• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

ধর্ম-দর্শন ○ গর্ডন ডি নিকেল’র গ্রন্থ ‘নম্র উত্তর’ আলোকে অজানা কিছু তথ্য ● মনিকা বিশ্বাস

ধর্ম-দর্শন ○ গর্ডন ডি নিকেল’র গ্রন্থ ‘নম্র উত্তর’ আলোকে অজানা কিছু তথ্য ● মনিকা বিশ্বাস

Admin by Admin
অক্টোবর ২৫, ২০২৫
in ধর্ম-দর্শন, প্রচ্ছদ
0 0
0
ধর্ম-দর্শন ○ গর্ডন ডি নিকেল’র গ্রন্থ ‘নম্র উত্তর’ আলোকে অজানা কিছু তথ্য ● মনিকা বিশ্বাস
0
SHARES
16
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ। এদেশের বেশিরভাগ মানুষই ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। ভিন্ন ধর্মের মানুষদের সকালবেলা থেকে রাত্রি পর্যন্ত মুসলিমদের সাথে চলাফেরা, ওঠা বসা করতে হয়। সুতরাং মুসলিমদের ধর্মীয় বিশ্বাস, কর্মপন্থা খাবার-দাবার, ধর্মীয় রীতি-নীতি আমাদের জানা প্রয়োজন। মুসলিমদের ঈমান হলো তারা এক আল্লাহে বিশ্বাসী এবং নবী রাসূলের প্রতি তারা বিশ্বাসী। তাদের আসমানী কিতাব আছে। তারা ফেরেশতাগণে বিশ্বাস করে এবং তারা শেষ বিচার বা কেয়ামতে বিশ্বাস করে।
তাদের আমল হলো : নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, জিহাদ। এছাড়া তাদের আসমানী কিতাব চারটি―তৌরাত, জব্বুর, ইঞ্জিল ও কোরআন। সুতরাং আরো ব্যাপকভাবে জানার জন্য আরো কৌতূহল আমাদের থাকা দরকার, তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধে কিছু অজানা সত্য আলাপ করব।
লেখক গর্ডন ডি নিকেল তার বই ‘নম্র উত্তর’ এই বই অবলম্বনে আজকে আমি আমার সত্যগুলো উপস্থাপন করব:
নম্র উত্তর বইয়ের লেখক গর্ডন নিকেল তার বইয়ের ২০ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় অধ্যায় নিয়ে আলোচনা।
এখানে বাইবেলের প্রতি কোরআনের যে সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে সে বিষয়ে বলা হয়েছে। বাইবেল বিকৃত হয়ে গেছে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বাইবেলকে বদলে ফেলা হয়েছে এই বিষয়টি তাদের কাছে অনেক জনপ্রিয়। লেখক গর্ডন নিকেল এখানে বাইবেল ও কোরানের সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে অনেক তার্কিকদর সম্মানজনক উদ্ধৃতি তিনি তুলে ধরেছেন। এছাড়াও তিনি আরো পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর সাথে কুরআনের কী সাদৃশ্য রয়েছে তাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
মুসলমানদের কর্তৃত্বের একটি প্রধান উৎস হলো কোরআন। মুসলমানরা অনেকে দাবি করেন যে কোরআন হলো শ্রেষ্ঠ এবং অন্যান্য যে কিতাব রয়েছে তার কোনো কার্যকারিতা নেই। কিন্তু এই বইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, অনেক মুসলিম এবং অমুসলিম উভয় পণ্ডিতগণ পর্যবেক্ষণ করেছেন যে পূর্ববর্তী কিতাবের বিষয়ে কোরআন খুব ইতিবাচক ও সম্মানের সাথে কথা বলে। এই অধ্যায় এ কোথাও দাবি করা হয়নি যে বাইবেল বিকৃতির বিষয়ে মুসলিম অভিযোগটি কোরানে মিথ্যা প্রমাণ করে কোরানের কয়েকটি অস্পষ্ট আয়াত পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর বিষয় কিছু সন্দেহ পোষণ করে থাকেন। যেহেতু দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান