• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

বাসায় ও যানবাহনে আগুন এবং তা থেকে বাঁচার উপায়

Admin by Admin
এপ্রিল ১০, ২০১৯
in বিশেষ খবর
0 0
0
বাসায় ও যানবাহনে আগুন এবং তা থেকে বাঁচার উপায়
0
SHARES
40
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

আগুন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অত্যন্ত কার্যকর একটি উপাদান বা শক্তি যা ব্যবহার করে আমরা প্রভুত কাজ সম্পাদন করে থাকি । আবার এই আগুনই কখন কখন আমাদের ধংসের কারন হয়ে দাড়ায়। এর কারন যেমন আমাদের অসেচতনতা আবার আছে আমাদের অজ্ঞতাও ।অথচ সামান্ন কিছু তথ্য জানা থাকলেই বাচেত পারে আমাদের মহামূল্যবান জানমাল। বিষয়িট তেমন জটিল কিছু নয় তবে বাচতে পারে আপনার জীবন ও সম্পদ।

RelatedPosts

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করলেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুতরা

ময়মনসিংহে সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা

আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ

 

*বাসায় বাড়িতে আগুন লাগলে যা করণীয়…..

০১ অযথা প্যানিক করে সময় নষ্ট করবেন না। আতংকিত না হয়ে কী করবেন তা ঠিক করুন মাথা ঠান্ডা রেখে ।মনে রাখেবন এসময় মাথা ঠান্ডা রাখা খুবই জরূরী।

০২ জিনিসপত্র বাঁচাতে গিয়ে সময় নষ্ট না করে আগে বাড়ির সবাই সাবধানে বেরিয়ে আসুন নিরাপদ জায়গায়। মনে রাখবেন, জিনিসপত্রের দাম প্রাণের

চেয়ে বেশি নয়।

০৩ বাড়ি হতে বের হবার সময় সবচেয়ে নিরাপদ রাস্তাদিয়ে বের হবেন।আগে লক্ষ্য করুন যেখান থেকে বের হচ্ছেন তার অপরপাশ নিরাপদ আছে কিনা। যদি কালো ধোয়ায় ঘর আচ্ছন্ন হয়ে যায় তবে যতটা সম্ভব মাটির সাথে হামাগুড়ি দিয়ে বের হবেন। কারন এ ধোয়া আপনার ফুসফসে চলে গেল মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। একে ইনহোলেশান বার্ন বলে । এসকল ধোয়ায় থাকে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড, যা পরিচলন প্রক্রিয়ায় উত্তপ্ত হয়ে উপরে উঠে যায় আর উপরের ঠান্ডা বায়ূ নীচে নেমে আসে তাই এ সময় নীচের বায়ু অনেকটা নীরাপদ। মনে রাখেবন আগুন লাগলে যত মানুষ মারা যায় তার বেশিরভাগ কারন এই বিষাক্ত ধোয়া বা গ্যাস । এতে মানুষ প্রথমে অজ্ঞান হয়ে পরবর্তীতে পুরে মারা যায়।

৪। যদি সম্ভব হয় একটা সুতির কাপড় পানিতে ভিজিয়ে নাকে মুখে চেপে শ্বাস নিন। এটা ভাল ফিল্টারের কাজ করে।

৫। সম্ভব হলে বাড়ির বাইরে আসার আগে দ্রুততার সাথে আপনার গায়ে পানি ঢেলে নিন । এটা আপনাকে কিছুটা বাড়িত সময় দেবে বের হতে । যতটা পারবেন শরীরের বাড়তি কাপড় খুলে ফেলুন, বিশেষত যদি আপনার শরীরে কোন সিনথেটিক জাতীয় কিছু থাকে তবে তা অবশ্যই খুলে ফেলুন। এতে আগুন লাগলে আপনার শরীরে তা লেগে গিয়ে আপনাকে আরো বিপদে ফেলে দেবে।

এই অংশটি জনাব  মোঃ নাজমুল ইসলাম  (মেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) এর লেখা থেকে সংগৃহীত

আগুন লাগার সম্ভাব্য কারনঃ

১. জ্বলন্ত সিগারেটের শেষাংশ, ম্যাচের কাঠি বন্ধ না করে যেখানে সেখানে ফেলা।

২. ছুটির পরে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি যেমন কম্পিউটার, ইউপিএস, বৈদ্যুতিক কেটলি, ফটোকপিয়ার বন্ধ না করে চলে যাওয়া।

