আজ ১৭ এপ্রিল রবিবার। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সান ডে। ইস্টার সানডে বা পবিত্র রবিবার হলো খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করার পর এই দিনে আবারও পৃথিবীতে ফিরে এসেছিলেন। খ্রিষ্টানরা আজকের এইদিনে মৃত্যুর বিরুদ্ধে যিশুখ্রিষ্টের বিজয় উদযাপন করে। খ্রিষ্ট বিশ্বাসীদের কাছে এটি পুরাতন জীবনের অবসানের পরে নতুন জীবন শুরুর প্রতীক। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের মতে, এ দিন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট মৃত্যু থেকে পুনরুত্থান করেছিলেন।
বাইবেলে বলা হয়েছে, ‘খ্রিস্ট আমাদের পাপের জন্য মারা গেছেন। ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে; তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়েছে এবং তিনি তৃতীয় দিনে পুনরুত্থান লাভ করেছেন ।’ (১ করিন্থীয়, ১৫ঃ ৩-৪)।
খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস, প্রভু যিশু পাপে পূর্ণ মানবজাতিকে মুক্তি দিতে এই জগতে এসেছিলেন। সেই মুক্তির কাজটি তিনি সম্পূর্ণ করেন তাঁর জীবন উৎসর্গ করে এবং আবার তিনি ফিরে আসেন (৪০ দিন পর তিনি স্বর্গারোহণ করেন)। যিশুর এই ফিরে আসা বা পুনরুত্থানের দিনটিকে বলা হয় ইস্টার সানডে। ইস্টার শুরু হয় তপস্যাকাল বা প্রায়শ্চিত্তকাল দিয়ে, যা এক ধরনের রোজা। মনকে পরিবর্তন করার জন্য এই রোজা রাখা হয়। ইস্টার সানডের ছয় সপ্তাহ আগের বুধবার কপালে খেজুর পাতার (দেশভেদে সহজলভ্যতা অনুসারে গাছের পাতা) ভস্ম বা ছাই মেখে এই তপস্যাকালের সূচনা করেন যাজকরা। তাই এই বুধবারকে বলা হয় ভস্ম বুধবার। ৪০ দিন বা ছয় সপ্তাহ ধরে এই তপস্যাকালে মূলত প্রার্থনা, উপাসনা ও ত্যাগ স্বীকার—এই তিনটি কাজ করা হয়; এটি ইস্টার সানডের প্রস্তুতি পর্ব।
পবিত্র বাইবেলে দেখা যায় গুড ফ্রাইডেতে বিপথগামী ইহুদীরা তাঁকে (যিশু খ্রিস্টকে) ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল। মৃত্যুর তৃতীয় দিবস অর্থাৎ রোববার দিন তিনি মৃত্যু থেকে জেগে উঠেছিলেন। মৃত্যুকে জয় করে যিশু আবারও মানুষের মাঝে ফিরে আসেন।
শাস্ত্রানুসারে তখনকার ইহুদী রীতি অনুযায়ী মগদালনীয় মারিয়ম রবিবার দিন ভোরে যিশুর কবরগুহায় যান। উদ্দেশ্য মৃতদেহে সুগন্ধী মাখানো। কিন্তু তিনি দেখেন কবরশূন্য, কেউ নেই। শুভ্র পোশাক পরা এক যুবক ডান দিকে বসা। তিনি বলেন, ‘নাজারেথের যিশু পুনরুত্থিত হয়েছেন, তিনি এখানে নেই।’
এরপর ত্রাণকর্তা যিশু বিভিন্ন স্থানে শিষ্যদের দেখা দেন। তাদের শিক্ষা দেন। যিশুর পুনরুত্থানের এ দিনটি হল ইস্টার সানডে। সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশে খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীরা বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন। সেই দিনের
শূন্য কবর যেন মারিয়ামের অন্তরে দিয়েছিল এক তাগিদ, একটি জোর আহ্বান। এই পুনরুত্থান– সংবাদ তাঁকে ঘোষণা করতেই হবে। আর মারিয়াম তখনই তা করেন; হয়ে ওঠেন প্রথম পুনরুত্থানের বার্তাবাহক (মর্ক ১৬: ১-৭)।
