• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

ঢাবির ফার্মেসি ও বায়োমেডিকেল সেন্টারের রিপোর্ট সাত কোম্পানির দুধে অ্যান্টিবায়োটিক-ডিটারজেন্ট

Admin by Admin
জুলাই ৪, ২০১৯
in Uncategorized
0 0
0
ঢাবির ফার্মেসি ও বায়োমেডিকেল সেন্টারের রিপোর্ট সাত কোম্পানির দুধে অ্যান্টিবায়োটিক-ডিটারজেন্ট
0
SHARES
75
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মুক্তকথা ● বিবেকের বিশ্লেষণ ■ ডা. অলোক মজুমদার

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোনের করপোরেট নম্বর ব্যবহার ‘বাধ্যতামূলক’

স্মরণে ● কমরেড ইলা মিত্রের শততম জন্মজয়ন্তী এবং নাচোল বিদ্রোহ ○ মিথুশিলাক মুরমু

বাজারে প্রচলিত সাত কোম্পানির পাস্তুরিত দুধে মানব চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ৭টি প্রতিষ্ঠানের পাস্তুরিত দুধের তিনটিতে এবং তিনটি অপাস্তুরিত দুধে ডিটারজেন্ট পাওয়া গেছে।
এছাড়া উভয় ধরনের মোট ১০টি দুধের নমুনার একটিতে মিলেছে ফরমালিন। প্রাণসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডে ঘি, ফ্রুট ড্রিংকস, গুঁড়া মসলা, পাম অয়েল, সরিষার তেল, সয়াবিন তেলের মানও পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ এবং বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরীক্ষায় খাদ্যে বিপজ্জনক পদার্থের উপস্থিতির এ প্রমাণ মিলেছে। ২৫ জুন মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে (পিএলটি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রাণমিল্ক, মিল্কভিটা, আড়ং, ফার্ম ফ্রেশ, ইগলু, ইগলু চকোলেট এবং ইগলু ম্যাংগো এই সাত কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রাজধানীর পলাশী, গাবতলী ও মোহাম্মদপুর এই তিন বাজার থেকে অপাস্তুরিত দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল জানায়, বিএসটিআই’র মানদ-ে এসব দুধের সবগুলোই বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মানোত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে ১৪ ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে আশঙ্কাজনক কিছু পায়নি বলে আদালতে রিপোর্ট দিয়েছে বিএসটিআই। ২৫ জুন মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন বিএসটিআই’র আইনজীবী সরকার এম আর হাসান।
পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধের মান নিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ এবং বায়োমেডিকেল সেন্টারের প্রতিবেদনের মধ্যে পার্থক্য দেখা গেছে।
এ প্রসঙ্গে বিএসটিআইর পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এসএম ইসহাক আলী বলেন, অন্য প্রতিষ্ঠান কী রিপোর্ট দিল ব্যাপারে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তবে এটুকু বলতে পারি, বিএসটিআইর রিপোর্টের ব্যাপারে আমাদের শতভাগ আস্থা আছে। আমাদের ল্যাব (পরীক্ষাগার) আন্তর্জাতিক মানের। এছাড়া অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের কাছ থেকে ল্যাবের স্বীকৃতি নেয়া আছে।
সম্প্রতি বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর পরীক্ষা চালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ ও বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার। পণ্যগুলো হলোÑঘি, ফ্রুট ড্রিংকস, শুকনা মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, পাম অয়েল, সরিষার তেল, সয়াবিন তেল এবং পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধ। এসব পণ্যের প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে বাজারে বহুল প্রচলিত কোম্পানির ৭ থেকে ১০টি করে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, অধিকাংশ নমুনাই বিএসটিআই নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ডে মানোত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক এবং ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ, রায়হান সরকার।
পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধ : দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের উল্লেখ করে অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, আমাদের পরীক্ষায় পাস্তুরিত দুধের ৭টি নমুনার সবগুলোতেই মানব চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সসিন, অ্যান্টিবায়োটিক সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং অ্যান্টিবায়োটিক এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অন্যদিকে পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধের মোট ১০টি নমুনার একটিতে ফরমালিন এবং পাস্তুরিত দুধের ৭টি নমুনার ৩টিতে ও অপাস্তুরিত দুধের ৩টি নমুনাতেই ডিটারজেন্ট শনাক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী দুধে ফ্যাট ইন মিল্ক যা থাকার কথা পাস্তুরিত দুধের ৬টি নমুনাতেই তার কম পাওয়া গেছে। সলিড নট ফ্যাট যে পরিমাণ থাকার কথা রয়েছে বিশ্লেষণে এসব দুধের সবগুলোতেই কম ছিল।
