মানুষের মন কখন কিসের জন্য যে হাহাকার করে উঠে বোঝা বেশ মুশকিল। ঘুম থেকে জেগে উঠেই ওবায়দুল সাহেবের মনটা হু হু করে উঠল। ওবায়দুল সাহেব ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন গ্রামের বাড়িতে নিজের ঘরে, উনি গ্রামে কবে এলেন ঠিকমনে করতে পারলেন না। ইদানীং অনেক কিছুই ভুলে যান, হয়ত দেখা গেল কিছু একটা নেবার জন্য বসা থেকে উঠলেন কিন্তু কী নেবার জন্য উঠলেন তা আর কিছুতেই মনে করতে পারছেন না। কত বয়স হলো? পঞ্চাশ। খুব বেশি তো নয় মনে হয়। পঞ্চাশ বছর বয়সী সিনেমার নায়করা তো নাকি দিব্যি মারামারি, দাপাদাপি আর কম বয়সী নায়িকাদের সাথে ধেই ধেই করে নেচে বেড়ায়। তবে উনি তো আর সিনেমার নায়ক নন, নিতান্ত সাধারণ একজন মানুষ।
কিছুতেই মনে করতে পারলেন না গ্রামে কবে আসলেন। মনটা শুধুই হু হু করছে—কত কিছুর জন্য। সেই ফেলে আসা দিন, ছেলেবেলার দিন, বৃষ্টি ভেজা সোঁদা মাটির গন্ধ, বনের মধ্যে পাখির ডাক, আদিগন্ত বিস্তৃত ধানের মাঠ, হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর চোখ, আরও কত কথা মনে পড়ছে। মনটা ভীষণ কেমন করছে। বাবার একটা অদ্ভুত স্বভাব ছিল, একজায়গায় খুব বেশিদিন থাকতেন না। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা। সেই ছেলেবেলার নানান জায়গার খেলার সাথিদের কথা খুব মনে পড়ে। খুব ছেলেবেলায়, কোন ক্লাসে পড়েন তখন টু বা থ্রি হবে। বাবার কল্যাণে এক স্কুল থেকে গিয়ে নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছেন — কয়দিন যাওয়ার পর একটা ছেলের সাথে বন্ধুত্ব হলো। ছেলেটা খুব অদ্ভুত ছিল — একা একা থাকত, পিছনের দিকে একা বসে থাকত, পড়া-লেখা নিয়ে ভাবনা চিন্তা একদমই ছিল না। বেশিরভাগ সময় জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকত আর মনে হত তার চোখ ঠিক জানালার বাহিরে নয়, জানালা পার হয়ে মাঠ, মাঠ পেরিয়ে রাস্তা — এসব কিছু ছাড়িয়ে অনেক অনেক দূরে। ঐ ছেলেটার সাথে তার খুব ভাব হয়েছিল, একদিন ঐ ছেলেটা তাকে তাদের বাড়িতেও নিয়ে গিয়েছিল। ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর-টিনের চালা, বাড়িতে ওর মা ছিল শুধু। ওর মা খুব আদর করে তাদের খেতে দিয়েছিল, পান্তা। পান্তার সাথে কি আর কিছু ছিল? মনে নেই। আর সেই ছেলেবার বন্ধু তার নাম কি ছিল, তাও মনে নেই, তার চেহারা কেমন ছিল তাও মনে নাই, কিন্তু সেই ছেলেবেলার বন্ধুর জন্য মনটা হু হু করে উঠে।
হু হু মন নিয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকায় ওবায়দুল সাহেব, আকাশ মেঘলা। সকালে উঠে এক কাপ চা খাওয়ার অভ্যাস, কিন্তু কেউ তার জন্য চা নিয়ে আসছে না। একটা ব্যাপার খেয়াল করলেন, বুঝতে পারলেন এ সাতসকালেই ঘরে অনেক মানুষের আনাগোনা, সবাই কেমন যেন নিঃশব্দে চলাফেরা করছে কিন্তু কেন তা বুঝতে পারলেন না আর বোঝার আগ্রহও হলো না। একটু উঁকি দিয়ে দেখলেন স্ত্রীকে দেখতে পান কিনা তা দেখার জন্য। কিন্তু দেখতে পেলেন না। তাকে এক কাপ চা দিয়ে গেল না। ঘন কাল আকাশ দেখতে পেয়ে, ওবায়দুল সাহেব বুঝতে পারলেন বৃষ্টি নামবে। তাই তিনি চুপচাপ ছাদে উঠে গেলেন। গ্রামে এ বাড়ির দুইতলার ছাদে উনি একটা ব্যবস্থা করেছেন যেখানে বসে বৃষ্টি দেখা