তাদের বিশ্বাস এবং আমলের জন্য কুরআনের উপর নির্ভর করে সুতরাং কোরআন আসলে কী বলে সেটাই প্রথমে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে কোরানের যে আয়াত সমূহ পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর বিষয়ে বর্ণনা করে কোরআন নিয়ে যারা গবেষণা করেন, সেই সমস্ত শীর্ষ মুসলিম আলেমগণের উপলব্ধি তারা যাচাই করা হয়েছে, তার মধ্য থেকে কয়েকজনের দৃষ্টিভঙ্গি এখানে তুলে ধরা হলো: মাওলানা কাউরানি ইজহার-আল-হক বইটিতে বাইবেলের বিষয়ে কোআনের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে খুব সামান্য তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু এই বইটিতে যা বলেছে তা হলো বাইবেল বিকৃতির যে অভিযোগ তা মিথ্যা। এই বই কোরআন অথবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে কিছুই বলে না, বরং এই বইটি বলে কুরআন যেমন বাইবেলকে সম্মান করে, মুসলমানদের আহ্বান করা হয়েছে তারাও যেন বাইবেলকে সম্মান করে এবং রহমত লাভ করে।
নম্র উত্তর বইয়ে লেখক পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর নাম উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো : তাওরাত, ইঞ্জিল এবং জব্বুর। এই সমস্ত কিতাবের আয়াতগুলো কোরআনে বর্ণিত আছে। সে সমস্ত আয়াতে এই কিতাবগুলোর নাম দ্বারা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই আয়াত সমূহ পূর্ববর্তী কিতাবের বিষয়ে কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গির ধরন সম্পর্কে কিছু মৌলিক তথ্য প্রদান করে।
নম্র উত্তর বইয়ের ২২ পৃষ্ঠায় জানতে পারলাম যে―আল্লাহ তৌরাত এবং সুখবর (ইঞ্জিল) প্রেরণ করেছেন। তৌরাত এবং সুখবর ইব্রাহিম (আ.) এর পরে অবতীর্ণ হয়েছে। যা পরবর্তীকালে আল্লাহতালা ইসাকে তৌরাত ও সুখকর শিক্ষা দেন এবং পরে ঈসা তৌরাতে সত্যতা নিশ্চিত করেন। প্রতিটি বিষয় কুরআনে উল্লেখিত রয়েছে। কোরআনে বর্ণিত তৌরাতে আল্লাহ ইহুদীদের জন্য যে বিধান দিয়েছেন তা এই নম্র উত্তর বই এ লেখক উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন সুখবর এর সাথে কোরআন একটি ‘সাদৃশ্য বা মিল’। তিনি বলেন, ‘‘সত্যিকারের ঈমানদারগণ হলো বীজের মত যা অঙ্কুরিত হয় এবং বৃদ্ধি পেয়ে শক্ত হয়, পুষ্ট হয়ে ডালপালা তৈরি করে।’’
তিনি বলেছেন জব্বুর শরীফ দাউদের উপর নাজিল হয়েছে। আর যা মুহাম্মদের কাছে প্রকাশ করা হয়েছে তা হলো ফুরকান। কিন্তু এটি প্রথমে মুসাকে কিতাব এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বিধানকারী নির্দেশ দান করেছে। যাতে তোমরা সরল পথ প্রাপ্ত হতে পারো। এরকম অনেক আয়াত কুরআনে বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। কিতাবের এই ও অন্যান্য ব্যবহার এমন কোন ইঙ্গিত বহন করে না যে, উক্ত আয়াত দূষিত বা পূর্ববর্তী কিতাব বিকৃত হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য রয়েছে। কারণ আল্লাহর কালামের আমরা কোনো পরিবর্তন করতে পারি না। তাই লেখক এখানে কোরআনের আয়াত উল্লেখ করেছেন যেখানে বলা হয়েছে, ‘‘আল্লাহর কথার কখনো হেরফের হয় না।’’