৩. চুলা বন্ধ না করে চলে যাওয়া।

৪. বৈদ্যুতিক লুজ কানেকশোন, ঝুলন্ত/লিক তার ইত্যাদির ফলে শর্ট সার্কিট।

৫. বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন , জেনারেটর ইত্যাদি থেকে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলে।

৬. গাড়ি/ অন্য কোন ইঞ্জিনের মিস ফায়ার থেকে।

৭. লিফট/ অন্য কোন মেশিনের অতিরিক্ত ঘর্ষনের থেকে।

১. জ্বলন্ত সিগারেটের শেষাংশ, ম্যাচের কাঠি বন্ধ না করে যেখানে সেখানে ফেলা।

২. ছুটির পরে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি যেমন কম্পিউটার, ইউপিএস, বৈদ্যুতিক কেটলি, ফটোকপিয়ার বন্ধ না করে চলে যাওয়া।

৩. চুলা বন্ধ না করে চলে যাওয়া।

৪. বৈদ্যুতিক লুজ কানেকশোন, ঝুলন্ত/লিক তার ইত্যাদির ফলে শর্ট সার্কিট।

৫. বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন , জেনারেটর ইত্যাদি থেকে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলে।

৬. গাড়ি/ অন্য কোন ইঞ্জিনের মিস ফায়ার থেকে।

৭. লিফট/ অন্য কোন মেশিনের অতিরিক্ত ঘর্ষনের থেকে।

পোড়ার ধরনঃ চামড়ায় পোড়ার গভীরতা, আক্রান্ত স্থানের ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতার ওপর ভিত্তি করে পুড়ে যাওয়া বা বার্নকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। এ ভাগগুলোর ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয়। তাই প্রত্যেকেরই এ সম্পর্কিত ধারণা থাকা দরকার। যেমন-

এক ডিগ্রি বার্ন বা পোড়াঃ

যখন চামড়ার উপরিভাগের একটি স্তর (এপিডার্মিস) ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নিচের লক্ষণ প্রকাশ পায় তখন এক ডিগ্রি বার্ন বলা হয়।

লক্ষনঃ

-চামড়া লাল হয়ে যাওয়া

-সামান্য ফুলে যেতে পারে

-ব্যথা হবে

-অনেক সময় লাল না হয়ে গোলাপি বা হালকা গোলাপি রং ধারণ করতে পারে

-ফোস্কাও পড়তে পারে

কারণঃ

-তীব্র রোদে বেশিক্ষণ থাকলে

-দীর্ঘ সময় বা দীর্ঘদিন ধরে রোদে কাজ করলে বা থাকতে হলে

-আগুনের পাশে কাজ করলে

-রান্নার সময় আগুনের আঁচ বেশি লাগলে

-ফুটন্ত পানি নয় কিন্তু বেশ গরম-এ রকম পানিতে শরীর পুড়লে

চিকিৎসাঃ

-আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা পানি ঢাললে বা বরফের সেঁক দিলে উপকার হয়।

-ব্যথা বেশি হলে আক্রান্ত স্থানে ব্যথানাশক মলম বা ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে।

-ঠান্ডা পানিতে ভেজানো পরিষ্কার কাপড় আক্রান্ত স্থানে ব্রান্ডেজের মতো খানিকটা সময় বেঁধে রাখতে হয়।

-নতুন করে যাতে আক্রান্ত স্থানে কোনো আঘাত বা ঘষার শিকার না হয় সেটা লক্ষ রাখতে হবে। সাধারণত এ জাতীয় পোড়া কোনো ক্ষতিকর প্রভাব বা দাগ ফেলা ছাড়াই এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে যাদের পেশাগত কারণে যেমন-রোদে কাজ করা বা বাবুর্চির কাজ করা থেকে এ জাতীয় বার্ন হয়, তাদের সতর্ক হয়ে কাজ করা ছাড়া তেমন কিছু করার নেই।

দুই ডিগ্রি বার্ন বা পোড়াঃ

যখন চামড়ার উপরিভাগের দুটি স্তরের প্রথম স্তর (এপিডার্মিস) সম্পূর্ণভাবে এবং পরবর্তী স্তর (ডার্মিস) আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তাকে দুই ডিগ্রি পোড়া বা বার্ন বলে।

