• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

সাঁওতাল বিদ্রোহ : অধিকার আদায়ের বাতিঘর—মিথুশিলাক মুরমু

সাঁওতাল বিদ্রোহ : অধিকার আদায়ের বাতিঘর—মিথুশিলাক মুরমু

Admin by Admin
জুলাই ১, ২০২১
in প্রচ্ছদ, মতামত
0 0
0
সাঁওতাল বিদ্রোহ : অধিকার আদায়ের বাতিঘর—মিথুশিলাক মুরমু
0
SHARES
74
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

মতামত ● মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত পরিণত হচ্ছেন—এম.এম দত্ত ○ মিথুশিলাক মুরমু

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আবার শুরু হচ্ছে

ক্যালিফোর্নিয়ায় বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণহানি ৮

সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিল—অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই, সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে বিশ্ববাসী দেখেছে এক অসম যুদ্ধ। একদিকে জমিদার-মহাজন, স্থানীয় প্রশাসন ও পরবর্তী ব্রিটিশ সরকারের প্রশিক্ষিত সৈন্যসামন্ত এবং তাদের অত্যাধুনিক বুলেট-বন্দুক-কামান; অপরদিকে সত্যের সিপাহী অরণ্যচারী সাঁওতাল নারী-পুরুষ, হাতে তাদের তীর-ধুনক, টাঙ্গি, লাঠি; মনে অমিত সাহস। সাঁওতালরা মৃত্যুকে বেছে নিয়েছে কিন্তু অস্ত্রের কাছে, মিথ্যের দাপাটের আওতাধীন হননি। সিধু-কানুর বিদ্রোহের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে তাদের সহিযুক্ত একটা ইস্তেহারের নকল স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছিলো। এই ইস্তেহারটিতে আবেদন জানানো হয়েছিল ‘গরিব জনসাধারণের কাছে’। ইস্তেহারে লেখা ছিলো—‘যুবা ঠাকুর নিজে যুদ্ধ করবে, কেষ্ট ঠাকুর ও রামচন্দ্র সহযোগী হবে। ঠাকুরের নির্দেশে কৃষকরা ভেরী বাজাবে এবং ঠাকুর য়ূরোপীয় সৈনিক-ফিরিঙ্গিদের মস্তক ছেদন করবে। সাহেবরা যদি বন্দুক ও বুলেট নিয়ে যুদ্ধ করে তাহলে সেই বন্দুক ও বুলেট ঠাকুরের ইচ্ছায় নিষ্ফল হবে’ (বাংলার বিদ্রোহ, হোসেন উদ্দীন হোসেন, পৃষ্ঠা-১৩৫)। বিদ্রোহ চলাকালীন সময়েও কোনো কোনো সময় সাঁওতালরা উপলব্ধি থেকে বলেছেন, ‘ঠাকুর থাকেন, দূরে দূরে বহুদূরে’। তিনি সাঁওতালদের আর্জি শ্রবণ থেকে মুখ ফিরিয়েছেন। হয়তো সত্যি, হয়তো নয়! অতঃপরও ঠাকুরের আশির্বাদ মাথায় নিয়ে সাঁওতালেরা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে দিয়েছিলো। মানুষের মুখে মুখে শোনা যেতো একটি গান—
‘সিধু, সিধু ভাই তোর কিসের তরে রক্ত ঝরে
কি কথা রইল গাঁথা, ও কানু তোর হুল হুল স্বরে