যায়। বাড়ির পিছনে অনেকদূর পর্যন্ত ধানক্ষেত। ধানক্ষেত ঘন সবুজ হয়ে আছে, তার ওপর যখন ঘন কাল মেঘ করে বৃষ্টি হয় সাথে মেঘের গুড়গুড় শব্দ—পৃথিবীর একটা অতি সুন্দর, অপার্থিব অভিজ্ঞতা। সেই অপার্থিব সৌন্দর্যের টানে তিনি ছাদে উঠে গেলেন। ছাদে উঠে আবার তার সেই হু হু ভাব তাকে পেয়ে বসল। বাবা কখনই ঠিক গৃহী মানুষ ছিলেন না। ছুঠে বেড়াতেন একজায়গা থেকে অন্য জায়গা। গ্রামের সাথে যোগাযোগ ছিল খুব কম। প্রায় শেষ বয়সে বাবা গ্রামে ফিরে আসেন, বাড়ি-ঘর মেরামত করে এখানেই থাকতে শুরু করেন। জীবনের শেষ দিনগুলি বাবা এখানেই কাটান।
২
একবার, সে কতদিন আগের কথা। মনে হয় অন্য এক জন্মের কথা, বাবার সাথে নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল। শীতের সময়, বার্ষিক পরীক্ষা শেষ। বাবা যাবেন অফিসের কাজে, নানা বাড়ির কাছেই পাশের কোনো শহরে। যাবার পথে তাকে রেখে যাবেন আর ফিরবার পথে নিয়ে আসবেন। বাবা রেখে গেলেন নানা বাড়ি। নানা বাড়িতে মামা-মামিদের কাছে বাবার খুব একটা সমাদর ছিল না। বাবা খুব সংসারী মানুষ নন, আয়-ইনকামের দিকে খুব একটা নজর নাই, কে আর এমন মানুষকে সমাদর করে। যেহেতু বাবার অবস্থা ভালো ছিল না, তাই তাদেরও সমাদৃত হওয়ার প্রশ্ন আসে না। তবে নানা বাড়ি উনার খুব ভালো লাগত, কারণ বাড়ির পিছনে ছিল ঘন পাহাড়। কত নাম না জানা পাখির ডাক শোনা যেত। ভর দুপুরেও বাড়ির পিছনে কিসে যেন ঝিঁ ঝি করে ডেকেই যেত। শুনতে অদ্ভুত ভালো লাগত।
কিন্তু তারপর কয়টা দিন যেতেই আর ভালো লাগে না,খুব বুঝতে পারতেন সবার খানিকটা অবজ্ঞার দৃষ্টি। এরপর শুধু বাবার আসার পথ চেয়ে থাকা। খুব মনে পড়ে, একদিন সকালে নানার জোরাজুরিতে পিছনের পুকুরে বড়শি নিয়ে বসে থেকে বেশ বড়ো দুইটা মাছ ধরেছিল। কিন্তু দুপুরে খাবার সময় সেই মাছের দেখা মিলল না। ওবায়দুল সাহেব সারা জীবনই মুখচোরা। মাছের কথা তো মরে গেলেও কাউকে বলার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু খুব কষ্ট লেগেছিল আর বাবার ওপর খুব অভিমান হয়েছিল। এতদিন তাকে এখানে রেখে যাওয়া কেন?
একদিন রাতে বাবা এসে হাজির, ঘুম ঘুম চোখে বাবাকে দেখে এত ভালো লেগেছিল ইচ্ছে করছিল দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরতে। কিন্তু বাবার খুব কাছে যাওয়া যেত না, কেমন একটা সংকোচ, লজ্জা হত। বাবারও ঠিক তাই, খুব কাছে কখনো টেনে নিতেন না। বছরে শুধু একবার রোজার ঈদে বাবাকে সালাম করলে, বাবা বুকে টেনে নিতেন। এতদিন, এতবছর পড় খুব ইচ্ছে হয় বাবাকে একটু জড়িয়ে ধরতে, বাবার মুখটা আবছাভাবে ভেসে উঠে সামনে।
৩
প্রচণ্ড জোড়ে কিছু একটা পড়ার শব্দে চমক ভাঙে। বাড়ির পিছনে অনেকগুলি নারিকেল গাছ, তার একটা থেকে নারিকেল পড়েছে টিনের চালে। নারিকেল গাছ। আবার মন চলে গেল দূর অতীতে। বাবার স্বভাব তো এক জায়গায় কিছুদিন থাকার পর তারা গিয়ে উঠল নতুন আর এক জায়গায় আর একটা বাড়িতে। সেই বাড়ির পাশেই ছিল একটা মাঠ, মাঠের শেষে দুইটা নারিকেল গাছ আর পাশেই ছিল একটা খাল। প্রতিদিন দুপুরে সবকিছু যখন চুপচাপ হয়ে যেত, তখন মুখচোরা ওবায়দুল হাজির হত সেই নারিকেল গাছ দুইটার কাছে। কখনো সেই দুই নারিকেল গাছের সাথে হত যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা আবার কখনো তারা হত তার গল্পের শ্রোতা। এক বছরের বেশি কিছু সময় তারা ছিল ঐ জায়গায়। ঐ বাড়ি ছেড়ে আসবার সময়, চুপি চুপি হাজির হয়েছিল ঐ নারিকেল গাছগুলির সামনে, বলেছিল আমি আবার আসব। আর কখনই যাওয়া হয়নি। সেই নারিকেল গাছ দুইটার জন্য মন কেমন করে উঠল।