লক্ষণঃ

-পুড়ে যাওয়া স্থান লাল হয়ে যায়

-ফোসকা পড়বে

-প্রচণ্ড ব্যথা হবে

-অনেকখানি ফুলে যাবে

-পুড়ে যাওয়া স্থান থেকে পানির মতো রস বের হতে পারে বা ভেজা ভেজা থাকতে পারে

কারণঃ

-সাধারণত গরম পানি বা গরম তরকারি জাতীয় কিছু পড়লে এ ধরনের ক্ষত তৈরি হয়

-কাপড়ে আগুন লেগে গেলে এবং তা দ্রুত নিভিয়ে ফেললে (সাধারণত রান্নার সময়)

-মোমের গরম তরল অংশ সরাসরি চামড়ায় পড়লে

-আগুনে উত্তপ্ত কড়াই বা এ জাতীয় কিছু খালি হাতে ধরলে বা শরীরের কোনো খোলা স্থানে এগুলোর স্পর্শ লাগলে।

চিকিৎসাঃ

-আক্রান্ত স্থানে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঠান্ডা পানি ঢালুন।

-সরাসরি বরফ আক্রান্ত স্থানে লাগাবেন না।

-আক্রান্ত স্থানে সরাসরি ব্যথানাশক ওষুধ লাগাবেন না।

-ডিম, পেস্ট ইত্যাদি লাগাবেন না।

-এ জাতীয় পোড়ার চিকিৎসা বাড়িতে নয়, হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে গিয়ে করাতে হয়।

-উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ সেবন করলে অন্তত দুই সপ্তাহ লাগে ঘা শুকাতে।

তিন ডিগ্রি বার্ন বা পোড়াঃ

যখন চামড়ার উপরিভাগের দুটি স্তরই (এপিডার্মিস ও ডার্মিস) সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চামড়ার নিচে থাকা মাংসপেশি, রক্তনালি, স্নায়ু ইত্যাদিও আক্রান্ত হয় তখন এ জাতীয় পোড়াকে তিন ডিগ্রি পোড়া বা বার্ন বলে।

লক্ষণঃ

আক্রান্ত স্থান কালো হয়ে যায়

-চামড়া পুড়ে শক্ত হয়ে যায়

-স্পর্শ করলেও ব্যথা অনুভূত হয় না

-আক্রান্ত স্থান অনেকখানি ফুলে যায়

-আক্রান্ত স্থান থেকে পানির মতো রস বের নাও হতে পারে

কারনঃ

-সরাসরি আগুনে পুড়লে

-বিদ্যুতায়িত হলে

-ফুটন্ত পানি সরাসরি শরীরে পড়লে

-ফুটন্ত তেল সরাসরি শরীরে ছিটকে এলে বা পড়লে

-আগুনে উত্তপ্ত ধাতব কড়াই, পাতিল বা তাওয়া শরীরে পড়লে

চিকিৎসাঃ

-আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আগুন বা গরম পদার্থ থেকে সরিয়ে আনতে হবে।

-দ্রুত ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে, ঠান্ডা পানি না পেলে সাধারণ তাপমাত্রার পানি ঢালতে হবে। সম্ভব হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ট্যাপের পানির নিচে বসিয়ে দিতে হবে।

-পুড়ে যাওয়া কাপড় খুলে দিতে হবে।

-আক্রান্ত অংশ পরিষ্কার কাপড় বা গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

-হাত-পায়ের আঙুল পুড়ে গেলে তা আলাদাভাবে ব্যান্ডেজ করতে হবে। অন্যথায় একটার সঙ্গে অন্যটা জোড়া লেগে যেতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে ছাড়ানো কঠিন হবে।

-আক্রান্ত স্থান একটু উঁচুতে রাখতে হবে।

-আক্রান্ত ব্যক্তির জ্ঞান থাকলে এবং মুখে খাওয়ার মতো অবস্থা থাকলে পানিতে একটু লবণ মিশিয়ে বা শরবত করে খেতে দিন, স্যালাইন বা ডাবের পানি এমনকি সাধারণ খাওয়ার পানিও পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করতে দিন।

