• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, মে ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

পোকা-মাকড় দমনে আলোকফাঁদ ,মৃত্যুঞ্জয় রায়

Admin by Admin
নভেম্বর ৯, ২০১৭
in Uncategorized
0 0
0
পোকা-মাকড় দমনে আলোকফাঁদ ,মৃত্যুঞ্জয় রায়
0
SHARES
104
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

পাকামাকড় ফসলের যথেষ্ট ক্ষতি করে। এ দেশে ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমনে প্রধানত বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, যা পরিবেশ ও মানব¯^াস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে সমšি^ত বালাই ব্যবস্থাপনা বা আইপিএম একটি আধুনিক ধারণা। এ পদ্ধতিতে কীটনাশক ছাড়া অন্যান্য অনেক পদ্ধতিতে ক্ষতিকর পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বিশেষ করে আলোকফাঁদ ও ক্ষেতে ডাল পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করে অনেক পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। আলোকফাঁদ প্রকৃত অর্থে ফসলে পোকার উপস্থিতি যাচাই বা মনিটরিংয়ের একটি যন্ত্রবিশেষ। কিন্তু এটা দিয়ে শুধু পোকার উপস্থিতি যাচাই না করে ক্ষেতের পাশে নিয়মিতভাবে পেতে রেখে অনেক পোকা আলোতে আকৃষ্ট করে মারা যায়। এটি পোকা নিয়ন্ত্রণে একটি যান্ত্রিক পদ্ধতিবিশেষ। আলোকফাঁদ এ দেশে বহুকাল আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাচীনকালে ক্ষেতের ধারে রাতে মশাল জ্বেলে বানর ও বুনো শূকরের মতো ফসল-অনিষ্টকারী জীবজন্তুকে ভয় দেখানো হতো। এতে ফসল-অনিষ্টকারী পোকাও মারা পড়ত। কিন্তু সেকালে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে আধুনিক নিয়মে আলোকফাঁদ তৈরি ও ব্যবহার করা হতো না। অতীতে হারিকেন জ্বেলে আলোকফাঁদ দেয়া হতো। এরূপ ফাঁদে আলোর তীব্রতা কম থাকায় পোকা খুব কম আকৃষ্ট হয়। অর্থাৎ হারিকেন দিয়ে বানানো আলোকফাঁদের ক্যাচমেন্ট এরিয়া বা পোকাদের আকৃষ্ট করে পুড়িয়ে মারার ক্ষমতা খুবই কম।
আলোকফাঁদ হলো কোনো কিছু আটকানোর একটা যন্ত্র। এই যন্ত্রে নানা রকমের কৌশল অবলম্বন করে শিকার ধরা বা আটকানোর ব্যবস্থা করা হয়। বেশ কিছু পোকা আছে যারা আলোতে আকৃষ্ট হয়। তাই আলোক ব্যবহার করে আলো-আকর্ষী এসব পোকা আটকানোর বা আকৃষ্ট করে মেরে ফেলার জন্য যে ফাঁদ তৈরি করা হয় তাকেই আলোকফাঁদ বলে। আলোকফাঁদের উপকারিতা : আলোকফাঁদ মূলত একটি মনিটরিং যন্ত্র, যা দিয়ে ক্ষেতে কী কী পোকা আছে তা দেখা যায়। আলোকফাঁদ দ্বারা অনেক ধরনের পোকামাকড়ের উপস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে জরিপ করা যায়। বিশেষত ফসলের যেসব পোকা আলোতে আকৃষ্ট হয় তা ক্ষেতের কাছে আলোকফাঁদ পাতলে তাতে আকৃষ্ট হয় এবং মারা পড়ে। অনেক নিশাচর প্রকৃতির পোকাও আলোকফাঁদে ধরা পড়ে। তবে আলোর গুণাগুণের ওপর ফাঁদের কার্যকারিতা নির্ভর করে। ফ্লোরোসেন্ট বা তীব্র আলোর ফাঁদে বেশি পোকা আসে। এ ছাড়া হ্যাজাক বাতি এবং ২০০ ওয়াটের বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে ভালোভাবে পোকা দমন করা যায়। তবে কেরোসিন বাতি বা হারিকেনের আলোয় পোকা আসে সবচেয়ে কম। এমনকি টায়ার পুড়িয়ে বা মশাল জ্বেলেও অনেক পোকা দমন করা যায়, যেমন ধানের গান্ধী পোকা। এসব ফাঁদ তৈরি ও ব্যবহার অত্যন্ত সহজ হওয়ায় দিনে দিনে তা কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তা ছাড়া পোকা নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতি সস্তা ও পরিবেশবান্ধব। বর্তমানে কৃষি বিভাগের পরামর্শে আমন ধানের ক্ষেতে ব্যাপকভাবে সারা দেশে আলোকফাঁদ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে কম খরচেই পোকা-মাকড় দমন করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে দিনে দিনে এ পদ্ধতিটি কৃষকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে। আলোর ফাঁদ পদ্ধতির মাধ্যমে ফসলে কোন পোকা আক্রমণ করছে তা নিরূপণ করে সময়মতো দমনে উদ্যোগ নেয়ায় ইতোমধ্যেই কৃষকরা বেশ উপকৃত হচ্ছে এবং ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে আমন ক্ষেত। এতে একটি মাত্র কীটনাশক প্রয়োগ করেই পুরো ক্ষেত আক্রমণ করার আগেই ফসলের পোকা দমন করতে পারছেন তারা। ফলে বাড়তি খরচের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন কৃষকরা।