পূর্বে প্রকাশিত আয়াতের সাথে বর্তমানে প্রকাশিত আয়াতের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রয়েছে। কুরআন পূর্বের কিতাবগুলোর প্রতি সমানভাবে সম্মানজনক মানসম্মত বর্ণনা প্রদান করেছে। কোরআনে যে সমস্ত আয়াতে পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই আয়াতসমূহ দ্বারা বাইবেল বিকৃত হয়ে গেছে বলে মুসলমানদের এই অভিযোগ সমর্থন করা সম্ভব নয়। এটা খুবই খারাপ বিষয় পূর্ববর্তী কিতাবে অবৈধ হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কুরআনের বিষয়বস্তু দ্বারা এরকম প্রতিফলনের উপর গভীরভাবে চিন্তা করার পর রেডশেট লিখেছেন―ইনি নিজেই প্রদর্শন করে যে এটা দ্বারা তাওরাত বা ইঞ্জিলের নির্ধারিত লিখিত বিষয়বস্তুর বিকৃতিকে বোঝানো হয়নি। নেতিবাচকভাবে এই তাহরীফ কখনো সুস্পষ্টভাবে ওই কিতাবগুলোর সাথে সম্পৃক্ত ছিল না এবং ইতিবাচকভাবে যে আয়াতগুলো দ্বারা আহলে কিতাবকে উৎসাহিত করা হয় ধারণ করার জন্য যা তাদের কিতাবে আছে।
কোরআন জিব্রাইলের মধ্য দিয়ে আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে। যা একবারে আসেনি, তিনি বিভিন্নজনের কাছে লিখে রেখেছেন, বিভিন্ন সময়, যা পরে তা একত্রে করে কোরআন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। ওসমান (রা.) তিনি সমস্ত আয়াত একত্র করে কোরআন লিখেছেন।
গর্ডন-নিকেল তার নম্র উত্তর বইয়ের ৪ অধ্যায়ে এ পাঁচ ধরনের অবিকৃত কিতাবের কাহিনী বর্ণনা করেছেন। তা হলো:
১. সিরাতে অবিকৃত কিতাব
২. তারাকাতে অবিকৃত কিতাব
৩. হাদিস অনুসারে অবিকৃত কিতাব সমূহ
৫. আল-তাবারীর তারিখ এর মধ্যে অক্ষত কিতাব।
৬.আসবাব আল-নযুলে অক্ষত কিতাব।
এই বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো বিষয়গুলোর সহজ পদ্ধতি বিশ্লেষণ এবং সত্য ঘটনার তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা ইজাহার আল হক পূর্ববর্তী কিতাবগুলোকে বিকৃত করার যথেষ্ট আলোচনা চালিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে এই বইয়ের লেখক পরে সমালোচিত হয়েছেন। সিরাতে অবিকৃত কিতাবে দুটি ঘটনা বাইবেলের সত্যতাকে গুরুত্বের সাথে উপস্থাপনা করে। প্রথমত: এই বিখ্যাত গ্রন্থখানি বাইবেলের দূষণ বা বিকৃত করণের প্রতি কোনো ইঙ্গিত করে না। দ্বিতীয়ত: মুকাতিল এবং আলতাবারির তর্জমায় এবং সমস্ত ইসলামী তাফসিরে অবিকৃত কিতাবের যে কাহিনী, এই গ্রন্থখানি যে ঠিক, তা উপস্থাপন করে। এই কিতাবে ব্যভিচারীদের জন্য তাওরাতের বিধান হলো পাথর মেরে হত্যা করা। এই কিতাবে বলা হয় যে তারা ঈর্ষাবশত সত্য স্বীকার করতে চায় না। ইবনে ইশাকের বর্ণনায় বার্তাবাহক আল্লাহর কিতাবকে পুনর্জীবিত করেন।
তারাকাত এ অবিকৃত কিতাবে বার্তাবাহকের জীবনীতে ইবনে সাদ ইসলামের বার্তাবাহকের গুণাবলী সম্পর্কে ১২টি সুন্নাহ উপস্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন এগুলো সুখবর ও তাওড়াতে পাওয়া যাবে। তিনি বার্তাবাহকের বর্ণনা দিয়েছেন যা পূর্ববর্তী কিতাবে পাওয়া গেছে। তিনি রুক্ষ বা কঠিন নন। তিনি বাজারে শোরগোল করেন না। মন্দতার বদলে মন্দতা করেন না। তিনি ক্ষমা করেন। তিনি অন্ধকে দৃষ্টি দেন। বধির কানকে শুনতে সাহায্য করবেন এবং কঠিন অন্তঃকরণ নরম করবেন।

