• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

আদিবাসী বির্তক : রাজনৈতিক না কূটনৈতিক! ● মিথুশিলাক মুরমু

আদিবাসী বির্তক : রাজনৈতিক না কূটনৈতিক! ● মিথুশিলাক মুরমু

Admin by Admin
আগস্ট ৯, ২০২২
in প্রচ্ছদ
0 0
0
আদিবাসী বির্তক : রাজনৈতিক না কূটনৈতিক! ● মিথুশিলাক মুরমু
0
SHARES
26
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে

বিশেষ নিবন্ধ ● রক্ত ▌ পাস্টর এএম চৌধুরী

বিশেষ নিবন্ধ ● না চিনি আমার প্রকৃত ঈশ্বর, না চিনি আমার প্রতিবেশী ▌ডা. অলোক মজুমদার

জাতীয় দৈনিকগুলোর বরাতে অবহিত হয়েছি, দেশে বসবাসরত আদিবাসীদেরকে আদিবাসী না বলে ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’ হিসেবে অভিহিত করার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। আদিবাসী শব্দটি নির্বাসনের লক্ষ্যে বেছে নেওয়া হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ, সংবাদপত্রের সম্পাদক, সুশীল সমাজে ব্যক্তিবর্গকে। সরকার দেশের সবচেয়ে এলিট শ্রেণীর মতামতকে পুঁজি করে দেশকে আদিবাসী শূন্য করতে চেয়েছেন। যারা দেশের অভ্যন্তরে রয়েছে, তারা সকলেই উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী; অর্থাৎ নতুন পরিচয়ে পরিচিত করার প্রয়াস অত্যন্ত বেদনাদায়ক, রহস্যজনক এবং দূরভিসন্ধিমূলক। ইতিপূর্বেও সরকারের মন্ত্রণালয়গুলো থেকে ‘আদিবাসী’ শব্দচয়নে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। মূলত ৯ আগস্ট ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস’ উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন সংগঠন, অরাজনৈতিক সংগঠন বা ক্লাবগুলো আড়ম্বরের সাথে দিবসটি উদযাপন করে আসছে। প্রশ্ন হচ্ছে—তাহলে কি দেশের আদিবাসী সাঁওতাল, কোল, ভীল, মুণ্ডা, উরাঁও, মাহালে, রাজোয়াড় কিংবা গারো, হাজং, খাসি, চাকমা, ত্রিপুরা, মারমা’দের চরিত্র, বৈশিষ্ট্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা রাতারাতি বদলে গেল?
আদিবাসী শব্দটির প্রচলন হঠাৎ করেই শুরু হয়নি। আমরা দেখেছি, ব্রিটিশ সরকারের শাসনামলে বেঙ্গল টেনেন্সি এ্যাক্টের ৯৭ ধারায় Indigenous এর বঙ্গানুবাদ করা হয়েছে— আদিবাসী। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার আইনটি রিভিউ করে আদিবাসী শব্দটিকে বহাল রেখেই। অতঃপর ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তানের নাম-নিশানাকে নিশ্চিহ্ন করে সোনার বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে। সদ্য স্বাধীন দেশে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেতৃত্বাধীন সরকারই ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে যে আইএলও কনভেনশন ১০৭ অনুস্বাক্ষর করে গেছেন, সেখানেও আদিবাসী বা ওIndigenous শব্দটি শুধু ব্যবহারই নয়, তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। সাহায্য ও পুনর্বাসন মন্ত্রী এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান দৈনিক আজাদ, ২ অক্টোবর ১৯৭২, সোমবার, ৫ম পৃষ্ঠা, ২য় কলাম প্রকাশিত সংবাদে প্রতীয়মান হয়েছে, কামরুজ্জামান সাহেব আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার করে সাঁওতালদের সাথে মতবিনিয় করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অদ্য প্রাতে এখানে সার্কিট হাউসে আদিম অধিবাসী (সাঁওতাল) নেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতাদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী একথা বলেন। কামরুজ্জামান তাদের আদিবাসী বলে মনে না করে অন্যান্যদের মতো নিজেদেরকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে মনে করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন যে, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিক সমান অধিকার ও সুবিধা ভোগ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন যে, সরকার দেশের জনগণের কোনও এক সম্প্রদায়ের প্রতি উদাসীনতা বরদাশত করবেন না।’ তারপরেও কেটেছে দীর্ঘ বছর, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পর্যন্ত আদিবাসীরা আদিবাসী হিসেবেই বিবেচিত হয়েছেন কিন্তু সংশোধনীর পরই হয়ে গেলেন ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’; যা আদিবাসীরা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ভাবনার বিষয় হচ্ছে—কেন শিক্ষক, সংবাদপত্র কিংবা বুদ্ধিজীবীর মুখ থেকে বলানোর ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার! শিক্ষিত, বুদ্ধিমান, জ্ঞানী ও বিচক্ষণ ব্যক্তিরাই গবেষণা করেছেন, ইতিহাস ঘেঁটেছেন, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিগুলো বিশ্লেষণ করেছেন; সেক্ষেত্রে সঠিক ও নিরেট সত্যকে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছেন। একদল শিক্ষক সত্যের সন্ধানী, সত্যকে ধারণ করে এগিয়েছেন; অপরদিকে সরকারের সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিচিতিকে শিক্ষকদের দ্বারাই হালাল করার পরিকল্পনা খুবই ন্যাক্কারজনক। মজার বিষয় হচ্ছে—আজ পর্যন্ত সরকারের কর্মকর্তাগণ ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’র কোনো সংজ্ঞা নির্মাণ করতে পারেনি; পারেননি কোন কোন জাতিগোষ্ঠী ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’ হিসেবে চিহ্নিত করতে!
প্রজ্ঞাপনটি জারির পর আদিবাসী শব্দটি পরিবর্তনের বিষয় নিয়ে কথা বলছিলাম কয়েকজন বীরমুক্তিযোদ্ধার সাথে। তাদের সাফ কথা আমরা তো এই স্বপ্ন-দর্শনের জন্য লড়াই করিনি। আমরা আদিবাসী, আদিবাসী হিসেবে বাংলার মাটিতে সমাহিত হতে চাই। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘স্বাধীনতার চার দশক পর্যন্ত দেশের সর্বত্রই আদিবাসী হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করেছি, আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গর্ববোধ করেছি; কিন্তু কোথায় থেকে কীভাবে পরিস্থিতি পাল্টেছে, সেটির গোড়া খুঁজে বের করা দরকার। আমাদের দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলগুলো আদিবাসীদের দুদর্শা, অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সহমত পোষণ করেছেন; পাশে দাঁড়িয়ে উৎসাহিত করেছেন; এমনকি ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে বাণী দিয়েছেন। এতো কিছুর পরেও কেন সবচেয়ে নিরীহ জাতিগোষ্ঠী নিয়ে ষড়যন্ত্র, কেন পরিচিতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলা! তাহলে কী আদিবাসীরা তরুপের তাসে পরিণত হতে চলেছে!’ উল্লেখ্য যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে আদিবাসী দিবস উপলক্ষে তাঁর দেওয়া বাণীতে আদিবাসীদের নিজস্ব পরিচয়ে সব অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর বলিষ্ঠ গুরুত্বারোপ করেছিলেন।
আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার সাংসদগণ অহরহ রাজনৈতিক ময়দানে ‘আদিবাসী’ শব্দটি আওড়াচ্ছেন। মহান জাতীয় সংসদে বক্তব্যকালেও সতর্কতার সাথেই শব্দটি ব্যবহার করে যাচ্ছেন। তাহলে কেন নয় তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা; তারাই তো আইন প্রণেতা। রাজনৈতিক বিশ্লেষণে উপলব্ধিয় যে, ভোটের বা ক্ষমতার রাজনীতিতে আদিবাসীদের ভোট বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আদিবাসীদেরকে হাতে রাখতে রাজনৈতিক কৌশল পূর্বেও ছিলো, আজো তা বহমান রয়েছে। আদিবাসীরা পঞ্চদশ সংশোধনীর প্রাক্কালে দেখেছে, দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কেউ-ই আদিবাসী শব্দটি সংযোজনের পক্ষে মহান সংসদে কথা বলেননি। স্বচ্ছ জলের মতোই আদিবাসীদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে, ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’ শব্দগুচ্ছগুলো রাজনৈতিক ভাষা, রাজনৈতিক পোশাক-পরিচ্ছেদ।