আলোকফাঁদ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায় যেসব পোকা
ফসলের শত্রæ ও মিত্র সব ধরনের পোকাই আলোতে আকৃষ্ট হয়। বন্ধু পোকাদের মধ্যে বোলতা, লেগি বার্ড বিটল, ক্যারাবিড বিটল, ড্যামসেল ফ্লাই ইত্যাদি। তথাপি ফসলের বেশ কিছু প্রধান ক্ষতিকর পোকাকে আলোকফাঁদ দিয়ে সফলতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বিশেষত ধানের মাজরা পোকা, সবুজ পাতাফড়িং, বাদামি গাছফড়িং, সাদা পিঠ গাছফড়িং, কমলা মাথা পাতাফড়িং, সাদা পাতাফড়িং, নলি মাছি, পাতা মোড়ানো পোকা, চুঙ্গি পোকা, থ্রিপস, খাটো শুঁড় ঘাসফড়িং ইত্যাদি। সবজি ফসলেরও অনেক পোকা যেমন কাটুই পোকা, সরুই পোকা বা ডায়মন্ড ব্যাক মথ, পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা ইত্যাদি আলোকফাঁদে ধরা পড়ে। ফাঁদ তৈরির পদ্ধতি : আলোকফাঁদ তৈরির কৌশল খুব সহজ। এই ফাঁদ তৈরি করতে গেলে লাগে বৈদ্যুতিক বাতি বা হ্যাজাক বাতি। এখন চার্জার লাইট দিয়ে এক রকম বিনা খরচে সবচেয়ে কার্যকর আলোকফাঁদ তৈরি করা হচ্ছে। যেখানে বিদ্যুতের ব্যবস্থা নেই সেখানে হ্যাজাক বাতি ও চার্জার লাইট দিয়ে আলোকফাঁদ তৈরি করা ভালো। আলোকফাঁদের জন্য লাগবে পাঁচ ফুট লম্বা সরু তিনটি বাঁশের টুকরা, গুনা তার, একটি প্লাস্টিক বা মাটির বড় জালা/চারি/গামলা এবং পানি। তিনটি বাঁশের মাথা গুনা তার দিয়ে বেঁধে গোড়া ফাঁক করে তিন দিকে দিয়ে সেটিকে দাঁড় করিয়ে দিতে হবে। নিচে রাখতে হবে পানিভর্তি গামলা। গামলার পানিতে একটু তরল বা গুঁড়া সাবান গুলে দিতে হবে। এতে পানিতে পড়া পোকারা আর উঠতে পারবে না। বাঁশের মাথায় ঝুলিয়ে দিতে হবে বৈদ্যুতিক বাতি, চার্জার বা হ্যাজাক। সেটি জ্বালালেই তার আলোতে পোকারা আকৃষ্ট হয়ে আসতে শুরু করবে। তবে কেউ কেউ গামলা মাটিতে না রেখে কিছুটা উঁচুতে আলোর কাছাকাছি রাখেন। এতে পোকা মারা পড়ে বেশি। সে জন্য বাঁশের তিনপেয়ে খুঁটির সাথে আড়াআড়ি করে তিনটি বাঁশের চটা বা কাঠের বাতা পেরেক দিয়ে মেরে দিতে হবে। এর ওপর থাকবে মাটির চারি বা গামলা। দক্ষিণাঞ্চলে ঘের বা জলি আমন ধানের জমি, যার আশপাশে উঁচু কোনো জায়গা পাওয়া যায় না সেসব জমির মাঝে কোনো ফসলবিহীন ফাঁকা জলাশয় বা নালা থাকলে তার ওপর বাঁশের খুঁটি দিয়ে আলোকফাঁদ টাঙানো যায়। এতে পোকা আলোতে আকৃষ্ট হয়ে পানির মধ্যে পড়ে এবং পানিতে থাকা মাছ সেসব পোকা খায়। তবে পানি তলের উচ্চতা ও আলোর দূরত্ব কাছাকাছি থাকা বাঞ্ছনীয়। এতে যেসব পোকা আলোতে আকৃষ্ট হয়ে আসবে তা আর উড়ে পালাতে পারবে না। এটি একটি খুবই সাধারণ ফাঁদ। অনেকে বৈদ্যুতিক বাল্বের নিচে একটি টিনের বড় ফানেল পেতে তার নিচে বড় একটা প্লাস্টিকের কৌটা বা বয়াম লাগিয়ে দিন। এতে আলোতে পোকা আকৃষ্ট হয়ে ফানেলের মধ্যে পড়বে এবং ফানেলের নল বেয়ে নিচে কৌটায় গিয়ে জমা হবে, আর বের হতে পারবে না। সকালে কৌটা খুলে পোকা বের করে ধ্বংস করে ফেলুন।

