• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

কানে ব্যথার কারণ ও প্রতিকার

Admin by Admin
সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
in স্বাস্থ্য
0 0
0
কানে ব্যথার কারণ ও প্রতিকার
0
SHARES
39
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঙ্গগুলোর অন্যতম কান। আমরা প্রায়ই কানের নানা রকম সমস্যায় ভুগে থাকি। এর মধ্যে কানে ব্যথা একটি অন্যতম সমস্যা।
কানে ব্যথা বিভিন্ন কারণেই হতে পারে। ব্যথার কারণ জেনে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে। কানে ব্যথা হলে করণীয় বিষয়ে আজকের স্বাস্থ্য বিভাগে আয়োজন।

RelatedPosts

ভেষজ ● ধনেপাতার গুণাগুণ

মুক্তকথা ● পনেরটি কাজের চেষ্টা করুন ঔষধ কে দূরে রাখুন ▄ ডা. অলোক মজুমদার

বিশেষ নিবন্ধ ● উপমহাদেশে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের আগমন ও ক্রমবিকাশ ~ মোস্তফা কামাল

ব্যথার কারণ
কানে ব্যথা, কান ভারি লাগা বা কানের সমস্যার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে সংক্রমণ। শুধু শীতকালে ঠান্ডা লেগেই কিন্তু কানে ইনফেকশন হয় না। সারা বছরেই কানে ইনফেকশন হতে পারে। তবে কেন এ সংক্রমণ হয় এবং কীভাবে এটি রোধ করা সম্ভব, তা আগে থেকে জেনে রাখা ভালো।

কেন হয়?
সাধারণত কানের বাইরের দিকে বা মিড্ল ইয়ারেই সংক্রমণ হয়ে থাকে।
বিশিষ্ট নাক কান গলার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শামসুল হক জানিয়েছেন, ‘ঠান্ডা লাগলে নাকের সর্দিটা কানের দিকে চলে গিয়ে সংক্রমণ হয়। বড়ো থেকে শিশু সবারই কানের সংক্রমণ হতে পারে। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই সাঁতার কেটে থাকে। তারপরে কান পরিষ্কার করতে ইয়ার বাড ব্যবহার করে। এতে খুব সহজেই কানে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে এবং ইনফেকশন হতে পারে। এক্সটার্নাল ইয়ারে তখন ‘ফাঙ্গাল ইনফেকশন’ হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। এ ছাড়া অনেকেরই স্বভাব থাকে কটন বাড দিয়ে সারাক্ষণ কান পরিষ্কার করার। সেটাও বিপজ্জনক।’
মনে রাখতে হবে, প্রত্যেকের কানেই একটা ওয়্যাক্সের স্তর থাকে, যা কানের অন্দরমহলকে বাইরের ধুলোবালি থেকে রক্ষা করে। কিন্তু ঘনঘন কটন বাড দিয়ে কান খোঁচালে সেই স্তর নষ্ট হয়ে যায়। আর তার সঙ্গে যারা নিয়মিত সাঁতার কাটেন, তাদের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। কারণ, সুইমিং পুলের পানিতে একাধিক মানুষ সাঁতার কাটে। সেই পানিতে সংক্রমণের ভয় থেকেই যায়। এ ছাড়া খুব ঠান্ডা লেগে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাকে সংক্রমণ হলে তা পৌঁছে যেতে পারে কানে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ব্যথা হলে কী করবেন?
শিশুদের কানে সংক্রমণ খুব স্বাভাবিক। বাচ্চারা যাতে কানে কিছু দিয়ে খোঁচাখুচি না করে, সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বাচ্চাদের কানে ব্যথা হলে তাদের কানে বেশি হাত না দেওয়াই ভালো। টর্চ দিয়ে ভেতরে কী হয়েছে তা কান টেনে দেখার চেষ্টা করলে শিশুর আরো ব্যথা বাড়তে পারে। বরং অল্প অল্প করে স্যাঁক দেওয়া যেতে পারে। গরম তেল জাতীয় কোনো কিছু কানের ভেতরে দেবেন না। একই শিশুর বারবার সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

অনেক সময়ে গরম পানির ভাপ নিলেও কানের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
প্রত্যেকটি ইয়ারড্রপ ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। কখনোই পুরোনো ইয়ারড্রপ ব্যবহার করবেন না।
কানে আঙুল দিয়ে খোঁচাবেন না। নখ বড়ো থাকলে তা থেকে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কানে ব্যথা হলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে হালকা স্যাঁক নেওয়া যেতে পারে। কানে পানি ঢুকে গেলে অনেকেই আবার কানে পানি ঢুকিয়ে সেই কান পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন। সেটা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। বরং তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে যতটা পানি মুছে নেওয়া যায়, মুছে নিন। বাকিটা ঠিক সময় মতো বেরিয়ে যাবে।

কান পরিষ্কার রাখতে কী করবেন
কান পরিষ্কার রাখার জন্য বাইরে থেকে কিছু করার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, কানকে নিজের মতো থাকতে দিন। কান নিজেই নিজেকে পরিষ্কার রাখতে সক্ষম। কান পরিষ্কার করতে বারবার কটন বাড ব্যবহার করা, পানি দেওয়ার স্বভাব থাকলেই বরং কানে ইনফেকশনের আশঙ্কা বাড়তে পারে। এরচেয়ে রোজ গোসলের পরে তোয়ালে দিয়ে কানের যতটা অংশ পারবেন, মুছে নিন। জোর করে কানের ভেতরে খোঁচাখোঁচি করবেন না।

সতর্কতা
ছোট বাচ্চাকে কোলে শুইয়ে দুধ খাওয়ানোর সময়ে খেয়াল রাখবেন, তার কানে যেন দুধ চলে না যায়। অনেক সময়ই বাচ্চাদের কানে দুধ ঢুকে সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে।
সেফটিপিন বা কোনো কাঠি দিয়ে কখনোই কান খোঁচাবেন না।
অনেকেই মোবাইলের ইয়ারফোন ব্যবহার করে থাকেন। কারো সঙ্গে ইয়ারফোন শেয়ার না করাই ভালো। নিজের ইয়ারফোনও আলাদা বাক্সে ভরে ব্যাগে বা পকেটে বহন করুন। ইয়ারফোন ব্যাগের মধ্যে ফেলে রেখে দিলে তাতে ধুলোবালি ও ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। তখন সেটি কানে গোঁজার সময়ে তা সহজেই কানের ভেতরে প্রবেশ করে। এতে খুব সহজেই সংক্রমণ হতে পারে।
কান ভারি লাগলে বা কানে শুনতে অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।
কান নিয়ে বেশি টানা-হ্যাচরা না করে তাকে তার মতোই থাকতে দিন। তাহলে দেখবেন, সে নিজেও ভালো থাকবে, আপনিও সুস্থ থাকবেন। হেলথ ডেস্ক

Previous Post

পরীক্ষায় ভালো করার কয়েকটি সহজ উপায়

Next Post

এখনো হাসপাতালে ভর্তি ৪২৫৪ ডেঙ্গু রোগী

Admin

Admin

Next Post
এখনো হাসপাতালে ভর্তি ৪২৫৪ ডেঙ্গু রোগী

এখনো হাসপাতালে ভর্তি ৪২৫৪ ডেঙ্গু রোগী

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 3 9 4 9
Users Today : 3
Views Today : 3
Total views : 175447
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In