বিভাগীয় সম্পাদক ● এক দিনে এক কোটি ডোজ কোভিড টিকাদানের কাজ শুরু হয়েছে দেশব্যাপী। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দেশের বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রে শুরুর আগেই দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ এই কর্মসূচিতে দেওয়া হচ্ছে টিকার প্রথম ডোজ।
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক আজ সকালে বলেন, যারা নিবন্ধন করেছেন, কিন্তু এখনও এসএমএস আসেনি তারাও টিকা নিতে পারবেন। আমরা গণটিকা কর্মসূচির আওতায় প্রথম ডোজ দেওয়ার কাজ আজই শেষ করতে চাচ্ছি। এ কারণে ডকুমেন্টস থাকুক বা না থাকুক, যেই আসুক আমরা তাকে টিকা দিয়ে দেব। এসএমএস না আসলেও টিকা পাবে। পরে কেন্দ্র থেকে এগুলো সমন্বয় করে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “কেউ অসুস্থ কিংবা খুব জরুরি কারণে প্রথম ডোজের টিকা নিতে পারছেন না, এমন ব্যক্তিরাও প্রথম ডোজ পরে নিতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে বাড়ির পাশে এভাবে আর টিকা পাবেন না। আমাদের নির্ধারিত হাসপাতালের কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে হবে।”
বাংলাদেশে গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়। দুই মাস পর ৮ এপ্রিল শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম। আর গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়েছিল এক দিনে।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একদিনে ১ কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওইদিন জানানো হয় ২৬ ফেব্রুয়ারির পর প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হবে না।
ওই ঘোষণার পর সারাদেশের টিকাদান কেন্দ্রগুলোয় ভিড় বাড়তে থাকে। বুধবার সাভারে করোনাভাইরাসের টিকা কেন্দ্রে প্রথম ডোজ টিকা প্রত্যাশীদের উপচেপড়া ভিড় হয় যা সামলাতে পুলিশকে লাঠিপেটা করতে হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, শুক্রবার পর্যন্ত সারাদেশে ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৮১ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৮ কোটি ১৯ লাখ এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩৫ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ।





Users Today : 14
Views Today : 14
Total views : 185400