RelatedPosts

মুক্তকথা ● বিবেকের বিশ্লেষণ ■ ডা. অলোক মজুমদার

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোনের করপোরেট নম্বর ব্যবহার ‘বাধ্যতামূলক’

স্মরণে ● কমরেড ইলা মিত্রের শততম জন্মজয়ন্তী এবং নাচোল বিদ্রোহ ○ মিথুশিলাক মুরমু

ফাঁদ পাতার নিয়ম
আলোকফাঁদ কখনো ক্ষেতের মধ্যে পাতা যাবে না। পাততে হবে ক্ষেত থেকে অন্তত ৫০ থেকে ১০০ মিটার দূরে, ফাঁকা জায়গায়, যেখানে কোনো ফসল নেই। তা না হলে পোকারা আকৃষ্ট হয়ে আসবে, সব তো মরে না বা পানিতে পড়ে না। কিছু পোকা আলোকফাঁদের চার দিকে নিচে জমিতে পড়ে সেখানেই বসে থাকে। যদি ফসল থাকে, তবে ওরা তার খুব ক্ষতি করে। আলোকফাঁদ পাততে হবে সন্ধ্যেবেলায়। ফসলের যেকোনো স্তরে পাতা যায়, তবে লক্ষ রাখতে হবে যখন বিভিন্ন শত্রæ পোকার কিছু পূর্ণাঙ্গ পোকা ক্ষেতে আসতে শুরু করে তখনই আলোকফাঁদ পাতার উপযুক্ত সময়। ধানগাছের বাড়ন্ত স্তর, বিশেষ করে কুশি স্তরে ঘন ঘন অর্থাৎ প্রতিদিনই আলোকফাঁদ দিলে সবচেয়ে বেশি পোকা ধরা পড়ে ও উপকার বেশি পাওয়া যায়। পোকা গাছে ডিম পাড়া শুরু করার আগেই ওদের দফা রফা করতে পারলে ভালো হয়। বিশেষ করে মথ জাতীয় যেসব পোকা আছে, তা আলোকফাঁদ দেখলেই গাছে বসার আগেই ফাঁদে ছুটে আসে। এর পর সপ্তাহে এক দিন করে চালিয়ে যাওয়া যায়। ধান পুষ্ট হয়ে এলে আর আলোকফাঁদ দেয়ার দরকার হয় না। তবে বাদামি গাছেফড়িংয়ের আক্রমণ অব্যাহত থাকলে আলোক ফাঁদও চালিয়ে যেতে হবে।
সীমাবদ্ধতা
আলোকফাঁদে অনেক পোকা আকৃষ্ট হলেও সব পোকা আসে না। যেমন পামরি পোকা, ছাতরা পোকা, সবুজ শুঁড় লেদা পোকা, বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা ইত্যাদি। তা ছাড়া রাতের সব প্রহরে সব পোকা বের হয় না। যেমন মাজরা পোকা ও বাদামি গাছফড়িং সাধারণত সন্ধ্যেবেলা বেশি বের হয়। আবার অমাবস্যা ও পূর্ণিমার ওপরও পোকার গতিবিধি এবং প্রাচুর্য অনেকাংশে নির্ভর করে। যেমন পূর্ণিমা রাতে গান্ধী পোকা সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে। আবার অমাবস্যার পর নতুন চাঁদ উঠলে মাজরা পোকা সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে।
[ মৃত্যুঞ্জয় রায় : কৃষি বিষয়ক লেখক ও কৃষিবিদ।]

 

Previous Post

হাবিবুর রহমান বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত

Next Post

বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌলিক গবেষণা কতটা হচ্ছে?

Admin

Admin

Next Post
বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌলিক গবেষণা কতটা হচ্ছে?

বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌলিক গবেষণা কতটা হচ্ছে?

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 6 1 8 8
Users Today : 34
Views Today : 42
Total views : 177927
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In