ঝড়ের কারণে কমপক্ষে ৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিমানের ফ্লাইট, ট্রেন ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার দেশটির পশ্চিমের উপকূলীয় এলাকায় এ ঝড়টি আঘাত হানে। এতে কিছু এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় এবং জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
পরে বুধবার সকালে প্রায় ১২ লাখ মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় নেয়ার জন্য সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
কর্মকর্তাদের বরাতে বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২১৬ কিলোমিটার। গত ২৫ বছরের মধ্যে এটাই গতিবেগের সর্বোচ্চ রেকর্ড। কিয়োটোতে রেলওয়ে স্টেশনের ছাদের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় সময় গতকাল দুপুরে জেবি শিকোকু দ্বীপে আঘাত হানে। এরপর সেটা দেশটির বড় দ্বীপ হোনসুর দিকে যায়। রাতে ঝড়ের গতিবেগ বাড়ে। ঝড়টি পরে উত্তর দিকে যায়।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, উত্তর দিকে যাওয়ার সময় ঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রাণহানি এড়াতে আগেই দশ লাখের বেশি নাগরিককে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়। বাতিল করা হয় ৭শ’টিরও বেশি বিমানের ওঠানামা। জেবির আঘাতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। ওসাকা এবং কানসাইয়ের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর পানিতে নিমজ্জিত হয়।
বৃষ্টির পাশাপাশি ঘটেছে বন্যা ও ভূমিধসের মতো ঘটনাও। ঝড়ের দাপটে শিকোকু শহরে ভূমিধসের জেরে যান চলাচল বিপর্যস্ত হয়ে যায়। টোকিও থেকে হিরোশিমার মধ্যে বুলেট ট্রেন পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে। এর আগে ১৯৯৩ সালে প্রবল ঝড়ে ৪৮ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।





Users Today : 101
Views Today : 109
Total views : 176590