RelatedPosts

মতামত ● মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত পরিণত হচ্ছেন—এম.এম দত্ত ○ মিথুশিলাক মুরমু

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আবার শুরু হচ্ছে

ক্যালিফোর্নিয়ায় বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণহানি ৮


এখানে উল্লেখ করা হয় ইসলামের বার্তা বাহকের গুণাবলীতে তা অনেক কিছু ছিল না। মদিনার ইহুদিদের এই আকর্ষণীয় সহীর কাহিনীতে আহলে কিতাবীগণ তাওরাত হিব্রু ভাষায় পাঠ করত এবং আরবি ভাষায় ইসলামের লোকদের কাছে তা ব্যাখ্যা করত, এটা উল্লেখ আছে। তাছাড়া কোরআনের ৩:৯৩ আয়াতে বলা হয়েছে, ‘‘বল তাওরাত আনো এবং পাঠ কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’’। এই কাহিনী মুকাতিল, আল-তাবারীর ও ইবনে ইসহাকের সাথে পরিচিত। পাথর মারার ঘটনা এই আয়াতের প্রতিটি আয়াতে অক্ষত তাওরাতের নিশ্চয়তা প্রদান করে।
আল-তাবারি বলেছিল মুসলিমরা বদরের যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল। কারণ শত্রুরা যুদ্ধ কীভাবে করতে হয় জানতো না। তিনি কিতাব বিকৃত বা জালিয়াতির কথা বলেননি বরং তিনি ইসলামের বার্তাবাহক ও তার দাওয়াতের প্রতি অনুপযুক্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন যে বার্তাবাহককে পাঠানোর বিষয়ে খ্রিস্টান ধর্মগ্রন্থে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। এখানে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই যে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহ দূষিত বা বিকৃত করা হয়েছে।
সপ্তম শতাব্দীতেও পূর্ববর্তী কিতাবগুলো অক্ষুণ্ন ছিল। প্রত্যেকেই তাওরাত ও ইঞ্জিল সুখবর এর সত্যতা প্রমাণ করেছেন। প্রত্যেকেই এই কিতাবগুলোর উদ্ধৃতি তুলে ধরেছেন। সুতরাং এ থেকে বোঝা যায় যে কেহই পূর্ববর্তী কিতাব সমূহের বস্তুগত বিকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ও নিশ্চিত অভিযোগ করেন না।
গর্ডন নিকেল তার নম্র-উত্তর বইয়ের দশম অধ্যায় এ নতুন নিয়মের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এখানে তিনি ৬টি উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।তাহল:
১. এক জীবন কালের মধ্যে লিখিত হওয়া।
২. হস্তান্তরের বন্ধনী বা চেইনের দৃঢ় সংযোগ গুলো।
৩. চার ধাপের সুখবর থেকে নতুন নিয়ম।
৪. বিশ্বাসীদের দ্বারা পাঠ্য সময়ের সংরক্ষণ।
৫. ইসলামের আগে থেকেই সুখবরের অনেক পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
৬. চেতনা উপলব্ধি এবং তাওয়াতুর।
এখানে আমি ৬ নম্বর বিষয় নিয়ে আমার প্রতিফলন আলোচনা করব:
গ্রীক ভাষায় (ইউয়াগেলিওন) বাংলায় (সুখবর) যার অর্থ হলো ঈসামসীহের বিষয়ে সুখবর। নতুন নিয়মে চারটি সুখবরের বিবরণ রয়েছে। যা ঈসা মসীহের জীবন মৃত্যু এবং পুনরুত্থানের বহুমুখী চিত্র তৈরি করে। সাহিত্যের দিক থেকে সুখবরের বর্ণনা ব্যক্তিগত পত্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। যা হোক নতুন নিয়মের সবগুলো অংশই ঈসা মসীহের সাক্ষ্য বহনের ধারণার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধ। ঈসা মসীহের এর কাছ থেকে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য হস্তান্তর প্রদানের নতুন নিয়মের দাবি―একটি অপ্রত্যাশিত উৎস। ফকর-আল-দীন-আল-রাজি (১২০৯ খ্রি.) দ্বারা লিখিত কুরআনের মুসলিম ব্যাখ্যার মধ্য একটি পুনরাবৃত্তিতে দেখা যায়।
গর্ডন নিকেল তার নম্র-উত্তর বইয়ে ভবিষ্যদ্বাণী এবং পূর্ণতা নিয়ে ১৯ অধ্যায়ে আলোচনা করেছেন। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী এবং পূর্ণতা নিয়ে সাতটি উল্লেখযোগ্য বিষয় আলোচনা করেছেন বিষয়গুলো হলো:
১. ইশাইয়া কিতাবে একজন গোলাম সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।
২. নবী ইসাইয়ার পাণ্ডুলিপির ক্ষমতা।
৩. তিনি চিৎকার বা চেঁচামেচি করবেন না।
৪. নম্র এবং একটি গাধার উপর আরোহনকারী ।
৫. তিনি এসেছিলেন এবং শান্তি প্রচার করেছিলেন
৬. পরিপূর্ণতার একটি প্রতিদ্বন্দ্বী দাবি।
৭. ঈমানদারগণের জন্য নম্রতার একটি উদাহরণ।
আমি এখানে তিন নম্বর বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি―
ভবিষ্যদ্বাণী ঈসা মসীহ পূর্ণ করেছেন। একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি পবিত্র কালামের ভবিষ্যৎ বাণী পূর্ণ করেছেন। কেবলমাত্র তা ঘোষণা করাই যথেষ্ট নয়, একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ঘটনার সঙ্গে ভাববাণী সম্পৃক্ত করার জন্য ভালো কারণ থাকতে হবে। (সত্য বলতে একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে একটি ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হওয়া হলো একটি ধর্মীয় সত্য দাবি।)
লূক:২৪: লিখিত আছে যে ঈসা মসীহকে কখনো কখনো ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতা হিসেবে দাবি করা হয়। সুখবর লেখকগণ পুরাতন নিয়মের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং স্পষ্ট ভাবে দাবি করেন যে ঈসা মসীহ তা পূর্ণ করেছেন। লেখকগণ ইসার জীবনের ঘটনাবলীর বিশদ বিবরণ তুলে ধরেছেন। যা তাদের মনের মধ্যের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে মিলে গেছে। প্রাচীন ভবিষ্যদ্বাণী এবং যে ঘটনাগুলো তারা প্রত্যক্ষ করছিল সেগুলোর মধ্যে একটি মিল খুঁজে বের করতে চেষ্টা করেছিল। তাদের জন্য পরিপূর্ণতার নিশ্চয়তা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য ছিল, যা তারা দেখেছিল, শুনেছিল এবং স্পর্শ করেছিল)।

