগুলোর সাথে আমি একেবারে প্রথম থেকে জড়িত ছিলাম। এই ধরনের সবকয়টি আয়োজনে আমি সব সময়ে লক্ষ করেছি একটি নির্দিষ্ট বিষয় মাথায় নিয়ে আমরা কিছু একটা আয়োজন করি কিন্তু দেখতে দেখতে দেখতে বিষয়টির ডালপালা গজাতে থাকে এবং আমরা যেটা করতে শুরু করেছি তার বাইরেও অনেক কিছু করার সুযোগ পেতে থাকি। শিশু চলচ্চিত্র উৎসবেও ঠিক সেই ব্যাপারটি ঘঠেছে। শুরুতে ছেলেমেয়েদের সারা পৃথিবীর সর্বশেষ এবং অসাধারণ চলচ্চিত্র দেখানো শুরু হয়েছিল। কিন্তু এখন শুধু সেই বিনোদনের মাঝে এটা আটকে নেই। এই চলচ্চিত্র উৎসবকে ঘিরে ছেলেমেয়েরা নিজেরাই চলচ্চিত্র তৈরি করতে শুরু করেছে। সেই চলচ্চিত্র স্ক্রিনিং হচ্ছে এবং ভালো নির্মাতাকে শুধু পুরস্কার নয় নতুন চলচ্চিত্র তৈরি করার জন্য টাকাপয়সা দিয়ে সাহায্যও করা হচ্ছে। শুরুর দিকে আমরা তাদের তৈরি ছেলেমানুষি ছবি দেখে সন্তুষ্ট হয়েছি, এখন তাদের কাজ দেখে আমরা নিজেরাও চমকে উঠি। এই শিশু চলচ্চিত্র উৎসবটিকে একটি অসাধারণ উৎসব বলার এটি আরেকটি কারণ।
তবে এই চলচ্চিত্র উৎসবটি থেকে আমার সবচেয়ে বড়ো পাওয়া অন্য জায়গায়। আমি সারাজীবন যেটি বিশ্বাস করে এসেছি এখানে ঠিক সেটি ঘটতে দেখছি। আমি আমার জীবনে সবসময়ে দেখে এসেছি যে যদি খুব বড়ো একটা কাজ করতে হয় তাহলে সেটি করতে হয় ভলান্টিয়ারদের দিয়ে। টাকা খরচ করে অনেক কিছু করা যায়, কিন্তু সেই কাজে হৃদয়ের স্পর্শ থাকে না বলে এক জায়গায় এসে থেমে যায়। ভলান্টিয়ারদের কাজ কোথাও থেমে যায় না। সেটা এগুতেই থাকে, এগুতেই থাকে। এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবটি গত কযেক বছর থেকে একেবারেই কমবয়সী তরুণ এবং শিশু-কিশোরেরা মিলে আয়োজন করছে। চলচ্চিত্র বেছে নেওয়া থেকে শুরু করে, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে সেগুলো সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে, উৎসবের আয়োজন এবং স্ক্রিনিং সবকিছু করে শিশু কিশোররা। আমাদের মতো বড়ো মানুষদের বসে চা খাওয়া কিংবা ছবি দেখা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। দায়িত্ব দেওয়া হলে শিশু-কিশোরেরা কত বড়ো কাজ করতে পারে সেটি নিজের চোখে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না! এই শিশু চলচ্চিত্র উৎসবটিকে অসাধারণ একটি উৎসব বলার এটি হচ্ছে অন্যতম একটি কারণ!