দেশের লেগে অঙ্গে মোদের রক্ত রাঙা বেশ
জান না কি দস্যুবণিক লুটলো সোনার দেশ’ (সাঁওতালী থেকে বঙ্গানুবাদ)।
সিধু-কানু’রা ঘোষণা দিয়েছিলো—তাদের রাজ্যে কাউকে খাজনা দিতে হবে না। প্রত্যেকে সাধ্যতম জমি চাষ করার অধিকার পাবে। সমস্ত ঋণ মওকুফ করে দেওয়া হবে। বলদ চালিত লঙ্গলের উপর দু’পয়সা আর মহিষ চালিত লাঙলের উপর দু’আনা খাজনা
ধার্য হবে। সিধু-কানু’দের স্বপ্ন অধরায় থেকে গেছে কিন্তু জ্বেলে দিয়ে গেছে চেতনার মশাল, স্বাধীনতার পথে ইট-সুরকী-বালি।
১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে সিপাহী বিদ্রোহ, যা প্রথম স্বধীনতা যুদ্ধ বলে পরিচিতি লাভ করেছে, তার অনেক আগে থেকেই কোম্পনি রাজের বিরুদ্ধে অসংখ্য বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছে ভারতবর্ষেও বিভিন্ন প্রান্তে নানা কারণে। বস্তুত ১৭৫৭’র পলাশির যুদ্ধের পর থেকেই একটানা কোনো না কোনো সশস্ত্র অসন্তোষ সামাল দিতে হয়েছে কোম্পানির-রাজকে এবং পরে ব্রিটিশ সরকারকে। আর তীব্র এই প্রতিবাদী আন্দোলনের প্রথম সারিতে ছিলো ভারতের আদিম জনগণ-আদিবাসীরা। আদিবাসী বিদ্রোহ ঘটেছে অগণ্য: সেগুলির মধ্যে নিম্নলিখিতগুলো উল্লেখের দাবি রাখে। এছাড়াও আরও অসংখ্য ছোট খাট বিদ্রোহ ঘটেছিল: সন্ন্যাসী বিদ্রোহ (১৭৬৩-১৮০০), মোদিনীপুর বিদ্রোহ (১৭৬৭-৬৮), চুয়াড় (ঘাটশিলা ও বরাভূমের মধ্যবর্তী অঞ্চলের অধিবাসী) বিদ্রোহ-১৭৭০ ও ১৭৯৮-৯৯, চামকা বিদ্রোহ (পাবর্ত্য চট্টগ্রাম ১৭৭৬-৮৭), পাহাড়িয়া বিদ্রোহ (বীরভূম-বাঁকুড়া ১৭৮৯-৯১), মানভূমের ভূমিজ বিদ্রোহ (১৭৯৫-১৮০০), খাসি বিদ্রোহ—১৮০৪-১৮৩৮, নায়েক বিদ্রোহ (মদিনীপুর, ১৮০৬-১৬), ত্রিবাঙ্কুরের ধেওয়ান ভেলুতামশির নেতৃত্বে খান্দেশের আদিবাসীদের বিদ্রোহ-১৮০৮, জটি বিদ্রোহ-১৮০৯, সাহারণপুরের গুজার বিদ্রোহ-১৮১৩, খান্দেশের ভীল বিদ্রোহ-১৮১৮, গোপাল সিং ও দিবাকর দীক্ষিতের নেতৃত্বে বুন্দেলখন্ডীদের বিদ্রোহ—১৮২৪, কিট্টুর (বেলগাঁও) বিদ্রোহ-১৮২৪, নীল চাষের সংগ্রাম (১৮৩০-৪৮), কোল বিদ্রোহ-১৮৩১-৩২, ওয়াহাবী আন্দোলন (১৮৩১), ভিজিয়ানা গ্রামের নেতৃবর্গের বিদ্রোহ-১৭৯৪-১৮৩৪, ময়মনসিংহের গারো জাগরণ (১৮৩৭-৮২), ফরাজী বিদ্রোহ (ফরিদপুর ১৮৩৮-৪৮), নাগা বিদ্রোহ—১৮৩৯, আন্না সাহেবের নেতৃত্বে কোলাপুর বিদ্রোহ-১৮৪৪, ত্রিপুরার কৃষক বিদ্রোহ (১৮৪৪-৯০), ওড়িশার খোন্ড বিদ্রোহ—১৮৪৬, এবং ব্রিটিশ শাসকদের যা সবচেয়ে বেশি বেগ দিয়েছিলো সিধু-কানু, চাদ ও ভৈরবের নেতৃত্বাধীন সেই সাঁওতালা বিদ্রোহ-১৮৫৫ এবং মুন্ডা বিদ্রোহ-১৮৫৭।