সেই থেকে খ্রিষ্টবিশ্বাসের কেন্দ্রীয় রহস্যাবৃত ঘটনায় পরিণত হলো যিশুর মৃত্যু ও পুনরুত্থান। চারিদিকে শোরগোল শুরু হয়ে গেল পুনরুত্থান করেই যিশু মৃত্যুর ওপর জয় ঘোষণা করেছেন। পুনরুত্থান করেই বিজয়ীর কণ্ঠে যেন যিশু বলছেন, ‘হে মৃত্যু! হে কবর! তোমার জয় কোথায় হলো?’ আমরাও বলতে পারি, কবর যিশুকে ধরে রাখতে পারেনি। যিশুর মৃত্যু শুধু মনুষ্যপুত্রের দেহাবসান নয়, তাঁর মৃত্যু গোটা মানবজাতির পাপের মৃত্যু। পাপের ফলে স্বর্গের যে দুয়ার হয়ে গিয়েছিল রুদ্ধ, যিশুর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই মন্দিরের পর্দা সরে গেল, রুদ্ধ দুয়ার খুলে গেল। যিশুর পুনরুত্থান, তথা যিশুর পুনরুত্থিত অবস্থা, গৌরবান্বিত অবস্থা গোটা মানবজাতিকে করেছে পুনরুত্থিত, গৌরবান্বিত।
পুনরুত্থানের এই সংবাদ খ্রিষ্ট বিশ্বাসীদের জন্য খুবই আনন্দের এবং খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। খ্রিষ্টীয় ধর্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো, যিশুর ক্রুশে জীবনদান এবং গৌরবদীপ্ত পুনরুজ্জীবন। মানুষের সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাওয়াই ইস্টার সানডে বা যিশুর পুনরুত্থান দিবসের মূল বাণী।
এর আগের রোববারকে বলা হয় পাম সানডে। এ দিন অন্য এলাকা থেকে শেষবারের গাধায় চড়ে জেরুজালেমে প্রবেশ করেন যীশু। ভক্তরা তাকে দেখতে রাস্তার দু’পাশে ভিড় জমান। তারা খেজুর পাতা ও পোশাক উড়িয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি অসুস্থ অনেককে সুস্থ করে তোলেন। পরের শুক্রবার ছিল ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার দিন। যাকে বলা হয়, গুড ফ্রাইডে বা পূর্ণ শুক্রবার। এর আগের রাতে বারো শিষ্য নিয়ে খেতে বসেন যিশু। তারা রুটি ও পানীয় ভাগাভাগি করে খান। এর পরে জুদাসের বিশ্বাসঘাতকতায় তিনি ইহুদীদের হাতে ধরা পড়েন। এর তিন দিন পর আসে ইস্টার সানডে।
দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের কৃত্য পালন করা হয়।
বড়দিনের মতো ইস্টার সানডে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো তারিখে পালিত হয় না। খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের বিভক্তির সঙ্গে সঙ্গে দিবসটি পালনেও ভিন্নতা দেখা যায়। বলা হয়, ২১ মার্চের পর যখন আকাশে প্রথম দেখা যায় পূর্ণ চাঁদ, তার পরের রবিবার পালন করা হয় ইস্টার।
কোন কোন খ্রিষ্টভক্তরা এর আগের চল্লিশ দিন উপবাস পালন, অনুতাপ ও প্রার্থনা করে থাকেন। যীশুর চল্লিশ দিনের উপবাস অনুসারেই এ উপবাস পালন করা হয়। মানুষের আধ্যাত্মিক মঙ্গল সাধনের জন্য এ চল্লিশ দিনের উপবাস, প্রার্থনা, ত্যাগ স্বীকার, প্রায়শ্চিত্ত ও অনুতাপের মধ্য দিয়ে জীবনকে মূল্যায়ন করা হয়। প্রায়শ্চিত্তকাল হল আত্মশুদ্ধির সময়। অর্থাৎ যীশুর পুনরুত্থানের জন্য নিজের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি নেওয়ার সময়। অন্যভাবে, যিশুর ক্রুশীয় মৃত্যু ও যাতনার কথা স্মরণ করে নিজের অন্তরে অনুতপ্ত হওয়া আর শুদ্ধ হয়ে ওঠার চূড়ান্ত সময়। তবে কারো কারো মতে, এ চল্লিশ দিনের শেষ সপ্তাহকে বলা হয় পবিত্র সপ্তাহ। এর মধ্যে পড়ে ইস্টার ট্রিডুম, হলি ট্রাসডে, শেষভোজ, পা ধৌতকরণ ও সর্বোপরি গুড ফ্রাইডে।