২
এতক্ষণ শিশু চলচ্চিত্র উৎসব নিয়ে কিছু আনন্দের কথা বলেছি। এখন ছোটোখাটো কয়েকটা দুঃখের কথা বলি! সংবাদ সম্মেলনে আমরা ঘোষণা করে বলেছি যে আয়োজনের ব্যাপকতার দিক দিয়ে আমাদের এই শিশু চলচ্চিত্রউৎসবটি সারা পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে বড়ো একটি শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। যারা অবিশ্বাসের সাথে ভুরু কুঁচকে ফেলেছেন তাদেরকে আমি খোঁজ খবর নিতে বলব। যে সংখ্যক শিশু-কিশোর এই উৎসবে যোগ দেয় এবং এই উৎসবে তারা যে ধরনের সৃজনশীল কাজকর্মে যুক্ত থাকে সারা পৃথিবীতে তার কাছাকাছি উৎসব বলতে গেলে নেই।
এই দেশে টানা তের বছর থেকে এই অসাধারণ একটি উৎসবের আয়োজন করে আসার পরও প্রতি বছর আমাদের মাথা চুলকাতে হয়, দুশ্চিন্তা করতে হয়, লজ্জার মাথা খেয়ে নানা প্রতিষ্ঠানের সামনে কাচুমাচু করে যেতে হয়, এই উদ্যোগটির জন্য প্রয়োজনীয় খরচের টাকা তোলার জন্য! আমাদের চোখের সামনে আমরা যতগুলো শিল্পমাধ্যম দেখি তার মাঝে চলচ্চিত্র নিঃসন্দেহে সবচেয়ে চমকপ্রদ। তার কারণ ভালো একটা চলচ্চিত্র তৈরি করেতে হলে তার জন্য প্রথমেই দরকার একটি অসাধারণ গল্প বা কাহিনী, ভালো অভিনেতা-অভিনেত্রী, ক্যামেরাম্যান, চমৎকার একজন ডিরেক্টর, আবহসংগীত এবং সবশেষে প্রযুক্তিগত কাজ। এত কিছু মিলিয়ে যখন এই শিল্পমাধ্যমটি তৈরি হয় তখন নিঃসন্দেহে সেটি হয় বিনোদন বা মানসিক বিকাশের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ। শিশু-কিশোরদের মাথায় রেখে আলাদাভাবে সেই বিনোদনটির জন্য আমরা যখন উৎসবের আয়োজন করি তখন আমাদের সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে আসে না সেই দুঃখটি আমি মেনে নিতে পারি না।
ভাগ্যিস আমাদের দেশের অর্থ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের এবং মন্ত্রী মহোদয়দের এই দেশের শিশুদের জন্য মায়া আছে। তারা সাহায্য না করলে আমরা কীভাবে এই উৎসবের আয়োজন করতাম, আমরা নিজেরা ভেবে পাই না। দুটি মন্ত্রণালয় ছাড়া এই দেশের শিশুদের জন্য এখনো যাদের মায়া আছে তাদের মাঝে রয়েছে শিল্পকলা একাডেমি, এশিয়াটিক এক্সপো এবং দীপ্ত টিভি। এই দেশের শিশু কিশোরদের পক্ষ থেকে তাদের জন্য কৃতজ্ঞতা। তবে কৃতজ্ঞতা যদি জানাতেই হয় সবার আগে কৃতজ্ঞতা জানানো দরকার চলচ্চিত্র পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম এবং আলোকচিত্র শিল্পী মুন্নী মোরশেদ। ছোটো শিশুদের সংগঠিত করে কীভাবে তাদের দিয়ে অনেক বড়ো কাজ করে ফেলা যায় সেটি তাদের মতো করে কেউ জানে না!
আমি যে পত্রপত্রিকা এবং পোর্টালগুলোতে আমাদের নিজেদের কাজকর্মের কথাই একটু বড়ো গলায় বলার চেষ্টা করছি তার পেছনেও একটা দুঃখের কাহিনী আছে। এত যতœ করে সংবাদ সম্মেলন করে পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো একটি শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজনটির কথা সবাইকে জানানোর পরও আমরা অবাক হযে দেখি পত্র-পত্রিকায় তার কোনো উল্লেখ নেই! আজকাল সংবাদপত্রগুলোও মনে হয় খানিকটা স্বার্থপরের মতো। তারা যেখানে নিজেরা যুক্ত থাকে তার বাইরের খবরগুলো ছাপাতে আগ্রহী হয় না! সংবাদপত্রগুলো যদি শুধু নিজেদের খবরই ছাপাবে তাহলে আমরা তাদেরকে জাতীয় সংবাদপত্র কেন বলি?

৩
এবারে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা প্রসঙ্গে দিয়ে শেষ করি। আমি খুব জোর গলায় বলেছি খুব বড়ো কাজ করতে হলে সেগুলো করাতে হয় ভলান্টিয়ারদের দিয়ে। তারাই একেবারে নিঃস্বার্থভাবে এর জন্য কাজ করতে পারে।
আমি কিছুদিন হলো একটুখানি দুশ্চিন্তা নিয়ে লক্ষ করছি নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর এই কাজগুলোতে মেয়েরা নিজেদের থেকে এগিয়ে আসছে। ছেলেদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
দেশের বড়ো বড়ো কাজে ছেলেরা নেই কেন? তারা কোথায়? তারা কী করে? কেমন করে সময় কাটায়? তাদের নিয়ে কী দুশ্চিন্তা করব?
মুহম্মদ জাফর ইকবাল : লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

Previous Post

আকবরের হাসির আড়ালে যন্ত্রণা!

Next Post

প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ

Admin

Admin

Next Post
প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ

প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 6 4 7
Users Today : 78
Views Today : 83
Total views : 177334
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In