চ্যাম্পিয়নস লীগের শিরোপা জিতে মৌসুম শেষ করেছিল চেলসি। এবার নতুন মৌসুমটাও রাঙিয়ে শুরু করলো টমাস টুখেলের দল। উয়েফা সুপার কাপে ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম ব্লু’জ।
প্রতি মৌসুমের শুরুতে চ্যাম্পিয়নস লীগ ও ইউরোপা লীগের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে হয় এই ম্যাচ।যেখানে হাকিম জিয়াশের গোলে দারুণ শুরু করে চেলসি। দ্বিতীয়ার্ধে জেরার্ড মরেনোর গোলে সমতায় ফেরে ভিয়ারিয়াল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ সমতায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৬-৫ ব্যবধানে লা লিগার ক্লাবটিকে হারায় চেলসি।
বুধবার বেলফাস্টের উইন্ডসর স্টেডিয়ামে গোটা ম্যাচেই আধিপত্য দেখায় চেলসি। ৬২ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলবারের উদ্দেশ্যে ২০টি শট নেয় তারা, যার লক্ষ্যে ছিল ৭টি।
অপরদিকে ৩৮ শতাংশ বল দখলে রেখে ১২টি শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখে ভিয়ারিয়াল।
ম্যাচের ২৭তম মিনিটে হাকিম জিয়াশের গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। বাঁ দিক থেকে কাই হাভার্টজের বাড়ানো পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন মরক্কোর এই মিডফিল্ডার।
৩২ মিনিটে দারুণ সুযোগ তৈরি করেছিল ভিয়ারিয়াল। কিন্তু ফরাসি ফরোয়ার্ড বুয়ে জিয়ার শট এগিয়ে এসে ঠেকান এডওয়ার্ড মেন্ডি। দুই মিনিটের ব্যবধানে পাল্টা আক্রমণ করে চেলসি। মার্কো আলোনসোর নিচু শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক সার্জিও আসেনহো।
বিরতির পর ৭৩ মিনিটে সমতায় ফেরে ভিয়ারিয়াল। এসময় জেরার্ড মরেনো গোল করেন।
অতিরিক্ত সময়ের দশম মিনিটে ফাঁকায় বল পেলেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক। আট মিনিট পর ম্যাস মাউন্টের জোরালো শট দারুণ নৈপুণ্যে ঠেকান আসেনহো।
১১৯তম মিনিটে এডওয়ার্ড মেন্ডিকে নামিয়ে কেপা আরিসাবালাগাকে নামান টুখেল। টাইব্রেকারে মোট দুটি শট ঠেকিয়ে নায়ক বনে যান তিনি। পেনাল্টি শুট আউটে চেলসির প্রথম শট নেন কাই হাভার্টজ। জার্মান স্ট্রাইকারের শট ঠেকিয়ে দারুণ শুরু করেন ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক আসেনহো। এরপরই অবশ্য ভিয়ারিয়ালের নেয়া শটও ফিরিয়ে দেন চেলসির আরিসাবালাগা। এরপরের পাঁচটি শটে দু’দলই গোল পায়। চেলসির সাত নম্বর শটটি অ্যান্তোনিও রুডিগার জালে পাঠান। এরপর ভিয়ারিয়ালের রাউল আলবিওলের শট রুখে দেন আরিসাবালাগা।





Users Today : 32
Views Today : 40
Total views : 177925