সাঁওতাল বিদ্রোহের ঘটনাপঞ্জি থেকে বিদ্রোহের ব্যাপ্তি ও গভীরতা সম্বন্ধে কিছুটা উপলব্ধি করা যায়—
১৭ জানুয়ারী, ১৭৮৪: ভাগলপুর ও রাজমহলের কালেক্টর ক্লিভল্যা-হত্যা। তিলকা মুরমু’র নেতৃত্বে প্রথম সশস্ত্র সাঁওতাল বিদ্রোহ।
১৭৮৫: তিলকা মুরমু’র ফাঁসি।
১৮৩২-১৮৩৩: জন পেটি ওয়ার্ড এবং সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন ট্যানার কর্তৃক দামিন-ই কোহ্র সীমানা নির্ধারণ। কটক, ধলভূম, মানভূম, বরাভূম, ছোটনাগপুর, পালামৌ, হাজারীবাগ, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও বীরভূম থেকে দলে দলে সাঁওতালদের দামিন-ই-কোহ্তে প্রবেশ।
৩০ জুন, ১৮৫৫: ভগনাডিহি গ্রামে (বর্তমান সাঁওতাল পরগনার অন্তর্গত) বিশাল সমাবেশ সিধু-কানুর ভাষণ এবং শোষণহীন স্বরাজ প্রতিষ্ঠা করার জন্য দশ হাজার সাঁওতালের শপথ গ্রহণ এবং কোলকাতা অভিমুখে প্রথম গণ-পদযাত্রা।
১৮ আষাঢ়, ১২২৬ বঙ্গাব্দ (৪ জুলাই ১৮৫৫): বিদ্রোহী সাঁওতালগণ দেবীর আরাধনার জন্য পাঁচকেথিয়া বাজারে সমবেত হন।
৭ জুলাই, ১৮৫৫: দিঘি থানার অত্যাচারী দারোগা মহেশলাল দত্ত, দুইজন বরকন্দাজ, কয়েকজন চৌকিদার এবং কুখ্যাত মহাজন মাণিকরাম ভকত সিধু-কানু ও তাদের ১৯ জন সহযোগীর হাতে মৃত্যুবরণ। সাঁওতাল বিদ্রোহের আগুন প্রজ্জ্বলিত হয়।
১১ জুলাই, ১৮৫৫: বিদ্রোহ দমনের জন্য সেনাবহিনীসহ মেজর F.W. Burroughs—এর কলগাঁ আক্রমণ।
১২ জুলাই, ১৮৫৫: সিধু-কানু, চাদ-ভাইরো’র নেতৃত্বে বিদ্রোহীদের পাকুড়ে প্রবেশ এবং রাজবাড়ি আক্রমণ।
১৩ জুলাই, ১৮৫৫: কদমসায়েরে সেভেন্থ রেজিমেণ্ট বাহিনীর আগমণ, বৃহত্তর সামগ্রিক সংগ্রামের সূত্রপাত।
১৫ জুলাই, ১৮৫৫: পুকুড়ের কাছে তারই নদী তীরে সাঁওতাল বিদ্রোহীদের সঙ্গে সেভেন্থ রেজিমেন্টের সামনা-সামনি যুদ্ধ। যুদ্ধে সাঁওতাল বাহিনীর চরম বিপর্যয়।
১৬ জুলাই, ১৮৫৫: বিদ্রোহীদের কাছে Major Burrough—র পরিচালিত ব্রিটিশ সৈন্যের পিয়ালাপুরের যুদ্ধে পরাজয়।
২০ জুলাই, ১৮৫৫: এই সময় থেকে বিদ্রোহ ক্রমান্বয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বীরভূমের তালডাঙ্গা এবং সাঁইথিয়া থেকে ভাগলপুর হয়ে রাজমহল অঞ্চল জুড়ে বিস্তার লাভ করে।
২১ জুলাই, ১৮৫৫: কাতনা গ্রামে ইংরেজ বাহিনীর পরাজয় স্বীকার।
২৩ জুলাই, ১৮৫৫: বীরভূমের বিখ্যাত ব্যবসাকেন্দ্র নাগপুর বাজার ধ্বংস।
২৪ জুলাই, ১৮৫৫: বারহাওয়া বারহাইত রাস্তায় রঘুনাথপুর অঞ্চলে মুর্শিদাবাদের ম্যাজিষ্ট্রেট Toogood -র পরিচালিত ইংরেজ সৈন্যের কাছে চাদ-কানুর পরাজয়।
