• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন►সাতক্ষীরার তালা, খ্রিষ্টিয়ান তারক দাস এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ●মিথুশিলাক মুরমু

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন►সাতক্ষীরার তালা, খ্রিষ্টিয়ান তারক দাস এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ●মিথুশিলাক মুরমু

Admin by Admin
নভেম্বর ২১, ২০২১
in প্রচ্ছদ, ফিচার
0 0
0
প্রচ্ছদ প্রতিবেদন►সাতক্ষীরার তালা, খ্রিষ্টিয়ান তারক দাস এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ●মিথুশিলাক মুরমু
0
SHARES
160
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরা। ইতিহাসনুযায়ী ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারি শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুরে বর্তমান বাংলাদেশ ভূখন্ডের প্রথম গির্জা ঘরের দ্বারোঘাটিত হয়। রাজা প্রতাপাদিত্যের উদারতায় নির্মিত হয়েছিঠ গির্জাটি। ১৫৯৮ খ্রিষ্টাব্দে কোচিন ধর্মপ্রদেশের সাথে সংযুক্ত হয়েছিঠ দুজন জেসুইট মিশনারী ফাদার ফ্রান্সিস ফেরনান্দেস ও দমিনিক ডি’সুজা। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে দুটো চার্চ নির্মিত হয়েছিল, একটি ঈশ্বরীপুরে , অপরটি চট্টগ্রামের বান্দেলে। ফাদার ফ্রান্সিসের লেখা চিঠি থেকে জানা যায়, ‘বঙ্গদেশে জেসুইটদিগের সর্ব প্রথম গির্জা এইখানে প্রস্তুত হয় এবং ইহাকে যীশুর গির্জা নাম দেওয়া হয়। পের্টুগিজদিগের সাহায্যে এই গির্জা খুব জাঁকজমক সহকারে সাজান হইল এবং ১লা জানুয়ারিতে খুব ধুমধামের সহিত উপাসনা করা হইল। চারদিকে উহার নাম পড়িয়া গেল। এই গির্জা দেখিবার ইচ্ছা প্রকাশ করিয়া রাজা সভাসদের এক প্রক প্রকান্ড দল লইয়া আমাদের নিকট আসিলেন এবং গির্জার সাজসজ্জা দেখিয়া অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করিলেন। খুব ভক্তির সহিত গির্জা ঘরে প্রবেশ করিলেন এবং যখন প্রধান চ্যাপেলটির নিকট আসিলেন তখন জুতা খুলিয়া লইলেন। তাঁহার জন্য একখানা চেয়ার আগে হইতে প্রস্তুত রাখা ছিল, কিন্তু আমরা কিছুতেই তাঁহাকে বসাইতে পারিলাম না, এমনকি কাপের্টেও নহে। তিনি শুধু সিঁড়ির উপর একখানা ছোটো মাদুরে বসিলেন এবং সেখানে অনেকক্ষণ ধরিয়া কথাবার্তা বলিতে লাগিলেন। গির্জার বেদীর উপর যে সব দুর্লভ দ্রব্য ছিল এবং অন্যান্য জিনিস যাহা দেখিলেন, তাহা সম্বন্ধে আমাদিগকে জিজ্ঞাসা করিলেন। আর তাহাদিগকে একটি পাথরের গির্জা নির্মাণ করিতে অনুমতি দিলেন, যাহা বঙ্গদেশের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সুন্দর হইবে।’ অসাম্প্রদায়িক রাজার সেনাবাহিনীর মুসলমান সদস্যরা নামাজ আদায় করতেন বংশীপুর শাহী মসজিদে, হিন্দু সদস্যরা পূজা দিতেন যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে এবং খ্রিষ্টান সদস্যরা উপাসনা করতেন গির্জায়। সেই সাতক্ষীরা এখন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপদ, নিরাপত্তা, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

RelatedPosts

মতামত ● মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত পরিণত হচ্ছেন—এম.এম দত্ত ○ মিথুশিলাক মুরমু