পবিত্র সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের ২ (ক) ও ২ (খ) ধারায় যে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেওয়া রয়েছে, তাতেও সরকারের সার্কুলারে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। একজন কী কী শব্দ চয়ন করলেন, তাতে রাষ্ট্রের কারও কিছু বলার নাই, যদি এই শব্দ ব্যবহারে অন্য কারও প্রতি বিদ্বেষ বা ঘৃণা না ছড়ানো হয়। আমরা অবলোকন করেছি, দেশের সংবিধানে সুস্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানের কোনো ধারা বা বিষয় নিয়ে কোনো বিতর্ক বা মতান্তর দেখা দিলে তার ব্যাখ্যা একমাত্র দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টই দিতে পারবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠী বা ব্যক্তি নয়। আর বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টেরই এক রায়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে আদিবাসী শব্দটি ব্যবহারে কোনো আইনগত প্রতিবন্ধকতা নেই। তাহলে কী রাষ্ট্রের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চেয়েছে!
মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ছিল—অসাম্প্রদায়িক, শান্তি ও সম্প্রীতিজনক। বঙ্গবন্ধু পবিত্র সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন, ‘সকল নাগরিকের আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে।’ সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে পুনর্বার আদিবাসী শব্দটি নিষিদ্ধকরণের পদক্ষেপগুলো রক্তক্ষরণের সৃষ্টি করে। মানবাধিকার, সাম্যতা বিনির্মাণে আমরা কতোটা সহনশীল, কতোটা আগ্রহী! নাকি অন্যকে অসম্মান করে নিজেদেরকে সম্মানিত করবো। আদিবাসী কবি শরৎ জ্যোতি চাকমা’র ভাষায়—
‘শোষণ করিবে শোষিত হবো
অথচ অধিকার দেবেনা, কথা বলতে দেবেনা লড়তে দেবেনা
তা কেমন করে হয়?
আমি আদিবাসী তাতে কি, বঙ্গেই রহিবে জীবন
দেশহীন হবো কেন?
সংবিধানে আমার নাম থাকবেনা কেন?
সবই ষড়যন্ত্র!
অষ্টপ্রহর দৃষ্টিতে বৈষম্যের প্রতিচ্ছবি
দানবের দানবীয়তায় বিকট বিকট আর্তচিৎকার
ফলাফল, অগণিত লাশ, ধর্ষিত রমনীর আহাজারী
কিংবা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন মৃত দেহ
হুমকি বারংবার, ত্যাগী হও বাস্তুভিটা, হবে ইকোপার্ক
কিংবা নববসতি
খাটিবেনা আইনের ডায়রী, চলিবেনা যৌক্তিকতা
অসহায় হয় বসুমতি
তবে ভীত নয় আদিবাসী, লড়বে বারবার মানিবেনা এই দুর্গতি।
আমি আদিবাসী
আমাকে কথা বলতে দাও, শুনতে দাও, লড়তে দাও
বন্দীত্ব আর হবে না, উত্তপ্ত আজ প্রতিটি রক্তবিন্দু
ভাঙবো শোষকের লোহার বাঁধ
মানবো না ঘৃণার দাবানল, পুলিশি গ্রেপ্তার
ফিরিয়ে দাও আমার মায়ের হাসি
মেনে তোমাকে নিতেই হবে
আমি আদিবাসী।’
মিথুশিলাক মুরমু : আদিবাসী বিষয়ক গবেষক ও লেখক।

Previous Post

আরও এক হাজার ৪৯৪ হাজি দেশে ফিরেছেন

Next Post

আজ পবিত্র আশুরা

Admin

Admin

Next Post
আজ পবিত্র আশুরা

আজ পবিত্র আশুরা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 3 9 2 9
Users Today : 9
Views Today : 9
Total views : 175421
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In