২৫ জুলাই, ১৮৫৫: সাঁওতালেরা ভাগলপুর ও পূর্ণিয়া অঞ্চলে Manifesto দাখিল করেন।
২৭ জুলাই ১৮৫৫: Lieutenant Taulmain এবং ১৩ জন সিপাহী বিদ্রোহীদের হাতে মারা যান।
২৯ জুলাই, ১৮৫৫: Captain Sherwill কর্তৃক মুনহান ও মুনকাতরো গ্রামসমেত ১২ টি সাঁওতাল গ্রাম ধ্বংস।
৩০ জুলাই, ১৮৫৫: এলাকার আরও সাতটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে ক্যাপ্টেন রুবি গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেয়।
৩১ জুলাই, ১৮৫৫: মেজর জেনারেল লয়েডের ওপর বিদ্রোহ দমনের ভার অর্পণ।
২ আগস্ট, ১৮৫৫: Lieutenant Rubin কর্তৃক আরসাতখানি গ্রাম ধ্বংস। Major Shuckburgh-র কর্তৃক ১৫ টি সাঁওতাল গ্রাম ধ্বংস।
৬ আগস্ট, ১৮৫৫: নদীয়ার ডিভিশনাল কমিশনারর A.C. Bidwell কে বিদ্রোহ দমনের জন্য স্পেশাল কমিশনার হিসাবে নিয়োগ।
১৭ আগস্ট, ১৮৫৫: ইংরেজ সরকার কর্তৃক আত্মসমর্পণের ঘোষণা পত্র প্রচার ও সাঁওতালদের এই ঘোষণা প্রত্যাখান।
১৯ আগস্ট, ১৮৫৫: নাজিয়া মাজহী ও ভুগন মাজহীর বিশ্বাস ঘাতকতায় সিধু Major Shuckburgh-র হাতে ধরা পড়েন।
১৬ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫: মোচিয়া কাঁসজোলা, রাম ও স্বন্দ্রা মাজহীর নেতৃত্বে ওপরবাঁধ থানা ও গ্রাম লুঠ।
২ অক্টোবর, ১৮৫৫: ঘোর সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ অফিসার এ. রিভার্স টমসনের বীরভূমের অফিসিয়েটিং ম্যাজিস্ট্রেটরূপে কার্যভার গ্রহণ।
২ সপ্তাহ অক্টোবর, ১৮৫৫: সিধু-কানু কর্তৃক অম্বা হানা মৌজা লুট।
১০ নভেম্বর, ১৮৫৫: ইংরেজ সরকার কর্তৃক সামরিক আইন জারি।
৩০ নভেম্বর, ১৮৫৫: কানু ও তার দুই ভাই চাদ-ভাইরো তাদের সঙ্গীসহ জারোয়ার সিং নামে ঘাটোয়াল সর্দারের তৎপরতায় ধরা পড়ে।
৩ জানুয়ারী, ১৮৫৬: ইংরেজ কর্তৃপক্ষ সামরিক আইন তুলে নেয়।
১৪ জানুয়ারি, ১৮৫৬: বারহাইতের কাছে বারমাসিয়া অঞ্চলে বিদ্রোহের বিস্তার এবং এই সময়ে সংগ্রামপুরের ইউরোপীয় ফ্যাক্টরি আক্রান্ত হয়।
১৪, ১৫, ১৬ জানুয়ারি, ১৮৫৬: কানুর বিচার স্পেশাল কমিশনার এলিয়টের এজলাসে।
২৩ জানুয়ারি, ১৮৫৬: সুজারামপুরের গ্রান্ট সাহেবের কুঠি লুঠ।
২৭ জানুয়ারি, ১৮৫৬: Leutenant Fagan পরিচালিত ভাগলপুর হিল রেঞ্জার্স বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি সংগ্রামে সাঁওতালদের পরাজয়।
দ্বিতীয় সপ্তাহ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৬: সিধুর ফাঁসি অথবা এক সম্মুখ সংঘর্ষে সিধুর প্রাণত্যাগ।