প্রচলিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ইস্টারের তারিখ নির্ধারিত হয় না। তাই কখনও কখনও পৃথিবীর পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে এটি আলাদা তারিখে পালিত হয়। মূলত গ্রেগরিয়ান এবং জুলিয়ান ক্যালেন্ডারসহ বেশ কয়েকটি দিনপঞ্জিকার হিসেব মিলিয়ে বের করা হয় ইস্টারের তারিখ। প্রথমদিকের খ্রীষ্টান, ইহুদী ও জেন্টাইলরা যে হিব্রু ক্যালেন্ডার অনুসরণ করত, তাতে খ্রীষ্টানদের কোনো বার্ষিক উৎসবের প্রমাণ নেই। দ্বিতীয় শতাব্দীর মাঝামাঝিতে এসে ইস্টার উদযাপনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
ইতিহাস বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩২৫ সালের রোমের ফার্স্ট কাউন্সিল অব নিচেয়াতে ইস্টার পালনের দিন নির্ধারিত হয়। এতে বলা হয়, মার্চের একুনিক্স (এ দিন দিন-রাত সমান থাকে) অনুসারে পূর্ণ চন্দ্রের (শেষভোজের দিন) পরের প্রথম রবিবার হলে ইস্টার সানডে। পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণত ইস্টারের সময় ২২ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে পড়ে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের খ্রীষ্টানরা নির্ভর করে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের ওপর। এখানে সাধারণত ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মে’র মধ্যে দিনটি পড়ে।
দিনটির সঙ্গে ইহুদীদের পাসওভারের সম্পর্ক রয়েছে। এটা অনেকটা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সম্পর্কিত। কোনো কোনো ভাষায় ইস্টার ও পাসওভার অভিন্ন বা খুব কাছাকাছি। পাসওভারের দিনে ইহুদীদের ব্যাবিলনের বন্দীদশা শেষ হয়।
দিনটি খ্রীষ্টান বিশ্বের সব জায়গায় পালিত হয়। এ উপলক্ষে বিশেষ ভোজ ও চার্চ সাজানো হয়। যিশুর শূন্য কবরের প্রতিকরূপে ডিম সাজানো হয়। প্রার্থনা অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন খ্রীষ্টীয় সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এই বিশেষ দিনটি পালনের জন্য নানা কর্মসূচি পালন করে।
পবিত্র বাইবেলের নতুন নিয়ম বা নিউ টেস্টামেন্টের অন্যতম শিক্ষা হলো যিশুর পুনরুত্থান। সে দিক থেকে ইস্টার খ্রীষ্টান বিশ্বাসের একটি ভিত্তিমূল।
যিশু খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিলো কালভেরি পর্বতে এক পুণ্য শুক্রবারে। এই দিনটাকে গুড ফ্রাইডে হিসেবে পালন করা হয়। অনেকে গ্রেট ফ্রাইডে বা ব্ল্যাক ফ্রাইডেও বলে থাকেন। এই দিন কালো পোশাক পরে চার্চে গিয়ে খ্রিস্টানরা শোক প্রকাশ এবং প্রার্থনা করেন। তার পরে তৃতীয় দিন অর্থাৎ রবিবারে তাঁর পুনরুত্থান ঘটে এবং তিনি মৃত্যু থেকে পুনরায় হয়ে জীবিত অবস্থায় স্বর্গে ফিরে যান। তাঁর এই নতুন জন্মকে স্মরণ করে ‘ইস্টার সানডে’ পালিত হয়। গুড ফ্রাইডেতে বিপত্গামী ইহুদিরা যিশুখ্রিষ্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল। মৃত্যুর তৃতীয় দিবস অর্থাত্ রোববার তিনি জেগে উঠেছিলেন। যিশুখ্রিস্টের এই পুনরুত্থানের সংবাদ খ্রিষ্ট বিশ্বাসীদের জন্য খুবই