• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, মে ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

‘বন্দুক না, খাবার হাতে আসুক, আমরা ঘরে থাকমু’

‘বন্দুক না, খাবার হাতে আসুক, আমরা ঘরে থাকমু’

Admin by Admin
জুলাই ৮, ২০২১
in Uncategorized
0 0
0
‘বন্দুক না, খাবার হাতে আসুক, আমরা ঘরে থাকমু’
0
SHARES
16
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মুক্তকথা ● বিবেকের বিশ্লেষণ ■ ডা. অলোক মজুমদার

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোনের করপোরেট নম্বর ব্যবহার ‘বাধ্যতামূলক’

স্মরণে ● কমরেড ইলা মিত্রের শততম জন্মজয়ন্তী এবং নাচোল বিদ্রোহ ○ মিথুশিলাক মুরমু

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় করোনা সংক্রমণ বাড়লেও বিধিনিষেধ মানার ব্যাপারে উদাসীন এলাকাবাসী। কঠোর লকডাউনের মধ্যেও উপজেলার রাস্তাঘাট ও বাজারগুলোতে মানুষের ভিড় আগের মতোই রয়েছে। বন্দর সেন্ট্রাল ফেরিঘাট ছাড়া অন্যান্য স্থানে প্রশাসনের তৎপরতাও চোখে পড়ার মতো নয়।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে বন্দর উপজেলায় সর্বোচ্চ সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ২০৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু বন্দর উপজেলায় ৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫৩ জনের। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় এই উপজেলায় শনাক্তের হার ৭০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। একই সময়ে উপজেলায় করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

সংক্রমণ বাড়লেও তা নিয়ে উদাসীন বন্দরবাসী। উপজেলায় চলমান কঠোর লকডাউনের অষ্টম দিনে উপজেলায় জনসমাগম বেড়েছে। আজ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার শীতলক্ষ্যা পারাপারের ঘাট, বিভিন্ন বাজার ও পাড়া–মহল্লায় ঘুরে দেখা গেছে বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নাই।

সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকগুলো কোনো বাধা ছাড়াই পুরোনো নিয়মে চলাচল করতে দেখা গেছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও চায়ের দোকানগুলোতে বসেই সকালের নাশতা করেছেন বাইরে বের হওয়া লোকজন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জরুরি পণ্যের দোকান ছাড়াও বন্দরের প্রায় সব ধরনের দোকানপাট খুলতে শুরু করেন দোকানিরা।

সকাল ১০টায় নবীগঞ্জ ফেরিঘাট ও রেললাইন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্বাভাবিক সময়ের মতোই সেখানে শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক যাত্রী পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করছে। চালকেরা গাড়িতে যাত্রী ওঠানোর জন্য হাঁকডাক করছেন। আগের মতোই প্রতিটি অটোরিকশায় গাদাগাদি করে পাঁচ থেকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছে।

এ সময় নবীগঞ্জ ঘাটের ট্রলারগুলোতেও সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি। ঘাট এলাকার অন্তত পাঁচটি খাবার হোটেলের ভেতরে বসে লোকজনকে সকালের নাশতা করতে দেখা গেছে। ঘাটে আসা অধিকাংশ লোকজনের মুখেই মাস্ক ছিল না। এর আগে একরামপুর ইস্পানি ঘাট, একরামপুর বাজার, বন্দর স্কুল ঘাট, বন্দর বাজার, সোনাকান্দা ও বন্দর রেললাইন ঘুরেও একই চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে এসব এলাকায় প্রশাসনের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

বিধিনিষেধ অমান্য করে হোটেলের ভেতর খাবার পরিবেশন করার কারণ জানতে চাইলে মহিউদ্দিন মিয়া নামের এক হোটেল ম্যানেজার বলেন, লকডাউন শুরুর চার দিন তাঁরা নিয়ম মেনেছেন। তারপর থেকে ক্রেতাদের চাপ বাড়ায় হোটেলে বসিয়ে খাবার বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে লকডাউনের মধ্যে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়েই ঘর থেকে বের হয়েছেন বলে দাবি করেন নবীগঞ্জ ঘাট এলাকার সিএনজি চালকেরা। সাত দিন পর আজ সিএনজি নিয়ে বের হয়েছেন বলে জানান মোমিনুল ইসলাম নামের একজন সিএনজিচালক। তিনি বলেন, ‘দেশের বাস্তব পরিস্থিতি খারাপ, সেটা আমরা জানি। কিন্তু আমাগো মতো দিনমজুরদের অবস্থা তো আরও খারাপ। খাইয়া না খাইয়া সাত দিন কাটাইছি। আধসের চাউল দেয় নাই কেউ। বিভিন্ন বাহিনী দিয়া আমাগো শাসন করে। তাঁরা বন্দুক হাতে আসে। জরিমানা করে। কিন্তু কেউ তো খাবার হাতে আসে না। বন্দুক না খাবার হাতে আসুক, আমরা ঘরে থাকমু কথা দিলাম।’

উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর মধ্যে শুধু বন্দর ঘাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের তৎপরতা চোখে পড়েছে। সকাল থেকে সেখানে সামাজিক দূরত্ব মেনে ট্রলারগুলোতে ২০ জন ও নৌকাগুলোতে ৫ জন করে পরাপার হতে দেখা গেছে।

নারায়ণগঞ্জের করোনা ফোকাল পারসন জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিধিনিষেধের মধ্যেই গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জে নতুন করে ২০৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বন্দর উপজেলায় সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ। এটা ভীতিকর পরিস্থিতি। যেকোনো মূল্যে মানুষকে ঘরে রাখতে হবে। চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো জেলাবাসীকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

Previous Post

খুলনা বিভাগে একদিনে আরও ৫১ মৃত্যু

Next Post

শনাক্তের নতুন রেকর্ড ১১ হাজার ৬৫১, মৃত্যু ১৯৯

Admin

Admin

Next Post
করোনা সংক্রমণে একদিনে রেকর্ড ১৪৩ জনের মৃত্যু

শনাক্তের নতুন রেকর্ড ১১ হাজার ৬৫১, মৃত্যু ১৯৯

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 6 1 9 4
Users Today : 40
Views Today : 50
Total views : 177935
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In