• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

বিশেষ নিবন্ধ ▌ ক্রুশ থেকে শূন্য সমাধি: আমাদের জীবন্ত আশা ▄ জন দাস

বিশেষ নিবন্ধ ▌ ক্রুশ থেকে শূন্য সমাধি: আমাদের জীবন্ত আশা ▄ জন দাস

Admin by Admin
এপ্রিল ২, ২০২৬
in ধর্ম-দর্শন, প্রচ্ছদ
0 0
0
বিশেষ নিবন্ধ ▌ ক্রুশ থেকে শূন্য সমাধি: আমাদের জীবন্ত আশা ▄ জন দাস

Hi res, photorealistic render of Jesus' cross on cavalry hill after the crucifixion. Three birds fly in the background

0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

বিশেষ নিবন্ধ ▄ পরিত্রাণের আশা ও নতুন জীবনের নিশ্চয়তা ● পাস্টর কিশোর তালুকদার

বিশেষ নিবন্ধ ● মৃত্যুজয়ী যীশু ▄ নাহিদ বাবু

মতামত ● গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য বদলাবে কবে? ▌ মোজাহিদ হোসেন

মানব সভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসে অসংখ্য দার্শনিক, নবী, সংস্কারক ও বীরপুরুষ এসেছেন। কেউ সমাজ বদলেছেন, কেউ চিন্তাধারা বদলেছেন, কেউ সাম্রাজ্য গড়েছেন। কিন্তু একজন আছেন, যিনি কেবল ইতিহাসের গতিপথই বদলাননি মানব হৃদয়ের অন্তঃস্থলও পরিবর্তন করেছেন, মানুষের পরিত্রানের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। তিনি হলেন যীশু খ্রীস্ট।
তাঁর জীবন ছিল প্রেমের ঘোষণা, তাঁর মৃত্যু ছিল ত্যাগের চূড়ান্ত প্রমাণ, আর তাঁর পুনরুত্থান ছিল বিজয়ের অমোঘ সীলমোহর। ক্রুশের কান্না ও শূন্য সমাধির আনন্দ―এই দুইয়ের মাঝখানেই লুকিয়ে আছে আমাদের মুক্তি, আশা ও নতুন জীবনের সূচনা।
ক্রুশের পথে: নীরব ত্যাগের মহিমা
গলগাঁথার সেই পথ কেবল একটি ভৌগোলিক স্থান নয়; এটি মানবতার ইতিহাসে এক আত্মিক মোড়। কাঁটার মুকুট মাথায়, রক্তাক্ত দেহে, অবজ্ঞা ও উপহাসের মাঝখানে যীশু এগিয়ে চলেছেন। তিনি জানতেন সামনে কী অপেক্ষা করছে। তবুও থামেননি।
কেন?
কারণ তাঁর ভালোবাসা আমাদের পাপের চেয়েও বড় ছিল।
ক্রুশ ছিল রোমানদের কাছে লজ্জা ও অভিশাপের প্রতীক। কিন্তু যীশু সেই লজ্জাকে পরিণত করলেন মহিমায়। তিনি অপরাধী ছিলেন না, তবুও অপরাধীর আসনে দাঁড়ালেন। তিনি পাপী ছিলেন না, তবুও পাপের শাস্তি গ্রহণ করলেন।
ক্রুশে ঝুলন্ত অবস্থায়ও তাঁর হৃদয়ে ছিল করুণা। তিনি প্রতিশোধ চাননি; তিনি প্রার্থনা করেছেন ক্ষমার জন্য। সেই মুহূর্তে পৃথিবী অন্ধকারে ঢেকে গিয়েছিল, কিন্তু ঈশ্বরের প্রেমের আলো উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল মানবজাতির জন্য।
তাঁর মৃত্যু কোনো দুর্ঘটনা ছিল না; এটি ছিল ঈশ্বরের পরিত্রাণ পরিকল্পনার পরিপূর্ণতা। তাঁর রক্তের প্রতিটি ফোঁটা যেন ঘোষণা করছে―
“তুমি মূল্যবান, তোমার মুক্তির জন্য আমি নিজেকে দিলাম।”
শূন্য সমাধি: মৃত্যুর সীমা ভেঙে চিরজীবনের ঘোষণা
ক্রুশের পর শিষ্যদের হৃদয়ে নেমে এসেছিল হতাশা। তারা ভেবেছিল সব শেষ। স্বপ্ন ভেঙে গেছে, আশা নিভে গেছে।
কিন্তু তৃতীয় দিনের প্রভাতে এক অলৌকিক ঘটনা ইতিহাসকে চিরদিনের জন্য বদলে দিল। সমাধির পাথর গড়ানো, কবর শূন্য!
মৃত্যু যীশুকে ধরে রাখতে পারেনি।
সমাধি তাঁকে বন্দি করতে পারেনি।
অন্ধকার তাঁর আলোকে গ্রাস করতে পারেনি।
পুনরুত্থান কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়; এটি জীবন্ত সত্য। এটি প্রমাণ করে যে পাপের ঋণ পরিশোধ হয়েছে, মৃত্যু পরাজিত হয়েছে, এবং অনন্ত জীবনের দরজা উন্মুক্ত হয়েছে।
শূন্য সমাধি আমাদের মনে করিয়ে দেয়―
যেখানে মানুষ শেষ দেখে, সেখানে ঈশ্বর শুরু করেন।
যেখানে আমরা ভেঙে পড়ি, সেখানে তিনি পুনর্গঠন করেন।
পুনরুত্থানের শক্তি: ব্যক্তিগত জীবনে রূপান্তর
অনেকে যীশুর গল্প জানে, কিন্তু তাঁর শক্তিকে অনুভব করে না। পুনরুত্থান কেবল অতীতের একটি ঘটনা হলে তা আমাদের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারবে না।
কিন্তু যদি তিনি সত্যিই জীবিত হন―
তবে আমাদের হতাশা চিরস্থায়ী নয়।
আমাদের ব্যর্থতা চূড়ান্ত নয়।
আমাদের অশ্রু শেষ কথা নয়।
পুনরুত্থান মানে নতুন জীবন।
পুনরুত্থান মানে হৃদয়ের নবজন্ম।
পুনরুত্থান মানে অন্ধকার থেকে আলোয় উত্তরণ।
যখন আমরা বিশ্বাসের মাধ্যমে যীশুকে গ্রহণ করি, তখন আমাদের অন্তরে শুরু হয় এক আত্মিক বিপ্লব। পাপের বন্ধন শিথিল হয়, অপরাধবোধের ভার হালকা হয় এবং আমরা উপলব্ধি করি আমরা ক্ষমাপ্রাপ্ত, আমরা গ্রহণযোগ্য, আমরা ঈশ্বরের সন্তান।
আমাদের বিশ্বাস: বুদ্ধিগত স্বীকৃতি নয়, আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত
বিশ্বাস মানে কেবল বলা “আমি বিশ্বাস করি।”
বিশ্বাস মানে হৃদয় খুলে দেওয়া।
বিশ্বাস মানে নিজের নিয়ন্ত্রণ ঈশ্বরের হাতে তুলে দেওয়া।
আমরা যখন ক্রুশের সামনে দাঁড়াই, তখন আমাদের অহংকার ভেঙে যায়। আমরা উপলব্ধি করি―নিজের শক্তিতে আমরা পরিত্রাণ অর্জন করতে পারি না। তখন আমরা বলি,
“প্রভু, আমি তোমার অনুগ্রহ চাই।”
এই আত্মসমর্পণের মধ্যেই জন্ম নেয় নতুন পরিচয়। আমরা আর অতীতের মানুষ নই; আমরা নতুন সৃষ্টি।
আমাদের করণীয়: জীবন্ত প্রভুর জীবন্ত সাক্ষী
যদি যীশু জীবিত হন, তবে আমাদের জীবনও জাগ্রত হতে হবে। পুনরুত্থানের বিশ্বাস কেবল উপাসনালয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না; তা প্রতিফলিত হতে হবে দৈনন্দিন জীবনে।
১. অনুতাপ ও পবিত্রতার জীবন
পাপ থেকে ফিরে এসে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা। প্রতিদিন নিজেকে পরিশুদ্ধ করার প্রচেষ্টা।
২. প্রেমের বাস্তব চর্চা
পরিবারে, কর্মক্ষেত্রে, সমাজে―যেখানেই থাকি না কেন, খ্রীস্টের প্রেম প্রকাশ করা। ঘৃণার জবাবে ঘৃণা নয়, বরং দয়া ও সহমর্মিতা।
৩. ক্ষমা ও পুনর্মিলন
যেমন আমরা ক্ষমা পেয়েছি, তেমনি অন্যদের ক্ষমা করা। বিভক্ত হৃদয়কে মিলনের পথে আনা।
৪. আশা ছড়িয়ে দেওয়া
আজকের পৃথিবী ভয়, সহিংসতা ও অনিশ্চয়তায় ভরা। এই সময়ে আমাদের দায়িত্ব হলো ঘোষণা করা―
“আশা আছে, কারণ তিনি জীবিত!”
৫. সুসমাচারের সাক্ষ্য বহন
নিজের জীবনের পরিবর্তনের গল্প অন্যদের সাথে ভাগ করা। কথায় ও কাজে যীশুর আলো ছড়ানো।