২১/২২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৬: বীরভূমের সাঁওতালগণ করুকাতারা পরগনার বেশ কিছু মহাজনের সম্পত্তি আটক করেন।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৬: ভগনাডিহিতে বেলা পৌনে দুটোর সময় কানুর ফাঁসি হয়।
সাঁওতাল বিদ্রোহে শুধু সাঁওতালরাই যুক্ত ছিলো না; ছিল—কামার-কুমার, তেলী, চামার, ডোম এবং মুসলমান তাঁতিরা। সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিলো জনযুদ্ধ, ঐতিহাসিক যুদ্ধ। আমার বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানের প্রস্তাবনায় লেখা হয়েছে—‘জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের’। ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সহজ পাঠ’ গ্রন্থে বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী উক্ত অংশটির বর্ণনা করেছেন—“…অত্যাচার-উৎপীড়ন, শোষণ-লুণ্ঠন প্রতিরোধে বাংলার কৃষকদের অত্যুজ্জ্বল ইতিহাস আমরা পড়ি। সে ইতিহাসের সূচিপত্র এই: …গারো বিদ্রোহ (১৭৭৫-১৮০২), চাকমা বিদ্রোহ (১৭৭৬-৮৭), …সাঁওতাল বিদ্রোহ (১৮৫৫-৫৭)… তেভাগার দাবিতে কৃষক বিদ্রোহ (১৯৪৬-৪৭)…। উপরিউক্ত প্রত্যেকটি বিদ্রোহের ফলাফল আদৌ বিবেচ্য নয়, আসল বিবেচ্য হচ্ছে এগুলোর চরিত্র এবং তা হলো—অসম অথচ সাহসিক বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহ সংগ্রামগুলির ধারাবাহিকতাতেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র প্রতিরোধ ও যুদ্ধ—যা সার্বিক অর্থে ছিল ‘জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম।’ তাই শুধু যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করলে ১৯৭১ সালে মুক্তির জন্য সংগ্রাম দুই শতাধিক বছরের সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, ঐতিহাসিক ধারাকে ভুলে যেতে হয়” (পৃষ্ঠা- ৩০)। সাঁওতাল বিদ্রোহকে সামনে রেখে গীতিকার লিখেছেন—
‘আমরা প্রজা, সাহেব রাজা, দুঃখ দেবার যম
তাদের ভয়ে হটবো মোরা এমনি নরাধম?
মোরা শুধু ভুগবো?
না, না মোরা রুখবো।
মিথুশিলাক মুরমু : আদিবাসী বিষয়ক গবেষক ও লেখক।

Previous Post

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হলেই গ্রেপ্তার: ডিএমপি কমিশনার

Next Post

কঠোর বিধিনিষেধে ঢাকার রাস্তা ফাঁকা

Admin

Admin

Next Post
কঠোর বিধিনিষেধে ঢাকার রাস্তা ফাঁকা

কঠোর বিধিনিষেধে ঢাকার রাস্তা ফাঁকা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 4 0 0 3 3
Users Today : 111
Views Today : 121
Total views : 182270
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In