৪
বাড়িতে মানুষের আনাগোনা আস্তে আস্তে বাড়ছে। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় কেউ তার খোঁজ করছে না। তার অবস্থা পড়তির দিকে হলেও, তিনি এ বাড়িতে এখনো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেউ খোঁজ-খবর না করার বিষয়টা খানিকটা অবাক করার মতোই। তাছাড়া বাড়িতে এত মানুষজন কেন তাও ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তবে তা নিয়ে খুব বেশি সময় তিনি ভাবতে পারলেন না, তার ভাবনা জুড়ে এখন অন্য অনেক কিছু। ইউনিভার্সিটি জীবনের কথা মনে পড়ে গেল। তার সেই বন্ধু। ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির অল্প কিছুদিন পর, ক্লাস নেই, পরের ক্লাসের জন্য অপেক্ষা অন্য অনেকের সাথে বসে আছে—হঠাৎ দেখে একটা খুব রোগা মতো ছেলে, নাকের ডগায় চশমা, ফুক ফুক করে সিগারেট খাচ্ছে, কখনো রুমি বা গালিবের লাইন আওড়াচ্ছে আবার কখনও কিছু একটা বলে নিজেই খুক খুক করে হাসছে। সেই থেকে তার সাথে বন্ধুত্বের শুরু, তারপর একসাথে কত পথচলা। একসাথে সিনেমা দেখা, পকেটে টাকা না থাকায় বিনা টিকেটে ট্রেনে চড়া তারপর ধরা পড়া, পরীক্ষার আগে রাত জেগে একসাথে পড়া তৈরি করা। তার বন্ধু অদ্ভুত ভালো কবিতা লিখত, ক্লাসের এক অতি সুন্দরীর প্রেমেও পড়েছিল। সেই সুন্দরীর জন্য লেখা কবিতাও পড়ে শোনাত অনেক দিন। কিন্তু সেই শুকনো কবিতায় সুন্দরীর মন কখনোই গলেনি। কিন্তু বন্ধু ছিল বন্ধুর মতোই, সদা হাস্যময়। ইউনিভার্সিটি শেষ করে একেকজন একেক দিকে চলে গেল, তারপরও দেখা হত মাঝে মাঝে। এক দিনের কথা মনে পড়ে গেল। অনেকদিন কোনো দেখা সাক্ষাৎ নেই, তারপর হঠাৎ একদিন রেল স্টেশনে দেখা—দুইজন একসাথে বসে অনেকক্ষণ আড্ডা দিয়েছিল। তারপর আবার দেখা হবে বলে বিদায় নিয়েছিল। কিন্তু আর কখনই দেখা হয়নি। এর অল্প কিছুদিন পর জানতে পেরেছিল, তার সেই বন্ধুর গলায় দড়ি দেয়া মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল নিজের ঘরে। কী অভিমানে বা হতাশায় তা কখনই আর জানা হয়নি। ওবায়দুল সাহেব অনেকবার ভেবেছিল বন্ধুর জন্য কিছু একটা করবে কিন্তু কী করবে, কিছু করা কখনও হয়ে উঠেনি। এখনও মাঝে মাঝে আবছা মনে পড়ে, স্টেশনের অল্প আলোয় — সদা হাস্যময় বন্ধু তার দিকে তাকিয়ে বলেছিল আবার দেখা হবে, তারপর ধীরে ধীরে মিলিয়ে গিয়েছিল রেল লাইন ধরে।
৫
বেশ অনেকক্ষণ ধরে বড়ো বড়ো ফোঁটায় বৃষ্টি পড়ছে, এমন বৃষ্টি অনেকদিন দেখা হয়নি। বাড়ির এক পাশে ছোট্ট একটা পুকুরের মতো আছে, ঠিক পুকুর বলা যায় না, একটা জলাশয়। বৃষ্টির বড়ো বড়ো ফোঁটা পড়ছে সেখানে। বৃষ্টির ফোঁটা পানিতে পড়ে মিলিয়ে যাচ্ছে, মিশে যাচ্ছে পানির সাথে। এই যে বৃষ্টির ফোঁটা, মিলিয়ে গেল পানির সাথে, কিন্তু কোথাও না কোথাও রয়ে যাবে। মানুষের জীবনও কি তেমনি? মিলিয়ে যাবে বা মিলিয়ে যায় পৃথিবী থেকে নাকি কোনো না কোনোভাবে খানিকটা রয়ে যায়?
