• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, মে ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

বেসরকারি শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল

Admin by Admin
জুলাই ৩১, ২০১৯
in Uncategorized
0 0
0
পুরনো বৈষম্যগুলো আর কত : অনামিকা চৌধুরী
24
SHARES
8.3k
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মুক্তকথা ● বিবেকের বিশ্লেষণ ■ ডা. অলোক মজুমদার

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোনের করপোরেট নম্বর ব্যবহার ‘বাধ্যতামূলক’

স্মরণে ● কমরেড ইলা মিত্রের শততম জন্মজয়ন্তী এবং নাচোল বিদ্রোহ ○ মিথুশিলাক মুরমু

বিশ^জিৎ রায়

শিক্ষা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত বেসরকারি শিক্ষকরা।শিক্ষা ক্ষেত্রে ৯৭ শতাংশ অবদান রাখছে বেসরকারি শিক্ষকরা আর ৩ শতাংশ অবদান সরকারি স্কুলে চাকুরীরত সরকারি শিক্ষকরা। শিক্ষাক্ষেত্রে যে অভুতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হচ্ছে তাতে বেসরকারি শিক্ষকদের যে মোটেই অবদান নেই তা অস্বীকার করা যাবেনা। শিক্ষা দীক্ষায় বাংলাদেশ অনেক দেশেরই রোল মডেল। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় যে দ্বিতীয়বারের মত ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবল এওয়ার্ড পেলেন এটা গোটা জাতির জন্য গর্বের বিষয়। তেমনি বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য তো বটে। আবার হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ টঘঊঝঈঙ এর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্ট্রার এ অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। দেশজুড়ে আনন্দের জোয়ার। এ জোয়ারের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষদের মন না পাওয়া বেদনায় কাঁদছে। দিনে দিনে ভারাক্রান্ত হচ্ছে মন। জাতি গড়ার কাজে নিবেদিত থেকেও বঞ্চনায় তিতো তারা। একই সিলেবাস পড়িয়ে ৫% প্রবৃদ্ধি নেই, বৈশাখী ভাতা নেই আরও অনেক কিছু নেই তাদের। শিক্ষকদের অরেক শ্রেণি আছে তাদের হৃদয় কাদছে উচ্চতর স্কেল না পাওয়ার জন্য। একই সাথে চাকুরী তে প্রবেশ করে কেউ পাচ্ছে ১৬০০০/-স্কেল আর কেউ পাচ্ছে ২২০০০/- স্কেল। এ যে কী পীড়ন তা বোঝানো যায় না। অথচ উচ্চতর স্কেল ( আগেকার টাইম স্কেল )তাদের বৈধ পাওনা। এটা তাদের কর্মের স্বীকৃতি। তাদের কাজের অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি। এখানে যারা কর্মরত তারা সরকারি বিধি বিধান মেনে নিয়োগ পেয়েছেন । ২০০ ৫ সালে শিক্ষক নিবন্ধন চালু হওয়ার পর আরও মেধাবীদের শিক্ষকতার পেশায় সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষক নিবন্ধনে পাশের শতকরা হার থাকে ২৫ থেকে ৩৫ এর মধ্যে। আবার ১৩ তম নিবন্ধন থেকে বিসিএস এর আদলে পরীক্ষা হচ্ছে। এখানে যারা আসছে তারা মেধাবী। মেধাবীদের ধরে রাখতে গেলে সুযোগ্য সুবিধা বৃদ্ধি করা ছাড়া সম্ভব হয় না। মানষিক অশান্তিতে ভোগে। কুকড়ে কুকড়ে মরে মন । ২০১৫ বেতন গেজেট প্রকাশ হওয়ার পর সুযোগ সুবিধা সরকারিদের বাড়লেও বেসরকারি সংকুচিত হয়েছে। যেমন একজন সরকারি চাকুরে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পাচ্ছে, পূর্নাঙ্গ উৎসব বোনাস পাচ্ছে, ১০ বছর ১৬বছর পূর্তিতে উচ্চতর স্কেল পাচ্ছে, ধোলাই ভাতা পাচ্ছে,শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাচ্ছে। কিন্তু বেসরকারিদের উচ্চতর স্কেল ( আগেকার টাইম স্কেল ) বন্ধ। দেশের হাজার শিক্ষক দু:শ্চিন্তা গ্রস্থ,হতাশা গ্রস্থ।আর্থিক অনাটনে ভুগছে তারা। অথচ এটা ছিল বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি মিমাংসিত বিষয়।টাইম স্কেলটি ছিল বেসরকারি শিক্ষদের আন্দোলনের ফসল। ১৯৯৪ সালে একটি দুর্বার আন্দোলনের ফলে অর্জিত হয়েছিল এই টাইমস্কেল যা বর্তমানে ২০১৫ বেতন গেজেট অনুযায়ী উচ্চতর স্কেল হিসেবে বিবেচিত।সরকারি চাকুরীজীবিদের উচ্চতর স্কেলটি চালু হয়েছে। কিন্তু শিক্ষদের জন্য বিষয়টি অধঁরা।১০ বছর পূর্তিতে কবে তারা উচ্চতর স্কেলটি পাবে বা আদৌ পাবে কিনা তা কোন সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় আসে নি বা শিক্ষামন্ত্রানালয় কোন ব্রীফ দেয় নাই। অথচ লাখ লাখ শিক্ষক এর জন্য দুশ্চিন্তা গ্রস্থ। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বেসরকারি শিক্ষকবৃন্দ গ্রাজুয়েট একজন শিক্ষক তার পেশা শুরু করেন ১২৫০০/ স্কেলে। তারপর বিএড পাস করারপর পায়১৬০০/- স্কেল এবং ৮ বছর পূর্তিতে পেত ২২০০০/- স্কেল।কিন্তু ২০১৫ এর বেতন গেজেট এ টাইম স্কেল রহিত করায় বেসরকারি শিক্ষকগনের জন্য এটি কাল হয়ে দাড়িয়েছে। শিক্ষামন্ত্রানালয়ের