এসিডিটি এনালাইসিসে যত থাকার কথা পাস্তুরিত দুধের ১টি ও অপাস্তুরিত দুধের ৩টি নমুনাতে এর পরিমাণ ছিল বেশি। আর টোটাল ব্যাকটেরিয়া কাউন্টও ছিল পাস্তুরিত দুধের সবগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কলিফর্ম কাউন্ট পাস্তুরিত দুধের ২টি নমুনাতে ছিল বিএসটিআই নির্ধারিত পরিমাণের অনেক বেশি। আর স্টেফাইলোকক্কাস স্পেসিজ শূন্য থাকার কথা থাকলেও পাস্তুরিত দুধের ৫টিতে এর জীবাণুর উপস্থিতি তো ছিলই, এমনকি এর পরিমাণও ছিল অনেক বেশি। অর্থাৎ বিএসটিআই  মানদ এসব দুধের সবগুলোই বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মানোত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।
সরিষা ও সয়াবিন তেলের মান : তেলের ক্ষেত্রে সরিষার তেলের ৮টি বিভিন্ন নামের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালানো হয়। সেগুলো হলো -রূপচাঁদা, রাঁধুনি, তীর, ফ্রেশ, পুষ্টি, সুরেশ এবং বসুধা। বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সরিষার তেলের স্যাপনিফিকেশন ভ্যালু যত থাকার কথা তার থেকে বেশি রয়েছে ৮টি নমুনার ৩টিতে। পারঅক্সাইড ভ্যালু ১০ থাকার কথা থাকলেও ৪টিতে এর পরিমাণ ছিল প্রায় দ্বিগুণ। আর রিলেটিভ ডেনসিটির পরিমাণও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল ৪টিতে। এছাড়া জলীয় উপাদানও বেশি পাওয়া গেছে ৮টি নমুনার সবগুলোতে। অর্থাৎ এসব নমুনা বিএসটিআই মানদ-ে মানোত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।
সয়াবিনেরও ৮টি নমুনার ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। সেগুলো হলোÑরূপচাঁদা, ফ্রেশ, পুষ্টি, তীর, এসিআই পিওর, ভিওলা, মুসকান এবং মিজান। বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তেলের এসিড ভ্যালু যতটুকু থাকার কথা দুটি নমুনায় তার থেকে বেশি পাওয়া গেছে। স্যাপনিফিকেশন ভ্যালু ৮টির ২টিতে কম এবং ৫টিতে বেশি পাওয়া গেছে।
৫টিতে পারঅক্সাইড ভ্যালু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। আয়োডিন ভ্যালু ৮টি নমুনার ৪টিতে কম এবং ১টিতে বেশি পাওয়া গেছে। আর রিলেটিভ ডেনসিটি বেশি পাওয়া গেছে ৩টি নমুনাতে। আর জলীয় উপাদান ৮টি নমুনাতেই স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়া মেটাল কনটেন্ট কপারের বেলায় সবগুলো নমুনায় নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি এবং আয়রনের বেলায় ৬টি নমুনাতে বেশি ছিল।
গুঁড়া মশলার মান : শুকনা মরিচের ক্ষেত্রে বাজারে প্রচলিত ৮টি ব্রান্ডের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালানো হয়। সেগুলো হল- প্রাণ, আরকো, বিডি, ফ্রেশ, রাঁধুনি এবং প্লাস্টিক ব্যাগে খোলা অবস্থায় বিক্রি হওয়া নামহীন ২টি নমুনা। বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী শুকনা গুঁড়া মরিচে জলীয় উপাদান সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও এসব নমুনার ২টিতে বেশি ছিল।
এসিড ইনসল্যুবল অ্যাশ ছিল সবগুলো নমুনাতেই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। আর একই কোম্পানির হলুদের নমুনায়ও বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড মানা হয়নি। ৮টির ৬টিতে জলীয় উপাদান বেশি পাওয়া গেছে। আর মেটানিল ইয়েলো নামের টেক্সটাইল কালারের উপস্থিতি গ্রহণযোগ্য না হলেও সবগুলোতে এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
পাম অয়েলের মান : পাম অয়েলের ক্ষেত্রে বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় বলে প্রতীয়মান এমন ১০টি নমুনার ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। সেগুলা হলোÑমিজান এবং টিনে খোলা বিক্রি হওয়া ৯টি নমুনা। বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পাম অয়েলে স্যাপনিফিকেশন ভ্যালু, ইনসল্যুবল ইমপিউরিটিজ, পারক্সাইড ভ্যালু ও জলীয় উপাদান যা থাকার কথা সবগুলো নমুনাতেই সেগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া গেছে। এই বিবেচনায় ১০টির সব নমুনাই মানোত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।
১৪ ব্রান্ডের পাস্তুরিত দুধে আশঙ্কাজনক কিছু পায়নি বিএসটিআই : বাজারে থাকা ১৪ ব্রান্ডের ১৮টি পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে আশঙ্কাজনক কোনো কিছুই পায়নি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। আদালতে সংস্থাটির জমা দেয়া প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আদালতের নির্দেশে বাজারে থাকা ১৪ ব্রান্ডের ১৮টি পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে রিপোর্ট দাখিল করেছে বিএসটিআই। এতে ১৪ ব্রান্ডের পাস্তুরিত দুধে আশঙ্কাজনক কিছু পাওয়া যায়নি। ব্রান্ডগুলো হলপুরা, আয়রন, আড়ং ডেইরি, ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক, মিল্ক ভিটা, আফতাব, আল্ট্রা, তানিয়া (২০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রাম), ইগলু, প্রাণ মিল্ক, ডেইরি ফ্রেশ, মিল্ক ফ্রেশ এবং কাউহেড পিওর মিল্ক। বিবর্তন ডেস্ক

Previous Post

শসা দিয়ে দূর করুন চোখের নিচে কালো দাগ!

Next Post

এবার পরীক্ষা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ!

Admin

Admin

Next Post
এবার পরীক্ষা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ!

এবার পরীক্ষা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ!

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 7 5 4
Users Today : 47
Views Today : 48
Total views : 177451
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In