-অবশ্যই ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে নিয়ে যাবেন। মনে রাখতে হবে, এ জাতীয় পোড়ায় সাধারণত পোড়া স্থানের অপারেশন বা স্কিন গ্রাফট দরকার হয়, তাই প্রথম থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া জরুরি।

উদাহরনঃ

* বাসে আগুন ও তা থেকে বাচার উপায়ঃ

০১. জ্বলন্ত যানবাহনে আটকে পড়লে শুধু যে পুড়ে মরার আশংকা থাকে, তাই নয়। যানবাহনে অনেক সিনথেটিক উপকরণ থাকে যা পুড়ে বিষাক্ত ধোঁয়া সৃষ্টি করে। এছাড়া আগুন লাগা যানবাহনে অক্সিজেন স্বল্পতায় কার্বন-মনোক্সাইডের মত বিষাক্ত গ্যাসের সৃষ্টি হতে পারে। এগুলোর প্রভাবে আপনি জ্ঞান হারাতে পারেন যার পরিণতি মৃত্যু। তাই, প্রথম কাজ হিসেবে আপনাকে যা করতে হবে, আতংকিত (বা প্যানিকড) হওয়া এড়াতে হবে। আতংকিত হলে আপনি সাধারণ বিচার-বুদ্ধি হারাবেন। শান্ত হয়ে আপনাকে যানবাহন থেকে বের হবার উপায় বের করতে হবে।

০২. আগুন লাগলে চলন্ত যানবাহন থামাতে হবে। আগুন অক্সিজেন পেলে আরো দাওদাও করে বেশি করে জ্বলবে। তাই, যানবাহন থামাতে হবে। একই কারণে গায়ে আগুন লাগলে না দৌড়িয়ে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হয়।

০৩. আগুন নেভাতে হলে শুরুতেই নেভানো ভাল। কিন্ত, যেই লড়াইতে জেতার সম্ভাবনা কম, তাতে জড়িয়ে সময় নষ্ট করা ঠিক হবে না। যানবাহনের সাইডের জানালায় জোড়া পা দিয়ে লাথি দিতে হবে। এতে বিষাক্ত গ্যাস বের হবার সাথে সাথে নিজেদের বের হবার রাস্তা তৈরি হতে পারে।

০৪. প্রাইভেট কার বা মাইক্রোতে থাকলে প্রথমেই গাড়ির দরজা আনলক করতে হবে। এতে নিজে দরজা খুলে বের হতে না পারলেও সাহায্যকারীরা দরজা খুলে বের করার সুযোগ পাবে। সিট-বেল্ট থাকলে খুলে ফেলুন।

০৫. পেট্রোল বা গ্যাসোলিনের আগুনে পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা না করাই ভাল। তেল আর পানি মিশে না। ফলে, পানি জ্বলন্ত তেলের নিচে চলে যায় আর জ্বলন্ত তেলের তাপে ফুটতে শুরু করে। এই ফুটন্ত পানি তেলকে চারপাশে ছিটকে দিয়ে আগুনকে চারপাশে আরো ছড়িয়ে দেয়। তেল দ্বারা সৃষ্ট আগুন নেভানোর উপায় হচ্ছে, বালি বা কম্বল দিয়ে আগুনকে ঢেকে দেয়া। বালতি দিয়ে একবারে ২ লিটারের অধিক পানি ঢালার উপায় না থাকলে তেলের আগুনে পানি দেয়া খুবই বিপদজনক।

০৬. তাড়াতাড়ি যানবাহন থেকে বেড়িয়ে আশেপাশের চলন্ত যানবাহনের নিচে পড়া এড়াতে হবে।

০৭. বড় মালপত্র বের করতে গিয়ে বের হবার রাস্তা বন্ধ করা বা সময় নষ্ট করা যাবে না।

০৮. জ্বলন্ত যান- বাহন থেকে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে ফায়ার- ব্রিগেডকে খবর দিতে হবে।

০৯. গাড়ির ইগনিশন বন্ধ করে দিতে হবে।

 

 

Previous Post

বাঁচানো গেল না নুসরাতকে

Next Post

প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ

Admin

Admin

Next Post
প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ

প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 5 7 0 7
Users Today : 138
Views Today : 152
Total views : 177403
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In