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আবার শুরু হচ্ছে

ক্যালিফোর্নিয়ায় বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণহানি ৮

গত নভেম্বর ৫, ২০২১ তারিখ সরজমিনে গিয়েছিলাম সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরবর্তী হরিণখোলা গ্রামে। উদ্দেশ্য খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীর তারক দাসের সাথে সাক্ষাৎ করতে। ন্যাশনাল খ্রিষ্টিয়ান ফেলোসিপ অফ বাংলাদেশ (এনসিএফবি)’র সাধারণ সম্পাদক রেভারেন্ড মার্থা দাস, বাংলাদেশ ফ্রি খ্রিষ্টিয়ান চার্চেস (বিএফবিসি)’র রেভারেন্ড প্রদ্যুৎ সরকার এবং পাষ্টর থিওফিল গাজী, ফ্রি খ্রিষ্টিয়ান চার্চেস অফ বাংলাদেশ (এফসিসিবি)’র রেভা. রঘুনাথ সরকারের সাথে আমিও সফরসঙ্গী হয়েছিলাম। সূর্য ডুবু ডুবু মুহূর্তে আমরা পৌঁছালাম, পৌঁছাতেই তারক দাস দৌড়িয়ে বেরিয়ে আসেন এবং কান্না জড়িত কণ্ঠে আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলো, লুটপাটের স্থানগুলো, কোন কোন স্থানে পরিবারের সদস্যদের অপদস্ত করা হয়েছে ইত্যাদি খুটিয়ে খুটিয়ে দেখাচ্ছিলেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও পরিবারের কর্তা তারক দাসের সাথে চোখের জল ফেলেছেন; তাদের চোখের চাহনি, হৃদয়ের ব্যাকুলতা, অবিচারের আশঙ্কা, প্রশাসনের নরিবতা সত্যিই একজন নাগরিককে উদ্বিগ্ন করে তোলে। একজন ধর্মীয় সংখ্যালঘুর এহেন হতাশা কিংবা আতঙ্ক অমূলক নয়। আমরা তার মনোব্যথাগুলো উপলব্ধি করতে চেষ্টা করলাম।

বিগত ১৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী তারক দাসের বাড়িতে লুটপাট চালিয়েছে। প্রতিদিনের মতোই তারক দাস পারিবারিক কাজে ঘরের বাইরে ছিলেন, তার পুত্রসন্তান সঞ্জয় দাসও (ঝালমুড়ি বিক্রেতা) ঘরে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছিল। এমনই সময়ে সুযোগ বুঝে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদিরা তারক দাসের পরিবারের অন্য সদস্য তার স্ত্রী বীণা দাসী, বৌমা অঞ্জলী দাসী এবং নাতি সুজিত কুমার দাসের ওপর চড়াও হয়। ঘরের আসবাবপত্র, ঘরের টিনগুলো ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে। পরিবারের স্বচ্ছলতা আনয়নে ছাগলের খামার গড়ে তোলার লক্ষে ৯টি ছাগল সংগ্রহ করেছিলেন; ৯টির মধ্যে ৫টি পাঁঠা (বিদেশি জাতের) এবং ৪টি মাদী ছাগল নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। পাঁঠা দিয়ে ছাগলের প্রজনন কেন্দ্র গড়তে চেয়েছিলেন। ধর্মান্ধ ব্যক্তিরা রাতের অন্ধকারে পরিবারের সহায় সম্বল সমস্ত কিছুই হাতিয়ে নিয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে সোলার লাগিয়েছিলেন, সেটিও ছিনিয়ে নিয়েছে। ঘটনার ৮দিন পর তালা থানা অভিযোগ গ্রহণ করেছে তারক দাসের।

স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় শিরোনাম হয়, ‘হরিণখোলায় সঞ্জয় দাসের পরিবারের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুরসহ লুট করেছে ৪ লক্ষাধিক টাকার মালামাল (আজকের সাতক্ষীরা, ২১.৯.২০২১)। প্রতিবেদক উল্লেখ করেছেন, ‘জাতিতে তারা ঋষি হলেও অঞ্জলি দাস বেশ সুন্দরী। তাই চোখ পড়ে ভৈরব ঢালী, শান্ত শীল, নিমাই তরফদার ও সৌরভ ম-লের। প্রায় ৩ বছর ধরে অঞ্জলিকে উত্যক্ত করে আসছে। পথে-ঘাটে দেখা হলেই তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। তার শরীর নিয়ে নানা ধরনের কথা বলে’।

