১৩ তারিখ পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার পর যখন দেখলাম আমার নামটি নেই তখন ভাবলাম হয়তো যোগ্য না। তাই হয়তো আমার নামটি দেয়নি । এক পর্যায়ে শোভন ভাইকে ফোন দিলাম । ভাইকে বললাম ভাই আমাকে কেন কমিটিতে রাখা হলো না? আমি শুনতে চেয়েছিলাম তিনি হয়তো বলবেন আমি যোগ্য না। রাজনীতি করতে থাকো পাবে এক সময়। কিন্তু না……
ভাই আমাকে বললেন, তোকে অনেক রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু রাব্বানীর জন্য তোকে রাখতে পারিনি। তোর উপর রাব্বানীর ব্যক্তিগত ক্ষোভ। আমাকে ভুল বুঝিস না। কথাটা শুনে কাঁদবো না হাসবো বুঝতে পারলাম না। তখন আমি শোভন ভাইকে বললাম ব্যক্তিগত ক্ষোভের সেই ঘটনা। কোন উত্তর দিতে পারেননি শোভন ভাই। রাব্বানী ভাইকে অনেক বার ফোন দিয়েছি। উনি ফোন ধরেনি। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে আমার সাথে রাব্বানী ভাই এর ক্ষোভের ঘটনাটি উল্লেখ করি। যেটা ভাইরাল হয়ে যায়।
আজ সেই লেখা স্ট্যাটাসটার জন্য আমাকে ছাত্রলীগ থেকে তারা বহিষ্কার করে দিলেন????? শোভন-রাব্বানী ভাই আপনাদের একটা কথা বলে যেতে চাই- ব্যক্তিগত ক্ষোভ না দেখিয়ে যারা সংগঠনের জন্য কাজ করে তাদের মূল্যায়ন দিয়েন। আমি সে দিনের মারামারিতে যখন কোমরে আঘাত পেলাম- কই আপনারা তো আমার একটা খোঁজ নিলেন না!!!
আমি মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছি। জানি না কি করবো। আমি যদি মারা যাই শোভন-রাব্বানী ভাইদের কাছ থেকে উত্তরগুলো নিয়ে আমাকে কলঙ্কমুক্ত করবেন পারলে। রাজনীতি করতে এসে রাজনৈতিক নেতাদেরই দ্বারা এতটা অসম্মানিত হবো কোনদিন ভাবতেও পারিনি।
লেখক : সহ-সভাপতি, প্রভাতফেরী, টিএসসি কেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)




Users Today : 131
Views Today : 143
Total views : 182502