আনন্দের এবং তাত্পর্যপূর্ণ। এই দিনটিকে সকল খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ইস্টার সানডে হিসেবে পালন করে থাকে। ইস্টার সানডে উপলক্ষে সারা বিশ্বেই খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করে। বিশ্বের প্রতিটি গির্জাতে ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রার্থনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বলা হয়, যিশুখ্রিষ্টের পুনরুত্থান কিংবা নবজন্মকে স্মরণ করার জন্য এই বিশেষ দিনটির নামকরণ করা হয়েছে দেবী ‘ইয়োস্ত্রে’র নাম অনুসারে ইস্টার। ‘ইস্টার’ শব্দটির উৎপত্তি জার্মান ‘ইয়োস্ত্রি’ বা ‘ইয়োস্ত্রে’ শব্দ থেকে। ইয়োস্ত্রে একজন প্যাগান দেবীর নাম। যিনি নবজন্ম এবং উর্বরতার দেবী এবং তার প্রতীক হলো ডিম । তাই এইদিন জার্মানি, আমেরিকাসহ আরো কিছু দেশে আগের দিন সেদ্ধডিমের খোসার উপরে নানারকম নকশা করা হয়। তারপরে বাড়ির ছোটরা ঘুমিয়ে পড়লে তা বাড়ির বিভিন্ন আনাচে কানাচে লুকিয়ে রাখা হয়। সানডে সকালে বাচ্চারা ঘুম থেকে উঠে শুরু হয় ডিম খোঁজা প্রতিযোগিতা। সেদ্ধ ডিম ছাড়াও চকলেট এগ বা প্লাস্টিকের ডিমের খোলসে চকলেট,টফি পুরে রাখা হয়। ডিম নিয়ে ‘এগ রোল’ নামে একটা মজার খেলাও খেলা হয়।
ইস্টার সানডে উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্টবিশ্বাসীরা বেশ কয়েকদিন ধরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন। ইস্টারের দিনক্ষণ নিয়ে শুরুর দিকে নানা মত প্রচলিত ছিল। ‘স্প্রিং ইকুইনক্স’ বা মহাবিষুব’র সময় এই উৎসব পালন করা হত। যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার বছর নিয়েও মতান্বর রয়েছে। দুটি মতবাদ অনুসারে ৩৩ খ্রিস্টাব্দে ক্রুশবিদ্ধ হন। তবে স্যার আইজাক নিউটন গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি মেপে সময়টাকে ৩৪ খ্রিস্টাব্দ বলে দাবি করেছিলেন।
ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের বাইরে এইদিন যিশুর পুনঃজন্মের প্রতীক হিসাবে এদিন ‘ইস্টার এগ’ বিতরণ করা হয়। যেগুলোতে নানা রঙ দিয়ে কারুকার্য করা হয়। আজকাল চকোলেট দিয়েও তৈরি ডিম্বাকৃতির এই ‘ইস্টার এগ’ বিতরণ করা হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছোটদের জন্য এইদিন রাস্তায় রাস্তায় ‘ইস্টার বানি’ সেজে ঘুরে বেড়ানোর প্রথা রয়েছে-তাঁরা ছোটদের চকোলেট এগ উপহার দেয়। এছাড়াও নানান জায়গায় ইস্টার এগ নিয়ে মজার খেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে।
খ্রীষ্টানরা মনে করেন, এর মাধ্যমে যীশুর ঈশ্বরের পুত্রত্বের দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে মৃত থেকে যীশুর পুনরুত্থান জগৎকে নতুন আশা দেয়। মানুষের মুক্তি বার্তাকেই নতুনভাবে জানান দেয়। এ হল মানব জীবনের আধ্যাত্মিক পথের নতুন দিগন্ত। মানুষের সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাওয়াই ইস্টার সানডে বা যীশুর পুনরুত্থান দিবসের মূল বাণী। শুভ ইস্টার সানডে।
জেমস আব্দুর রহিম রানা : ধর্মতত্ববিদ ও গণমাধ্যমকর্মী।





Users Today : 31
Views Today : 33
Total views : 180732