খ্রিষ্ট বিশ্বাসী তারক দাসের সাথে দীর্ঘ সময় আলাপনে আরো যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে; সেগুলো খুবই ভয়াবহ। আশপাশের মধ্যে তার পরিবারই একমাত্র খ্রিষ্টিয়ান পরিবার। নির্মিত ঘরের ওপর একটি ক্রুশ দ-ায়মান এবং রাস্তার সাথেই ঘরটি থাকায় রাস্তা দিয়ে গমনাগমনকারীদের দৃষ্টি সহজেই আকর্ষিত হতো। তার প্রতিবেশী কিংবা অন্ত্যজ শ্রেণীর লোকেরা বিষয়টি সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেনি। খ্রিষ্টিয়ান বিদ্বেষী মনোভাব এবং তাদের উচ্ছেদের লক্ষ্যে ইতিপূর্বেও বিভিন্নভাবে তাদেরকে হয়রানি করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত-তারক দাসের পুত্র সঞ্জয় দাস ঘুরে ঘুরে ঝালমুড়ি বিক্রি করে থাকে। তিনি ঝালমুড়ি বিক্রির পাশাপাশি খ্রিষ্টিয়ান ধর্মের পথপ্রদর্শক যিশু খ্রিষ্টের ছবিও প্রদর্শন করে থাকেন, যারা ছবি দেখে আগ্রহী ও উৎসাহী হয়ে থাকেন; তাদেরকে যিশু খ্রিষ্টের সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে অবহিত করে থাকেন। কখনোই কাউকে প্ররোচিত করেননি, তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ভিত্তিতেই দুয়েকটি শেয়ার করে থাকেন। তৃতীয়ত-তারক দাসের প্রজনন কেন্দ্র সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছিল এবং অন্যদের থেকে অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন সত্যিই চোখের শূলে পরিণত হয়েছেন। চতুর্থত-তিনি রাস্তার পাশের্^ যে জায়গাটির ওপর ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন, সেটি তিনি নগদ অর্থে ক্রয় করেছেন। অনেক অন্ত্যজ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব কোনো জায়গা নেই, সেখানে তারক দাসের বসতভিটা ক্রয় অন্যদেরকে তেতিয়ে তুলেছে। পঞ্চমত-প্রতিবেশীদের পূজা-পার্বণ কিংবা ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে চাঁদা দেওয়ার জন্যে চাপ প্রয়োগ করে থাকে কিন্তু তারক দাস বিনয়ের সাথে জানিয়েছে যে, আমি খ্রিষ্টিয়ান ধর্মাবলম্বী; অন্য ধর্মের ধর্মীয় পূজোতে চাঁদা দেওয়া বিধেয় নয় কিন্তু সামাজিক বিষয়াদিতে আগ্রহী হয়েছেন।

জানতে চেয়েছিলাম কেন তিনি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করতে গড়িমসি করেছেন? তিনি জানান, ঘটনার পর পরই তালা থানাধীন বালিয়া ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। বালিয়া ক্যাম্পের এসআই মোসতাক অভিযোগ তদন্ত করেন এবং লুট হয়ে যাওয়া ৯টি ছাগলের মধ্যে ৩টি উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তারই প্রচেষ্টায় ২৫ সেপ্টেম্বর সালিশি বৈঠক আহ্বান করলে তারক দাস তার পক্ষের লোকদের নিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে উপস্থিত হলেও অভিযুক্তরা তোয়াক্কা করেনি। নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ায় পরবর্তীতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা সরাসরি নাকচ করে দেন। তারা বিষয়টির কোনো আমলই নেননি। ফলশ্রুতিতে সেদিন সন্ধ্যায় তালা থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়। এখানেও চলেছে লুকোচুরি খেলা। ২৫ তারিখ দাখিল হওয়া অভিযোগপত্র এন্ট্রি হয়েছে ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে। এ অভিযোগের পুনঃতদন্তের দায়িত্ব প্রদান করা হয় এসআই পিযুষকে। কয়েকদিনের মধ্যেই এসআই পিযুষ র‌্যাবে ট্রান্সফার হয়ে চলে যান, সেক্ষেত্রে বর্তমানে এসআই কাউসার নতুনভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। খ্রিষ্ট বিশ্বাসী তারক দাসের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়েছেন কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের গড়িমসি সত্যিই সন্দেহের অবকাশ সৃষ্টি করেছে।

কয়েক বছর পূর্বে তালা থানার মহান্দি এসেমব্লীজ অব গড চার্চে রাতের অন্ধকারে ধর্মীয় উগ্রবাদীরা পুরোহিতের বাসবভনে আগুন লাগিয়েছিল। গির্জা পরিচালনার পাশাপাশি শিশুদের বিকাশ ও উন্নয়নে একটি সেন্টার পরিচালিত হয়। সরজমিনে দেখেছি, এখনও শিশু বিকাশ সেন্টার থেকে খ্রিষ্টিয়ান শিশুদের চেয়ে মুসলমান, হিন্দু ছেলেমেয়েরাই সর্বাধিক সেবা পেয়ে আসছে। কেউ কখনো সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যে, খ্রিষ্টিয়ান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্মের কথা প্রচার ও গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছেন। এরপরও তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিষেদাগার ও চাপা ক্ষোভ প্রতীয়মান হয়েছে। তৎকালীন সময়ে মহান্দি এসেমব্লীজ অব গড চার্চের পুরোহিতকে নানাভাবে প্রশাসন থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি যেন কোনো উগ্রবাদি, ধর্মান্ধ গোষ্ঠী বা দলের নাম উচ্চারণ থেকে বিরত থাকেন! থানা ওসি, এসপি, জেলার জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কর্মকর্তাও নিজেদের দিকটিই শক্তপোক্ত করতে উঠে পড়েছিলেন কিন্তু আড়ালেই থেকে গেছে সেই দুর্বৃত্তরা। একটি বার চিহ্নিত দুর্বৃত্তদের শাস্তি প্রদানে সক্ষম হলে দ্বিতীয়বার এরূপ ঘটনার অবতারণা হতো না। অভিযোগ পাওয়া গেছে, প্রশাসনের সাথেই দুর্বৃত্তদের সুসম্পর্ক, একে-অপরকে সহযোগিতা করে; আর্থিক লেনদেনে দু’পক্ষই লাভবান হয়ে চলেছেন।