মাননীয় মন্ত্রীর কাছে উচ্চতর স্কেল ( আগেকার টাইম স্কেল) এর বিষয়টির সুষ্ট সমাধান চায়। নভেম্বর২০১৬ খ্রী: এমপিও সভা থেকে জানা গেল এবারও টাইম স্কেল পাচ্ছে ৯১ জন। কিন্তু যারা বেতন গেজেট ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫ খ্রী: এর পর চাকুরীর মেয়াদ ৮ বছর সন্তোষজনক ভাবে পূরণ করেছেন তারা আর ২২০০০/- স্কেলে যেতে পারছেনা। ইত্যোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রানলয় ২০১৫ বেতন গেজেট অনুয়ায়ী টাইম বন্ধ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারী করেছে। আবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬অর্থ মন্ত্রানালয়ের বাজেট অনুবিভাগ কর্তৃক জারীকৃত” জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ স্পষ্টিকরণ” এক প্রজ্ঞপনে ” উচ্চতর গ্রেডের প্রাপ্যতার “শর্তে বলা হয়েছে “(১) একই পদে কর্মরত কোন কর্মচারী
দুই বা ততোধিক উচ্চতর স্কেল( টাইম স্কেল/ সিলেকশন গ্রেড,যে নামে অভিহিত হইক) পাইয়া থাকিলে তিনি এই অনুচ্ছেদের অধীন উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হইবেনা। (২) একই পদে কর্মরত কোন কর্মচারী একটি মাত্র উচ্চতর স্কেল( টাইম স্কেল/ সিলেকশন গ্রেড, যে নামে অভিহিত হউক না কেন ) পাইয়া থাকিলে উচ্চতর স্কেল( টাইম স্কেল / সিলেকশন গ্রেড) পাইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৬ বছর পূর্তির পর ৭ম বছরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হইবেন।
(৩) একই পদে কর্মরত কর্মচারী কোন প্রকার উচ্চতর স্কেল ( টাইম স্কেল / সিলেকশন গ্রেড, যে নমে অভিহিত হউক ) না পাইয়া থাকিলে সন্তোষজনক চাকরির শর্তে তিনি ১০ বছর চাকরি পূর্তিতে ১১ তম বছরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড এবং ৬ বছরে পদোন্নতি না পাইলে ৭ ম বছরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হইবেন।

বেসরকারি শিক্ষকরা বেতন স্কেল স্পষ্টিকরণ পরিপত্রের ৩ নং শর্তের আওতাধীন। যেহেতু চাকরী জীবনে তারা একটি মাত্র টাইম স্কেল ( উচ্চতর স্কেল )পেয়ে থাকে সেহেতু এমপি ভূক্তি থেকে ১০ বছর পূর্তিতে তারা উচ্চডর স্কেল পাওয়ার দাবী রাখে।
ক্যাব এর জরীপ মতে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে। অর্থিক এ ঘাটতি তাদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। বেসরকারি শিক্ষরা জাতীয় বেতন এর অন্তর্ভূক্ত সেহেতু তারা উচ্চতর স্কেল এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে এ কথা কল্পনা করা যায় না। ভুক্তভুগিদের দাবী সরকারি চাকুরীজীবিরা যেদিন থেকে উচ্চতর স্কেল পাচ্ছে সে দিন থেকে বেসরকারি শিক্ষরা পাওয়ার প্রত্যাশা করে। গত ২৯ নভেম্বর ২০১৬ খ্রী:মাননীয় আদালয় একজন মাদ্রাসার মৌলভী শিক্ষকের আবেদনের প্রক্ষিতে মাদ্রাসার মৌলভী ( কামিল পাস) শিক্ষকদের সাথে স্কুলের মৌলভী ( কামিল পাস ) শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূরিকরণ জন্য এবিষয়টি রায় প্রদান করেছেন। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় বেসরকারি শিক্ষদের উচ্চতর স্কেলের ( আগেকার টাইম স্কেল) সমস্যার সুরাহা করবেন বেসরকারি শিক্ষক সমাজ এ প্রত্যাশা করে।

লেখক: শিক্ষক,বিশ্বজিৎ রায়
মৃজাপর মাধ্যমিক বিদ্যালয় তালা,সাতক্ষীরা।

Previous Post

ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম আপাতত চলবে

Next Post

সম্পাদকীয়

Admin

Admin

Next Post

সম্পাদকীয়

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 6 1 9 4
Users Today : 40
Views Today : 50
Total views : 177935
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In