উপসংহার: ক্রুশের কান্না থেকে পুনরুত্থানের জয়গান
ক্রুশ আমাদের শেখায় প্রেমের গভীরতা।
শূন্য সমাধি আমাদের শেখায় আশার উচ্চতা।
এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমরা উপলব্ধি করি―খ্রীস্টীয় বিশ্বাস কেবল একটি মতবাদ নয়; এটি জীবন পরিবর্তনের শক্তি।
আজও সেই আহ্বান ধ্বনিত হচ্ছে―
তুমি কি এই ত্রাণকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করবে?
তুমি কি পুনরুত্থানের শক্তিতে জাগ্রত জীবনযাপন করবে?
যীশু খ্রীস্ট জীবিত।
তাঁর প্রেম অক্ষয়।
তাঁর অনুগ্রহ অপরিসীম।
ক্রুশের ত্যাগ ও পুনরুত্থানের বিজয় যেন আমাদের হৃদয়ে প্রতিদিন নতুন করে জ্বলে ওঠে―
কারণ তিনি জীবিত, আর তাঁর মধ্যেই আমাদের চিরন্তন আশা।
আমেন। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
জন দাস: খ্রীিষ্টয় ধর্মতত্ত্ববিদ, এমডিভ।

Previous Post

বিশেষ নিবন্ধ ▄ পরিত্রাণের আশা ও নতুন জীবনের নিশ্চয়তা ● পাস্টর কিশোর তালুকদার

Admin

Admin

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 3 3 1 0
Users Today : 44
Views Today : 47
Total views : 174600
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In