বিগত ৫ নভেম্বর তালা থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে সন্ধ্যায় টিমের সদস্যরা সাক্ষাৎ করি। বর্তমান ওসি আমাদের সময় দিলেন এবং আমাদের বক্তব্যগুলো শ্রবণ করলেন। ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগকালের ওসি মেহেদি হাসান তিনিও অন্যত্র বদলি হয়েছেন। ওসি জানালেন, তারক দাসের বিষয়টি তিনি অবগত আছেন, খ্রিষ্টিয়ান ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে যে উত্তেজনা রয়েছে, সেটি অবশ্যই আমাদেরকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান তালিকায় রয়েছে। যেহেতু মামলা হয়েছে, সেক্ষেত্রে তদন্ত সাপেক্ষে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করার জোর প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে। দোষী যেই হোক না কেন, কেউ-ই আইনের উর্ধ্বে নয়। বোধ করি, তিনি গুরুত্বারোপের কথা বললেও এতদিনে কোনো সামান্যতম উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। এখন পর্যন্ত কয়েক লক্ষাধিক টাকার জানমাল উদ্ধারে তৎপরতা দেখা যায়নি। তারক দাস অভিযোগে উল্লেখ করেছিলেন, ‘…৫টি পুরুষ ও ৪টি নারী ছাগল চুরি করিয়া নিয়া যায় যার আনুমানিক মূল্য ৩,০০,০০০/-(তিন লক্ষ) টাকা’। জানতে চেয়েছিলাম, পাঁঠা ছাগলের দাম এবং কোথায় থেকে ক্রয় করেছেন? তিনি ফেরত পাওয়া পাঁঠা দেখিয়ে জানাচ্ছিলেন, এটি আমি ঝিকরগাছা থেকে ক্রয় করে নিয়ে এসেছি ৪০ হাজার টাকায়। লুট হয়ে যাওয়া পাঁঠার মধ্যে একটির দাম ৮০ হাজার টাকা। থানার ওসি তারক দাসের মতো নগণ্য লোকদের বিষয়ে চিন্তা-ভাবনাকে তালিকার তলানীতেই রেখেছেন।

হরিণখোলার খোলা বাতাসে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, একটি প্রভাবশালী মহল খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী তারক দাসের উচ্ছেদ, হুমকিকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে চলেছেন। এই হুকুমদাতারাই আড়ালে থেকে শান্তিপূর্ণ সম্প্রীতিমূলক সালিশি বৈঠক প- করে দিয়েছিলেন। কী তাদের উদ্দেশ্য, কী তাদের মনোবাসনা! হয়ত এরূপ আশঙ্কা থেকেই সঞ্জয় দাস উচ্চারণ করেছেন, ‘আমাদের আর হরিণখোলায় থাকা হবে না। স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করাও সম্ভব হবে না।’ একজন নাগরিকের কাছ থেকে এমন হতাশা, অসহায়ত্বের কথা কেউ-ই প্রত্যাশা করে না; তালা থানার কর্তৃপক্ষ একটু সুনজর দিলেই তারক দাসের পরিবার শান্তিতে বসবাস করতে পারে। নিষ্ক্রিয় স্থানীয় প্রশাসনগুলো সক্রিয় হলেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনসাধারণ শান্তিতে, সম্প্রীতিতে, ভ্রাতৃত্ববোধের সাথে বসবাস করতে সক্ষম হবে।
মিথুশিলাক মুরমু : গবেষক ও কলামিস্ট।

Previous Post

Mostbet'ten Nasıl Para Çekilir

Next Post

কলাম►করোনার অভিঘাত : আমরা কি সুস্থ আছি? কামরুল হাসান বাদল

Admin

Admin

Next Post
কলাম►করোনার অভিঘাত : আমরা কি সুস্থ আছি?  কামরুল হাসান বাদল

কলাম►করোনার অভিঘাত : আমরা কি সুস্থ আছি? কামরুল হাসান বাদল

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 9 8 3 1
Users Today : 159
Views Today : 202
Total views : 182050
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In