‘ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা’
এই কথাটি দেখে অনেকেই হয়ত বা ভাববেন একটি রাজনৈতিক বা আইনি ন্যায়বিচার সম্পর্কে চিন্তা করবেন। কিন্তু নতুন নিয়মে ঈসার কোন কাজে এরকম ‘ন্যায় বিচার’ হয় তো আমরা খুঁজে পাবো না। তার পরিবর্তে মানুষের পাপের বিষয়ে খোদা তাঁর ‘ন্যায় বিচার’ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং ঈসা মসীহের মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষকে পাপমুক্ত করার একটি নতুন পথ তৈরি করেছেন। তিনি সত্য ও ন্যায়ে মন্দতা দূরীকরণে, অসুস্থকে সুস্থ করে, মৃত্যুকে জীবন দিয়ে, অন্ধকে চক্ষু দিয়ে, খঞ্জকে চলার শক্তি দিয়ে, তাঁর ‘ন্যায় বিচার’ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
খোদা তাঁর রক্তে, বিশ্বাসের মাধ্যমে তাঁকে পাপের মূল্য পরিশোদের কোরবানি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি তাঁর ‘ন্যায় বিচার’ প্রদর্শন করার জন্যই এটা করেছেন। কারণ তিনি তাঁর ধৈর্যের কারণে অতীতের পাপের শাস্তি প্রদান করেননি। কারণ তিনি ন্যায়বান এবং যারা মসীহের উপরে ঈমান আনে তিনি তাদেরকে পাপ মুক্ত হিসেবে গ্রহণ করেন (রোমীয়:৩:২৫-২৬ আয়াত)।
ঈসা মসীহের মৃত্যুর কারণে খোদা মানুষের পাপকে ন্যায়ভাবে ক্ষমা করতে পারেন। যেমন, প্রেরিত ইউহোন্না লিখেছিলেন, ‘‘যদি আমরা আমাদের পাপ স্বীকার করি, তবে তিনি তখনই আমাদের পাপ ক্ষমা করেন এবং সমস্ত অন্যায় থেকে আমাদের শূচি করেন, কারণ তিনি নির্ভরযোগ্য এবং কখনো অন্যায় করেন না’’ (১ইউহোন্না : ১:৯ আয়াত)।
(কোরআন ৩:৪৯, ৫:১১০ আয়াত) সুরা আল ইমরানে বলা হয়েছে ঈসা তিনি জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্তকে সুস্থ করে, মাবুদের হুকুমে মৃতকে জীবন দিয়ে তিনি তাঁর ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সূরা মায়িদাতেও বলা হয়েছে একই কথা এবং বলা হয়েছে তাঁকে পবিত্র আত্মা দ্বারা শক্তিশালী করা হয়েছে। তিনি তাওরাত কিতাব, হিকমত ও ইঞ্জিল জানতেন। আর সেটা তাঁর মা বাবার সাথে যিরুসালেমে মন্দিরের ঘটনায় আমরা দেখতে পাই। সেখানে তিনি অধ্যাপক, জ্ঞানী লোক, তর্কবাদীদের সাথে কথা বলেছিলেন। বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন কারণ এগুলো তাঁর সত্ত্বা। মাবুদ থাকে দুনিয়াতে সমস্ত দুনিয়ার ভার বহন করার জন্য এবং তাঁর ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য পাঠিয়েছিলেন। (ইশাইয়া: ৪২:২-৩ আয়াত এখানে বলা হয়েছে, ‘‘তিনি চিৎকার করবেন না বা জোরে কথা বলবেন না, তিনি রাস্তায় রাস্তায় তাঁর গলা শোনাবেন না। কারণ তিনি এ জগতের রাজাদের মতো না, গায়ের জোরে সব কিছু দখল করবেন না, কিন্তু তিনি সত্যে ও ন্যায়ে সবকিছু প্রতিষ্ঠা করেন)’’।
ঈসা তিনি নিজের সম্পর্কে বলেন, ‘‘মনে রেখো মানুষপুত্র সেবা পেতে আসেননি, বরং সেবা করতে এসেছেন এবং অনেক লোকের মুক্তির মূল্য হিসেবে তাদের প্রাণের পরিবর্তে নিজের প্রাণ দিতে এসেছেন’’ (মথি: ২০:২৮আয়াত)।
পরিশেষে, এ কথা সত্য ‘ঈসা বলেছিলেন আমি পথ, সত্য এবং জীবন, যে আমাতে ঈমান আনে, সে মরিলেও জীবিত থাকবে। ঈসা আরো বলেছিলেন, ‘‘আমি তোমাদের মধ্যে সেবাকারীর মতো’’ (লূক: ২২:২৭ আয়াত)। প্রত্যেকটা অনুচ্ছেদ লক্ষ্য করলে দেখি তাঁর কথা এবং কাজে মিল আছে তিনি তাঁর জীবন দিয়ে তা প্রমাণ করে গেছেন এবং তিনি সত্য ও ন্যায়ে তাঁর রাজত্ব এই দুনিয়াতে তাঁর ন্যায়বিচার স্থাপন করেছেন। সুতরাং এই সত্য আমাদেরকে স্বীকার করতে হবে এবং বিশ্বাস করতে হবে। তাহলেই আমরা এই দুনিয়াতে ঈসা মসীহের ‘ন্যায় বিচার’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবো।
মনিকা বিশ্বাস: লেখক ও খ্রীষ্টিয় ধর্মতত্ত্ববিদ।

Previous Post

ফরিদপুরে ট্রাকচাপায় অটোভ্যানের ২ যাত্রীর প্রাণহানী

Next Post

বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র সাত দিনেও চালু হয়নি

Admin

Admin

Next Post
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র সাত দিনেও চালু হয়নি

বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র সাত দিনেও চালু হয়নি

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 9 8 4 4
Users Today : 172
Views Today : 217
Total views : 182065
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In