পুকুর পাড়ে একটা কদম গাছ ছিল, কিছুদিন হলো প্রচণ্ড ঝড়ে ভেঙে গেছে। আর একটা গাছ ওখানে লাগাতে হবে — সেই জায়গাটা দেখার জন্য উঠে দাঁড়ালেন ওবায়দুল সাহেব। উঠে দাঁড়াতেই, নারীকণ্ঠের সম্মিলিত কান্না শুনতে পেলেন। কী হয়েছে দেখার জন্য উঁকি দিয়ে দেখলেন, উঠানে একটা লাশবাহী গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টি মোটামুটি কমে এসেছে, এখন টিপ টিপ করে পড়ছে। তার বাড়িতে কেউ একজন মারা গিয়েছে, তুমুল বৃষ্টির শব্দে এতক্ষণ কান্নাকাটি কিছুই তিনি শুনতে পাননি। কেউ তো কিছু বললও না। কে মারা গেছে? মা? মায়ের বয়স হয়েছে, কিন্তু মা যদি অসুস্থ থাকত তাহলে তো তিনি জানতে পারতেন! বিষয়টা বোঝার জন্য গলা বাড়িয়ে আরেকবার উঁকি দিলেন — এইবার দেখলেন লাশবাহী গাড়ির জানালার কাছে তার স্ত্রী-কন্যা দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কাঁদছে। গাড়ির জানালার কাচ খোলা। একটা মৃতদেহ দেখা যাচ্ছে, গাড়ির ওপাশ থেকে একজন মৃতদেহের মুখের কাপড় সরিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে। তিনি বুঝতে পারলেন কেউ একজন বলছে — প্রচণ্ড বৃষ্টির জন্য মৃতদেহ এখানে আর নামানো হবে না, গাড়ি মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে। ঘরের মা-বোন যারা মুখ দেখতে চায় তারা যেন দেখে নেয়। ছাদে দাঁড়িয়ে ওবায়দুল সাহেব গাড়ির খোলা জানালার কাচ দিয়ে মৃতদেহের মুখ দেখতে পেলেন। এ মুখ তার নিজের মুখ, মৃতদেহটা তার নিজের। তার মানে উনি মারা গেছেন! উনি মৃত! এই পৃথিবীর সাথে তার আর কোনো যোগাযোগ থাকবে না! পুকুর পাড়ে কদম ফুলের গাছটা লাগানো হলো না। আহা বড়ো শখ ছিল, ছাদে বসে গাছভর্তি কদম ফুলের ওপর বৃষ্টি পড়া দেখবেন। কাউকে কি বলবেন, যেন উনার কবরে একটা কদম গাছ লাগিয়ে দেয়। কাকে বলবেন? কিন্তু উনি তো মৃত, মৃত মানুষের কথা কেউ কি শুনতে পাবে?
লাশবাহী গাড়ির কাছে যারা ছিল, সবাই খুব তাগাদা দিতে লাগল গাড়ি যেন দ্রুত রওনা হতে পারে জানাজার জন্য। কয়েকজনকে বলতে শুনলেন, আবার বৃষ্টি শুরু হলে কবরে পানি জমে যাবে তখন কবর দিতে খুব মুশকিল হয়ে যাবে। আহা, যেই না উনি মারা গেলেন তাকে কবর দেয়ার জন্য কত তাড়াহুড়া। তার মানে খুব দ্রুত তার কবর হয়ে যাবে, আর কবর হয়ে গেলেই পৃথিবীর সাথে তার সব সম্পর্ক কি শেষ হয়ে যাবে? এই যে ভিজা মাটির সোঁদা গন্ধ, বৃষ্টি, মেঘ কালো আকাশ, মেঘের গুড়গুড় শব্দ, সবুজ ধানক্ষেত, দিগন্ত, পাহাড় এইসব কিছু হারিয়ে যাবে? হারিয়ে যাবে কত বেদনা আর ভালোলাগার সব স্মৃতি? সবকিছু কি তলিয়ে যাবে বিস্মৃতিতে? ওবায়দুল সাহেবের মনটা আবার হু হু করে উঠল।





Users Today : 156
Views Today : 199
Total views : 182047
